| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অনুসন্ধান
'বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম'
পূর্ব প্রকাশের পর................
মহাত্মা গান্ধীর এই বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা যায় ১৯৯০ সালে নরম্যান এ্যান্ডারসনের লিখিত গ্রন্থ- Islam in the Modern World:
A Christian Perspective- এর প্রতিলাইনে। তিনি লিখেছেনঃ
"মুসলিম আমলের প্রথম শতকে ইসলামের অভাবনীয় বিস্তৃতির মূলে মুসলমানদের সুঠাম দৈহিক গঠন এবং আরব সৈন্যবাহিনীর পরাক্রম, বিশেষ করে খালিদ ইবন ওয়ালিদ ও অন্যান্য সামরিক প্রতিভার নেতৃত্ব কিছুটা দায়ী ছিল বটে, কিন্তু এই বিস্তৃতির মূল কারন ছিল শান্তিপূর্ন প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের মনে উন্নত জীবন দর্শনের আবেদন এবং তাদের স্বতঃস্ফুর্তভাবে ইসলাম গ্রহন।" গ্রন্থের ৯৫-৯৬ পৃষ্ঠায় তিনি লিখেছেনঃ" মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপিন্সে এবং পূর্ব ও
পশ্চিম আফ্রিকার মুসলমানদের প্রভাব ব্যাপকভিত্তিক হয়ে ওঠে প্রধানত বানিজ্য এবং শান্তিপূর্ণ অনুপ্রবেশের ফলে।"
বর্তমান বিশ্বের ইন্দোনেশিয়াতে রয়েছেন সর্বাধিক মুসলমান ।
ইন্দোনেশিয়া কোনও সময় কিন্তু মুসলিমদের আগ্রাসনের শিকার হয়নি।
অন্যদিকে পাক-ভারত-বাংলা উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের ব্যাপ্তি
ছিল প্রায় এক হাজার বছর, ৭১২ থেকে ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। এই উপমহাদেশে শিক্ষা-সংস্কৃতি,সাহিত্য-সংস্কৃতি, ভাস্কর্য-নির্মানশৈলী, এমনকি
খাদ্যাভ্যাস ,আচার-আচরন, পোশাক-পরিচ্ছদ পর্যন্ত গভীরভাবে প্রভাবিত হয় মুসলিম শাসকদের দ্বারা।তারপরেও এই উপমহাদেশে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত মুসলমানদের সংখ্যামোট জনসমষ্টির এক-চর্তুথাংশের বেশী হয়নি।
তারপরেও স্বার্থান্বেষী মহল থেকে শত সহস্রবার প্রচারিত হয়েছে,তরবারিই
ছিল ইসলামের অকল্পনীয় বিস্তারের প্রধান উপাদান। এই মিথ্যা সম্পর্কে
O. Learly and De Lacy কর্তৃক ১৯২৩ সালে লিখিত গ্রন্থ "Islam at
the Crossroads" এর ৮ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে------
"ইতিহাসে এটি সুস্পষ্ট যে,
ধর্মান্ধ মুসলমানরা বিশ্বের সর্বত্র ঝড়ের বেগে ছুটে গেছেন,ভূখন্ড দখল করেছেন এবং দখলিকৃত ভূখন্ডে তরবারির জোরে ইসলাম গ্রহনে জনসমষ্টিকে বাধ্য করেছেন- ঐতিহাসিকদের বারে বারে উচ্চারিত এই
কিংবদন্তি সর্বাপেক্ষা অবিশ্বাস্য ও অসত্য।"
তারপরেও বিশ্বের বিভিন্ন অংশে , বিশেষ করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ইসলামের বিকৃত ব্যাখ্যা দেয়া অব্যাহত রয়েছে এবং প্রচার করা হচ্ছে যে, ইসলামের এই জবরদস্তিমূলক প্রবনতা আধুনিক সভ্যতার জন্যে মারাত্মক। ১৯৯৬ সালেও নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় লিখিত হয়ঃ
"লাল ভীতি (কম্যুনিষ্টদের উপদ্রব) দূর হয়েছে বটে কিন্তু ইসলাম এখনো
রয়েছে।"
আধুনিক বিশ্বেও যে যুদ্ধের প্রয়োজন রয়েছে(!!!!) অন্তত আমেরিকা
এবং তার বিশ্বস্ত মিত্রদেশগুলোর দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই।
আসলে যুদ্ধের কারন স্থান ,কাল-পাত্র ভেদে বিভিন্ন, সেটা যে কোন ধর্মের
অনুসারীরাই করুক না কেন। কোন ধর্মই অন্যায় যুদ্ধের উৎসাহদাতা
অতি অবশ্যই নয়। সকল যুদ্ধের ইতিহাস দেখুন এবং দেখুন মুসলিমদের
বড় বড় বিজয়ের পরবর্তীতে নেতা কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলো । সেখানে
দেখবেন ক্ষমা,অধিকারের সাম্যতা এবং স্ব স্ব ধর্মে প্রতিষ্ঠিত থেকেও কিভাবে ভিন্ন ধর্মীরা একজন মুসলিমের সমান অধিকার ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা লাভ করেছেন।
ইসলাম যে শান্তির ধর্ম এবং শান্তির ললিত বানী নিয়েই যে যুগে যুগে মানুষকে দাওয়াত দিয়েছেন ইসলামী দর্শনে আলোকিত এবং প্রাজ্ঞ মনীষীরা, তা ইতিহাসেই সুস্পষ্ট।
পবিত্র কুরআনে বিবৃত হয়েছেঃ "ধর্মে বাধ্যবাধকতা বা জোরের কোনও স্থান নেই।" সূরা বাকারাঃ২৫৬ ।
সূরা আল কাহফে বর্ণিত হয়েছে, "সত্য এসেছে তোমার প্রভূর নিকট থেকে। যার ইচ্ছা হবে বিশ্বাস করবে এবং ইচ্ছা হবে অবিশ্বাস করবে।"
২৯ নং আয়াত।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৬
হেডমাষ্টার সাহেব বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ মনে রাখার জন্য।
২|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৫
তাহের বলেছেন: +++ ইসলাম যে শান্তির ধর্ম এবং শান্তির ললিত বানী নিয়েই যে যুগে যুগে মানুষকে দাওয়াত দিয়েছেন ইসলামী দর্শনে আলোকিত এবং প্রাজ্ঞ মনীষীরা, তা ইতিহাসেই সুস্পষ্ট।
৩|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৫
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: ধন্যবাদ লেখাটির জন্য...
৪|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৩
দৃষ্টির সীমানা বলেছেন: দারুন, চালাই যান. +++
৫|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
লালসালু বলেছেন: আপনাকে আমার ব্লগার লিস্টে রেখেছি। দেখে নিন।
৬|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫
হারান সত্য বলেছেন: গত দেড় হাজার বছরের দীর্ঘ সময়ে ইসলামের বহু মৌলিক চেতনা হারিয়ে গেছে। সেই হারিয়ে যাওয়া বিষয়গুলি পুন:উদ্ধারের জন্য সংকলিত হয়েছে হারান সত্য । সময় করে পড়বেন আশা করি। আর আলোচনার জন্য আমার ব্লগে আসার দাওয়াত রইল।
৭|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১১
সত্য কথায় যত দোষ ! বলেছেন: ধন্যবাদ লেখককে। তবে মনে হয় কম কম দেখি। বেশী বেশী আসুন বেশী বেশী লিখুন এই কামনায়।
৮|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২০
ইমতি২৪ বলেছেন: ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৫
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: চলুক।+