নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিলনদ

মাহমুদুল হাসান কায়রো

যাযাবর, অান্তর্জাতিক যাযাবর।

মাহমুদুল হাসান কায়রো › বিস্তারিত পোস্টঃ

আপনার পিতামাতাকে আরও বেশী সময় দিন। (একটি স্পর্শ্বকাতর ছোট গল্প ও আমার কিছু কথা)

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩৬

- বিয়ের ১২ বৎসর পর আজ আমার স্ত্রী আমাকে বলল:

তুমি কাল এক মহীলাকে ডিনারে ইনভাইট করবে এবং মুভি দেখাতে নিয়ে যাবে।

সে আরো বলল: আমি তোমাকে ভালবাসি। কিন্তু আরেকজন মহীলা আছেন যিনিও তোমাকে ভালবাসেন এবং তোমার সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। তাহলে কেন তাকে তার এই ইচ্ছে থেকে বিরত রাখা!!



আমি জিজ্ঞেস করলাম, কে সেই মহীলা যে আমার সাথে সময় কাটাতে চায় আর তুমি তাকে অনুমতি দিচ্ছো?





স্ত্রী বলল: তোমার 'মা'।



সত্যিতো, আমার দামি এই চাকরিটি পাওয়া তারপর বিয়ে তারপর একে একে তিন তিনটি বাচ্চা হওয়ায় আমি আমার ভূবনে এতই ব্যাস্ত হয়ে পরেছি যে বিশেষ অকেশন ছাড়া আমার মা কে সময়ই দেয়া হয় না।

অথচ এমন কিন্তু হবার কথা ছিল না। ''মা'' তাকে কেবল অকেশনেই সময় দেয়া কিংবা কেয়ার করা এটা অন্যরা করলে তাদের উপর আমার ভিষন রাগ হতো যখন আমি ছোট ছিলাম। আজ আমারও তো ছোট ছোট ছেলে মেয়ে আছে তাহলে তারাও কি আমাকে খারাপ মানুষ ভেবে ভেবে বড় হয়ে উঠছে???



ভাবতে ভাবতে মাকে ফোনে রেষ্টুরেন্টে ডিনার এবং শহড়ের দামি সিনেমা হলে মুভি দেখানোর পরিকল্পনার কথা বললাম।



- মা: তোর কী হয়েছে? তুই কি ঠিক আছিস? বাসায় সবাই ভালোতো? এমন ছিল মার প্রথম এ্যক্সপ্রেশনস যেন গভির রাতে তাকে আমি কোন খারাপ খবর শুনালাম। (অথচ যখন আমি ছোট ছিলাম তখন মা আমাকে প্রতিদিনই ঘুরতে নিয়ে যেতেন) সব কিছু ঠিকই আছে বুঝানোর পর মা তার দরদি হৃদয়ের নিশ্বার্থ ভালবাসা প্রকাশ করে বললেন: ঠিক আছে, তুই তোর বউ আর ছেলে মেয়েকে নিয়ে ডিনারে যা, সিনেমায় যা এনজয় কর। আমি গেলে অযথাই অতিরিক্ত খরচ হবে। সেটা করে কি লাভ!!!



আমি বললাম: মা, কাল আমি আর তুমি ঘুরতে যাবো ঠিক ছোট বেলার মতো। সাথে আর কেহ থাকবে না।

অবশেষে তিনি রাজি হলেন।



পরেরদিন বিকেলে অফিস থেকে কিছুটা আগেই ছুটি নিয়ে মা'র বাসার সামনে গাড়ি পার্ক করলাম। নিজেকে কিছুটা নার্ভাস মনে হতে লাগল। গাড়ির শব্দ শুনেই দড়জা খুলে গেলো। মা'কে দেখে বুঝলাম তিনি নতুন কাপড় পরে অপেক্ষা করছিলেন। তাকে আমার চেয়েও বেশি নার্ভাস মনে হলো।



