| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নাস্তিক মানেই ধর্মদ্রোহী নয় ।![]()
ব্লগে কিংবা ফেসবুকে কারা কারা ধর্মদ্রোহী কিংবা নাস্তিক তা সুধু ব্লগার রাই জানেন । আসিফ,অমি , থাবা সহ আরো অনেকেই অনেক আক্রমণাত্মক ভাষায় ইসলাম কে ও মহানবীকে অপমান করেছে । কিন্তু তার মাঝে অনেক ব্যাক্তিকেই কেবল বিধাতার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন কিংবা লেখা লেখেছেন , যারা ধর্মকে সম্মান করতেন ,কিংবা মানুষের অনুভূতি কে সম্মান করতেন ।
এখনকার সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ব্যাপার মনে হয় "নাস্তিক " ও "ব্লগার " কিন্তু আজ থেকে এক বৎসর আগেও ব্লগার কাকে বলে তা অনেক উচ্চ শিক্ষিত মানুষকে পাচ মিনিট লেকচার দিয়ে বুঝাতে হত । আর নাস্তিক কি তা বেসিরভাগ মানুষের "বাংলা ব্যাকারনের বিপরীত শব্দ " আস্তিক - নাস্তিকেই " সীমাবদ্ধ ছিল ।
কিন্তু থাবার অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ও গণজাগরণ মঞ্চের খিচুড়িতে আজ নাস্তিকদের ফাসি আর ব্লগার ব্যাপারটি অনেক সমালোচিত । পাচ বৎসর ধরে ফেসবুক বিভিন্ন আথেইস্টিক মেন্টালিটির গ্রুপ,বিভিন্ন ব্লগে,অনেক ব্লক খেয়ে নামে বেনামে থেকে অনেক অবিশ্বাসী দের সাথে তর্ক যুক্তি আর হীটেড কথা বার্তা য় নিজে ছাগু এবং নব্য রাজাকার উপাধি পেয়াছে । তবুও বলছি নাস্তিকদের কোন বিচারের সম্মুখীন করা হবে ইসলামের অপমান ।
নাস্তিকতা একটি দার্শনিক মতবাদ যদিও ,
নাস্তিকতা মানুষের ভাবনার মাঝে বিরাজ করে । নাস্তিকতা আর ধরমদ্রোহিতা সম্পূর্ণ আলাদা । মুলত অনেক কারনে মানুষ নাস্তিক হয় ।
আমার অব্জারভেশনে
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক বিশ্বাসী কখন অবিশ্বাসী হয়
১)সঠিক ধর্মীয় শিক্ষার অভাব কিংবা ধর্ম সম্পর্কে জানার উৎস না থাকা ।
২) এক ধর্মের সাথে আরেক ধর্মের বিভেধ , বিগত ক্রুসেড ,কিংবা নতুন জঙ্গিবাদ সাথে ধর্মের সম্পর্ক ।
৩)মানব সমাজে সামাজিক বা অর্থনৈতিক বিবেধ।
৪) হঠা ৎ কোন প্রিয় মানুষের মৃত্যু ।
৫) রিচারড ডকিংস এর" দ্যা গড ডিলিউসন " কিংবা ডারউইন বা স্টিফেন হকিংস এর মেটারিয়ালিস্টিক ধারনার বই , কিংবা প্রবন্ধ পড়া এবং তা সম্পর্কে প্রশ্ন না করা ।
৬) ভাব আবেগ কে মেশিন দিয়ে প্রকাশ বা প্রমানের চেষ্টা ।
৭) নাস্তিকতা কে স্টাইল হিসাবে নেওয়া ( ভাব নেওয়ার জন্য )
৮) প্রার্থনার উত্তর না পাওয়া ।
আরো অনেক কারন বিদ্যমান , যা এক সময় একেক জনের জন্য কাজ করে ।।
কিন্তু বর্তমানে যেভাবে নাস্তিকদের ফাসি চাওয়া হচ্ছে তার দিকে ইসলামপন্থী ব্লগার দের যে প্রচারনা চলছে সবজায়গায় তা অত্যান্ত ভয়ঙ্কর । ্মত প্রকাশের জন্য কেউ সরবেচ্চ শাস্তি পেতে পাড়ে না । তবে যারা মহানবী নিয়ে ব্যাঙ করত চটি লিখত তাদের শাস্তি প্রয়োজন । তারা মিথ্যাচারের জন্য ক্ষমা চাইতে বলা জেতে পাড়ে রবর্তীতে যাবজ্জীবন । কিন্তু নাস্তিকতার জন্য শাস্তি দেওয়া হবে অবিচার । কোন মানুষ তার বিশ্বাসের জন্য শাস্তি পেতে পাড়ে না । কোন একজন নাস্তিক তার জন্য আমাদের মত ভণ্ড মুসলমানরা দায়ি । কেননা আমারা তাকে দিতে পারিনি যুক্তি কারন "নাস্তিকদের সাথে কথা বললে নাকি ঈমান থাকে না " আমরা তাকে কাছে ডেকে বুযহাইনি দূর থেকে বলে গেছি " শালা নাস্তিক "![]()
