নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিষাদ

আমি জানি আমি জানি না

ব্যতীপাত

স্থপতি

ব্যতীপাত › বিস্তারিত পোস্টঃ

আকাশের পানে তাকানো কেন-ঈশ্বর কি উপরে ?

১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:২৬

বাংলাদেশে মাহমুদুল্লাহ্ রিয়াদ শতরান করার সাথে সাথে আকাশে মাথা তুলে খোদাকে কে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। কি উপরে থাকেন ? শচীনও এরকমই করতো, কোন খেলায় সেঞ্চুরি বা তেমন কৃতিত্ত্বপূর্ণ কিছু করলে আকাশে তাকিয়ে তার ভগবানকে থ্যাঙ্কস জানাতেন ।পাকিস্তানীরা আবার নামাজের ভঙ্গিতে হাঁটু গেড়ে দু'হাতে মোনাজাতের ভঙ্গিতে আল্লাহ্ কে শুকরিয়া জানান, টাইম পারমিট করলে হয়ত দু'রাকাত নামাজও আদায় করতেন। এসব করা হয় কেননা এরা সবাই জানেন ও মানেন যে, -ওই উপরওয়ালা না চাইলে ওইসব কৃতিত্ব কোনটাই ফলতো না,বা তিনি না চাইলে কখনই হত না।
কিন্তু ধন্দ লাগে, যখন কেউ বাজে আউট হয়,খেলায় হেরে যায়,সহজ ক্যাচ মিস করে- তখন কেন কেউ আকাশে তাকায় না ? তিনি না চাইলে তো কিছুই হয় না- তাহলে ?
ঈশ্বরআল্লাহ -ভগবান কি কেবলই মঙ্গলময় ? এরা কি সবাই একজন ?
তাহলে খেলোয়ারেরা যখন তাঁর কাছে দোয়া চান তিনি কার পক্ষ নেবেন ?
শচীনে ভগবান আর রিয়াদের আল্লাহ একজনই হলে তিনি শনিবারের খেলায় কার সাথে থাকবেন ?
নাকি সেদিন আল্লাহ ভগবানের লড়াই ?
খেলাধুলায় তাঁর কি পক্ষপাতিত্ব থাকবে-বা থাকা কি উচিৎ ?

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:৩১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: খুব সহজ বিষয় নিয়ে কঠিন চিন্তা। যারা সব কিছুতে ধর্ম খুঁজে তাদের এই প্রশ্নের জবাব দেয়া সম্ভব না।

২| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:৫৩

শায়মা বলেছেন: পিকে কে ডেকে আনো ভাইয়া!:)

৩| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:১১

সাদী ফেরদৌস বলেছেন: এক মহিলা নবীজির কাছে উপদেশ নিতে আসলে নবিজি তাকে জিজ্ঞেস করলেন হে অমুক,বলতো আল্লাহ্‌ কোথায় থাকেন? মহিলা আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন ঐ খানে থাকেন।নবিজি বললেন হ্যাঁ তুমি ঠিক বলেছ।ভাই যে যেখানে আল্লাহ্‌ কে খুজে পায় এটা তার একান্তই নিজস্ব ।

১৭ ই মার্চ, ২০১৫ ভোর ৬:১৮

ব্যতীপাত বলেছেন: যদি তাই হয়, তাহলে যেসব পৌত্তলিক মনে করেন দেবদেবীর মুর্তির মাঝেও ভগবান (তাদের আল্লাহ )থাকেন,তবে সেসব মূর্তি নবীজি নিজের হাতেই ধ্বংস করেছিলেন কেন ?
তারা তো প্রতীক ভেবে পুজা করতো-সেই প্রতীক কেন আজও ভাঙ্গা হচ্ছে?
যে যেখানে আল্লাহকে পায়,সেটা তার নিজস্ব-তাই যদি হয় তবে পৌত্তলিকেরা যেমন মূর্তির মাঝেই তাকে পায়-তবু সে সব নিশ্চিহ্ন করা হয় কেন ?
আজও তালেবান,আইএস ভাঙছে-এ দেশে ভাঙছে জামাত ।

৪| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:২০

যুগল শব্দ বলেছেন:
প্রশ্ন সহজ,
উত্তর জটিল, অথবা অসম্ভব! :(

৫| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:২৬

শতদ্রু একটি নদী... বলেছেন: এই প্রশ্নের উত্তর পাইতে হইলে তো নিজেরে আগে ঈশ্বর হইতে হবে। কিন্তু ডুপ্লিকেট ঈশ্বর যেহেতু সম্ভব না, তাই দুনিয়ার বুকে এই প্রশ্ন অবান্তর।

