![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যাপিত জীবনকে নিয়ে ভাবনার অনেক উপাদান আছে। তবে সবকিছু ভাবতে পারি না। ভাবার সুযোগ পেয়েও অনেক অনুষঙ্গ নিজ প্রয়োজনে এড়িয়ে গেছি। অনেক বিষয়ে পরে ভাবা যাবে বলে ঐ পরিচ্ছেদে আর কখনও যাওয়াই হয়নি। তবে বারংবার আমি প্রকৃতির কাছে ফিরে গেছি। তার কাছে শিখতে চেয়েছি। প্রকৃতিও শেখালো ঢের। তবুও হয়তো আমার প্রত্যাশা ও শিখনফলে আছে হতাশা । ইচ্ছা ও প্রাপ্তির খতিয়ান খুব একাকী মিলিয়ে দেখি-কত কিছুইতো হলো না দেখা, হলো না কত শেখার শুরু । তবুও প্রাপ্তি কি একেবারেই কম? মোটেই না। পেয়েছিও ঢের। মনে তাই প্রশ্ন জাগে, যেদিন আমি আবার নিঃশ্বেস হয়ে যাব সেদিন কি প্রকৃতিও আমার মতো একা হয়ে যাবে? এর জবাবও প্রকৃতির বিবৃতিতেই পেয়েছি-না, ক্ষুদ্র জীবনের আঁচর প্রকৃতিতে বেশিক্ষণ মূর্ত থাকে না। অন্যকথায় প্রকৃতির মধ্যে বিষণ্নতা বেশি দিন ভর করে থাকে না। তাই সে সহজ, তাই সে সমাদৃত! আমার বিবেচনায় একারণে প্রকৃতি সকল জীব ও জড়ের কাছে সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
একটা কিছু কর।
ছমিরের বাপ, একটা কিছু কর।
আজ পাঁচ দিন ছমিরের রক্তবমি, পালাজ্বর।
গায়ে খই ফুটবে তাপে।
ঘর থেকে নড়ো, বন্দরে যাও, ওষধ-পথ্য আনো।
হামার ছমিরক বাঁচাও।
তোমার ট্যাকা নাই অসুখ কী তা বোঝে?
এই নাও মোর নাকফুলখান, এইডা ব্যাচো।
মরদ মানুষ, তুমি একটু নড়ো।
কবিরাজ বৈদ্য ডাকাও, হামার ছমিরক জাগাও।
ছমিরের মায়ের বিলাপ
তার কালাবধির স্বামী ছগিরের কানে পৌঁছে না।
অভাগার ডেরায় অভাবের অভাব হলো না জীবনে।
ছগিরের চোখে জল। সেখানে সাঁতার কাটে শূন্যতা।
ছমির অভিমান করে, চলে যায়।
ছবি কৃতজ্ঞতা: গুগল
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৪
বাগান বিলাস বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ রইল আপনার চমৎকার অভিব্যক্তি প্রকাশের জন্য।
২| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৬
ইমরান আল হাদী বলেছেন: বাস্তবতা বড়ই রূঢ়
কবিতায় ভালোলাগা।
৩| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪৪
বাগান বিলাস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৫৮
মলাসইলমুইনা বলেছেন: অসম্ভব ভালো লাগলো আপনার কবিতা | ধন্যবাদ নিন |