নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিষাদ

আমি জানি আমি জানি না

ব্যতীপাত

স্থপতি

ব্যতীপাত › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরান কি সব মানুষের জন্য ?

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:১৪

কোরান কি সব মানুষের জন্য ?
‘আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি, যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ-পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে ....। [সূরা আশ-শুরা ৪২:৭]
এই সুরাটিতে খুব স্পষ্ট ভাবেই বলা হয়েছে যে কোরান কেবল মক্কা ও তার আশপাশের লোকদের জন্যই নাজিল হয়েছিল । আরবী ভাষায় এটি বয়ান করার কারণও তাই । মক্কাবাসীদের ভাষায় (আরবী) তা বলা হয়-এইটি কখনও সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য কি করে হয় ?

মজার ব্যপার হলো আরবী ভাষায় 'মক্কা' ও তার আশপাশের লোকদের জন্য কথাটি থাকলেও ইংরেজি অনুবাদের সময় আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী বা শাকির কেউই মক্কা নগরটির নাম উচ্চারণ করেন নি-
'We have revealed to the Arabic quran,that thou mayest warn the mother city and those around it. ইংরেজী অনুবাদে এ যে কারচুপী এইটি কোরানকে সমগ্র বিশ্ববাসীর বানানোর চেষ্টা । মক্কা নগর হয়ে গেল তাদের অনুবাদে 'শহরের মাতা'- এই ভাবে অনুবাদে অর্থ বদলিয়ে ইংরেজীভাষীদের কাছে হাজির করার অর্থ স্পষ্ট- ইসলামকে তার আঞ্চলিক রূপ থেকে বিশ্বধর্ম রূপে হাজির করা।
তারপরও হয়তো নতুন ব্যাখ্যা, অন্য আয়াত থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে প্রমানের চেষ্টা করা হয়,কিন্তু এই আয়াতটি তো আর বদলানে যাবে না যে এটি কেবল মক্কাবাসীর জন্য সতর্কবার্তা রূপে প্রেরিত হয়েছিল।


মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৩

হানিফঢাকা বলেছেন: "মজার ব্যপার হলো আরবী ভাষায় 'মক্কা' ও তার আশপাশের লোকদের জন্য কথাটি থাকলেও ইংরেজি অনুবাদের সময় আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী বা শাকির কেউই মক্কা নগরটির নাম উচ্চারণ করেন নি"- ব্যাপক জ্ঞানী পোস্ট দিয়েছেন। ঐ আয়াতে যে শব্দটা এসেছে তা হচ্ছে أُمَّ الْقُرَىٰ যার অর্থ Mother of Cities ।

"umma"=(the) mother এবং "l-qurā" =(of) the towns/Cities

আমারে দেখান এই মক্কা শব্দটা এই আয়াতে কোথায় আছে।


রাসুলের ভাষা আরবী ছিল এবং উনার শহর এবং আশেপাশের এলাকার ভাষাও আরবী ছিল। সেই জন্য আল্লাহ আরবীতে কোরআন নাযিল করেছেন যেন রাসুল নিজেও বুঝতে পারেন আর তার আশেপাশের সবাই বুঝতে পারে।এইটাই এইখানে বলা হয়েছে। নিজেরাই যদি না বুঝে তবে মানবে কেমনে আর প্রচার করব কেমনে? এর অর্থ দ্বারা আপনি বুইঝা ফালাইলেন যে এইখানে মক্কা শব্দটা আছে আর চালাকি কইরা অনুবাদের সময় বাদ দিছে। আপনার মত বিশাল জ্ঞানীর পক্ষেই এইটা বুঝা এবং বলা সম্ভব- যে জীবনেও কোনদিন কোরআন খুলে দেখে নাই।

ধরেন আল্লাহ আরব দেশে বাংলা ভাষায় কোরআন নাযিল করল। যেহেতু রাসুল সহ ঐ এলাকার কেউ বাংলা ভাষা জানে না, তাহলে রাসুল (সাঃ) নিজেই কিভাবে বুঝত আর উনার সাহাবীদেরকে কি বুঝাইত। তাহলে কোরআন নাযিল হওয়ার আগেই উহার কার্যকারিতা হারাইত।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:১৩

