| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আশার আলো
It is not the glory that we rise, but rise every time after we fall.
কুরআন কি? আল্লাহর বানী। একজন মুসলমানের জন্যে অবশ্য পালনীয়।
হাদিস বলতে বুঝায় মুহাম্মদ (সঃ) এর কথা ও কার্যাবলী যা থেকে একজন মুসলমান ইসলামের পথের দিশা লাভ করতে পারে, যখন সে পথ খুজে পায় না।
অনেকেই প্রশ্ন তুলেন হাদিস পালনের যথার্থতা নিয়ে। বলেন, "স্বয়ং আল্লাহর বানী কুরআনই তো যথেষ্ট আবার হাদীস কেন?" এই বলে তারা ছুড়ে ফেলতে চায় হাদিসকে। জানলো না তারা আসলে ছুড়ে মারলো কুরআনকে! পড়েও দেখলো না কি লেখা আছে মহান আল্লাহ তা'আলার বানী কুরআনে।
আসুন আমরা দেখি মহান আল্লাহ তা'আলা কি বলেছেন তার বানীতে তারই প্রিয় মুহম্মদ (সঃ) এর অনুসরন করা সম্পর্কে।
কুরআনের কিছু আয়াতের অর্থের ভাবানুবাদঃ
"অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক বলে মনে না করে। অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা হূষ্টচিত্তে কবুল করে নেবে।" (সুরা-নিসা ঃ আয়াত 65)
But no, by your Lord, they can have no Faith, until they make you (O Muhammad SAW) judge in all disputes between them, and find in themselves no resistance against your decisions, and accept (them) with full submission (Al- Quraan, 4:65).
সে সমস্ত লোক, যারা আনুগত্য অবলম্বন করে এ রসূলের, যিনি উম্মী নবী, যাঁর সমপর্কে তারা নিজেদের কাছে রক্ষিত তাওরাত ও ইঞ্জীলে লেখা দেখতে পায়, তিনি তাদেরকে নির্দেশ দেন সৎকর্মের, বারণ করেন অসৎকর্ম থেকে; তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষনা করেন ও নিষিদ্ধ করেন হারাম বস্তুসমূহ এবং তাদের উপর থেকে সে বোঝা নামিয়ে দেন এবং বন্দীত্ব অপসারণ করেন যা তাদের উপর বিদ্যমান ছিল। সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং সে নূরের অনুসরণ করেছে যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই নিজেদের উদ্দেশ্য সফলতা অর্জন করতে পেরেছে। (সুরা আল আ'রাফঃ আয়াত 157)
Those who follow the Messenger, the Prophet who can neither read nor write (i.e.Muhammad SAW) whom they find written with them in the Taur
২|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:০২
অতিথি বলেছেন: বস, রাসুল(সাঃ) এর প্রতি ঈমান আনার কথা কোরআনেই বলা হয়েছে, যেমনটা ফুটে উঠেছে আপনার দেয়া আয়াতগুলোয়। এটা শুধু মুহাম্মাদ (সাঃ) নয়, সমস্ত নবী-রাসূল ও ফেরেশতারাও ঈমানের বিষয়বস্তু। আগের নবী-রাসুলগণও তাদের উম্মতদেরকে দেখিয়েছেন কিভাবে আল্লাহর ইবাদত করতে হয়, তাদের উম্মতেরাও তাদেরকে অনুসরণ করেছে। সেইসব নবী-রাসুলের লিখে রাখা জীবনী কি ধর্মের পালনীয় বস্তুর রেফারেন্স হিসেবে কোরআনে এসেছে? আল্লাহ কি তাওরাত-ইঞ্জিলের সাথে সাথে সেগুলোকেও ধর্মের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন? অথচ আগের আসমানী কিতাবগুলোর মাঝে ভেজাল ঢুকে যাওয়ায়ই সেগুলোকে রহিত করা হয়েছে। ভেজাল ঢুকিয়েছিলো কারা? ধার্মিকেরা, নাকি অধার্মিকেরা?
