| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
সভ্যতার শুরু থেকেই অপরাধীদের সাজা দেওয়ার বিধান চালু আছে। প্রচলিত আইন লংঘনকারীকেই অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নিদিষ্ট মেয়াদের জন্য কারাদন্ড ভোগের আদেশ বা জরিমানা আরোপ অথবা একই সাথে কারাদন্ড ও জরিমানা আরোপের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি দেয়া হয়। আর এই শাস্তি বাস্তবায়নের জন্যই তৈরী হয়েছে কারাগার বা জেলখানা।
শাস্তিভোগের জন্য জেলখানায় রক্ষিত সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের কয়েদি বলা হয়। বিচারকের নির্দেশ মোতাবেক তাদের নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য জেলখানায় অবস্থান করতে হয়। বিচারাধীন আসামিদের আটক রাখার জন্য দায়রা জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট নির্দেশ দিলে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়। এদেরকে হাজতী বলা হয়। যাদের নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয় তাদেরকেও প্রথমে কারাগারে পাঠানো হয়। কয়েদিদের জেলখানার নির্দিষ্ট পোষাক পরানো হয়, হাজতী বা নিরাপত্তা হেফাজতে থাকা বন্দীরা নিজ নিজ পোষাক পরিধান করে।
কারা কর্তৃপক্ষেরও " জেল কোডে " বর্ণিত নিয়ম-কানুনের বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। কারণ " জেল কোডে " বর্ণিত বিধানগুলো যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কিনা সেটা দেখার জন্য কারাগার পরিদর্শনের বিধান রয়েছে। দায়রা জজ, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, নির্বাহী প্রকৌশলীরা কারাগার পরিদর্শন করে থাকেন। এছাড়াও রয়েছে বে-সরকারী কারা পরিদর্শক দল। বে-সরকারী পরিদর্শক দলের সদস্যদের সরকার মনোনয়ন দিয়ে থাকেন। পরিদর্শণ প্রতিবেদনে উল্লেখিত রেজিষ্টার পর্যালোচনা ও পরিদর্শণ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গৃহীত কার্যক্রমের পর্যালোচনা, নিয়মিত কারাগার পরিদর্শণ হচ্ছে কিনা, বেসরকারী ভিজিটরদের নাম, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, মেয়াদকাল। মেয়াদকাল উত্তীর্ণ হয়ে থাকলে নতুন ভিজিটর নিযোগের ব্যবস্থা হয়েছে কিনা, মহিলা ভিজিটর নিয়মিত পরিদর্শণ করছেন কিনা, পরিদর্শণ বোর্ডের ত্রৈমাসিক সভা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয় কিনা, গার্ড পরিদর্শণ ও মন্তব্য, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদ-পরিস্থিতি অর্থ্যাৎ মঞ্জুরিকৃত লোকবল ও বর্তমান অবস্থা, কারাগারের ধারণক্ষমতা, বিচারাধীন বন্দীর সংখ্যা, বিনা বিচারে আটক বন্দীর সংখ্যা, ৫৪ ধারায় আটক বন্দীর সংখ্যা, বিদেশী বন্দীর সংখ্যা, মহিলা বন্দীর সাথে অবস্থানরত শিশুর সংখ্যা, মেডিকেল ওয়ার্ডে অবস্থানরত বন্দীর সংখ্যা, শ্রেণীপ্রাপ্ত বন্দীর সংখ্যা, মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত বন্দীর সংখ্যা, সাক্ষাতকার ব্যবস্থা, খাদ্যের পরিমান ও মান, চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, কারা উপ- মহাপরিদর্শক ( সংশ্লিষ্ট বিভাগ ), কারা মহা পরিদর্শক , ঢাকার কাছে নিয়মিত প্রেরণ করতে হয়। স্থানীয়ভাবে এই প্রতিবেদনের অনুলিপি জেলা ও দায়রা জজ, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনকে জানাতে হয়। তাই কারা বন্দীদের ব্যাপারে এতটুকু অনিয়ম কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি এড়ানোর সুযোগ নেই।
লেখকঃ ডেপুটি জেলার, জেলা কারাগার, নাটোর।
০৩ রা নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪০
