| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নিলাম সংক্রান্ত বিধানাবলী
নিলাম সংক্রান্ত অধিকার
সম্পত্তি নিলাম হওয়ার পূর্বে নোটিশ পাবার অধিকার ৷ (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৭ধারা)
সার্টিফিকেট অফিসারের নিকট নিলাম বাতিলের আবেদন করার অধিকার এবং আবেদনের জন্য সময় পাবার অধিকার ৷ (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ২২ধারা )
নিলামের ব্যাপারে আপত্তি দাখিলের অধিকার ৷ (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ২২ধারা )
কোনো ব্যক্তি নিলাম সম্পত্তি ক্রয় করলে তা দখল পাবার অধিকার ৷
কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নিলামে হলে ঐ নিলামের বিরুদ্ধে আপিলের অধিকার ৷
(১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫১ধারা)
রিভিশনের অধিকার (যদি আপিল করা না হয়)
{১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫৩ধারা}
রিভিউ এর অধিকার (যদি আপিল বা রিভিশন করা না হয়)
(১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫৪ ধারা)
লঙ্ঘন:
সম্পত্তি নিলাম হওয়ার পূর্বে নোটিশ না পাওয়া।
সার্টিফিকেট অফিসারের নিকট নিলাম বাতিলের জন্য আবেদন করার সময় না পাওয়া।
কোনো ব্যক্তি নিলাম সম্পত্তি ক্রয় করলে তার দখল না পাওয়া।
কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নিলামে হলে ঐ নিলামের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য সময় ও সুযোগ না পাওয়া।
কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নিলামে হলে ঐ নিলামের বিরুদ্ধে রিভিশনের জন্য সময় ও সুযোগ না পাওয়া।
কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নিলামে হলে ঐ নিলামের বিরুদ্ধে রিভিউ এর জন্য সময় ও সুযোগ না পাওয়া।
প্রতিকার:
সার্টিফিকেট অফিসারের নিকট নিলাম রদের জন্য মামলা করতে হবে।
আপিলের মাধ্যমে।
রিভিশনের মাধ্যমে।
রিভিউ এর মাধ্যমে।
কতদিনের মধ্যে সার্টিফিকেট অফিসারের নিকট নিলাম রদের জন্য মামলা করতে হবে ?
৩০ দিনের মধ্যে।
নিলাম ক্রেতাকে নিলামী সম্পত্তির দখল গ্রহণে বাধা দিলে তা সরকার কতৃর্ক নির্ধারিত সার্টিফিকেট অফিসারকে অবহিত করলে, সার্টিফিকেট অফিসার প্রয়োজনীয় শুনানী শেষে এ বিষয়ে আদেশ প্রদান করবেন। প্রয়োজনে বাধা দানকারীকে সিভিল জেলে আটক রাখা যাবে।
আপিলের সুযোগ আছে কি?
আছে। (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫১ধারা)
কোথায় আপিল করতে হবে?
সার্টিফিকেট অফিসারের কোন আদেশের বিরূদ্ধে কালেক্টরের নিকট আপিল করা যাবে।
কতদিনের মধ্যে?
১৫ দিনের মধ্যে
কালেক্টরের কোন আদেশের বিরূদ্ধেও আপিল করা যাবে।
কোথায় আপিল করতে হবে?
বিভাগীয় কমিশনারের নিকট।
কতদিনের মধ্যে?
৩০ দিনের মধ্যে।
রিভিশনের সুযোগ আছে কি?
আছে (যদি আপিল করা না হয়)
(১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫৩ধারা)
অসন্তুষ্ট ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে সার্টিফিকেট অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কালেক্টর নিকট
কালেক্টর প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট এবং
বিভাগীয় কমিশনার প্রদত্ত যে কোনো আদেশ ভূমি আপিল বোর্ড এর নিকট রিভিশন বা পূণনীরিক্ষণের জন্য দরখাস্ত করতে হবে।
আদেশ দানের ৩০ দিনের মধ্যে রিভিশন/সংশোধন করতে পারেন।
জেলা প্রশাসক নিজে উক্ত আদেশটি রিভিশন/পূননীরিক্ষণ করতে পারবেন।
কতদিনের মধ্যে?
সকল আদেশের ক্ষেত্রে আদেশ দানের ৩০ দিনের মধ্যে রিভিশন/সংশোধন এর জন্য দরখাস্ত করতে হবে।
রিভিউ করার অধিকার আছে কি?