৬| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:০০

মাসূদ রানা বলেছেন: @ব্যতীপাত


ধর্মে বিশ্বাসীরা মনে করেন, সকল ভালো মন্দ সাফল্য ব্যর্থতার সৃষ্টিকর্তা, স্রষ্টা....... ধর্মে বিশ্বাসীরা এটাও মনে করেন, আমাদের সবার সাফল্য-ব্যর্থতার পেছনে কাজ করে স্রষ্টার দয়া-মায়া-ইচ্ছা-করুনা , সেই দয়া-মায়া-ইচ্ছা-করুনার পেছনে কাজ করে আমাদের প্রতি স্রষ্টার সন্তুষ্টি, ব্যর্থতার পেছনে কাজ করে অসন্তুষ্টি ...........

আর তাই, শচীন টেন্ডুলকার যখন সেনচুরী পান, তখন তিনি উপরের দিকে তাকিয়ে স্রষ্টার কাছে তার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন, তাকে সাফল্য দানের জন্য .......... অনুরুপভাবে ক্যাচ মিস হলে পরে বুঝতে পারেন যে স্রষ্টার অসন্তুষ্টির জন্যই ক্যাচটা পরে গেসে ..........

আর তাই স্রষ্টাকে অসন্তুষ্ট করার অনুসূচনায় দগ্ধ,লজ্জিত হয়েই ধর্মে বিশ্বাসীরা সৃষ্টিকর্তার দিকে মুখ তুলে তাকানো থেকে বিরত থাকেন ........

আরেকটা প্রশ্ন করলেন, শচীনে ভগবান আর রিয়াদের আল্লাহ একজনই হলে তিনি শনিবারের খেলায় কার সাথে থাকবেন ?

যিনি উৎকৃষ্ট হবেন আল্লাহ, ভগবান তার সাথেই থাকবেন ...........{{উদা: মুসলমানদের দৃষ্টিকোন থেকে বলি :: এমন অনেক মুসলমান আছেন, যারা নামে মুসলমান হলেও কাজে কর্মে্ আচারে আল্লাহ পাকের কাছে একজন হিন্দুর চেয়েও অধিক নিকৃষ্ট ............ এক্ষেত্রে আল্লাহ পাক অবশ্যই হিন্দু লোকটিকেই বেশী সাফল্য দান করবেন ............ আল্লাহ পাক তো আর অবিচার করতে পারেন না ................}}

আশা করি বোঝাতে পেরেছি ?
আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে মেধা দান করুন ........

১৭ ই মার্চ, ২০১৫ ভোর ৬:০৫

ব্যতীপাত বলেছেন: সাফল্য বা ব্যর্থতা,ঘটনা বা দুর্ঘটনা-সবকিছুরই স্রষ্টা সেই একজন,-আমাদের জন্মের আগেই বিধাতা সব লিখে রেখেছেন-তাহলে শুধুইসাফল্যে বা দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলে আলহামদুলিল্লাহ বলি-,
কিন্তু ব্যর্থতা বা দুর্ঘটনায় মরে যাবার কথাও তো লিখে রেখেছেন -কিন্তু তখন তো বলি না আল্লাহর মাল আল্লাহই নিয়েছেন- একজন মন্ত্রী বলেছিলেন বলে বরং রাগ করি।
'ক্যাচ মিস হওয়া আল্লাহর অসন্তুষ্টি-মানে কি এটি পূর্ব নির্দ্রিষ্ট ছিল না?
মানুষের প্রতিটি কর্মের জন্য কি মানুষই দায়ী ,না তার ভাগ্য-এই সরল প্রশ্নটি একটি সরল উত্তর দিন।
যেমনি নাচাও তেমনি নাচি,পুতুলের কি দোষ-আমাদের লোককবি বহু আগেই এপ্রশ্ন করেছিলন যার উত্তর আজও মানুষ পায়নি-
হিন্দু উৎকৃষ্ট লোকও যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে পারে তবে মুসলমান হতে বলা কেন? এটি আপনার উদার মনের পরিচয়,তাই বলেছেন-কিন্তু ধর্ম এত উদার নয় ।
আল্লাহ পাক পৌত্তলিকদের বলেছেন -'ওরা নোমরা,অপবিত্র--(৯:২৮),তাদের কাবার ধারে কাছে কেবল নয়,মক্কা মদিনাতেই যাওয়া নিষিদ্ধ করেছেন । তাদের সালাম দেয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ ।
আপনার মারেফতি কথা শুনতে ভালো, কিন্তু এইটি সহি ইসলামের পথ নয় বলে বেশির ইসলামবিদের মত।
'মাদার তেরেসা কি বেহেশ্ত পাবে'-জাফর ইকবালের এই
প্রশ্নের সরাসরি জবাব পেয়েছিলেন-'কোনভাবেই না ।

