নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস- লেখালেখি,পড়াশুনা,চাকরী আর একটি অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বরত। এই নিয়েেই আমার সময় কাটে।বলতে পারেন এ সব আমার জীবন।

বাপ্পি মজুমদার

আমি বাপ্পি মজুমদার ইউনুস,লেখালেখি,পড়াশুনা,চাকরী আর একটি অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বরত।

বাপ্পি মজুমদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ- বাপ্পি মজুমদার ইউনুস

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৫

শত ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত । ১৮৯৯ সালে রায় বাহাদুর আনন্দ চন্দ্র রায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ। যার সমস্যার অন্ত নেই। শতবর্ষ পেরিয়ে স্বনামধন্য এ কলেজটির সারাদেশ তথা উপমহাদেশে রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া কলেজের শিার্থীরা কর্মজীবনে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে বিট্রিশ শাসনামল থেকে অধিষ্ঠিত থাকেন। অতীত বর্তমান সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্য,মাননীয় মন্ত্রী,আমলাসহ মতাধর ব্যক্তিগন এ কলেজের সাবেক শিার্থী কিন্তু তাদের কেউই কখনও তাদের শিা জীবনে অবদানরাখা প্রিয় কলেজটির উন্নয়ন ও শিার মান বৃদ্দির েেত্র অবদান রাখেননি। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ডিগ্রী শাখার শিা ব্যবস্থাপনায় শুধুই সংকট। আর সংকটের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছে। শিার্থীদের কাস সংকট রুম সংকট,শিক সংকট,আসবাবপত্র সংকট,যানবাহন,ছাত্রছাত্রীদেরকমন রুম ,টয়লেট,বিশুদ্ধ পানি,ডিগ্রী শাখায় ব্যাংক সংকট,পুলিশ ফাঁড়ি,খেলার মাঠ,শিার্থীদের লাইব্রেরী,সেমিনার,যাতায়াত অব্যবস্থাপনা,শিকদের যানবাহন,আবাসিক শিার্থীদের হল সংকট,জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন সমস্যায় পতিত ছিল ২০১৩ সাল নভেম্বর পর্যন্ত। তারপর বিভিন্ন সময় দৈনিক পূবার্শা,আমাদের কুমিল্লা,ক্যাম্পাস সাহিত্য,মেহের কুল,মানবকথা,সময়ের দপর্ন সহ কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর কিছু কিছু কাজ হাতে নিয়েছে কলেজ কর্তপ। স্বনামধন্য এ কলেজে উচ্ছাসের সঙ্গে শিার্থীরা ভর্তি হয়ে কলেজের বেহাল দশা আচঁ করতে পেরে কলেজের কাস গুলো বর্জন করে। শুধুমাত্র নিবাচর্নী,ফাইনাল ও প্র“ফের পরীা গুলো তে অংশগ্রহণ করে। যা একজন শিার্থী হয়ে কলেজ জীবনে তার স্মৃতিময় দিন গুলো কাটাতে পারছে না। অনেক েেত্র কলেজের প্রশাসনিক কাঠামোর দূর্বলতার সুযোগে এবংদতার অভাবে আবার সরকারের উচ্চমহলের বিশেষ করে শিা মন্ত্রণালয়ের সু-দৃষ্টি না থাকায় এবং কুমিল্লার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহেলায় দিন দিন উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে। তবে স্থানীয় সদর আসনের সংসদ সদস্য আ.ক.ম বাহাউদ্দীন এর ভূয়সী প্রশংসা করতে হয়। তিনি ও তার মতা অনুযায়ী যথাসাধ্য কলেজের উন্নয়নে কিছু ভূমিকা রেখেছেন। অথচ শিানুরাগী আশা প্রকাশ করেন শত বছরের ঐতিহ্যর দিক বিবেচনা করলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ পরিপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হওয়ার কথা ছিল। সঠিক দিক নির্দেশনা ও সরকারের উচ্চ মহলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষনার চাপ প্রয়োগ করতে না পারায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। যদি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মহান জাতীয় সংসদে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার প্রস্তাব দেন কিন্তু তা সরকারের উচ্চ মহলের নিকট গ্রহণযোগতা পায়নি। ঐতিহ্য বাহী ভিক্টোরিয়া কলেজের সমস্যাগুলো উত্তরণে কলেজের প্রশাসনিক দতা,সরকারের উচ্চ মহলের সু-দৃষ্টি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সরকারের দায়িত্বে থাকা মতাধর ব্যক্তিগণের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত হলেই ঐতিহ্যবাহী এ শিা প্রতিষ্ঠানটি কাঙ্খিত ল্েয অধিষ্ঠিত হবে। যা দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত হওয়ার দু:খের লাঘব হবে। শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ডিগ্রী শাখার।

ফেইসবুেক আমিবাপ্পি মজুমদার ইউনুস

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৫২

খেলাঘর বলেছেন:


কুমিল্লায় আরো সমস্যা আছে: পরপর পোস্ট দেয়া সমস্যা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.