আছে। (যদি আপিল বা রিভিশন করা না হয়)
(১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৫৪ ধারা)
নিলাম সম্পর্কে বিস্তারিত:
ক্রোক/নিলামযোগ্য সম্পত্তির বর্ণনা:
জমি, ঘর, বাড়ি, নগদ টাকা, চেক, বন্ড, লোন, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, এফ. ডি. আর এবং অন্যান্য বিক্রয় যোগ্য সামগ্রী৷
ক্রোক/নিলাম অযোগ্য সম্পত্তির বর্ণনা: পরিধেয় পোষাক, বিছানা, রান্নার সামগ্রী, হালের বলদ, কৃষি যন্ত্রপাতি, আবশ্যক বাসগৃহ, মজুরের পারিশ্রমিক, বেতনের ১/৩ অংশ, ভবিষ্যত ভাতার অধিকার, সরকারী বৃত্তি ইত্যাদি। (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ১৭ ধারা, ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারা)
নিলাম ক্রেতার স্বত্ব অর্জন: যথাযথ ভাবে বাস্তবায়িত সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত কোনো সম্পত্তি, কোনো ব্যক্তি নিলামে ক্রয় করলে তাতে দেনাদারের বিদ্যমান সকল স্বত্ব, স্বার্থ ও অধিকার নিলাম ক্রেতার উপর বর্তাবে ৷ এমনকি ১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ৭ ধারার নোটিস হওয়ার পর দেনাদার ঐ সম্পত্তি কারো নিকট গোপনে হস্তান্তর করলেও দেনাদারের বিদ্যমান সকল স্বত্ব, স্বার্থ ও অধিকার নিলাম ক্রেতার উপর বর্তাবে ৷
(দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী এক্ট ১৯১৩ আইনের ১৭ধারা) এবং
(১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ধারা)।
সার্টিফিকেট অফিসার যে ভাবে নিলাম কার্যকর করতে পারেন:
দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক দ্বারা এবং
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি দ্বারা (১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের ১৪ ধারা)
নিলাম বাতিলের আবেদনের পদ্ধতি:
কোনো স্থাবর সম্পত্তি সার্টিফিকেট মূলে নিলামে বিক্রি হলে দেনাদার বা নিলাম বিক্রির ফলে যিনি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তিনি নিলাম হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নিলাম রদের জন্য সার্টিফিকেট অফিসারের নিকট (দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী এক্ট ১৯১৩ আইনের ২২ ধারা মতে) আবেদন করতে পারবেন৷ আবেদনের সংগে দাখিল করতে হবে:
যে পরিমাণ টাকার জন্য সম্পত্তি (স্থাবর) নিলাম হয়েছে সে পরিমাণ টাকা আবেদনের সংগে দাখিল করতে হবে ৷
নিলাম বিক্রিত মূল্যের উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণের টাকা আবেদনের সংগে দাখিল করতে হবে ৷
নিলাম ঘোষণার তারিখ হতে টাকা দাখিল করার দিন পর্যন্ত সময়ের জন্য ৬১/৪% হারে বার্ষিক সুদ দিতে হবে ৷
কালেক্টরের অন্যান্য পাওনা (যদি থাকে) ৷
দেনাদারকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি সার্টিফিকেট অফিসারের কোন নোটিস পাননি বা বিক্রয় পরিচালনায় (দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী এক্ট ১৯১৩ আইনের) ২৩ ধারার অনিয়ম হয়েছে ৷
এ আইনের ২৪ ধারামতে নিলাম ক্রেতাও নিলাম রদের আবেদন করতে পারেন।
কতদিনের মধ্যে?
নিলাম ক্রয়ের ৬০ দিনের মধ্যে৷
২৩ ধারার অনিয়ম বলতে যা বুঝাবে
৭ ধারার নোটিশ ঠিকমত জারী না হওয়া;
৭ ধারার নোটিশের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হওয়ার আগেই সার্টিফিকেট প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া;
৯ ধারার আপত্তি নিষ্পত্তি না করা;
নিলাম কেসটি যেক্ষেত্রে তামাদি;
দেনাদার নাবালক ও পাগল হলে অভিভাবক নিয়োগ না হলে;
বিক্রি পরোয়ানায় সম্পত্তির পূর্ণ বিবরণ না থাকা;
পরোয়ানায় সম্পত্তির মূল্য কম দেখানো;
নিলামী সম্পত্তি যে ক্ষেত্রে বিক্রি যোগ্য নয়;
বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট তারিখে বিক্রি না হয়ে ভিন্ন তারিখে বিক্রি হওয়া ইত্যাদি ।
নিলাম চূড়ান্তকরণ:
নিলাম বিক্রয়ের পর যদি ৩০ দিন অতিবাহিত হয় এবং (দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী এক্ট ১৯১৩ আইনের) ২২,এবং ২৪ ধারা অনুসারে নিলাম রদের কোন আবেদন না হয় বা আবেদন অগ্রাহ্য হয় এবং ২৩ ধারার কোন অনিয়ম (নিলাম কার্যক্রমে) না হয় তবে সার্টিফিকেট অফিসার ২৫ ধারা মতে নিলাম চূড়ান্তকরণের ঘোষণা দিবেন ৷ আর যুক্তিসংগত কারণে নিলাম রদের আবেদন গৃহীত হলে সার্টিফিকেট অফিসার নিলাম রদের ঘোষণা দিবেন এবং এ সম্পর্কে নোটিস জারী করবেন ৷
(দি পাবলিক ডিমান্ড রিকভারী এ্যাক্ট ১৯১৩ আইনের ২৫ ধারা)
নিলামে প্রাপ্ত অর্থের বন্টন পদ্ধতি:
নিলামে প্রাপ্ত অর্থের বন্টন নিম্নরূপ ভাবে হয়ে থাকে।
সার্টিফিকেট পাওনাদারকে খরচ (সার্টিফিকেট কার্যক্রমের খরচ) প্রথমে দিতে হবে ৷
যে প্রাপ্যের জন্য সার্টিফিকেট কার্যকর করে টাকা আদায় করা হয়েছে তা পাওনাদারকে দিতে হবে ৷
উল্লেখিত অর্থ পরিশোধের পর অর্থ অবশিষ্ট থাকলে তা দেনাদেরকে দিতে হবে ৷
(১ঌ১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইনের (পি. ডি. আর. এক্টের) ২৬ ধারা মতে)
দখল গ্রহন: নিলাম ক্রেতাকে নিলামী সম্পত্তির দখল গ্রহণে বাধা দিলে তা সরকার কতৃর্ক নিধার্রিত সার্টিফিকেট অফিসারকে অবহিত করলে, সার্টিফিকেট অফিসার প্রয়োজনীয় শুনানী শেষে এ বিষয়ে আদেশ প্রদান করবেন ৷ প্রয়োজনে বাধা দানকারীকে সিভিল জেলে আটক রাখা যাবে ৷
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: যথারীতি অনেক ধন্যবাদ আপনাকে