| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে থাকতে দুই দিন ঈদ দেখেছি। বাংলাদেশের একটি অঞ্চলের লোকেরা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে ঈদ উদযাপন করে। কিন্তু সেই একই অবস্থা যে দূর পরবাসেও হয়, প্রথমবারেই দেখে নিলাম।
রোজার ঈদে দুই গ্রুপে ঈদ হল। বাংলাদেশীদের একদিন, পাকিস্তানী আর আরবদের একদিন। কোরবানির ঈদে দেখি আরো গন্ডগোল, বাংলাদেশীরাও দ্বিধা-বিভক্ত। গতকাল এক অংশ ঈদ পালন করে ফেলেছে। আমরা আজ নামাজ পড়ে এলাম। গতকাল আমাদের অফিসে আমার বস ঈদ পালন করলেন, আজ আমার টীম লিডারের ঈদ। যদিও দুজনেই পাকিস্তানী।
পহেলা বৈশাখ, ভ্যালেন্টাইন ডে, নিউ ইয়ার, দূর্গাপুজা, থ্যাংকস গিভিং, হ্যালোইন, ক্রিসমাস সবই তো আমরা সবাই একই দিনে পালন করতে পারি। আর আজকের এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার যুগে চাঁদের অবস্থান আগামী কয়েক বছর পর্যন্ত নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব।
কোরবানির ঈদ বোধহয় তিনদিন পালন করা যায়, তারপরেও বাৎসরিক একটা উৎসব, সবাই মিলে কি একসাথে পালন করা যায় না ?
-- আশিক মুর্শেদ, টরন্টো থেকে
১৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:৫০
আশিক মুর্শেদ বলেছেন: আমি নাগেটে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মসজিদে নামাজ পড়লাম। আমি নর্থ ইয়র্কে থাকি। এ অঞ্চলের বেশিরভাগ-ই আজ নামাজ পড়ল। ঈদ মোবারক আপনাকে।
২|
১৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৯:১৭
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
চাদের এস্ট্রনমিকাল ক্যালেন্ডার ফলো করলে একদিনেই ইসলামি সব অনুষ্ঠান সম্ভব।
কিন্তু ইসলামে তো চাদ নিজ চোখে দেখতে হয়।
১৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:৫৪
আশিক মুর্শেদ বলেছেন: ভাই, একটা বয়স পর্যন্ত আমিও চাঁদ নিজের চোখে দেখে ঈদ করেছি। তারপর তো সরকারী ঘোষণা শুনেই ঈদ করতাম ..
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ৮:১৫
আশফাকুল তাপস বলেছেন: এটা টরেন্টো বা হয়ত বাইরের সব দেশেরই একটা পরিচিত চিত্র।আমি গত দশ বছরে মাত্র একটা ঈদ দেখসি যেটা মোটামুটি সবাই মিলে পালন করসিল।আপনি শুনে অবাক হবে যে একবার ভোর পাচটার সময় ডিক্লেয়ার দেয়া হইল যে আজকে ঈদ অর্থাৎ দুই ঘন্টা পরে ঈদের নামাজ।এইবার বিশাল ছ্যাড়াব্যাড়া অবস্থা।আমি সুন্নাতুল জামাত মসজিদের কাছে থাকি।তারা এইবার মঙ্গলবারে নামাজ পড়ল।আমিও তাদের সাথে পড়লাম।আপনি কোন মসজিদে গেলেন?