আঃ রব বলেছেন: চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে ছোটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবে এক সময় হয়তো আপনার কথার সত্যতা ছিল কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
২|
০৩ রা নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪২
নিলু বলেছেন: তাহলে ভাই আরও তথ্য সংগ্রহ করতে হয় , পরে লিখবো এ সম্পর্কে , ধন্যবাদ
৩|
০৩ রা নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৬
কাঠুরে বলেছেন: িনলু বলেছেন: তবে অনেক সময়ই নিয়ম ভংগ হয় বলে শুনেছি , আর কারাগারে টাকা যারা বেশী খরচ করতে পারে তারাই সুবিধা বেশী পায়
মন্তব্যের সাথে পুরোপুরি সহমত।
আর জেলখানায় লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় সিগারেট।
সপ্তাহে একদিনের বেশী দেখা করতে চাইলে সিগারেট।
ভালো খাবার খাইতে চাইলে সিগারেট।
একটু ভালো ভাবে ঘুমাতে চাইলে সিগারেট।
কেউ আপনারে বিনা কারণে দোষী বানাইয়া দিলো, আর সেই দোষ ঢাকার জন্য আপনাকে দিতে হবে সিগারেট।
আরও বহুত দুর্নীতি চলে জেলখানার ভিতরে, লিখা শেষ করা যাবে না।
আর আমি যেই কথা গুলা বলছি, বর্তমানে "ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের" ভিতরে অবস্থা এমন।
যান যাচাই করে বা জিজ্ঞেস করে দেখেন, যদি জেলঘেটে পরিচিত কেউ থাকে।
৪|
০৭ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০১
আঃ রব বলেছেন: কারাগারে ছিলেন ? যে সুন্দর বর্ণণা দিয়েছেন না মাইরি ।
৫|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৩৮
কাঠুরে বলেছেন: কারাগারের এসব ঘটনা জানতে হলে যে কারাগারেই থাকতে হবে সেটা আপনাকে কে বলল ।
আপনি যে পোস্টটা দিয়েছেন, সেটা কি কারাবন্দী কোনো মানুষের কাছ থেকে জেনে দিয়েছেন?
আপনি তো এটা কোনো জেলারের লেখা থেকে কপিপেস্ট মেরেছেন?
আমি যতদূর শুনছি, একটা জেলার জেলখানা পরিদর্শন করেন মাসে ২ থেকে ৩ বার।
আর জেলার আসার আগে নাকি জেলখানার অবস্থা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের রাস্তাগুলির মতো হয়ে যায়।
একজন জেলার কি মাসে ২/৩ বার পরিদর্শনে গিয়েই বন্দীদের দুঃখ দুর্দশা আর জেলখানার কোনো নিয়ম ভঙ্গ হচ্ছে কি না তা বুঝতে পারেন?
আর আপনি মনে হয় প্রাসঙ্গিক উত্তর না দিয়ে ত্যাড়া ত্যাড়া জবাব দিয়ে আপনার পরিচয় তুলে ধরতে চাইছেন।
৬|
১৬ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৯
আঃ রব বলেছেন: পোষ্টের নিচে আমার পরিচয়টা দেয়া আছে, তাই কোন জেলারের লেখা চুরি করার দরকার হয়নি। আর বাকি কথার জন্য বলছি যে, কোন দায়িত্বে থাকা কাউকে বাহিরে থেকে কিছু বলা অনেক সহজ কিন্তু ঐ কাজটা নিজে করতে গেলে বোঝা যায় আসল সমস্যাটা কি এবং কোথায় !
৭|
১৬ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৫
আঃ রব বলেছেন: আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে আমরা কোন ব্যাক্তি/ প্রতিষ্ঠান/অন্য কোন বিষয বা বস্তুর ভাল দিকটার চেয়ে খারাপ দিকটা নিয়ে ভাবতে বা কথা বলতে বা রসিয়ে কসিয়ে তুলে ধরতে পছন্দ করি, আনন্দ বোধ করি। তাই আমাদের নিজের, সমাজের, দেশের উন্নতি ১ বার এগোয় তো ১০ বার পিছিয়ে পড়ে। অথচ এ কাজে ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক আমাদের নিজেদেরই হাত আছে কোন না কোন ভাবে এটা একবারও ভাবি না বা ভাবার প্রয়োজন বোধ করি না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩১
নিলু বলেছেন: তবে অনেক সময়ই নিয়ম ভংগ হয় বলে শুনেছি , আর কারাগারে টাকা যারা বেশী খরচ করতে পারে তারাই সুবিধা বেশী পায় , ধন্যবাদ