নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Someone, who wanted to become so many things, ended being nothing, that raise the question, in innerself, was the goal becomnig \"Nothing\"!

মৌন পাঠক

মৌন পাঠক › বিস্তারিত পোস্টঃ

সার্বজনীন ক্রেতা

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ রাত ১১:১৯

মানুষ পসরা খুইলা বসে, বিক্রি করার লাইগা
আর সে পসরা খুইলা বসছিল কেনার;
সে কি কি কিনত?

আ মিলিয়ন ডোলার কোশ্চেন, টু বি আস্কড।

প্রশ্ন ছিল সে কি না কিনত?

যা কিছু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য আর ইন্দ্রিয় অগ্রাহ্য,
এর সবই সে কিনত

সে মুজিব কিনত, হরে দরে
মুজিব কেনার সে ছিল সোল এজেন্ট
আর এই এজেন্টরে ঘিরা সৃষ্টি হইছিল
আর ও কিছু সাব এজেন্ট, ডিলার ও সাব ডিলার
মুজিবের নামে এত এত এত বই,
এত এত কোবতে, এত গান
সবই মানহীন, একই কথার চর্বিত চর্বন
বিক্রেতারা ও জানত, দেয়ারস আ সুপ্রিম বায়ার
ফ ইচ & এভরি মুজিবীয় পন্য অর মুজিব।
মুজিবরে সে মানুষের হৃদয় থেকে নিক্তিতে তুলল।

সে কিনত মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা
এই মুক্তিযোদ্ধা কিনতে গিয়া পয়দা করল
নতুন নতুন ভুইফোড় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা,
আর এভাবেই সে সৃষ্টি করল মুক্তিযোদ্ধাদের
অসম্মান করার করার পথ।

সে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কিনল,
হরে দরে, বেচল এরে ক্ষমতার পথে

দেশের ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতি সে ত আর বৈষম্য করতে পারে না,
তাই সে ধর্মের নামে অধর্ম কেনা শুরু করল,
তার হাত থেকে রক্ষে পেল না তাহাজ্জুদ, তসবি
কওম, আর হাতপাখা

যদি কোন ও বুদ্ধিমান ব্যক্তি মুজিব ও ধর্মের কম্বিনেশন করতে পারে,
সে ত সুপার ডুপার হিট!
সেখান থেকে ই তাজিয়া মিছিলের অনুকুরনে "হায় মুজিব" স্লোগান
মুজিবের নামের পূর্বে হজরত লাগানো

সে দিন কিনল, রাত কিনল
ভোট কিনল, কথা কিনল,
বাপ কিনল, "এ ব্যাথা আমি বুঝি" শিরোনামে
কিনতে কিনতে সবই কিনল

সে যে সর্বজনীন ক্রেতা!


(খসড়া)

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ রাত ১১:৩৯

নয়ন বড়ুয়া বলেছেন: কবিতা পাঠ করলাম...

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ রাত ১২:০০

মৌন পাঠক বলেছেন: যেহেতু পইড়াই ফালাইছেন,
পয়সা দেন নগদে,

আপনি চাও্য়ার আগেই চাইয়া ফালাইলাম!

জাস্ট কিডিং।

২| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ রাত ১১:৫৭

মৌন পাঠক বলেছেন: এই কবিতা প্রকাশ করার কোনো মানে ই নাই, বহুত আগে খসড়া আকারে লিখলেও শেষ করি নাই,
প্রকাস করি নাই; এমনকি কবিতাটা শেষ করার ইচ্ছে ও এক পর্যায়ে নাই হয়ে গেছিল।

এই একটা কবিতা মাথা মনে হৃদয়ে বহুতদিন যাবত বোঝা হয়েছিল, লিখতে না পারায় জগদ্দল পাথরের মত বুকে বিধে ছিল,
এই খসড়া লিখি সেই অসহ্য যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে, সে ও পুরো ভাবটা আসেনি এখানে।

কেন লিখতে পারিনি?

মৃত কেউ কি লিখতে পারে কি!

৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ দুপুর ১২:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর কবিতা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.