ঘরের ভিতর প্রবেশ করে বুঝতে পারলাম সে আজকের জন্য কত প্রস্তুতিই না নিয়েছেন। এই বয়সে হালকা মেকাপ ও চুল গুলোকেও কিছুটা রঙীন করেছেন। আমার দেয়া একটি পোশাকই পরেছেন। সোফার উপর তার প্রিয় কোর্টটি ও রাখা দেখলাম।



এক কাপ চা পান করেই আমি বললাম চলো বের হয়ে যাই। মা কোর্ট টি হাতে নিয়ে বললেন চলো। বের হবার সময় জিজ্ঞেস করলাম তোমাকে নার্ভাস মনে হচ্ছে কেনো>? মা বললেন, নার্ভাস না লজ্জা লাগছে কারন আজ আমার বন্ধু সবাইকে ফোন করে বলেছি যে আমার ছেলে আমাকে আজ ডিনারে নিয়ে যাবে তারপর সিনেমায়। সবাই বলল: তুমি খুব লাকী। (:( :()



আমরা মাঝারি ধরনের একটি রেষ্টুরেন্টে বসলাম। (কারন মা কিছুতেই দামি রেষ্টুরেন্ট পছন্দ করলেন না।)



আমাদের সামনে মেনু দেয়া হলো। আমি মার পছন্দের খাবারের নামের অপেক্ষায় রইলাম। কিন্তু মাকে কিছুটা চিন্তিত মনে হলো। মা বললেন, আমি বড় বড় লেখাগুলো ব্যতিত আর কিছুই পড়তে পারছি না। তুমি আমাকে পড়ে শুনাও। আমার মনে পরে গেল যখন আমি ছোট ছিলাম তখন এমনিভাবে মা আমাকে মেনু পড়ে শুনাতেন আর আমি খাবার পছন্দ করতাম। তার পরে হয়তো আজই প্রথম মাকে নিয়ে রেষ্টুরেন্টে আসা। সেদিন আমি পড়তে পারতাম না, আজ মা পড়তে পারছেন না।



খেতে খেতে আমরা অনেক কথা বললাম। কিভাবে আমরা আমাদের দিনগুলো পার করছি সেটাই ছিল আলোচনার বিষয়। মা'র কথা শুনে বুঝতে পারলাম মা আমাকে কত গভির ভাবে প্রতিদিন মিস করে।



মুভি দেখার সময় হলেও তার গুরু্ত্ব অনেকটাই কমে গেছে। মা আমার সাথে কথা বলতেই বেশি আনন্দ লাভ করছেন। অবশেষে আমরা মুভির অর্ধেকটা দেখে বাড়ি দিকে রওনা হলাম।



মা'কে বড়িতে নামিয়ে দিয়ে আসার সময় মা বললেন, তোমার সাথে কয়েকদিন পর আবার ডিনারে যাব। সেদিন আমিই তোমাকে দাওয়াত করব। আমি প্রমিজ করে আমার বাসায় চলে আসলাম।





- বাসায় আসার পর আমার স্ত্রী জিজ্ঞেস করলো: কেমন সময় পার করলা?

- আমি বললাম: অনেক ভাল। কল্পনার চেয়েও ভাল। কয়েকদিন পর মা আমাকে ইনভাইট করবে বলেছেন। আমি প্রমিজ করে আসছি। স্ত্রী বললেন, অনেক ভাল করেছ।



অল্প কিছুদিন পরে আমার মা হার্টফেইল করে মারা গেলেন। আমি তাকে বাচাতে কোন চেষ্টাই করতে পারলাম না। সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে গেলো।





এরই কিছুদিন পরে আমি একটা খাম পেলাম। যাতে একটি হোটেলের মানি রিসিপ্ট যাতে দুইজনের ডিনারের অগ্রিম বিল পে করে সিট বুক দিয়ে আমাকে দাওয়াত দেয়া হয়েছে। রিসিপ্ট হাতে নিয়ে কান্নায় ভরা চোখে একটি নোট দেখতে পেলাম। তাতে লেখা:



