নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চুপ থাকা, নির্লিপ্ততা! আপাততঃ ধ্যান করছি।

নাজনীন১

আমি বাংলাদেশি নারী।

নাজনীন১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক অপরাধী, স্বার্থপর মায়ের গল্প

১০ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪৬

এই স্বার্থপর পৃথিবীতে এক স্বার্থপর মা আছেন, যিনি শাশ্বত মায়ের যে রূপটি আছে, আবহমান বাংলার যেসব একতরফা নীরব ত্যাগী মায়েদের যেসব গল্পগাঁথা আছে, সে ঐতিহ্যকে ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিতে চান, নতুন আদল দিতে চান। আজ সে মায়ের গল্প বলবো।



তিনি চান এ সমাজের কিছু পরিবর্তন, তিনি ভাঙ্গতে চান এ সমাজে মেয়েদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা কিছু নিয়মের বেড়াজাল। এ জন্য তিনি নিজের জীবনকেই গবেষণার একটা স্যাম্পল হিসেবে নিয়েছেন। নিজেকেই বসিয়েছেন গিনিপিগের আসনে। সমাজের প্রচলিত নিয়মের বাইরে নতুন যা কিছু সঠিক বলে ভাবছেন, হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তা প্রথমে নিজের জীবনেই পরখ করে দেখছেন।



তিনি চান এ সমাজে মায়েরা শুধু ত্যাগই করবে না, নিজের জন্যও কিছু পাওয়ার চেষ্টা করবে। যে মা নিজে প্রতি পদে মাথা নিচু করে থাকবে, তার সন্তানেরা কেমন করে মাথা উঁচু করা শিখবে? যে মেয়ে নিজে সমাজের সব অনাচার, সব অন্যায় আবদার বিনা বাধায় মেনে নিবে, তার মেয়ে কি করে প্রতিবাদ করা শিখবে? কেমন করে তার মেয়ে এ প্রতিকূল সমাজে পথ চলবে? কোথা থেকে শিখবে সে? কেন বুড়ো বয়সে এক মাকে স্বামীর জমানো টাকা আর সন্তানের দয়ার দিকে চেয়ে থাকতে হবে? যখন তার সন্তানেরা বড় হয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে, সারাটা জীবনের সময়গুলো ওইসব সন্তানের পিছনে ব্যয় করে ঐ মা কেন বুড়ো বয়সে একাকী দিন কাটাবে, কেমন করে কাটাবে? কে হবে তার বন্ধু-বান্ধব? কার সাথে দুটো কথা বলে তার সময় কাটবে? কেন মাদের শুধু সর্বংসহাই হতে হবে? মায়েরা কেন ঘরের বাইরের এ সুন্দর বিশ্বকে একটু উঁকি মেরে দেখবে না? কেন সারাজীবন ওই হেঁশেলের চার দেয়ালই তার ঠিকানা হবে? মায়েরা কি শুধু মা-ই, মানুষ নয় কি?



প্রতিনিয়ত এ পরীক্ষা চালাতে গিয়ে তিনি কখনো হয়তো সফল হন, কখনো কিছুটা বিফল হন, আবার ভুলগুলোকে সংশোধন করে পূর্ণদ্যোমে ঝাপিয়ে পড়েন। প্রতিদিনের শেষে তার মনের মাঝে চলে হিসাব-নিকাশ, কি করেছে, কি করা উচিত ছিল, ফলাফল কেমনটা আশা করেছিল, কেমনটা হচ্ছে।