তাই আজ থেকে একটি কারেকশন আনুন '' লিস্ট করার আগে কে নাস্তিক আর কে ধর্মদ্রোহী তা যাচাই করুন । আর নাস্তিকদের মমতা ও সময় দিয়ে বুঝান । যারা মহান আল্লহ তালার স্বাদ এখন আস্বাদন করেন নি ।দোয়া করুন তাদের জন্য ।
আর ধরিয়ে দিন " ধর্মদ্রোহী " দের যারা মিথ্যার পূজারী । লিস্টের মধ্যে ইম্রান মনে হয় নাস্তিক থাকতে পাড়ে কিন্তু সে ধর্মদ্রোহী না এটা সিওর । সুতরাং নো রাজনিতি
দার্শনিক বিশ্বাস ঃ আস্তিক (২০০৯ সাল থেকে )
২|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫২
শিপু ভাই বলেছেন:
নাস্তিকের বিচারের ভার আল্লাহর উপর। আর ধর্মবিদ্বেষী/কটাক্ষকারীদের বিচার ইহকাল- পরকাল দুই কালেই হবে!!!
৩|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৭
মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেছেন:
ইসলামী স্কলারসদের একটি কমিটি করে নাস্তিকদের সাথে বাহাস এর আয়োজন করা যেতে পারে তার ভুলগুলো ভাঙ্গানোর জন্য।
ধর্মদ্রোহীদের বিচার অবশ্যই করতে হবে।
ধন্যবাদ।
৪|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৮
রওনক বলেছেন: কেন, নবীজী সা. কি কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন নাই?
কাফের শব্দটার বাংলা প্রতিশব্দও কি আমার বলে দিতে হবে?
৫|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৫
তথই বলেছেন: হে হে নাস্তিকদের কাছে তো পরকাল বলে কিছুই নাই ..... তাই তাঁদের কৃতকর্মের বিচার ইহকালেই করতে হবে
৬|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২০
সায়েদা সোহেলী বলেছেন: হুম নাস্তিকতা আর ধর্মদ্রহিতা যে এক জিনিস নয় এই সহজ সত্য টা বুঝতে বা বোঝাতে যে আর কতো পানি ঘোলা হবে কে জানে! !
হুম আমার জানামতে ইমরান এইচ সরকার এর তেমন কোন কুরুচীপূর্ণ মন্তব্য বাবক্তব্য পাই নি । তার বিশ্বাস নিয়ে কারো মাথা ব্যথা থাকা উচিত বলে আমি মনে করি না । কিন্তু তার বর্ত্মান ব্লগার দের ছেরে দেওয়ার দাবি আর নবিজী র সাথে শেখ মুজিবের তুলনা করে দেয়া বক্তব্য আমাকে অবাক করেছে। যেখানে বাংলার বেসিরভাগই জনগণ ব্লগ বা ব্লগার বলতে ইমরান আর গনজাগরন মঞ্চ কেই বুঝে । !!!!
আমার বাবা আমার কাছে যত ভালোবাসার সন্মানের হউক আমি ত তাকে নবী তথা মুসলিম জাতির আইডল ,দুনিয়ার মহামানবের সাথে তুলনায় যাবো না ।কখনোই নয় এতো মুর্খ নই ,হয়তো অসিক্ষিত হতে পারি ।
।ঠিক তেমনি অবাক হয়েছিলাম যখন হেফাজতে ইসলাম নাম নিয়ে তার আমির মঞ্চের সাথে আলো চনায় বসতে অপারগতা প্রকাশ করে! !! একজন আলেম এর ত এই ধরনের মন্তব্য হউয়ার কথা নয় । ইসলাম , নবী র সুন্নাহ ত আমাদের এই শিক্ষা দেয় না! !
ঠিক তেমনি অবাক হয়ে চলেছি প্রত্নিয়ত তরুন প্রজন্ম , তথাকথিত সুশীল
সমাজ , মিডিয়া ,রাজনীতি বিদ , প্রবীণ বুদ্ধিজীবীদের দেখে! !!!
