| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাঁশ বাবা নওশাদ
আমার সম্পর্কে যত কম বলা যায় তত ভালো
ঘটনা:-১
কিছুদিন আগে ট্রেন এ করে কলেজে যাচ্ছিলাম।ট্রেন এ যেহেতু ভাড়া খুব কম সেহেতু যাত্রী সংখ্যা বেশি হয়।
আমি সাধারণত মুখোমুখি বসার জন্য যে বগিটা আছে সেটিতেই বসি কিন্তু ঐ দিন ভূল করে এমন এক বগিতে উঠলাম যেটিতে যাত্রীর চাইতে কাঁচা তরকারীর বাজারের সংখ্যা বেশী ছিল তাই অনেক কষ্টে জায়গা করে বসলাম।
কিছুদূর যাওয়ার পর দেখলাম চট্টগ্রাম পলিটেকনিকের এক ছাএ দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ভিড়ে বই হাতে পড়া মুখস্ত করতেছিল।বেচারী একটু পড়ে তো একটু ঝিমায়।আমি ছেলেটির কান্ড দেখে মনে,মনে চিন্তা করলাম এই ছেলের হয়ত ক্লাস টেষ্ট আছে আর আমি যেহেতু না পড়ে বসে,বসে গান শুনতেছি এর চাইতে আমার জাইগায় ছেলেটিকে বসতে দিই।
আমি উঠে ছেলেটিকে আমার জায়গায় বসিয়ে দিলাম আর বললাম এবার আরামে বসে,বসে পড়েন।
ঘটনা:-২
মাএ একসপ্তাহ আগের ঘটনা তাও ট্রেন এ করে কলেজে যাচ্ছিলাম,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে যাত্রী নেওয়ার জন্য ট্রেন থামল।
এমন সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বড় আপু উঠল আমাদের বগিটিতে।একটা কথা বলা হয়নি,ঐ দিন আমার পাশে ছিল আমার দুইজন বন্ধ তাঁদের মধ্যে একজন আমার বন্ধুটির পরিচিত বড় ভাইয়া ছিল এবং ঐ ভাইয়াটা নাকি প্রাইমারি স্কুলের টিচার ছিল সেটা অবশ্য আমি পরে জানতে পারি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে যাত্রী নেওয়া শেষে ট্রেন চলতে শুরু করল।হঠাৎ,খেয়াল করলাম যে বিশ্ববিদ্যালয়ের আপুটি জায়গা না পেয়ে দাঁড়িয়ে রইল,ওনার পিঁছনে একজন ভদ্র লোক ছিল যিনি আপুটির সাথে ট্রেন দোলার কারণে বারবার আপুটির গায়ের সাথে ধাক্কা লাগছিল এতে যে আপুটি অস্বস্তিতে ছিল সেটি উনার চেহারার অবস্থা দেখে বুঝে পারলাম।
আমি আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি উঠে জায়গা করে একটি কলেজ ছাত্রীর পাশে আপুটিকে জায়গা করে দিলাম আর আমি দাঁড়িয়ে রইলাম।আমার এই কান্ড দেখে আমার বন্ধুরা সহ ঐ প্রাইমারি স্কুলের মাস্টারটি সবাই হেসে উঠল আমি ওদের হাসির কারণ বুঝতে পেরে ওদেরকে বললাম "এত হাসতেছস ক্যারে?খুশি পেটে পড়ছে নি?(সরাসরি অপমান)"।তারপর ওরা আমাকে কেউ বলল লুচ্ছা,কেউ বলল ইমরান হাসমি,কেউ বলল হাজি মহসিন আমি কিছু না বলে সোজা কথায় বলে দিলাম যে যাদের রক্তে দোষ থাকে তাঁদের কথায় মন্তব্য আমি একটু কম করি।
ওরা আর কিছুই বলল না তখন আপুটির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক বড় ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের সম্পর্কে উল্টা,পাল্টা মন্তব্য শুরু করল আমি উনাকে বললাম বোন তো আপনারটা ও কলেজে যাচ্ছে সেও কি এইরকম নাকি? (বাঁশ দেওয়া আমার পুরান স্বভাব তাই সুযোগ বুঝে দিয়ে দিলাম)।
ভাইয়াটা অপমানের দৃষ্টিতে আমার দিকে থাকালো।
যখন স্টেশন এ গিয়ে পৌঁছলাম ট্রেন থেকে নামতে যাব এমন সময় প্রাইমারি স্কুলের মাস্টারটা আমাকে বলল ভাই এতগুলা যাত্রী থাকতে এই মাইয়ারে জায়গা দিলা? আমি উনারে বললাম ছাত্রের দুঃখ ছাত্রেই বুঝে।উনি আবার বললেন যে তুমি তো ভাই উল্টা টা করলা।আমি বললাম ভাই আপনার কোন অসুবিধা????
উনি বললেন ঐ মাইয়ারে না বসসাইয়া একটা বৃদ্ধ রে বসাইতে।আমি বললাম জায়গা আপনার টাতে বসাইতেন।
আমারে উনি বলল ভাই লুইচ্ছামি ছেড়ে দাও,আমি বললাম চরকা নিজের টাতে তেল দেন। বি পজজিটিভ!!!! আন্ডারস্ট্যান্ড???
এবার আপনারাই বলেন এসব সাম্প্রদায়িক নারিবিরুধী,বিকৃত ধারণার বিরুদ্ধে কি আমাদের এগিয়ে আসা উচিত না??
২|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৯
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: বি পজেটিভ ।
ঈদ মুবারক ভ্রাতা
৩|
২০ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:৫১
বাঁশ বাবা নওশাদ বলেছেন: :-)
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ রাত ৯:০৬
বাঁশ বাবা নওশাদ বলেছেন: কয়েকটা লাইনে একটু ভূল আসছে এর জন্য দুঃখিত পড়ার সময় একটু কষ্ট করে বুঝে নেবেন :-)