![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাস্তবতা অনেক কঠিন তারপর ও যারা মেনে নিতে পারে তারা বাস্তববাদী। আমি ও তাদের ভিতর ই একজন।।
মেক্সিকো ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ৫১ মিনিটে রেফারিকে ফাঁকি দিয়ে হাত দিয়ে বল জালে ঠেলেছিলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা।তার এই গোলটাকে বলে 'হ্যান্ড অফ গড'।
ঠিক এর ৪ মিনিট পর প্রায় ৬০ মিটার দূর থেকে ড্রিবলিং করে পাঁচজন ইংরেজ রক্ষণভাগের খেলোয়াড়কে পাশ কাটিয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।
মিডফিল্ডার এক্তর এনরিকে নিজেদের অর্ধে পাস দিয়েছিলেন ম্যারাডোনাকে। ১০ সেকেন্ড স্থায়ী, ৬০ গজের জাদুকরী এক দৌড়ের গল্প।
পিটার বেয়ার্ডসলে, টেরি বুচার (দুইবার), পিটার রিড, টেরি ফেনউইককে পেরিয়ে যান তিনি। ছুটে এসেছিলেন গোলরক্ষক, তাকেও কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান ম্যারাডোনা, ২-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত ২-১ এ জিতে তারা যায় সেমি-ফাইনালে।
পরে এই গোল নিয়ে ম্যারাডোনা জানান, তিনি আসলে ভালদানোকে পাস দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে ঘিরে রেখেছিল ইংলিশ ফুটবলাররা। একটু জায়গার সন্ধানে পায়ের কারিকুরি উৎস সেই গোলের।
২০০২ সালে ফিফার ভক্তগণ ভোটের মাধ্যমে সেটি শতাব্দীর সেরা গোল হিসেবে নির্বাচিত করে যা ' গোল অব দ্য সেঞ্চুরি' নামে খ্যাত।
ঠিক ২ বছর আগে ২৫ নভেম্বর রাতে কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে চলে যান ফুটবলে রাজপুত্র দিয়েগো ম্যারাডোনা।
ভালো থাকবেন
ফুটবল ঈশ্বর
২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১:৫৩
জগতারন বলেছেন:
ম্যারোডনার দৌড়ের সাথে বল-এর নিয়ন্ত্রন
ফুটবলারদের চির স্মরণীয় করে রাখবে।
৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:১৬
রাজীব নুর বলেছেন: মৃত্যু সব কিছু থামিয়ে দেয়।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৪৩
সোনাগাজী বলেছেন:
হাসিখুশী মানুষ ছিলেন ম্যারাডোনা।