৭| ১৬ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:৩৫

সুমন কর বলেছেন: প্রশ্নগুলো সহজ অার উত্তর ও তো জানা...............

৮| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ ভোর ৫:৫০

বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: আল্লাহ্‌ ভগবান ঈশ্বর - এদের সবাই সবখানে ছড়িয়ে আছে, ধর্মানুসারীরা অন্তত এটাই বিশ্বাস করে। সব জায়গায় ছড়িয়ে থাকলেও এদের আমরা উপরেই দেখতে পছন্দ করি। কারণ আমরা কেউ তাদের নিচের দিকে ভাবতে চাই না। এটা আসলে বুঝার ভুল নয়। এটা অনেকটা হৃদয় ঘটিত সম্মান প্রদর্শনের কারণে। তাই মাহমুদুল্লাহ বলেন আর শচিনই বলেন সবাই যার যার ধর্ম বিশ্বাস নিয়েই সৃষ্টিকর্তাকে উপরে খুঁজে বেড়ান আর কৃতজ্ঞতা জানান প্রাপ্ত সাফল্যের জন্য।

১৭ ই মার্চ, ২০১৫ ভোর ৬:৩৫

ব্যতীপাত বলেছেন: আল্লাহ ভগবান ঈশ্বর এরা কি তিনজন না একজন ? আপনার মন্তব্যটি পড়ে (আল্লাহ্‌ ভগবান ঈশ্বর - এদের সবাই সবখানে ছড়িয়ে আছে,) তাই মনে হচ্ছে- তারা তিনজন।

লিখেছেন-'এদের' (বহুবচন-মানে অনেক -তাই কি না ?)আমরা উপরেই দেখতে পছন্দ করি'- তাহলে তাদের অবস্থান কি বান্দার ইচ্ছের উপর নির্ভর করে?

৯| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ ভোর ৬:৫৫

বিদ্রোহী বাঙালি বলেছেন: ধর্মভেদে তারা তিন জন অবশ্যই। আবার কোন ধর্মী অন্য কোন ধর্মের কোন অস্তিত্ব স্বীকার করি না। এটা যার যার ধর্ম বিশ্বাস। যেমন মুসলমান হিসাবে আমরা আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কোন প্রভু নাই বিশ্বাস করি। তেমনি অন্য ধর্মানুসারীরাও হয়তো তাদের নিজ নিজ প্রভু ব্যতিত কাউকে স্বীকার করে না।
তাদের অবস্থান বান্দার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে বললে অত্যুক্তি হবে না। কারণটা আগেই বলেছি ধর্মানুসারে তারা সর্বত্র বিরাজমান। সৃষ্টিকর্তা এটা কার জন্য করেছেন? অবশ্যই তার বান্দাদের জন্য।
ধর্ম বিশ্বাসী না হলে অবশ্য আমার কোন কথারই মূল্য নাই। যেহেতু বলেছি ধর্ম বিশ্বাসী, তাই এখানে বিশ্বাসটাই মূল কথা। যৌক্তিক কথাও কিন্তু এর বিপরীতে মূল্যহীন হয়ে পড়বে। সুতরাং সে তর্কে না যাওয়াই উচিৎ।

১০| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ৭:২৪

কলাবাগান১ বলেছেন: "শচীনে ভগবান আর রিয়াদের আল্লাহ একজনই হলে তিনি শনিবারের খেলায় কার সাথে থাকবেন ?
নাকি সেদিন আল্লাহ ভগবানের লড়াই ?
খেলাধুলায় তাঁর কি পক্ষপাতিত্ব থাকবে-বা থাকা কি উচিৎ ?"