- বাবা: আমি আমাদের দ্বিতীয় ডিনারের অগ্রিম বিল পে করেছি। জানিনা আদৌ আমি আজ বেচে থাকবো কি না, কিন্তু আমি দু জনের জন্যই সিট বুক করেছি। যদি আমি জীবিত থাকি তবে মনে করো আমি ঐ আগের রেষ্ট্যুরেন্টে তোমার অপেক্ষায় আছি। আর যদি বেচে না থাকি তবে তুমি দেরি করো না, তোমার স্ত্রীকে নিয়ে আমাদের ঐ প্লেসে চলে যাও।

ইতি

তোমার মা।


-------

নেট থেকে পাওয়া একটি গল্পকে কিছুটা নিজের ভাষায় লিখলাম।

-------

-

--

---

----

-----

------

-------

আমার কিছু কথা:

- প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা: আসুন সবাই আমাদের পিতামাতাকে আরো ভালবাসি। তাদের আরো যত্ন নিই। মনে রাখতে হবে, তারাই পৃথিবীর বুকে একমাত্র মানুষ যারা আমাদের প্রত্যেকটি সাকসেসে আনন্দ পান এবং প্রত্যেকটি ব্যর্থতায় সমান কষ্ট পান।



- পিতামাতর জন্য অপ্রয়োজনীয় যেই কাজ গুলো অবশ্যই করবেন:

১) একবার হলেও চিড়িয়াখানা, শিশুপার্ক, রমনা পার্ক, সংসদভবন যেই সমস্ত স্থানের কথা আমরা প্রায়ই বাসায় আলোচনা করি কিংবা টিভিতে বাবা-মা শুনে থাকেন ঐ সমস্ত স্থান দেখাতে নিয়ে যাবেন। সেক্ষেত্রে ভাল শপিং মল এবং ষ্টেডিয়ামে ও নেয়া প্রয়োজন মনে করি। কারণ, কোন একটি স্থান, বস্তু বা খাবারের নাম বার বার শুনলে সেটার প্রতি একটি ভাল লাগার সৃষ্টি হয় আর সেখান থেকেই ভালবাসার। বৃদ্ধ বাবা মা জীবনেও এইসব কথা বলবেন না, বা আপনি অফরা করলেও তিনারা রাজি হবেন না। তারপরও নিজে জোর করে নিতে হবে। ঘুরে আসার পর ঠিকই তাদের অনুভূতি আপনি বুঝতে পারবেন।



২) পিতা মাতা কিন্তু বৃদ্ধাশ্রমে থাকার জন্য নয়। কাজেই যারা তাদের পিতামাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসছেন তাদেরকে নিজে এবং তার আশেপাশের মানুষ দিয়ে শু-কৌশলে বুঝিয়ে বাসায় আনার ব্যবস্থা করুন।



৩) যে বয়সেরই হোক না কেন, অনেক ছেলে সন্তান আছে যারা পিতামাতার সাথে খারাপ ব্যবহার করে, পিতামাতার কথা শুনে না। আপনি তাদের বন্ধু হয়ে তাদের সময় দিন। এবং কৌশলে তাদের পিতামাতার প্রতি সন্তানে কর্তব্য বুঝানোর চেষ্টা করুন।





- উপরের গল্পটি আপনার হৃদয়ে কিছুটা টাচ করে থাকলে আমার রিকোয়েষ্টে হলেও প্লিজ প্রমিজ করুন অতিদ্রুত আপনার বাবা মা যারা জীবিত আছেন তাদের জন্য কিছু একটা করবেন যাতে তারা কিছুটা সময়ের জন্য হলেও নিজেদের একাকিত্ব ভূলে থাকেন। এবং এমন ঘটনা সবার সাথে শেয়ার করবেন।

মন্তব্য ৫৭ টি রেটিং +১৯/-০

মন্তব্য (৫৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫১

প্রিয়তমেষূ বলেছেন: অসাধারন গল্প, আবারও পড়লাম।


বাবা মাকে নিয়ে অসাধারন পোস্ট এর জন্য ধন্যবাদ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৩

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

বাবা মার জন্য আমরা যতকিছুই করি না কেন আামদের দায়িত্ব শেষ হবে না।

২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫১

ঘুড্ডির পাইলট বলেছেন:
সত্যি ভাই চোখে পানি এসে গেলো ।:( গল্পের ছেলেটির মতো এমন সুযোগ আমি কখনোই পাবো না।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৩