তাওরাত-যাবুর কলুষিত করা তথাকথিত ধার্মিকেরা বদ লোক আর আমাদের হাদিস সংগ্রাহকরা ধোয়া তুলসী পাতা- এরকম কোনো প্রতিশ্রুতি কি আল্লাহ দিয়েছেন?
সবচেয়ে বড় কথা নবীর জীবনী সংরক্ষণ করাটা ধর্মের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ হলো আর আল্লাহ তার নির্দেশ দিলেন না, আল্লাহর নবী তার নির্দেশ দিলেন না, আর আমরা নবীর ওফাতের 200 বছর পরে নবীর জীবনের ইতিহাসকে - যা শুদ্ধ হতে পারে, ভুলে ভরাও থাকতে পারে, নো গ্যারান্টি - ধর্মের জন্য রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে উঠেপড়ে লাগলাম?
মিথ্যে কথা বলার একটা জনপ্রিয় উপায় হলো, সত্যের সাথে যুৎসই মিথ্যা মিশানো। কিছু ভালো ভালো কথা বলে সেগুলোকে কোরআনের সাথে ইনলাইন দেখিয়ে কৌশলে ঢুকিয়ে দিলাম নিজের কথা - ব্যাপারটা কষ্টকল্পিত নয়। আল্লাহর আগের আসমানী কিতাবগুলো এভাবেই কলুষিত হয়েছে তথাকথিত 'ধর্মের রক্ষকদের' হাতেই। কোরআনের সংরক্ষক আল্লাহ নিজে-এ ঘোষণা দেওয়ায় সমস্যা হয়ে গেছে, কোরআনে কিছু ঢুকানো যাচ্ছে না; অতএব বেছে নাও নবী(সাঃ)- এর জীবনীকে। ইচ্ছেমত জীবনী লিখো, তারপর সেটাকে ধর্মের ভিত্তি হিসেবে ঐক্যমত্য ঘোষণা দাও। গুড জব! রিলিজিয়ন মাস্ট বি আ ভেরি ইন্টারেস্টিং গিনিপিগ!
৩|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:২২
অতিথি বলেছেন: আশার আলো,
আজকে ভাবতে ভাবতে যা ভাবলাম...
ঠিক আছে, কুরআন যথেষ্ট। অবশ্যই, সর্বকালের সর্বশ্রেষষ্ঠ কুরআনই যথেষ্ঠ।
কিন্তু আমরা যাকে কুরআন বলি, তার কতটুকু আসলে আল্লাহ যা পাঠিয়েছেন সেই কুরআন?
আমরা বাংলা অনুবাদে ছাপার অক্ষরের কুরআনকেও কুরআন বলতে দ্্বিধা করি না।
অথচ, একজন ঐতিহাসিকের বায়াস যেমন করে হাদীসে আসতে পারে, একজন অনুবাদকের বায়াস তেমনি কুরআনের ক্ষেত্রে আসতে পারে। আসবে। শব্দচয়ন। বাচনভঙ্গি। এই সব প্রভাবিত করা যায় অনুবাদের মাধ্যমে।
তার মানে আমরা, যেই বাংলা অনুবাদ পড়ছি, সেটা আল্লাহর পাঠানো কুরআন না!
তাছাড়া, আল্লাহ কুরআনকে ছাপার অক্ষরে পাঠান নি। আরবি জানি না, কিন্তু যারা জানে, তারা বলে, 'কুরআন' কথাটার অর্থ হচ্ছে 'যা সবচেয়ে বেশি আবৃত্তি করা হয়েছে'... কুরআন ব্যাপারটা বাইন্ড করা বই না, এটা অনেকগুলো বক্তব্যের সমন্বয়।
বক্তব্যের ক্ষেত্রে,
যিনি বক্তৃতা দিয়েছেন, যার মাধ্যমে বক্তৃতা দিয়েছেন, কোন অবস্থায় বক্তৃতা দিয়েছেন, এই সব কিছুই কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ এন্ড ক্যান নট বি মিসড। যদি এগুলো জানা না যায় তাহলে কিন্তু যে কোন অর্থ করা সম্ভব।
এই ব্যাপারগুলোই তো হাদীস আমাদের বলছে!