আর নিজের জীবনকে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মাশুল দিচ্ছে তার পরিবার, তার বাচ্চারা। এ মা মাঝে মাঝে নিজের কাজে এমনই ডুবে যান যে বাচ্চাদের খবর নিতেও তার দেরী হয়ে যায়। তখন তাকে অভিযোগ শুনতে হয় আম্মু অনেকদিন ফোন করে না, হয়তো সেটা ২/৩ দিন, কিন্তু সেটাও তো তার বাচ্চাদের জন্য অনে-কদিন। কারণ, তারা তো মায়ের কথা শোনার জন্য, মায়ের সাথে একটু গল্প করার জন্য, নিজেদের বন্ধুদের গল্প করার জন্য, ভাইবোনের ঝগড়াঝাটি, মারামারির যতরকমের নালিশ আছে সব করার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে থাকে। যখন দুই-তিন দিন খবর নেয়া হয় না, তখন তো তারা অপেক্ষা করতে করতে ভুলেই যায় তাদের সব গল্প। একসময় হতাশ হয়ে যায়, আশা ছেড়ে দেয়। বাবার কাছে নালিশ, আম্মু ফোন করেনি। বাবা সাথে সাথে তাকে তটস্থ করেন, কি ব্যাপার, খুব ব্যস্ত নাকি? মাঝে মাঝে বাচ্চারা তাদের স্বার্থপর মাকে জিজ্ঞ্যেস করে কবে তার কাজ শেষ হবে, কবে ফিরে আসবে?



নিজের লক্ষ্যে অটল, সংকল্পে স্থির মা টা নিজের বুকের মাঝের কম্পিত আবেগটাকে দক্ষ হস্তে নিয়ন্ত্রণ করে নানারকম হাবিজাবি জবাব দিয়ে আশায় আশায় ভরিয়ে রাখে তার সন্তানদের, এই তো অমুক মাসেই এসে যাবে। মাত্র আর কটা দিন, একটু সবুর করো। এবার আসলে কি আবার যাবে? হ্যাঁ, আবার যাবো, তারপর একেবারেই ফিরবো, দেখো আর যাবো না। সে মা তার সন্তানদের নানারকম ভাল ভাল উপদেশ দেয়, পরামর্শ দেয় -- এ করো না, ঐ করো না, তোমাদের অনেক বড় হতে হবে, অনেক ভাল করতে হবে লেখাপড়ায়, অনেক কিছু শিখতে হবে, মানুষের মতো মানুষ হতে হবে, দুষ্টমি বেশি করা চলবে না, আরো কত কি!



কিন্তু সে মা আপাতত পারেন না তার সন্তানদের একটু সময় দিতে। জীবনের কিছুটা সময় স্বেচ্ছায় কঠিন করে নিয়েছেন তিনি। নাহ্‌, ষোলআনাই স্বেচ্ছায় নয়, নিয়তিতে যার আস্থা সে বোঝে নিয়ত আর নিয়তি সবসময় সমানতালে চলে না, চাইলেই সবকিছু পরিকল্পনামাফিক করা যায় না। তাই তো সেই দুর্ভাগা মায়ের পদে পদে সীমাবদ্ধতা, চাইলেই যে সব সীমা ভেঙ্গে ফেলতে পারে না। যদিও নিজস্ব গন্ডির অনেক সীমাই সে অবলীলায় ভেঙ্গে ফেলে কাউকে পরোয়া না করেই, কিন্তু ভিনদেশের সব নিয়ম সে ভাঙ্গতে পারে না। সব সাধ্য যে তার নেই!



তাই মাতৃস্নেহটা তার বুকের মাঝেই লুকিয়ে রাখতে হয়। মা দিবসে চারিদিকে যখন সন্তানেরা সব ত্যাগী, নিঃস্বার্থ মায়েদের গল্পে মুখর, তখন সেই স্বার্থপর মা-টা সন্তানদের অনুযোগ নিয়ে মুখ লুকিয়ে রাখে, আত্মগ্লানিতে ভোগে। মাঝে মাঝে জীবনের ডেবিট-ক্রেডিটের হিসাব মেলাতে গিয়ে শংকিত হয়, খুব বেশি আগুন নিয়ে খেলা হচ্ছে না তো!

মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৫৬

দাসত্ব বলেছেন: প্রথম প্লাস, এই ধরনের ঝামেলা তৈরী হয় এই ধারনা থেকে যে পুরুষরা দুনিয়াটা চুটায়া এনজয় করতেসে। ভুল। সিম্পলি ভুল।

জীবন সংগ্রামের যত বিখ্যাত ফিলোসোফি আছে তার সবই বলতে গেলে পুরুষ ফিলোসোফারদের।
কারন পুরুষরা যা করে জীবনের দায়িত্ব বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য করে, এখানে উপভোগের কিসু নাই।
ঐসব মা আসলে লাইফ এনজয় করা নিয়ে চিন্তা করে , ছেলেমেয়ের মেরুদন্ড শক্ত হবে এগুলা টালবাহানা।
পরিণতি ভালো হয়না।
পুরুষই হোক , নারীই হোক - যা কিছু করো নিজের পরিবারের জন্য করো। এটাই জীবনানন্দ

১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:২৮

নাজনীন১ বলেছেন: নিজের পায়ে উপর দাঁড়ানো নারীদেরও দেখেছি, গৃহিনী নারীদেরও দেখেছি, ফিলোসফির বড় বড় তত্ত্ব পুরুষেরা লিখে গেছেন, সময় পেয়েছেন, কারণ তাদের হেঁশেল আর বাচ্চা-কাচ্চা সামলাতে হয়নি।
চাহিবামাত্র টেবিলে কাগজ-পত্র রেডী, ঘুম থেকে উঠেই নাস্তা রেডী, লেখালেখির টেবিলে কতক্ষণ পরপর চা সরবরাহ, আলনায় ধোপ-দুরস্ত কাপড় রেডী পাবার পরই একেকজন বিখ্যাত ফিলোসফার হয়েছেন।

আর নারীরা ঐসব ফিলোসফি পুরুষদের চেয়েও ভাল বোঝা সত্ত্বেও বড় ফলোসফার হিসেবে নাম কুড়াতে পারেনি, কারণ, মনের কথা লিখে রাখার মতো ফুসরত কোথায় তাদের? সবার দেখভাল করে যখন নিজের জন্য এতোটুকু সময় বের করার সুযোগ কোথায় তাদের?

ধন্যবাদ।

১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৩২

নাজনীন১ বলেছেন: আমার নিজের মা-চাচী-খালা চাকুরীজীবি, অন্যদিকে শাশুড়ি-ফুফু ও অন্যান্য খালারা গৃহিনী, সবার পরিবারের সন্তানদের মানসিক পার্থক্যগুলো নিজ থেকেই উপলব্ধি করি। কারো বক্তৃতা শুনে শেখা নয়।

২| ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:১৯

শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন: নির্মম বাস্তবতা।

১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:২৮

নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:২৬

সুরঞ্জনা বলেছেন: ভালো লাগলো।

১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:২৯

নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৩১

দাসত্ব বলেছেন: আলোচনাতো ভুল দিকে নিয়ে গেলেন: নিজের জন্য এতোটুকু সময় বের করার সুযোগ
কে বললো ? - পুরুষ নিজের জন্য সময় বের করে নেয় ?
তার কাজের পেছনে যতটা পরিশ্রম তার পুরো ফলটাইতো পায় তার পরিবার।

১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৩৭

নাজনীন১ বলেছেন: আপনি পুরুষ নিয়ে এখানে কেন চিন্তিত? এখানে মাদের নিয়ে কথা হচ্ছে। আপনি প্রাসঙ্গিক আলোচনায় থাকুন।


নারী-পুরুষ সবার পরিশ্রমই তার পরিবারের কাজে লাগে।

৫| ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৪৫

দাসত্ব বলেছেন: নারী-পুরুষ সবার পরিশ্রমই তার পরিবারের কাজে লাগে।
সহমত

৬| ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১২:৪৬

কি নাম দিব বলেছেন: ভালো লাগলো

++

১১ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:০৭

নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১:০৩

শামীম শরীফ সুষম বলেছেন: প্লাস

১১ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:০৭

নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮| ১১ ই মে, ২০১০ রাত ১:৩৫

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: সফল হোক সব কষ্ট আর অপেক্ষা।

