| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাদল দিনে
আমার কর্তা মশাইয়ের খুব দুঃখ। সবাই যখন অনন্ত জলিলের গল্প করে তখন তাকে নির্বিকার থাকতে হয় কারন তিনি অনন্ত জলিলের কোন মুভি দেখেন নাই। বাংলা সিনেমার প্রতি তার এই ভালবাসার ফলশ্রুতিতে কাল রাতে “নিঃস্বার্থ ভালবাসা” দেখতে বসলাম। যদিও বহুল আলোচিত হৃদয় খান খান করা দৃশটি আমি আগেই দেখেছিলাম। যাই হোক, মুভি দেখছি। কেন জানি মনে হচ্ছিল নায়ক-নায়িকা দুজনই ইংরেজিভাষী অথবা অন্য কোন ভাষায় দক্ষ কারন তাদের বাংলা বলতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। প্রত্যেক শব্দের মাঝে “চার আলিফ” পরিমাণ টান আছে। আমার দমটা একটু আটকে আটকে আসছিল। অতঃপর মনোনিবেশ। কারণ পুরো মুভি দেখতে হবে উদ্দেশ্য কর্তার অনন্ত বিষয়ক জ্ঞান অর্জন এবং সেই হৃদয় নিংড়ানো (হার্ট বের করা) দৃশ্যে পৌঁছানো। আপনার মনে হতে পারে অনন্ত অনেক মুভি দেখেন কারণ তার যখন যে মুভির যে দৃশ্য ভাল লেগেছে তাই অ্যাড করেছেন, কাহিনী যাক তীর্থে। এই যেমন নায়িকার কার এক্সিডেন্টের ফোন পেয়ে ছুটে বেরিয়েছেন, পৌঁছে গেলেন আশ্রয়কেন্দ্র উদ্ধারে। ছোটবেলায় যত মহৎ ব্যক্তির জীবনী পড়েছেন সব ই দিয়েছেন নিজের চরিত্রে। নায়িকার অংশটুকু বাদ ই দিলাম।
এখানে সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ নায়ক-নায়িকার অভিনয় মারাত্মক হার্ট অ্যাটাক এর কারণ হতে পারে। এতদিন বাংলা সিনেমায় মিশা সওদাগর কে দেখলে রাগ হলেও এখানে শেষ মুহূর্তে তার আগমন আর অভিনয় মরুর বুকে এক ফোঁটা জলের মত মনে হল।
অনন্ত সাহেব তার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, মুভিত শেষ করতেই হবে। তবে এক মুঠো পাথর চিবানো আমার জন্য এর চেয়ে সহজ ছিল। ওঃ, একটা কথা না বললেই নয়, মুভির শুরুতে নির্মল বিনোদনের কারণ হতে পারে প্রথম সাক্ষাতে নায়ককে নায়িকার “ভাইয়া ভাইয়া” বলে শতাধিকবার সম্বোধন। এত কিছুর পরও বুঝলাম কর্তা মশাই ধৈর্য হারান নি, কারণ শেষ দৃশ্যের আগ মুহূর্তে আমার গমনোদ্যত ভঙ্গি দেখে বললেন, “আরে দাড়াও, এখনি হার্ট টা বের করবে”।
তবে ইদানীং যারা বলেন, অনন্ত বাংলা সিনেমায় সুদিন ফিরিয়ে আনছেন, তাদের সাথে আমি কিঞ্চিত দ্বিমত পোষণ করবো। কারণ সিনেমার উন্নতি হলেও অভিনয়ের অবনতি হতে হতে একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। যিনি ভাবেন ইমপোর্টেড হোয়াইট স্কিন মানেই আধুনিকতা তার আরও আধুনিক হবার প্রয়োজন আছে। অভিনয় দিয়ে হাসানোটা কমেডি আর অভিনয় দেখে লোকজন হাসাহাসি করলে সেটা তামাশা। আর তার ই বা দোষ কি! আমাদের মন্ত্রি মহোদয় এক শুধু দেশের চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েন, কাজ করার সময় পান না আর ইনিতো বিসনেস, প্রযোজনা, পরিচালনা, কাহিনী, সংলাপ, লিরিক, চিত্রনাট্য সব ই করেন, অভিনয়ের সময় কই...
