নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পৃথিবী কাব্যময় । জীবন ও প্রকৃতির সর্বত্রই কবিতা । যে কবিতা বোঝে না, কবিতা শুনতে বা পড়তে ভালবাসে না- কবিতা আছে তার জীবনেও । তাই কবিতাই আমার সাধনা, অনুপ্রেরণা আর ভালো লাগা ।

রুদ্র আতিক

অখ্যাত একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইসিটি বিভাগে চাকরি । নেশা- আড্ডা, ঘুরে বেড়ানো, বই পড়া ও কবিতা লেখা ।

রুদ্র আতিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিষ্ক্রিয় চেতন

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৩


'রাগে আর অনুরাগে, বিরহের বিক্ষোভে
চলেছি কত দিন প্রেমহীন পথে !
কত নিশি-দিন, প্রিয়-সখা হীন
কেটেছে একাকী বেদনার রথে !

বহু জন বহু মন, বহু পথ ঘুরে
ক্রমে ক্রমে স্মৃতি থেকে গিয়েছি দূরে ।
বিস্মৃত প্রীতি আর বিস্মৃত দিন
স্মৃতি হয়ে বাড়াল জীবনের ঋণ ।

ভুলে যাওয়া দিন আর ভুলে যাওয়া রাত
স্মৃতি হয়ে ফিরে আসে আবার হঠাৎ !
মনে পড়ে অতীতের সুখ-দুখ ব্যথা,
অজানিতে মনে পড়ে কত গত কথা !

মনে পড়ে শৈশব, ছেলে বেলার গল্প
মনে পড়ে সেই সব, স্মৃতি কথা অল্প ।
মনে পড়ে কবিতা, কত ছড়া ছন্দ ?
মনে পড়ে ভুলে যাওয়া খাবারের গন্ধ ।

মনে আসে সখীদের প্রেমময় কাব্য
মনে আসে কৈশোরের অশালীন শ্রাব্য ।
মনে আসে যৌবনের ফেলে আসা গান
মনে আসে তুচ্ছ সম আপনার প্রাণ !

মনে ভাসে আকাশের রঙ্গিন ঘুড়ি
মনে ভাসে সুতো বোনা চাঁদের বুড়ি ।
মনে ভাসে বিরহের বিষে ভরা নীল,
মনে ভাসে উড়ে চলা শ্বেত গাঙ চিল ।

মনে আছে পড়া ফেলে গল্প পড়া
মনে আছে বালি দিয়ে ঘরবাড়ি গড়া ।
মনে আছে সখে কেনা মাটির বাসন
মনে আছে বাবা-মা'র স্নেহের শাসন ।

কত কথা মনে আসে, কত জ্বালা যাতনা !
কত সুর মনে ভাসে, কত স্মৃতি চেতনা ।
কত আশা ভালবাসা কত হাসি কান্না,
কত দামী ভালবাসার হীরে-চুনি-পান্না ?

কি যে ভালবাসি তারে আজো বলা হলো না
কি যে সুর সাধি আমি, কি যে তার বেদনা !
কি যে আমি, এই আমার দেহ মন-ধন !
কি বেদনায় নিষ্ক্রিয় হিলিয়াম আর নিয়ন আর্গন ?'

কবিঃ রুদ্র আতিক, সিরাজগঞ্জ
২১ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ।


(পুনশ্চঃ নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলতে পর্যায় সারণীর ১৮তম শ্রেণীর মৌলগুলোকে বোঝায়। কখনওবা একে অষ্টম শ্রেণী, হিলিয়াম পরিবার বা নিয়ন পরিবার নামে ডাকা হয়। এই শ্রেণীতে অবস্থিত গ্যাসগুলো রাসায়নিকভাবে খুবই নিষ্ক্রিয়, কারণ এদের পরমাণুর সর্ববহিরস্থ কক্ষপথে ইলেকট্রনের সংখ্যা পরমাণুর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতার সমান অর্থাৎ ৮টি। ইতিমধ্যে সুস্থিত ইলেক্ট্রণসমূহ অন্য কোন মৌলের সাথে সহজে বিক্রিয়া করতে চায় না। সাধারণ অবস্থায় এগুলো বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং এক পরমাণুক গ্যাস। উপরন্তু এগুলোর স্ফুটনাংক ও গলনাংক খুবই কাছাকাছি। আলোকসজ্জা, ওয়েল্ডিং এবং মহাশূন্য প্রযুক্তিতে এই গ্যাসগুলোর প্রভূত ব্যবহার রয়েছে। নিষ্ক্রিয় গ্যাসের সংখ্যা সাত। এগুলো হল: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন, র‍্যাডন এবং ইউনুনোকটিয়াম।)

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২১

রুদ্র আতিক বলেছেন: কি ! কবি না কবিতা ? ধন্যবাদ

২| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২৫

কবি হাফেজ আহমেদ বলেছেন: ছন্দে ছন্দে মনের কথাগুলো চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। বেশ ভালো লাগলো।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২২

রুদ্র আতিক বলেছেন: অনুপ্রানিত করবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.