| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জিনিয়াস আরিফ
'জীবনের সবচেয়ে বড় জিনিস হল বিশ্বাস' 'এটাই বিশাল কিছু, যতক্ষণ আছে তোমার নিঃশ্বাস'
আজ মন ভাল নেই...!
সময়টা নভেম্বরের শেষের দিক।
শীত পড়ছে সবে। রাতুল বসে আছে ফুটপাতে।
হুট করে বৃষ্টি নামল। নভেম্বরের বৃষ্টি মানেই শীত নামানো বৃষ্টি।
ভিজতে ভালই লাগছে।
রস্তায় মানুষের ব্যাস্ততা।
বৃষ্টি নামায় তা আরও বেড়ে গেছে।
কী হয় গায়ে একটু পানি পড়লে ?
আজ নীলার সাথে রাতুলের ব্রেক আপ হয়েছে।
নীলা বৃষ্টিতে ভিজতে খুব ভালবাসত।
রাতুল বৃষ্টি তে ভিজতে পারত না।
রাতুলের এজমা আছে। বৃষ্টি তে ভিজলেই
হাপানির টান উঠে।
আজ ওসব কিছু মানছে না রাতুল।
ঠায় বসে আছে ফুটপাতে। ঝর ঝর করে
বৃষ্টি পরছে । চুল বেয়ে পানি নাক দিয়ে
গড়িয়ে পড়ে যাচ্ছে।
আজ সব বাধন ছিন্ন। কেউ আর বৃষ্টি র সময়
বলবে না- 'সোনা বৃষ্টি তে ভেজো না, ঠাণ্ডা লেগে যাবে'
এতো স্বপ্ন এতো আসা সব সামান্য ইগো এর কারনে
নষ্ট হয়ে গেল।
সাধারণ ব্যাপার। নীলা তার এক ফেস বুক ছেলে ফ্রেন্ডের
সাথে চ্যাট করেছে। চ্যাটে ঐ ছেলে নীলা কে প্রফাইল পিক টায় সেক্সি লাগছে বলেছে।নীলাও খুশি হয়ে আন্সার দিয়েছে।
রাতুল এটা নিয়ে নীলাকে জিজ্ঞাস করায় নীলা চটে যায়।
নীলা রাতুল কে চিপো মাইন্ডেড বলে।
আরও নানা কথা। শেষে নীলা আর স্টে করতে পারবে না
বলে দিয়েছে। এই হল অবস্থা।
ভালবাসার জন্য কীছুই ছাড় দিতে পারে নি নীলা।
কিন্তু ফেস বুক নামক মরিচিকার জন্য তার ভালবাসাকেই
বিসর্জন দিয়ে দিল নীলা।
আর রাতুল নীলা কে প্রচন্ড ভালবেসেও নীলাকে পেল না
এক বুক কষ্ট নিয়ে সে শীতের বৃষ্টি তে ভিজে ফিরছে।
যদি কষ্ট কমে এই আশায়।
.
.
.
.
.
[৭ দিন পর]
রাতুল এপোলো হাসপাতালে এক বুক অভিমান নিয়ে চলে যায়।
অতিরিক্ত ঠান্ডায় ফুসফুসে ইনফেক্সান হয় রাতুলের। ৩ দিন আই.সি.এউ এ থাকে সে। পরে মারা যায়।
নীলা তার মত ভাল থাকে। ভাল থাকে তার ফেস-বুক। ভাল থাকে তার মিথ্যা প্রশংসা করা ভার্চুয়াল ফ্রেন্ড।
২|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৩২
জিনিয়াস আরিফ বলেছেন: ওকে , নেক্সটে আরও ভাল গল্প পাবেন কথা দিচ্ছি
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৮
সুমন কর বলেছেন: তেমন ভাল লাগেনি।