১১ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:০৮

নাজনীন১ বলেছেন: ধন্যবাদ শুভকামনার জন্য।

৯| ১১ ই মে, ২০১০ সকাল ৮:৫৬

মানবী বলেছেন: "তিনি চান এ সমাজের কিছু পরিবর্তন, তিনি ভাঙ্গতে চান এ সমাজে মেয়েদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা কিছু নিয়মের বেড়াজাল। এ জন্য তিনি নিজের জীবনকেই গবেষণার একটা স্যাম্পল হিসেবে নিয়েছেন। নিজেকেই বসিয়েছেন গিনিপিগের আসনে।"

"কেমন করে তার মেয়ে এ প্রতিকূল সমাজে পথ চলবে? কোথা থেকে শিখবে সে? কেন বুড়ো বয়সে এক মাকে স্বামীর জমানো টাকা আর সন্তানের দয়ার দিকে চেয়ে থাকতে হবে? যখন তার সন্তানেরা বড় হয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে, সারাটা জীবনের সময়গুলো ওইসব সন্তানের পিছনে ব্যয় করে ঐ মা কেন বুড়ো বয়সে একাকী দিন কাটাবে, কেমন করে কাটাবে? কে হবে তার বন্ধু-বান্ধব? কার সাথে দুটো কথা বলে তার সময় কাটবে? কেন মাদের শুধু সর্বংসহাই হতে হবে? মায়েরা কেন ঘরের বাইরের এ সুন্দর বিশ্বকে একটু উঁকি মেরে দেখবে না? কেন সারাজীবন ওই হেঁশেলের চার দেয়ালই তার ঠিকানা হবে? মায়েরা কি শুধু মা-ই, মানুষ নয় কি?"


- এসব কিছুর জবাব, এক্সপেরিমেন্ট সন্তানদের স্নেহবন্চিত না করেই করা যায় মনে হয়।

সকল ব্যস্ততা আর হাজার কাজের পরও মা সন্তানকে নিশ্চিত ভাবে জানাতে পারেন, সন্তান তার কাছে অমূল্য। সন্তানের প্রতি ভালোবাসার কমতি তাঁর নেই... এই দূরত্ব সাময়িক।

সন্তান আস্বস্ত হলে মায়ের অনুপস্থিতিতেও তাঁর ভালোবাসার ছোঁয়া তাদের আগলে রাখবে।

আমি নিজে একজন ভীষণ কর্মব্যস্ত মায়ের সনআন হিসেবে বড় হয়েছি, তাই জানি.. এমন সম্ভব।


শুভকামনা নাজনীন১

১১ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১৭

নাজনীন১ বলেছেন: অবশ্যই সন্তানদের স্নেহবঞ্চিত করে নয়, তাহলে তো ভুল পথে চলা হলো।

আসলে সন্তানদেরকে আপাতত নিয়মের কাছে আটকে পড়ে কাছাকাছি রাখতে না পারার সীমাবদ্ধতাই মাঝে মাঝে কাতর করে, এই আর কি।

আর সন্তানদেরকে সেভাবেই ট্রেইন্ড আপ করা, তারা বোঝে মায়ের ব্যস্ততা, তবুও তো ছোট মানুষ, তাদেরও তো মাকে দেখতে ইচ্ছে করে, মায়ের পিঠে হেলান দিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে করে, মায়ের কোলের উপর শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে, মায়ের হাতে ভাত খেতে ইচ্ছে করে।

কি বলবো, আমার মাও চাকুরীজীবি, তবুও আমি ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত স্কুল থেকে ফিরে মার হাতেই ভাত খেতাম। ছোট ফুফুর বিয়ে হয়ে যাবার পর (উনি তখন আমার ছোট ভাইকে আগলে রাখতেন) আর মায়ের জন্ডিস হয়ে তিনমাস কমপ্লিট বেড রেস্টে থাকার কারণে আমার সে অভ্যাসে ভাটা পড়ে।

১১ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১৮

নাজনীন১ বলেছেন: সন্তান অবশ্যই আল্লাহ্‌তাআলার এক অপূর্ব নেয়ামত, কোন সন্দেহ নাই এতে।

