![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বাধীনতার পরে আর্মি দেশ জুড়ে নানান অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছিল। টঙ্গী এলাকায় একটি দেশব্যাপী সন্ত্রাস দমন সামরিক অভিযানে সময় মেজর নাসের তিনজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় একজন ব্যক্তি ভেঙ্গে পড়ে এবং একটি ভয়ঙ্কর ট্রিপল মার্ডারের ঘটনা স্বীকার করে। এই হত্যা নিয়ে তখন বেশ হইচই হয়েছিল।
একটি নববিবাহিত দম্পতি একটি ট্যাক্সিতে করে তাদের বাড়িতে যাওয়ার সময় শহরের অদূরে রাস্তার পাশে তাদের থামিয়ে আটক করানো হয়। বর ও ট্যাক্সি চালককে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। কনেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ধর্ষণ করা হয়। তিন দিন পর একটি ব্রিজের কাছে রাস্তার ওপর তার বিকৃত লাশ পাওয়া যায়।
সেই সময়ে এই ট্রিপল মার্ডার কেসের পুলিশি তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় যখন পুলিশ জানতে পারে যে এই হত্যা এবং ধর্ষণের হোতা টঙ্গী আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল। এই আদেশ এসেছিল সরকারের উপর মহল থেকে।
মেজর নাসের পুলিশি রেকর্ড থেকে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে মোজাম্মেলকে বিচারের জন্য ঢাকায় নিয়ে যান। সেই সময়ে মোজাম্মেল মেজর নাসেরকে তার মুক্তির জন্য তিন লক্ষ টাকা প্রস্তাব করেছিলেন। মোজাম্মেল তখন মেজর নাসেরকে বলেছিল ‘এটাকে জনসাধারণের ব্যাপার বানায়ো না, আজ না হয় কাল তোমাকে যাই হোক আমাকে যেতে দিতেই হবে। তাহলে টাকাটা নিয়ে তুমি এটি ভুলে যাও?’
মেজর নাসের এই ঘুষের কথা শুনে রেগে যান। তিনি শপথ করেছিলেন, মোজাম্মেলকে বিচারের মুখোমুখি করবেন এবং তার অপরাধের জন্য তাকে ফাঁসি দেবেন। তিনি তাকে বেসামরিক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।
কিন্তু কদিন পরেই দেখা গেল শেখ মুজিবের সরাসরি হস্তক্ষেপে মোজাম্মেলকে মুক্তি দেওয়ায় হয়েছে। মোজাম্মেল মুক্তি ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এটা দেখে মেজর নাসের খুবই অবাক হয়েছিলেন।
‘আমি তোমাকে টাকা নিতে বলেছিলাম,’ পরের মেজর নাসের সাথে দেখা করে মোজাম্মেল দম্ভস্বরে বলেছিল এই কথা। ‘তুমিই লাভবান হতে। এখন দেখ, আমি মুক্তি পেয়েছি, তুমি কিছুই পাও নাই।’
টঙ্গী আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল কে জানেন?
সে আওয়ামীলীগের আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক । মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী।
শেখ মুজিব যেমন এই ধর্ষক আর খুনীকে মুক্তি দিয়েছিল, নিজের ছায়াতলে আশ্রয় দিয়েছিল শেখ হাসিনা তেমন ভাবে এই ধর্ষক খুনীকে বানিয়েছিল ধর্মমন্ত্রী ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী।
২| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ বিকাল ৩:১০
শাওন আহমাদ বলেছেন: যুগে যুগে শেখেরা এমনি, হুজুগে কাঙালরা এসব চরিত্রহীন, খুনীদের ক্ষমতায় দিয়ে মহান হয়েছি আর সামান্য ইট বালুর বাড়ির জন্য কান্নাকাটি করি । ২
৩| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ বিকাল ৪:২৯
নীল আকাশ বলেছেন: এক খুনি আরেক মুক্ত করেছিল আর আরেকজন খুনি তাকে মন্ত্রী বানিয়েছিল।
এটাই শেখের বংশ পরিচয় < আজন্ম খুনি।
৪| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ বিকাল ৪:৪২
এভো বলেছেন: মিথ্যা কাহিণী লিখতে হোলে অনেক গবেষনা করতে হয় --- আপনার কাহিণীর বর্ণনাই প্রমাণ করে এটা ভুয়া কাহিণী ।
৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ দুপুর ১২:০৯
রাজীব নুর বলেছেন: শেখ মুজিব নরম মনের মানুষ ছিলেন। এবং সবাইকে বিশ্বাস করতেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ দুপুর ২:৫০
এ পথের পথিক বলেছেন: যুগে যুগে শেখেরা এমনি, হুজুগে কাঙালরা এসব চরিত্রহীন, খুনীদের ক্ষমতায় দিয়ে মহান হয়েছি আর সামান্য ইট বালুর বাড়ির জন্য কান্নাকাটি করি ।