১১| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ৭:৩১

জাম্মাম খাঁ বলেছেন: যেসব প্রশ্নোউত্তরে তোলপাড় শুরু হয়েছে তা একদম সাধারণ ব্যাপার ।একটা সহজ ব্যাপার নিয়ে শিশুর মতো জিজ্ঞাসা।যাহোক,যদি এটা হয় যে,আপনি এসব প্রশ্নের সমাধান চান বা জানতে চান তবে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।আর যদি কেবল প্যাচাল পাড়তে চান তবে আমাকে নয় শুধু, কাউকে বিরক্ত করবেন না।আপনি যদি এই পৃথিবীতে সঠিক পথে থাকেন বলে মনে করেন আর যদি প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের ব্যাপারে অলসতা করেন তবে এসব প্রশ্ন করে কাউকে বিরক্ত করা সমীচীন নয়।কেমন যেনো আপনার বিশ্বাসে মানুষকে দাওয়াত দিচ্ছেন।যোগাযোগ করলে 01951338538

১২| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ৭:৪২

জাম্মাম খাঁ বলেছেন: ইসলাম ধর্ম বলে,আল্লাহর সাথে যারা শরীক করবে তারা কস্মিনকালেও জান্নাতে যাবেনা।অতএব মুসলমানদের বিশ্বাস, ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মের লোকই হোক বা মুসলমানদের কেউই হোক যদি সে আল্লাহর সাথে শরীক করে তবে সে জান্নাতে যেতে পারবেনা

১৩| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ৭:৫০

জাম্মাম খাঁ বলেছেন: একটা বিষয়,লক্ষ্য করুন,আজ পর্যন্ত কেউ এটা দাবী করিনি যে,আমি আকাশ,সূর্য,পৃথিবী,পাহাড়,নক্ষত্র ইত্যাদির মালিক।

কেবল একজনই দাবী করেছেন,তার নাম-আল্লাহ

১৪| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ৯:২৮

একলা চলো রে বলেছেন: একই প্রশ্ন আমারো, জীবন যাপনে,জয় পরাজয়ে ঈশ্বরের ভূমিকা কতটুকু?

১৫| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ১০:১৬

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: ঈশ্বর আল্লাহ এক বিশ্বাসের নাম। বিশ্বাস যেমন অন্তরে বসত গড়ে ঠিক তেমনি সৃষ্টিকর্তার বাস হৃদয়ে। যার বিশ্বাস সুতীব্র সেই জিতবে। তবে এতো এতো ধর্ম আমায়ও দ্বিধান্বীত করে তোলে। তখনও বিশ্বাস করি বিজ্ঞানের বাইরেও কিছু আছে। সেটা কুহেলিকা কিনা জানি না। কিন্তু অনুভব করি।

১৬| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ১০:২৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: স্কিপ করে মন্তব্যের জবাব দেয়া স্বাভাবিক ব্লগীয় প্রেক্ষাপট থেকে খুবই দৃষ্টিকটু একটি ব্যাপার। যে পাঠক তার সময় নষ্ট করে আপনার পোস্টে মন্তব্য করছে, তার মন্তব্যের জবাব না দেয়াটা অশোভনীয়।

ব্যস্ততা থাকলে সেটা ভিন্ন বিষয়। এবং সেটা অবশ্যই উল্লেখ্য করাও উচিত। কিছু মনে করবেন না, আপনি দীর্ঘদিন থেকে ব্লগে আছে, আপনাদের থেকেই নতুন ব্লগাররা শিখবেন। সেই কারনেই বললাম।

শুভেচ্ছা রইল।

১৭ ই মার্চ, ২০১৫ দুপুর ২:২৪

ব্যতীপাত বলেছেন:
ভাই কাল্পনিক ভালোবাসা-
আমি খুবই দু:খিত যে আপনার মন্তব্যটির জবাব দিই নি। প্রথম দেখায় আসলে আমি কোন প্রশ্ন পাইনি যে কিছু লিখব,মনে হয়েছিল আপনি তো আমার মতের পক্ষেই-
পরে আবারও পড়ে দেখলাম আপনারও একটি প্রশ্ন ছিল- কেন অনেকে সবকিছুতে ধর্ম খোঁজে।

আমি ব্যক্তি জীবনে ধর্মকে মানি-কিন্তু সেটা কোন অর্গানাইজড্ রিলিজিয়ন না -মানবিক ধর্ম । আমার এই পোস্টটার বিষয়টিও কিন্তু তাই । প্রশ্নের আকারে -
কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ তাদের জীবনাচরণে সংগঠিত ধর্মের সব রিচুয়ালকে মানে এবং চায় রাষ্ট্রীয় জীবনেও তার প্রয়োগ।
জীবনের সব আচরণে ধর্মের প্রকট চেহারা প্রকাশ মিশ্রিত সমাজে অহেতুক বিড়ম্বনা আনে ।সেখানে প্রয়োজন একটি সর্বজনগ্রাহ্য আচরনবিধি ।
আমি মধ্যপ্রাচ্য,উত্তর আফ্রিকায়, লিবিয়া,কায়রোতে ছিলাম-সেখানে কুশল বিনিময় করতো শুভা খায়ের বলে-যার বাংলা সুপ্রভাত।বিদায় বাণী ছিল মাশাল খায়ের- কেবল কিছু পুরনো মানুষ সালাম দিত ।