আপনাকে ধন্যবাদ
৭|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৩
ক্ষণিক বলেছেন: """কিন্তু তার মাঝে অনেক ব্যাক্তিকেই কেবল বিধাতার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন কিংবা লেখা লেখেছেন , যারা ধর্মকে সম্মান করতেন ,কিংবা মানুষের অনুভূতি কে সম্মান করতেন ""
কেউ আমাকে ধরেন পইরা যাইতেছি!
আসিফ যে নিজেকে খোদা দবি করছে এবং সে যে বলছে খোদা তার বিছানার নিচে বসে মুড়ি খায় এটা জানেন?
এখানে আসিফ আল্লাহর নাম ব্যাবহার করেছে,(নাউজুবিল্লাহি মিন জালেক)
আমি খোদা লেখলাম।
পরবর্তিতে এইসব মাতাল অমানুষদের পক্ষ নেয়ার আগে একটু জেনে শুনে নিবেন দয়া করে। নাহলে কে ছাগু আর কে পেইড ব্লগার তা ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
৮|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪০
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: ধর্ম নিয়ে যারা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে তাদের আমি সমর্থন করি না। সেই সঙ্গে তাদের কঠোর শাস্তি হোক সেটাও সমর্থন করি না।
কিন্তু যেসব মডারেট মুসলিমরা কঠোর শাস্তির দাবি সমর্থন করছেন তাদের প্রতি আমার কিছু প্রশ্ন:
আমাদের দেশে আরজ আলী মাতুব্বর, আহমদ শরীফসহ অনেকেই নাস্তিক ছিলেন বটে তবে তারা কুরুচিপূর্ণ কোনো মন্তব্য করেনি। তাদের ভাবনা চিন্তা তারা যুক্তিতর্কের আলোকে লিখে গেছেন। আরজ আলী মাতুব্বরের লাইফস্টাইলও ছিল অসাধারন। তিনি কখনো কারও সঙ্গে রেগে কথা বলেননি।
যাইহোক, তাদের নিয়ে দেশের কত আস্তিক কত কটুক্তি এবং আজেবাজে কথা বলছে জানেন? অনেকে 'খানকির পোলা' টাইপের ভাষা ব্যবহার করেতে দেখেছি। তাহলে ওই আস্তিকদেরও কি সাজা হওয়া উচিত নয়?? তারাও কি একই অপরাধে অপরাধী নয়?? এটা কি বিদ্বেষ নয়??
এই সামহয়্যারেই অনেক পোস্ট আছে যেখানে গঠনমূলক ও যুক্তি দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এবং বিদ্বেষমূলক কোনোই কথাবার্তা নেই। কিন্তু দেখা যায়, সেখানে কিছু লোক বুঝে না বুঝে ব্যক্তি আক্রমণ ও বিদ্বেষমূলক আচরণ করে বসেছে। এটা কি ??
এটাও কি একই ধরনের অপরাধ নয়?
আর এরকমভাবে সাজা দিতে চাইলে হাজার হাজার আস্তিকেরও সাজা দিতে হবে যদি নৈতিক মানদণ্ডে বিচার করতে চান। আস্তিকদেরই শুধু অনুভূতি থাকবে আর নাস্তিকদের কোনো অনুভূতি থাকতে পারে না??
একটা সভ্য গণতান্ত্রিক দেশে সবার অধিকারই সমান। মজার ব্যাপার হলো বেশিরভাগ লোক সভ্য ভাবে চিন্তা করার ক্ষমতাও রাখে না। কারন তারা মানবিক বিবেকবোধের চাইতে ধর্ম তথা সাম্প্রদায়িক পরিচয়কে বড় করে দেখে।
বিদ্বেষ উভয়পক্ষ থেকেই ছড়িয়েছে। উভয়পক্ষই একই অপরাধে অপরাধী। হিসাবটা সোজা। নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখুন।
কুরুচিপূর্ণ ও বিদ্বেষমূলক পোস্ট দেওয়া আস্তিকদের যদি শাস্তি হয় তাহলে যারা বিদ্বেষমূলক রচনা লিখেছেন তাদেরও শাস্তি মেনে নিব। সেটা কি সম্ভব? যেহেতু সেটা সম্ভব নয় তাহলে একপাক্ষিক ও সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে একপাক্ষিক বিচারকে সমর্থন সম্পূর্ণ অনৈতিক। এবং কোনো মানবিক বিবেকবোধসম্পন্ন মানুষ এটা সমর্থন করতে পারে না।
আমরা সবাই জানি, বিএনপি জামায়াতের মুখপাত্র আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও তাঁর সাগরেদ ফরহাদ মাজহার (নাস্তিক হিসেবে পরিচিত) এই সাম্প্রদায়িক চুলকানি সৃষ্টি করেছেন নিকৃষ্ট মানসিকতা থেকে। স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়া তরুণের প্রতি লাল সালুর ভণ্ড মজিদ প্রশ্ন ছুড়েছিলেন, ওই মিয়া তোমার দাড়ি কই?