আল্লাহর প্রতিজ্ঞা আল্লাহ তাঁর আয়াতকে সংরক্ষন করবেন। তিনি ইসলামকে সংরক্ষন করবেন। ইহুদীদের কিন্তও তওরাত অবিকৃত। ওদের যা বিকৃত, তা হচ্ছে, ধর্মের ইন্টারপ্রিটেশন। আয়াতের ইন্টারপ্রিটেশন।
আল্লাহ বলেছেন, তার আয়াতকে সংরক্ষন করবেন, যদি হাদীসের মাধ্যমে তার বিকৃতি হতো, তাহলে তিনি এ থেকে কুরআনকে রক্ষা করতেন অবশ্যই!
এতটুকু বিশ্বাস আল্লাহর উপর আছে!
৪|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৩২
অতিথি বলেছেন: মানুষের কিছু গোষ্ঠি বা নিজের স্বার্থে উদ্ভূত হাদীসে কারনে কোরান বিকৃতি হলে, তার দায় দায়িত্ব আল্লাহ নিবেন কেন।
৫|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৩৫
অতিথি বলেছেন: কুরআনের আয়াত বিকৃতি/অপব্যবহার করার জন্য হাদীস লাগে না। যারা ওই বোমাবাজি করছে, তারা রাসুলের আদর্শ ছাড়া কুরআনের আয়াত ব্যবহার করছে। শুধু মাত্র কুরআনের আয়াত দিয়ে তারা নিজেদের কাজ জাস্টিফাই করে।
৬|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৩৭
অতিথি বলেছেন: আমি এ জাতীয় পোস্টে কমেন্ট করা থেকে 2 মাইল দূরে থাকি।
আমি একটা জিনিস বুঝি না সেটা হলো যে বাণী রাসূল(স) নিজে তার জীবদ্দশায় লিপিবদ্ধ করতে নিষেধ করেছেন, তা কেন 200 বছর পরে লিপিবদ্ধ করা হলো? কেন রাসূলের আদেশের খেলাফ করা হলো?
আর একটা ব্যাপার হলো এই হাদিস লিপিবদ্ধ করার সময় থেকেই মুসলিম উম্মাহ ভাগ হয়ে যায় ও বিভিন্ন পন্ডিত বিভিন্ন মতবাদ দিতে থাকেন। সাধারণ মানুষও কনফিউজড হয়ে যায়। আর তারা যে পদ্ধতিতে হাদিস যাচাই বাছাই করেছেন তাও প্রশ্নসাপেক্ষ। তিন জেনারেশনের পরে একটা ঘটনার সত্যতা কতটুকু মানুষের মনে থাকে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।
আর রাসুল(স) বলে দিয়েছিলেন কুরআন তার জীবনাদর্শ। এর পরে তো আর কোন কথা থাকতে পারে না। 1400 বছর পরও যদি আমরা কুরআনের বক্তব্য বুঝতে না পারি, তবে জাতি হিসাবে আমাদের অগ্রসর কতটুকু?