১০| ১২ ই মে, ২০১০ সকাল ৭:২৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: আসলেই নির্মম বাস্তবতা।
পৃথিবী ও তার সমাজে এমন কিছু সমস্যা থেকেই আছে যার সমাধান বের করার জন্য শতব্দীর পর শতাব্দী প্রচেষ্টা চলেছে, ফলাফল নেই।
মায়েরা নিজেদের শেষ করে অন্যদের তুলে আনবেনই। এটা যেন একটা স্বভাব ধর্ম। নিজের দিকে কখনো খেয়াল করবেন না। তাকে যতই আপনি বুঝান ও পথ থেকে সে ফরবে না।

সব মায়েদের জন্য শ্রদ্ধা।

১৩ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:২৬

নাজনীন১ বলেছেন: কিন্তু মায়েদের বুঝতে হবে সন্তানরা মাকেই বেশী অনুসরণ করে। তাই মায়ের যদি ব্যক্তিত্বের ঘাটতি থাকে, জ্ঞান ও সচেতনতার ঘাটতি থাকে, সেটাও সন্তানদের মধ্যে প্রতিফলিত হতে পারে। আবার মায়েরা যদি আত্মকেন্দ্রিক হয়, সন্তানও তাই হতে পারে। মায়ের যদি ধর্ম, দেশ-সমাজ নিয়ে কোন ভাবনা না থাকে, সন্তানও এসবের প্রতি উদাসীন হতে পারে। মা যদি কোন পক্ষের আত্মীয়-স্বজনের প্রতি বেশি বায়াস্‌ড থাকেন, সন্তানও সেরকম হবে। মায়ের যদি সব অন্যায় মেনে নেয়ার মানসিকতা থাকে, তার সন্তানরা কখনোই সমাজ থেকে অন্যায় দূর করতে পারবে না। তাই মায়েদের সব দিকে ব্যালেন্সড থাকা জরুরী, তাহলে সন্তানরাও ব্যালেন্সড হবে।

মায়েদের প্রতি অবশ্যই শ্রদ্ধা।

১১| ১৩ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:০৬

শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: ভাল লাগল। ৯নং + লন

৩০ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৫৭

নাজনীন১ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১২| ৩০ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৫৪

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: ভালো লাগলো। প্লাস।

কেমন আছেন?

৩০ শে মে, ২০১০ রাত ১:০০

নাজনীন১ বলেছেন: মানুষের কষ্ট দেখে ভাল লাগে, ঠিক না। /:)

আছি ভাল আলহামদুলিল্লাহ। আপনি কেমন আছেন? দেখলাম একজন ব্লগার আপা আপনার জন্য মেয়ে দেখে? :)

জীবনের প্রথম শেখা ইংরেজীটা যেন তাড়াতাড়ি কাজে লাগাইতে পারেন সেজন্য শুভকামনা রইলো। :)

১৩| ৩০ শে মে, ২০১০ রাত ১:০৫

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: আপনি ভুল বুঝেছেন। পোস্ট ভালো লাগা আর কন্টেন্টের আবেদন কি এক?

আপনাকে তো আমার ব্লগে দেখিই না। আপনি কিভাবে জানলেন?

আছি মোটামুটি। দিন কেটে যাচ্ছে। আপনার কি অবস্থা?

৩০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯

নাজনীন১ বলেছেন: আমি আপনারে ঠিকই বুঝছি রে ভাই। আমি তো আপনার সাথে দুষ্টামী করলাম। :)

মানুষের যে কি হলো, খালি ভুল বুঝে। :(

আপনার শান্ত-শিষ্ট বেলার পর্ব-৫ আমি অফলাইনে পড়েছি, আলসেমি করে আর কমেন্ট করা হয়নি।

১৪| ৩১ শে মে, ২০১০ রাত ১২:০০

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: ওক্কে ওক্কে।

ভুল বুঝি নাই বস। ভালো থাইকেন।

১৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:২৫

বৈজ্ঞানিক বাংলা বলেছেন: আমি গণিতমনষ্ক যুক্তিবাদী। কিন্তু প্রদত্ত Natural System এর মা-সন্তান সম্পর্কে আবেগী (আমি বিশ্বাস করি এটাই যৌক্তিক)।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.