২|
১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:২৬
মাটি আমার মা বলেছেন: ভাই অন্য কিছু নিয়ে পোষ্ট দিলে তবু একটু ভাল লাগতো। অনন্ত জলিলের চেহারা আর কন্ঠ শুনলেই আর কিছু দেখার রুচি হয় না।
৩|
১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:৩৫
কাজী রায়হান বলেছেন: যা দিনকাল পড়ছে , ওকে নিয়ে কিছু বললে লোকে আতেল বলে । বলে শালা নিজে পারেনা অন্যের ভালও সহ্য করেনা । তাই মুখ বন্ধনিতীতে আছি ।
৪|
১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:৫৮
বৃষ্টি পাগল বলেছেন: আপনার কর্তা মশাই তো মনে হয় দারুন রঙের মানুষ।
৫|
১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:২৬
শিশির খান ১৪ বলেছেন: অনন্ত জলিল তো তাও চেষ্টা করতাসে ভালো ছবি বানানোর।আমার মনে হয় না আপনারা নিয়মিত বাংলা সিনামার দেখেন যারা নিয়মিত বাংলা সিনামা দেখেন তারা বুঝবেন যে অনন্ত জলিল কে নিয়া কেন এত লাফা লাফি , আমার কিন্তু উনাকে এত খারাপ লাগে না। বিখ্যাত মার্শালাট এক্সপার্ট জেকি চেন তার ইংলিশ উচারণ কিন্তু খুব হাস্যকর কিন্তু তাতে কি তার জনপ্রিয়তা কমেছে একদম নয়, যাই হোক মজার বিষয় হচ্ছে উনাকে নিয়া হাসি ঠাট্টা করার জন্য কিন্তু অনেকেই সময় নষ্ট করে এবং পকেটের টাকা খরচ কইরা হল এ যায় তাতে কিন্তু অনন্ত আর্থিক ভাবে লাভবান হন।
৬|
১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫১
আরজু মুন জারিন বলেছেন: ছোটবেলায় যত মহৎ ব্যক্তির জীবনী পড়েছেন সব ই দিয়েছেন নিজের চরিত্রে। নায়িকার অংশটুকু বাদ ই দিলাম।
তবে ইদানীং যারা বলেন, অনন্ত বাংলা সিনেমায় সুদিন ফিরিয়ে আনছেন, তাদের সাথে আমি কিঞ্চিত দ্বিমত পোষণ করবো। কারণ সিনেমার উন্নতি হলেও অভিনয়ের অবনতি হতে হতে একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। যিনি ভাবেন ইমপোর্টেড হোয়াইট স্কিন মানেই আধুনিকতা তার আরও আধুনিক হবার প্রয়োজন আছে। অভিনয় দিয়ে হাসানোটা কমেডি আর অভিনয় দেখে লোকজন হাসাহাসি করলে সেটা তামাশা। আর তার ই বা দোষ কি!
বলবেন না অনেক শখ করে ওই মুভি টা আমি ও দেখতে বসেছিলাম ঈদের পরেরদিন বৈশাখী তে। অনন্ত র হাক ডাক প্রতাপ শুনে। ..হার্ট এটাক যে করিনি ধন্যবাদ আল্লাহ কে। আমি অবাক হয়ে যাই আমাদের চলচিত্র একেবারে মাথা মোটা মুর্খের হাতে। কবে যে এর দৈন্য দশা কাটবে। ...মনে করতাম এই ধরনের ফালতু মুভি এখন আর বানান হয়না। পৃথিবী যতই এগিয়ে যাক। .এদের বুদ্ধি। ..মনন জিরো লেবেল এ থাকবে।
অনেক বিনোদন হল যদিও আপনার পোস্ট টিতে। এসব বোকামি সিনেমাতে অবশ্য আরেকধরণের বিনোদন হয়। অনেক অনেক ধন্যবাদ পোস্ট টির জন্য। শুভেচ্ছা রইল।
৭|
১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:০৭
বোকামানুষ বলেছেন: অনন্ত জলিল মানেই বিনোদন
আমি এইবার মিনিট পাঁচেক দেখেছিলাম এই ছবিটা
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ২:১১
নীল আকাশ ২০১৪ বলেছেন: অনন্ত জলিল বাংলা সিনেমার সুদিন ফিরিয়ে এনেছেন নাকি সিনেমা জিনিস্টাকেই ডুবিয়েছেন?