![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হোয়াটস আ্যপএ ,সঙ্গীত শিল্পীদের একটি গ্রুপে এটাচ ছিলাম । যেহেতু সবাই শিল্পী,তাই কে কি গান করছ, রিহার্সেল কোথায় হবে- কে কি গান গাইবে এই সব বিনিময় করে । তারা প্রতিদিন পরস্পরকে শুভসকাল জানায়,মাটির খুড়ীর কাপে চা খাওয়ায় ছবি দিয়ে, থাকে কবিতার নানা উদ্ধৃতি, মন্তব্য, সঙ্গীতের নানা টিপস, ফুল কবিতা ,সুন্দর সুন্দর ছবি আর থাকে নানা ধরণের মেসেজ।
বাংলার লেখার চর্চা কম -তবে অনেকেই রোমান হরফে বাংলা লেখে । এমনই একটা মেসেজ পাঠিয়েছে জনৈক রাজনারায়ন দে । ইংরেজিতেই লেখা ছিল । পড়ে খুব ভাল লাগলো, নীচে অনুবাদ করে দিলাম -
‘সেটি ছিল একটি ক্রীড়া স্টেডিয়াম । আটজন ছেলে দৌড় প্রতিযোগীতার জন্য ট্র্যাকে দাঁড়িয়ে
- রেডি ! স্টেডি ! ব্যাং ! পিস্তল আওয়াজের সাথে সাথে সব ছেলেরা শুরু করলো দৌড় ।
কিন্তু মাত্র দশ- পনের পা যেতে না যেতেই একটি ছেলে পা পিছলে পড়ে গেল, ব্যথায় কঁকিয়ে কাতরাতে থাকে । বাকী সাত ছেলে সেই কাতরানোর আওয়াজ শুনতে পেয়েই সবাই প্রথমে দৌড়নো বন্ধ করে দাঁড়িয়ে গেল। তারপর পেছনে ফিরে দেখেই সবাই তার দিকে এগিয়ে গেল । এরপর সাতজনে মিলে তাকে তুলে দাঁড় করিয়ে নিল, সান্ত্বনা দিল, সবাই সবার হাত একসাথে ধরলো, এবং সবাই একসাথে জয়ের পোষ্টে একযোগে পৌঁছল। আয়োজক অফিসিয়ালরা সবাই হতভম্ব ।অনেকের চোখে জলে ভরে উঠলো ।
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের একটি শহর পুনেতে । দৌড়টি পরিচালনা করছিল একটি 'মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট । প্রতিটা অংশগ্রহণকারীরাই ছিল মানসিক প্রতিবন্ধী। তারা কি শিক্ষা দিল ?
টিমওয়ার্ক,
মানবতা,
স্পোর্টসম্যান স্পিরিট,
ভালবাসা,
তত্ত্বাবধান এবং
সমতা ।।
তবে আমরা ,যারা প্রতিবন্ধী নই, কখনই এটি করতে পারবনা । কারণ-
আমাদের আছে মগজ-
আমাদের আছে অহংকার--
আমাদের আছে কৃত্রিমতা--।
©somewhere in net ltd.