![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যাপিত জীবনকে নিয়ে ভাবনার অনেক উপাদান আছে। তবে সবকিছু ভাবতে পারি না। ভাবার সুযোগ পেয়েও অনেক অনুষঙ্গ নিজ প্রয়োজনে এড়িয়ে গেছি। অনেক বিষয়ে পরে ভাবা যাবে বলে ঐ পরিচ্ছেদে আর কখনও যাওয়াই হয়নি। তবে বারংবার আমি প্রকৃতির কাছে ফিরে গেছি। তার কাছে শিখতে চেয়েছি। প্রকৃতিও শেখালো ঢের। তবুও হয়তো আমার প্রত্যাশা ও শিখনফলে আছে হতাশা । ইচ্ছা ও প্রাপ্তির খতিয়ান খুব একাকী মিলিয়ে দেখি-কত কিছুইতো হলো না দেখা, হলো না কত শেখার শুরু । তবুও প্রাপ্তি কি একেবারেই কম? মোটেই না। পেয়েছিও ঢের। মনে তাই প্রশ্ন জাগে, যেদিন আমি আবার নিঃশ্বেস হয়ে যাব সেদিন কি প্রকৃতিও আমার মতো একা হয়ে যাবে? এর জবাবও প্রকৃতির বিবৃতিতেই পেয়েছি-না, ক্ষুদ্র জীবনের আঁচর প্রকৃতিতে বেশিক্ষণ মূর্ত থাকে না। অন্যকথায় প্রকৃতির মধ্যে বিষণ্নতা বেশি দিন ভর করে থাকে না। তাই সে সহজ, তাই সে সমাদৃত! আমার বিবেচনায় একারণে প্রকৃতি সকল জীব ও জড়ের কাছে সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
বৃষ্টি দেখতে দেখতে আমি ভীষণ ক্লান্ত।
অ্যামাজন রেইন ফরেস্টের মতো মেঘ
দেখলেই আমি ভয়ানক আঁতকে উঠি।
এক সময় আকাশ দেখতে দেখতে আমি
খুব বিরক্ত ছিলাম।
শেষাবধি সালার দে ইয়ুনি লবণ ফ্ল্যাটে
মেঘসমেত শরতের আকাশটাকে জ্যান্ত
কবর দিয়েছি।
একইভাবে আমার হাতে নির্বাসিত হয়েছে
নিরপরাধ পাহাড় ও সমুদ্রের মায়াবী ঢেউ।
তাদের শোকোচ্ছ্বাস দেখতে দেখতে
রিমান্ডের আসামির মতো এখন আমার
কেবলই আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ কবি
বেঞ্জামিন মালায়েস’র ফাঁসির দড়ির
কথা মনে পড়ে।
এখন আমি খুব অনুতপ্ত। বৃষ্টিকে উৎখাত
করার জন্য আজ আমি ভীষণ অনুতপ্ত।
আকাশ ও মেঘ আমি নিদারুণ অনুতপ্ত,
পাহাড় ও ঢেউ আমাকে ক্ষমা করে দিও।
পৌষী কুয়াশায় আত্মগোপন করা ভোরের
শেফালির নীরব কান্নার মতো মনস্তাপে
আমার বুক হামেশা ভারি হয়ে ওঠে।
সাহারা অতিক্রম করা মৃতপ্রায় উটের
মতো ইদানীং আমার কেবলই মনে হয়,
জীবন এত ভারী কেন?
২| ০৮ ই অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:৪৯
রাজীব নুর বলেছেন: ভালো উপলব্ধি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:৪৮
এম ডি মুসা বলেছেন: ভালো লেগেছে অনেক ভালো হইছে