![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যা ভেবেছিলাম। বিরান হয়ে গেছে সব। পাথর চাপা হলুদ কিছু ঘাস লুকিয়ে ছিলো। মাটিসমেত উপড়ে নিয়ে গেছে। গাছ নেই। মাটি নেই। পাথুরে রুক্ষতায় থৈ থৈ করছে চারপাশ। ভুল করিনি। উত্তরপুরুষের হাতে দেবার মতো কিছু বৃক্ষ তুলে রেখেছি সযতনে। কিছু মাটিও। আমি নিশ্চিত জানি গবেষণার অনেক কিছুই পাবে ওরা। একটা কাঁচের বয়ামে কিছু চাঁদের আলো ধরে রেখেছি। ফসিল পোড়া ধোঁয়া আর পাথুরে বাড়িগুলোর ছাদে আকাশটা ঢেকে আসছে ক্রমশ...। ওসব নিয়ে ভাবছিনা। চাঁদের আলোর প্যাটেন্ট জমা করে রেখেছি। কয়েক পুরুষের জমানো কিছু গোধূলির লাল আলো, কৃপণের মতো জ্বালিয়ে শহরের লোকেদের যাদু দেখিয়েছি গেলো ক'বছর। ওতেই ওদের ভুতে পাওয়া জ্বলজ্বলে চোখ দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে উঠেছি। শহরের ধুলো মলিন রাস্তার পাশে এক মৌয়াল কয়েক ফোঁটা শিশির বেচবে বলে বসে থাকে সারাদিন। আজকাল কেবল শিশিরে কারো আকর্ষণ নেই। ঘাসের মাথায় বসানো শিশির হলে মুহুর্তেই বিক্রি হয়ে যেতো! ওকে সেটা জানিয়েছিলাম। ও বললে, শিশির ফোঁটাগুলো ঘাসের মাথায়ই ছিলো। ঘাসগুলো ও খেয়ে ফেলেছে। চাঁদের আলোর বয়ামটা ওকে দিয়ে দিয়েছি। বিক্রি করে ভালো মন্দ কিছু খেতে পাবে বেচারা!
গোধূলি পোড়ানো শেষ। কিছু কুয়াশা কিনবো বলে সব সঞ্চয় এক করে উত্তরের পথে হাঁটছি গত দু যুগ ধরে। অবশ্য, আমি একা নই। কটা শকুন পিছু নিয়েছে। ক্লান্তিহীন হাঁটছে আমার পিছু পিছু। ওরা জানে, আমাকে হার মানতেই হবে...
২| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২৮
ইসমাঈল আযহার বলেছেন: কুয়াশা আর কিনতে হবে না। কদিন পর ফ্রিতেই অনেক পাবেন
৩| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৫৩
রাকু হাসান বলেছেন:
বাহ ! দারুণ প্রকাশ । লেখাটা ছোট হলেও আমার ভালো লেগেছে । এই ধরনের লেখা বড় হলেও সমস্যা নেই।যদিও এটা কে গল্প কবিতা কিছুটাই ধরতে পারছি না । গদ্যময় লাইন ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৪
রাজীব নুর বলেছেন: কড়া রোদ উঠলে কুয়াশা কেটে যাবে।