৭|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৪১
অতিথি বলেছেন: সহমত জলদসু্য।
৮|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৪৩
অতিথি বলেছেন: জলদস্যু, 100% সহমত।
৯|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৫০
অতিথি বলেছেন: জলদস্যু,
চোরের পোস্টে আমার বক্তব্যগুলো একটু পড়বেন কষ্ট করে? সব রিপিট করতে ইচ্ছা করছে না।
হাদীস কালেকশন নিয়ে সম্ভবত আরেকটু জানা দরকার। এখানে পড়তে পারেন:
Click This Link
১০|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৫১
অতিথি বলেছেন: বিশেষ করে এই পৃষ্ঠা, যার টাইটেল হচ্ছে:
THE CLASSIFICATION OF HADITH: According to the reliability and memory of the reporters
Click This Link
১১|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৫৭
অতিথি বলেছেন: সন্ধ্যা,
আপনি লিখছেন হাদিসের সংজ্ঞা = রাসূলের কাজ, কথা ও শিক্ষা।
এতে কিন্তু "কুরআনের ব্যাখ্যা" কথাটি নেই। হাদিস বেশিরভাগ সময়েই কুরআনের ব্যাখ্যার কাজে ব্যবহৃত হয়। আরও একটা কথা বলে রাখি অনেক হাদিস একটা আরেকটাকে কনট্রাডিক্ট করে। তাই নিজের জ্ঞান-বুদ্ধি দ্্বারা কুরআনের অন্তর্নিহিত কথা বুঝার চেষ্টা করাই ভাল।
১২|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:০২
অতিথি বলেছেন: কুরআনে রাসুলের কাজ, কথা ও শিক্ষার ব্যপারে কি বলা হয়েছে?
ওখানে সব মন্তব্য একটু মনযোগ দিয়ে পড়েন প্লীজ 
১৩|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:০৪
অতিথি বলেছেন: আপনার লিংক সেই পুরানো কথাই বলে। একজনের চরিত্র ভালো হলেই কি সব? ভালো চরিত্রের লোকটির সোর্স যদি একজন খারাপ লোকের কাছ থেকে বিকৃত রুপ পেয়ে থাকে ধরুন 100 বছর আগে, তাহলে কি হবে? কে সেটা 100 বছর পর দেখতে যাবে? সহীহ কথাটার ব্যাখ্যা যা দেয়া আছে, সেরকম সাউন্ড হাদিস খুব কম আছে বলেই আমার ধারণা।
১৪|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:১০
অতিথি বলেছেন: 81 টা মন্তব্য, তাই পড়া একরকম অসম্ভব। সময় হলে পড়ে দেখব।
কুরআন যদি ফলো করতে পারেন, তাহলে রাসূলের কাজ ও কথা তার সম্পর্কে জানার জন্য দরকার। অন্যকোন কাজে দরকার নেই।
মনে রাখবেন, যেকোন খারাপ কাজ করার আগে মানুষের মনে অপরাঢবোঢ কাজ করে ও সে জানে যে কাজটি সে করতে যাচ্ছে তা ঠিক নয়।
১৫|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:২৩
অতিথি বলেছেন: একটা অপ্রাসংগিক প্রশ্ন করছিঃ
গৌতম বুদ্ধ কি বেহেশতে যাবেন? গেলে কেন যাবেন আর না গেলে কেন যাবেন না? এ বিষয়ে যুক্তি কি?
১৬|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:৪৭
অতিথি বলেছেন: দ্্রোহীর সাথে যোগ করছি- মাদার তেরেসা!
জলদসু্যর সাথে সহমত কইলে মাইর ধইর খাইতে পারি। তাই ইচ্ছা থাকলেও কমুনা
আমি এইখানে মন্তব্য করলাম কেন?
১৭|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
অতিথি বলেছেন: গৌতম বুদ্ধের সময় বেহেস্ত ছিলনা আছিল নির্বান।
১৮|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:৩৯
অতিথি বলেছেন: চোরঃ
"আনুগত্য করা/অনুসরন করা" ও "ঈমান আনা", ও দু'টি শব্দের ভিতরে সরল অর্থে পার্থক্য বিদ্যমান। কুরআনের 4:65 আয়াতের ভাবানুবাদে বলা আছে মুহাম্মদ (সঃ) এর আনুগত্যের কথা। প্রথমে কুরআন মানতে হবে। তাই না? কান টানলে যেমন মাথা আসে কুরআনের পরেই তেমনি মুহাম্মদ (সঃ) এর কথা চলে আসছে। তাকে কিভাবে ঠেকাবেন? 7:58 এর "nd follow him so that you may be guided" আপনার কাছে কি অর্থ বহন করে?