ক্রিকেট খেলায় ধর্মীয় আচরণ পাকিরা প্রথম আনে-সেখানে খেলতে নামার আগে,পরে নামাজসহ যাবতীয়তামুলক রীতি বাধ্যতামুলক।খেলাধুলায় ধর্ম আনা ঠিক নয় ।কিন্তু উপমহাদেশে আমরা ঠিক তাই করি ।
শোয়েব মালিক বিশ্বকাপে হেরে বিশ্বের সব মুসলমানের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন।শোয়েব কেন ভাবলেন বিশ্বের সব মুসলমান পাকি সাপোর্টার?
পাক কাগজেই খবর বেরিয়েছে অতিরিক্ত ধর্মপালনই পাক ক্রিকেটের পতনের কারণ । এইসব কারনেইখেলায় প্রকাশ্য ধর্মীয় আচরণের পক্ষে নেই ।নিভৃতে সৃষ্টিকর্তার কৃতজ্ঞতাই কি যথেষ্ট নয়?
আপনার সাথে একমত, সবকিছুতে ধর্ম খোজা ঠিক না,ধর্মীয় আচরণও সবকিছুতে আনা ঠিক নয়, একটা সিকুলার সমাজে রাষ্ট্রীয় ভাবে তো বটেই সমাজ জীবনেও পরিহার করে ব্যক্তি জীবনের মধ্যে রাখলেই সবার জন্য মঙ্গল ।

১৭| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ১০:২৬

কলাবাগান১ বলেছেন: @জাম্মাম খাঁ র উদ্দেশ্য ভাল মনে হচ্ছে না।

উনি ব্লগারদের বাসায় আসার দাওয়াত দেন, নিজের ফোন নাম্বার দেন যোগাযোগ করার জন্য.. চেহারার সাথে লিখা মিলাবেন....ব্লগারদের চিনবেন?????

১৮| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ দুপুর ২:৩২

নতুন বলেছেন: যেই দল যতটা বেশি কম` করেছে.... যেই দলে যতটা বেশি ট্যালেন্ট আছে এবং যারা ভাল খেলতে পারবে তারাই ১৯ তারিখে জয়ী হবে....

কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন দোয়া করেছিলো ইরাকের আক্রমনের সময়...যে কোন যুদ্ধে... সবাই মন থেকেই দোয়া করে...

এযাবত কালে এই সব যুদ্ধে উপরওলার কাছ থেকে সাহাজ্য এসেছে শোনা যায়নাই...

কাজ ই সব ফলাফলের মা... যেমন কাজ করবেন তমন ফল পাবেন...

১৯| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ দুপুর ২:৩৫

নতুন বলেছেন: এই ভিডিওটি কস্টকরে দেখুন... তাহলে বোঝা যায়... কে সেরা হতে হলে কতটা কম` করতে হয়...

এই ছেলে হাজার হাজার ঘন্টা অনুশিলন করে বিশ্বসেরা হয়েছিলো...

২০| ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:১০

মাসূদ রানা বলেছেন: @ব্যতীপাত

দূর্ঘটনায় পতিত হয়ে রাগ করা, এমনকি মৃত্যুতেও শোকাহত হওয়াকে ইসলাম ধর্ম নিরুৎসাহিত করে ............

মানুষের প্রতিটি কর্মের জন্য কি মানুষই দায়ী ,না তার ভাগ্য-এই সরল প্রশ্নটি একটি সরল উত্তর দিন।

অনেক পূর্বে আমাদের সৌভাগ্য হয়েছিল আমাদের এলাকার একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেমের (নাম প্রকাশ করছি না ) কাছে ব্যপারটি সম্পর্কে জানার ............ ওনার ভাষ্যটাই হুবহু তুলে দিচ্ছি .......... আশা করছি উপকৃত হবেন :)

সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে মানুষকে কিছু কিছু কর্মকে নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা দান করা হয়েছে, কিছু কিছু কর্মকে নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা দান করা হয় নি,
যেমন - লুডু খেলার সময় আমরা যখন বোর্ডে ছক্কা নিক্ষেপ করি ........ তখন ছক্কাটা আমি কতটুকু জোরে মারব, তার ক্ষমতা আমাকে দেয়া হয়েছে ............ কিন্তু ছক্কাটা নিক্ষিপ্ত হবার পর ওটার পল্টির সংখাকে বাড়ানো কমানো এককথায় নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা আমাকে দেয়া হয় নি ...........