ব্যতীপাত বলেছেন: ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২০ ০
লেখক বলেছেন:
এই মূহুর্তে আমার কাছে যে চারটি বাংলা অনুবাদ আছে-
থানভীর বাংলা করেছে ফজলুর রহমান মুন্সী,
হরফ প্রকাশনীর মোবারক করীম গওহর,
খোশরোজ কিতাব মহলের ড:ম মুস্তাফিজুর রহমান এবং
বিখ্যাত মওলানা শাফীর মারেফুল কোরান এর বঙ্গানুবাদ ম মুহিউদ্দীন খান- সবক'টি অনুবাদেই- 'মক্কাও তার আশপাশের লোকদের' কথা বলা আছে। শাফী মারেফুল ব্যখ্যা দিয়েছেন-' যেহেতু বিশ্বের সমগ্র শহর জনপদ অপেক্ষা আল্লাহর নিকট মক্কা অধিক সম্মানিত তাই 'উম্মাল কুরা' বা মাদার সিটি বলতে মক্কাকেই বোঝায় এবং বাংলা অনুবাদকেরা মক্কাই লিখেছেন।এটি
আমার নিজের কোন আবিষ্কার নয়, করার প্রশ্নও উঠে না।
আর সবকটি বাংলা অনুবাদেই খুব পষ্ট ভাবেই বলা হয়েছে- 'এটি মক্কা ও তার আশপাশের অঞ্চলের মানুষের জন্যই সতর্কবাণী।'
আপনার যু্ক্তি সঠিক যে আরবী ভাষী রসুলে কাছে আরবী পাঠাবে না তো কি বাংলা পাঠাবে। সেটা ঠিক, কিন্তু আমার প্রথম প্রশ্ন ছিল, যেখানে স্পেসিক্যালি বলা হলো এটি মক্কা ও তার আশপাশের আরবী ভাষি মানুষের জন্য- তা সব মানুষের জন্য হয় কি প্রকারে ?
কোরানের সব বক্তব্য এবং সমস্ত কিছুতে একটি বিশেষ অঞ্চলের ভূগোল,তার স্থান কাল ও পাত্র সবই সপ্তম শতকের আরব উপত্যকার বেদুঈন মানুষদের-এতে পৃথিবীর অন্য কোন অঞ্চলের মানুষ বা তাদের ভূগোল ইতিহাসের কথা নাই অথবা স্বল্প।
বিশেষ কালের আরবীতে লিখিত হওয়ায় এর বিভিন্ন ভাষার অনুবাদে নানা বৈপরীত্য দেখা যায়- বিশেষ করে ইংরেজী অনুবাদ ও বাংলায়= আমার দ্বিতীয় বক্তব্য ছিল তাই ।
এর আরেকটি উদাহরণ দিই ।সুরা তওবায় একটি বাক্যে আছে---আল্লাহ তাদের ধ্বংস করুন ৯:৩০ । অনুবাদ মোবারক করিম গওহর। বাংলা সব অনুবাদেই 'ধ্বংসে'র কথা বলা হয়েছে । থানভীর অনুবাদ- আল্লাহ ওদিগে 'নিপাত' করুক । মওদুদি করেছেন আল্লাহর 'মার' হউক ইহাদের উপর । মুহিউদ্দিন ‘মারেফুল কোরানে’ও বাংলা করেছেন আল্লাহ এদের ধ্বংস করুন। কিন্তু কোরান তো আল্লাহর নিজের কথা । তিনি নিজেই নিজেকে কি করে ধ্বংসের কথা বলেন ?
তাই ইংরেজি অনুবাদে আ ইউসুফ আলি লিখলেণ- ALLAH’S CURSE ON THEM .শাকির এর অনুবাদে- MAY GOD CURSE THEM এখানেও আল্লাহর কাছে চাওয়া হলো, যেন মানুষ প্রার্থনা করছে :আল্লাহ‘ যেন তাদের অভিশাপ দেন ।
এখন 'ধ্বংস করতে বলা' আর বা 'অভিশাপ দেয়া' কি এক হল ?



২| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৩

অপেক্ষায় নাজির বলেছেন: he is pretending to be something he isn't.

৩| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২১

আব্দুল্লাহ রিফাত বলেছেন: হানিফ ভাইয়ের সাথে সহমত।

৪| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫

ওয়ান টাইপ বলেছেন: "আর এভাবেই আমি তোমার ওপর আরবী ভাষায় কুরআন নাযিল করেছি যাতে তুমি মূল জনপদ ও তার আশপাশের বাসিন্দাদেরকে সতর্ক করতে পার, আর যাতে ‘একত্রিত হওয়ার দিন’ এর ব্যাপারে সতর্ক করতে পার, যাতে কোন সন্দেহ নেই, একদল থাকবে জান্নাতে আরেক দল জ্বলন্ত আগুনে।" আল কোরআন ৪২

এখানে বলা হয়েছে ” মূল জনপদ ও তার আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক কর।
মানে আপনাদের সম্মানিত রাসূল মক্কা মদিনার সতর্ককারী, পুরো পৃথিবীর না। !!!????

" আপনি নিকটতম আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দিন।" আল কোরআন ২৬-১১৪
মানে কোরআন কি শুধু মহানবীর আত্মীয়দের জন্য????!!!!

