![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ছেলে আর মেয়ে।
এক বৃদ্ধা বলছেন :
-আমার মেয়ের ভাগ্যটা ভাল।
-কি রকম ?
-জামাইটি তার চমৎকার ,আমার মেয়ের কথাতেই দিনরাত চলে।
--বাহ! খুব ভাল।
-কিন্তু আর আমার ছেলেটা একটা হতভাগা -
-কেন,তার কি হলো ?
-একেবারে বউয়ের গোলাম। বউ যা বলে, তাকে না বলার মত পৌরুষ নাই।'
-ও মা সে কি-
-হ্যাঁ,একেবারে গোল্লায় গেছে।' সংগ্রহ-ক্ষিতিমোহন সেন
দেবতা ও মানুষ।
-ছেলেরা মেয়েদের অমন করে দেখে কেন রে, যেন আমরা সব খাবার জিনিষ?
-না,আমি মনে করি না যে সবাই এমন -
-তুই মনে না করতে পারিস, কিন্তু বেশির ভাগই ওই রকম হ্যাংলা-
-জানি না,তবে আমার মনে ওই রকম কো ন খাদকের কামনা নাই।
-সবাই তো আর তোর মত সাধু না-
-শুধু তাই না, আমি মেয়েদের মুখের দিকে ভুলেও তাকাই না।
-ঢঙ ! বেশি বেশি।
-আমি দেবতা হতে চাই-
-থাক, আগে তো মানুষ হ ।
পাশফেলের রকমফের।
দরজা খুলতেই প্রলয় অবাক, তিমু দরজায় দাঁড়িয়ে একাই ।
-কি ব্যাপার ভেতরে যেতে বলবে না ?
-ও হ্যাঁ এসো, এসো। কিন্তু তুমি একা ?
-কেন একা আসতে পারি না?
-না তা নয় । তবে একা কোনদিন আসনি তো তাই-।
-কে কি বলে, তাই কোনদিন আসাও যাবে না?
-নিশ্চয়ই যাবে, কি ব্যাপার বল তো ?
-এমনিই।‘ রহস্যের হাসি এবার তিমুর মুখে।
একটু পরেই অনেক পায়ের শব্দ। এবার একগাল হেসে তিমু বললে।
-'আমার বিয়ের নিমন্ত্রণ করতে এলাম।
কিছুটা অসহায় হাসি হেসে প্রলয় বললে,
-তবে যে বললে একা ?
-পরীক্ষা করছিলাম।
-পাশ করলাম না ফেল ?
-পাশ !-
-জীবনে প্রথম পাশ করেও মন খারাপ ।
-কেন?
-ফেল করতেই তো চেয়েছিলাম ।
-চেষ্টা করলে পাশ করা যায়, কিন্তু ফেল করা যায় না- কোনদিন না’ ।
তিমুর গলা অস্ফুট হতে হতে একসময় নীরব হল। কালো চোখে গাঢ় জলভরা মেঘের ছায়া-একটু পরেই বৃষ্টি নামবে হয়ত। ।
২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:০৫
মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: প্রথমটা আমাদের সমাজে প্রজলিত একটি কথা।
বাকিগুলোও ভাল লেগেছে।
৩| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৪২
রুলীয়াশাইন বলেছেন: চমৎকার কবিতা!
৪| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১১
নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
এটা কবিতা নাকি ??
৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৩৮
ব্যতীপাত বলেছেন: এইটা কবিতা নয়।বলা যাক 'অনু গল্প-
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৮
রাজীব নুর বলেছেন: হুম।
বেশ।