সুতরাং ছক্কাটা নিক্ষেপ করতে আমি যে জোর খাটালাম সেটা আমার কর্ম আর নিক্ষেপের পর ছক্কার ঘুর্নন বা পল্টি হচ্ছে আমার ভাগ্য/ফেইট/ডেসটিনি ইত্যাদি ...............এভাবেই সৃষ্টিকর্তা মানুষের ভাগ্য তৈরী করেছেন অনেকটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের "If- else" statement এর আদলে ..........যারা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নিয়ে পড়াশোনা করেছেন, তারা ব্যপারটি সহযেই বোঝতে পারবেন :: If (কেউ ভালো কাজ করে , সে ভালো ফল পাবে) else(খারাপ ফল পাবে )..................

মোদ্দাকথা, গোটা মানবজাতিকে সৃষ্টিকর্তা একটা সিস্টেমের আওতাধীন করে দিয়েছেন:: যিনি তার আগুন লাগা বাড়ীতে এক বালতি পানি ঢালবেন তার বাড়ীটা একটু কম পুড়বে, ব্যক্তিটি যদি দুই বালতি পানি ঢালেন বাড়ীটা আরেকটু কম পুরবে, তিন বালতি পানি ঢাললে আরেকটু কম .......... পানি না ঢেলে দাড়িয়ে দাড়িয়ে হায় হুতাশ করলে পুরোটাই পুরে ছাই হয়ে যাবে ...........


সুতরাং কর্ম আর ভাগ্য এক নয় ............ আমি কি বোঝাতে পেরেছি ভাই ?


আরেকটি প্রশ্ন করেছেন ::

হিন্দু উৎকৃষ্ট লোকও যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে পারে তবে মুসলমান হতে বলা কেন? এটি আপনার উদার মনের পরিচয়,তাই বলেছেন-কিন্তু ধর্ম এত উদার নয় ।


দেখেন ভাই, আপনার বড় ছেলে যদি সবসমই আপনার সাথে বেয়াদবী করে,অবাধ্যতা করে, তাহলে পরে ছেলে আপনার যত ভালো কাজই করুক না কেন আপনার অন্ধ ভক্ত ছোট ছেলেটির চাইতে মায়া মমতা বেশী লাগার কি কোন সুজোগ আছে ?

যে সৃষ্টিকর্তা আমাদের সৃষ্টি করলেন, আমাদের জন্য এতো সুন্দর সুন্দর দেশ তৈরী করে দিলেন, পানি, খাবারের সংস্থান রাখলেন, সেই স্রষ্টাকে তার দয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা না জানিয়ে, দেশের প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে, পানির প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে, সূর্যের প্রতি কৃতজ্ঞ থেকে দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য ভালো কাজ করে সেটা সৃষ্টিকর্তার কাছে কতটুকু গ্রহনযোগ্য হওয়া উচিত ?

আর তাই ইসলামের দৃষ্টিকোন থেকে, সৃষ্টিকর্তা অমুসলিমদেরকে তাদের ভালো কাজের প্রতিফল পূর্নাংগভাবে দান করেন দুনিয়াতেই, যাতে আখিরাতে তাদের কোন পাওনা অবশিষ্ট না থাকে ............ আর মুসলমানদেরকে তাদের পাপ কর্মের প্রতিফল দিয়ে দেয়া হয় দুনিয়াতেই কঠিনভাবে ......... যাতে পরকালে তাদের পাপ অবশিষ্ট না থাকে ............

আর এজন্যই মাদার তেরেসা ভালো ভালো কাজ করেও জান্নাতে যেতে পারবেন না .......... কারন ওনার ভালো ভালো কাজের প্রতিফল সৃৃষ্টিকর্তা দিয়ে দিয়েছেন দুনিয়াতেই, খ্যাতি যশ সম্মান প্রভৃতি দ্বারা ............

আশা করি বোঝাতে পেরেছি .............. ভালো থাকুন :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.