"আমাদের হাদীস সংগ্রাহকেরা ধোয়া তুলশী পাতা?" আপনার এ প্রশ্নের উত্তরে বলবো "হ্যা, আমাদের হাদীস সংগ্রাহকেরা ধোয়া তুলশী পাতা। শুধু তাই নন, তার থেকেও বেশী পরিষ্কার!"
কেন? কারন যে হাদিসকে সজ্ঞানে কলুষিত করেছে বা করার চেষ্টা করেছে তাকে তো আমি/আপনি "হাদিস সংগ্রাহক" বলবো না। বলবো কি? তাকে বড়জোর "হাদিস কম্পোজার/ম্যানুফেকচারার" বলতে পারি।
মুলত এদের (হাদিস কম্পোজার) কারনেই এক সময় হাদীস সংরক্ষনের প্রয়োজন পড়েছিলো। মুহম্মদ (সঃ) এর মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে (আগেও) দৈনন্দিন জীবনের অনেক খুটিনাটি ক্ষেত্রে সাহাবী ও অন্যান্যরা হাদিস অনুসরন করতেন। যখন জাল হাদীস ধরা পড়তে লাগলো তখনই প্রয়োজন হলো হাদীস সংরক্ষনের। এ কাজটি সে সময়কার জ্ঞানীরা তাদের সাধ্য মতো করেছেন বলেই জাল হাদীসের উৎপত্তি বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। পরবর্তীতে আর জাল হাদীসের কথা শোনা যায় নি বা হালে পানি পায় নি। নাহলে অবস্থা আরও ভয়াবহ হতো। আমার/আপনার মতো বহুলোক বর্তমান সময়েও জাল হাদিস বানিয়ে ক্ষমতা জারীর চেষ্টা করতো। যেমন সে সময়ে অনেক খলীফার মসনদ পাকাপোক্ত করার জন্যে উপঢৌকনের বদলে হাদীস তৈরী করা হয়েছে।
১৯|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:৩৯
অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ তরঙ্গ।
২০|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:৫১
ফারহান দাউদ বলেছেন: এখা
২১|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ২:০৯
অতিথি বলেছেন: সন্ধ্যাবাতিঃ
নামটা অসাধারন। এ নামেই একটা সেবামুলক সংগঠন তৈরী করে ফেলতে পারেন।
আপনি ঠিকই বলেছেন। আরবী ছাড়া অন্য কোন ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় "কুরআনের অর্থের ভাবানুবাদ" ।
সে সময়ে হাদিস সংরক্ষন না হলে তা আরও বেশী মাত্রায় কলুষিত হতো পরবর্তীতে। এখন যে পরিমান জাল হাদীস আছে হাদীস গ্রন্থগুলোতে তার মাত্রা খুব বেশী না। আর হাদীস সংগ্রহকারীগন নিজেরাও বলে গেছেন সংগৃহীত হাদীসে ভুল থাকতে পারে। আল্লাহই ভালো জানেন। কোন হাদীস কুরআনের কোন আয়াতের /বিষয়ের বিপরীত হলে তা পরিত্যাজ্য। মওলানা আকরম খাঁ "বুখারী শরীফে" বেশ কিছু হাদিস (10টির মতো) দেখিয়েছেন যা একটা আরেকটাকে কনফিক্ট করে। এরকম হলে নিজের বিচার বিবেচনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা নিয়ে মারামারি কাটাকাটি/ফেতনা ফ্যাসাদ বাধানোর কিছু নেই। অথচ অনেকে তাই করতে পছন্দ করে।
অনেকে আবার সাহাবীদের সততা/বিশ্বস্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাদিস পালনকে সরাসরি নাকচ করে দেন।