সেই একই রাজনীতি আজ এখনো বাংলাদেশ চলে তা ভাবতেই অবাক লাগে। মোনাফেকদের সৃষ্টি করা উত্তেজনায় আমাদের সহজসরল ধর্মপ্রাণ মাদ্রাসার ছেলেরা আজ উত্তেজিত। তারা জানেও না ব্লগ জিনিসটা কি?
এটা নিয়ে জল ঘোলা করে তারাই ধর্মকে অপমান করছে। বর্তমানে আটক হওয়া ব্লগারদের লেখা যারা আগে পড়েনি তারাও তাদের লেখা পড়ছে। ওই ব্লগাররা তো তাদের লেখা পড়তে বাধ্য করেনি কাওকে। আমিও সম্প্রতি তাদের লেখা পড়লাম। দেখে কিছুটা অবাকও হলাম। প্রত্যেকে ব্লগার হিসেবে হিট। মানে তারা যা লিখেছেন, সবাই হুমরি খেয়ে পড়েছে তাদের লেখা পড়ার জন্য। যেনেশুনে থাপ্পড় খেতে গিয়ে ফিরে এসে বললো আমাকে থাপ্পড় মারলো কেন? কি অদ্ভূত আমাদের যুক্তি। তারপরও বলবো ব্লগের লেখা ব্লগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এই উস্কানি দিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছিল বিএনপি-জামায়াত। মাঝখান থেকে এরশাদও হাস্যকরভাবে কিছু ভোট কামাইয়ের চেষ্টা করেছে।
আমি মনে করি যাদের কাছে সাম্প্রদায়িক পরিচয় মুখ্য তারা মানুষের আওতায় পড়ে না। আমরা কারো সঙ্গে পরিচিত হলে তার ধর্ম কি সেটা জানার প্রয়োজন মনে করি না। বাংলাদেশে এখন সম্পূর্ণ অবান্তর একটা বিষয় নিয়ে বিতর্ক চলছে।
পরিশেষে সবাইকে মানুষ হওয়ার আহবান জানাই। নিজেদের স্বীয় বিবেকবোধ জাগ্রত করার আহবান জানাই।
যে জাতির মানবিক বিবেক বোধই নাই তার আবার আস্তিকতা বা নাস্তিকতা কি??
পড়ার আহবান জানাই ।
ভণ্ড ভণ্ড ভণ্ড (পর্ব-১)
Click This Link
৯|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৯
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আমার কাছে মনে হয়, এই বিষয়টা নিয়ে নাচানাচি করে ধার্মিকেরাও তাদের ধর্মকে অপমান করছে।
এই বাড়াবাড়ির কারনে যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন ভবিষ্যতে তারা নায়কও হয়ে যেতে পারেন। আমাদের উচিত পরস্পরের প্রতি সহনশীল হওয়া। আস্তিকতা-নাস্তিকতার ঊধ্বে উঠে মানুষকে 'মানুষ' হিসেবেই চিনুন। ধর্ম সংক্রান্ত বিষয় বাদেও ওই ব্লগারদের বিভিন্ন বিষয়ে ভালো লেখা আছে। তারা নিশ্চয় মেধাবি। আমার মনে হয় আস্তিকেরা যদি সহনশীল হতো তাহলে তারাও এ ধরনের কটুক্তি ও বিদ্বেষমূলক ভাষা ব্যবহার করতো না।
১০|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ২:৩২
পথিক আমি বলেছেন: এ কথাটাই গত কিছুদিন ধরে সামুতে বলে যাচ্ছি, যে সামু আসিফ-দাড়িপাল্লা-আরিফ-সবাকদের মত চিন্হিত ধর্মবিদ্বেষী, আল্লাহ-রাসুলের গালিগালাজকারীদের (নাউজুবিল্লাহ) জন্য কান্নাকাটি না করে যাদের নাম ব্যক্তিগত বা রাজনতিক কারণে উঠে গেছে তাদের নাম কেমন করে ওখান থেকে বাদ দেয়া যায় সেটা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে।যেমন আটককৃত ৪ জনের মধ্যে ডটু রাসেল নাস্তিক হতে পারে কিন্তু সে এখন আর চুল্কানিমূলক ধর্মবিদ্বেষী না, কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় রাসেলের চেয়ে আসিফদের রক্ষা করা নিয়েই সামু বেশি চিন্তিত! ফলাফল কারো জন্যই মঙ্গলজনক কিছু হবে না।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪২
পুংটা বলেছেন: ভাই, আপনিতো দেখছি ইসলামী মুক্তমনা।