তাহলে কেন পবিত্র কোরআনে " হে মানবজাতি" আহবান আছে??!!!!

কোরআনের বহু আয়াতে ” হে মানবজাতি বা হে মানুষ ” শীর্ষক সম্বোধন এর অন্যতম প্রমাণ। একই কারণে নিজেকে ” বিশ্ববাসীর জন্য উপদেশ” ও “মানবজাতির জন্য সতর্ককারী” ----- এসবের মানে কি????!!!!!

হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক পরহেযগার। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন। আল কোরআন ৪৯-১৩

“O mankind! verily there hath come to you a convincing proof from your Lord: For We have sent unto you a light (that is) manifest. (The Noble Quran, 4:174)

আর আমি প্রত্যেক রাসূলকে তার কওমের ভাষাতেই পাঠিয়েছি, যাতে সে তাদের কাছে বর্ণনা দেয়, সুতরাং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সঠিক পথ দেখান। আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। আল কোরআন ১৪-৭

এটা তো কেবল বিশ্বাবাসীদের জন্যে উপদেশ, Verily, this (the Qur’ân) is no less than a Reminder to (all) the ’Alamîn (mankind and jinns) (The Noble Quran, 81-27)

এটা তো বিশ্ববাসীর জন্যে এক উপদেশ মাত্র। “This is no less than a Message to (all) the Worlds. (The Noble Quran, 38-87)

"আমি আমার বান্দার (মোহাম্মাদের) প্রতি যা অবতীর্ণ করেছি তাতে তোমাদের কোন সন্দেহ থাকলে তোমরা তার মত কোন সূরা আনো। আর যদি সত্যবাদী হও তাহলে এ কাজের জন্য আল্লাহ ছাড়া তোমাদের সব সাক্ষীকে আহ্বান কর।" (আল কোরআন ২-২৩)
"আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সেই আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।" (আল কোরআন ২-২৪)

৫| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪

জনম দাসী বলেছেন: আগে ভাই সাহেব কোরান বানান টা ঠিক করুন, এই ভাবে... ''' কোরআন ''' ঠিক আছে তার পর উত্তর দিবো ...।।

৬| ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৩৮

হানিফঢাকা বলেছেন: আপনি একি সাথে বেশ কতগুলি প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন। আপনার প্রথম প্যারাটা প্রশ্ন ধরে নিলে দ্বিতীয় প্যারাটা আপত্তিকর। আপনি এইখানে কোরআন কে সার্বজনীন করার জন্য ইংরেজী অনুবাদে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। আর এই জন্যই আমি আমার প্রথম কমেন্ট এইভাবে দিয়েছি।

আপনার অনুবাদ সংক্রান্ত কারচুপির অভিযোগঃ
“আরবী ভাষায় 'মক্কা' ও তার আশপাশের লোকদের জন্য কথাটি থাকলেও ইংরেজি অনুবাদের সময় আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী বা শাকির কেউই মক্কা নগরটির নাম উচ্চারণ করেন নি। মক্কা নগর হয়ে গেল তাদের অনুবাদে 'শহরের মাতা'- এই ভাবে অনুবাদে অর্থ বদলিয়ে ইংরেজীভাষীদের কাছে হাজির করার অর্থ স্পষ্ট- ইসলামকে তার আঞ্চলিক রূপ থেকে বিশ্বধর্ম রূপে হাজির করা।

অভিযোগ খণ্ডনঃ
এই খানে আপনি ইউসুফ আলী এবং শাকিরের ৪২:৭ আয়াতের অনুবাদ সংক্রান্ত কারচুপির কথা বলেছেন। আপনি মুল আরবী আয়াতটি পড়ুন এবং দেখুন ঐইখানে কোথাও মক্কা শব্দটি আছে কিনা। “উম্মুল কোরা”- এর অর্থ হয় মাদার অফ সিটি। যদিও এটা মক্কাকে বোঝানো হয়েছে কিন্তু মক্কা শব্দটা ব্যবহার করা হয় নাই। তাহলে ভুল অনুবাদটা কে করেছে? আপনার কাছে যে ৪ টা বাংলা অনুবাদ আছে তারা নাকি ইউসুফ আলী আর শাকির? আপনি আবার আরবীতে ঐ আয়াত পড়ে দেখুন তাহলে নিজেই আপনার এই কারচুপির অভিযোগের ভুল বুঝতে পারবেন।