এ বিষয়টা এক শ্যেনীর মুনাফেকরাই প্রথম আবিষ্কার করেছেন। উদ্দ্যেশ্য সুদুরপ্রসারী। কুরআন সংরক্ষন করেছেন সাহাবীরা। হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর ইন্তেকালের বেশ পরে বিভিন্ন সাহাবী যারা হাফেজ ছিলেন আরও যেসব সাহাবীর কাছে কুরআনের বিভিন্ন অংশ লিখিত অবস্থায় ছিল তা নিয়ে একত্রিত করা হয়। কুরআনের কোন অংশের পরে কোন অংশ থাকবে তার নির্দেশনা মুহম্মদ (সঃ)ই দিয়ে যান। এখন যে সাহাবীরা দায়িত্ব নিয়ে কুরআনকে একত্রিত করলেন। সংরক্ষনের ব্যবস্থা করলেন তাদেরকে যদি জাল হাদিস বানানোর অভিযোগে অবিশ্বস্ত বানানো যায় তাহলে পরবর্তীতে তাদেরই দায়িত্বে সংরক্ষিত কুরআনের নির্ভলতার ভিত্তি কি? এ সুদুরপ্রসারী চক্রান্তের ফলেই একশ্রেনীর মুনাফেক ইসলামের ভিতরে থাকার ভান করেই ইসলামের ক্ষতি করতে সচেষ্ট ছিলো। যেমন আমরা দেখি মুহম্মদ (সঃ) এর সম্মুখেই মদীনাতে অনেক মুনাফেকদের বিচরন। যাদের পরে মুহাম্মদ (সঃ) যথাযোগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করেছিলেন।
২২|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ২:১৩
অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান।
মুহাম্মদ (সঃ) এর ইন্তেকালের 200 বছর পরেও যদি হাদিসগুলো কঠিনভাবে ফিলটার করে সংগ্রহ না করা হতো তাহলে আজ মুহাম্মদ (সঃ) সম্পর্কে কিছু ফ্যান্টাসী ছাড়া আর কিছুই থাকতো না আমাদের জন্যে। যেমনটা হয়েছে অন্যান্য নবীদের ক্ষেত্রে তাদের যার যার অনুসারীদের দ্্বারা।
২৩|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ২:১৮
অতিথি বলেছেন: আশার আলো-
আপনার লেখাটি আগে দেখেছি; পড়ার সুযোগ করে উঠতে পারিনি।
প্রচেষ্টার জন্য আল্লাহ আপনাকে প্রতিদান দিন। ভাল লাগলো।
-ইদানিং ব্লগে "কুরআনিয়্যূন" তথা হাদীস অস্বীকারকারী সম্প্রদায় অথবা তাদের দ্বারা প্রভাবিতদের উৎপাত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভয় নেই; এদের কোন ষড়যন্ত্র অথবা অজ্ঞতাকেই আল্লাহ অতীতে সফল হতে দেন নাই। ইনশাআল্লাহ্ ভবিষ্যতেও দেবেন না।
এই সম্প্রদায় নিয়ে লেখার ইচ্ছে আছে ইনশাআল্লাহ্।
২৪|
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ২:২৩
অতিথি বলেছেন: ফজলে এলাহীঃ
ধন্যবাদ। মাঝে মাঝে জানতে ইচ্ছে করে, মুহাম্মদ (সঃ) এর ঘনিষ্ট সাহাবীদের যারা জাল হাদিস রচনার দোষে দোষী সাব্যস্ত করে সেই সাহাবীদের দ্্বারা সংরক্ষিত কুরআনকে তারা কোন চোখে দেখবে?
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১১:২১
অতিথি বলেছেন: পোষ্টটার জন্য ধন্যবাদ।