কোরআনে অনুবাদ সংক্রান্ত সমস্যাঃ
কোরআনে অনুবাদ সংক্রান্ত প্রচুর সমস্যা আছে। প্রতিটি অনুবাদকের , তা বাংলায় হোক অথবা ইংরেজীতেই হোক –সমস্যা আছেই। এর অনেক কারন আছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণগুলি হচ্ছে, দলীয় মতবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অনুবাদ করা।যেমন শিয়া, সুন্নী, অহাবী, সুফী ইত্যাদি, ট্র্যাডিশন দ্বারা প্রভাবিত হওয়া এবং কিছু রুপকের অর্থ বুঝতে না পারা। তবে আপনার উল্লেখিত ৪২:৭ এ ইংরেজী অনুবাদে এই সব কোন কারণই বর্তমান নয়।

আমি নিজে কোরআনে ১৫ টার বেশী ইংরেজী অনুবাদ অনেকবার পড়েছি, এখনও নিয়ম করে পড়ি, জানার জন্যই পড়ি, কোন সোয়াব লাভের উদ্দেশ্য না (কোরআন পড়লেই নেকী পাওয়া যাবে এইটা কোরআনের কোথাও লেখা নাই, এইগুলি বানানো কথা)। বাংলা অনুবাদও পড়েছি। আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি আমি আমার জীবনে কোরআনের যত অনুবাদ পড়েছি তার মধ্যে বাংলায় অনুবাদ হচ্ছে সবচেয়ে বাজে। এত খারাপ অনুবাদ আর কোন ভাষায় আছে কি না আমার জানা নেই (কারন আমি বাংলা আর ইংরেজী ছাড়া আর কোন ভাষা জানি না)। ইংরজী অনুবাদেও প্রচুর ভুল আছে কিন্তু তা বাংলা অনুবাদ থেকে অনেক কম এবং ইংরেজী অনুবাদে ভাষার ব্যবহার বাংলা থেকে অনেক ভাল। এই অনুবাদ সংক্রান্ত সমস্যার উদাহরণ নিয়ে আমার ছোট একটা লেখা আছে দেখতে পারেন। Click This Link
আমার লেখা ব্লগের অনেক জায়গায় প্রসঙ্গক্রমে কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় ভুল অনুবাদের উদাহরণ দেওয়া আছে। একটু খুজলেই পাবেন।

এই বার আপনার প্রশ্নের ব্যপারে আসি। কোরআন সার্বজনীন কি না? আমার মনে হয় আপনি কোরআন পড়েন নি। পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন করতেন না। যাই হোক আরবী ভাষায় নাযিল হওয়া ব্যপারে আমি আপনাকে আগের কমেন্টে বলেছি। রাসুলের কাছে কোরআন অবতীর্ণ হবার পরে রাসুল এই কোরআন প্রথম কার কাছে বা কোথায় প্রচার করবে? নিশ্চয় হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে না। প্রথম প্রচার হবে উনার আশেপাশের লোকজনের মধ্যে, আশেপাশের এলাকায়, এবং এটাই স্বভাবিক। এইখানে ৪২:৭ এই কথাই বলা হয়েছে। এইখানে কোন সন্দেহের অবকাশ নাই।

কোরআনের সর্বজনীনের প্রমান স্বরূপ ব্লগার “ওয়ান টাইপ” ৪ নম্বর কমেন্টে বেশ কিছু ভাল এবং সুন্দর জিনিষ বলেছেন । আমি এর সাথে একটা আয়াত যোগ করতে চাইঃ

And We have not sent you, [O Muhammad], except as a mercy to the worlds. (২১:১০৭)

এইখানে মক্কার কথা বলে নাই, এইখানে সমগ্র বিশ্বের কথা বলা হয়েছে।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৩২

মাসূদ রানা বলেছেন: হাহাহাহা ....... তৃনভূজীগণকে আমিষ স্বল্পতায় ভুগলে পরে এধরনের আচরণ করতে দেখাই যায় - অর্থ অনুধাবনে ব্যর্থ হয়ে বিকৃত তর্জমা দাড় করিয়ে তারা অদ্ভুদভাবে কেলাতে থাকেন /:)

হানিফ ঢাকা ভায়ের সাথে সহমত, সাথে একটু যোগ করি - আয়াতটির মৌলিক উদ্দেশ্য হচ্ছে মহান আল্লাহ পাকের পবিত্র কোরআনকে আরবীতে পাঠানোর কারণ সম্পর্কে আমাদের সচেতন করা। পবিত্র কোরআনকে আরবীতে পাঠানোর জন্য কেও যেন আরবী ভাষাকে শ্রেষ্ঠ ভেবে আরবী ভাষার পূজা অর্চনা শুরু না করেন সেজন্য সবাইকে সতর্ক করা। আর আপনে বলছেন আয়াতটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে পবিত্র কোরানকে শুধুমাত্র আরবদের জন্য নাজিল করা হয়েছে :D

আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে সহিহ বোঝ দান করুন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.