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: হুম, বুঝতে পেরেছি।

আপনার জন্যও অনেক মায়া লাগছে।

৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৪

কালো ঘোড়ার আরোহী বলেছেন: হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া লেখা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০২

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: বাবা মাকে ও কিন্তু সবসময় ভালবাসা দিয়ে ছুইয়ে রাখা উচিত।

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৯

মাহমুদুর রাহমান বলেছেন: আল্লাহ আমাকে এখনো সুযোগ দিয়েছেন। বলতে দ্বিধা নাই আমার মা আমার সব চেয়ে আপন। কিন্তু বাবার বিষয় টাও সেরকম হলেও মাঝে মাঝেই মতের অমিল। অনেক পরিবারেই আছে এমন। কায়রো ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন হৃদয় ছোঁয়া বিষয়ে লেখার জন্য। দোয়া করবেন আমি যেন মা বাবার সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি। রাব্বির হাম হুমা কামা রব্বা ইয়ানি ছাগিরা। আমীন।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:১৭

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: রাব্বির হাম হুমা কামা রব্বা ইয়ানি ছাগিরা। আমীন।

৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: যারা নিজ বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে আসে, তারা নরকের কীটের চেয়েও খারাপ। আপনার লেখাটা পড়ে ব্যক্তিগত ভাবে আমার অনেক ভালো লেগেছে।
শুভেচ্ছা রইল।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২৭

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ধন্যবাদ কাল্পনিক ভাই।

পিতামাতার প্রতি সবারই দায়িত্ব আছে। অনেকে সেটা বুঝে না আবার অনেকে বুঝে বিভিন্ন প্রতিকুলতায় কুলিয়ে উঠতে না পেরে বৃদ্ধাশ্রমে দিয়ে আসে। তারা এটা বুঝে না যে, পিতা মাতা হলেন অন্য সবার চেয়ে উপরে যার স্থান। যার সামনে অন্যসব প্রতিকুলতা ম্লান।

৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৩

অচিন.... বলেছেন: অনেক ভালো কিছু কথা লিখেছেন কায়রো ভাই।
,


অঃটঃ আমি ই পোস্টে ঢুকতে পারতেছিলাম না।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৬

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ অচিন ব্লগার.......:)


আপনার জন্যই ভিডিওটি সরিয়ে দিয়েছি। নচিকেতার বৃদ্ধাশ্রম গানের ভিডিওটি শেয়ার করেছিলাম।

৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৯

অচিন.... বলেছেন: এজন্য ধন্যবাদ আপনাকে

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৩

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪১

বাবা নুড়া বলেছেন: এধরনের পোষ্ট ই তো খুজি ! অনেক ভাল মানের পোষ্ট - আপনার জন্য আমার মন থেকে দোয়া রইল - এবং আপনার মার প্রতি আমার সম্মান রইল । আমাদের আরও ভাল ভাল পোস্ট দিন ।... +++++++++

ভাল থাকবেন ,,,

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৫

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আপনার কমেন্ট পেয়ে অনেক ভাল লাগল। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

দোয়া করবেন আমরা সবাই যেন আমাদের পিতামাতার যথার্থ কদর করতে পারি।

৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৬

মাক্স বলেছেন: অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন। খুবই ভালো লাগলো।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১২

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আমার লেখা গুছানো হয় না। :(

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৭

মাক্স বলেছেন: ++++++++++++++

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৩

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: থেন্কিউ :)

১১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩২

এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
কি যে করব সেটাই তো বুঝি না।

++++++++

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৬

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: বুঝেন বুঝেন সবই বুঝেন, মুখে না বললে কি হবে। মনে যেটা চায় সেটাই করবেন। পিতামাতার ব্যপারে বেশী হিসেব না করাই উচিত। সব কিছু দিল থেকে করলেই আরেক দিলে বেশী আনন্দ লাগবে।


মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।


আর তুমি কিবা আছো আফু :) কদম ফুল কি শুকাই গেছে ।??

১২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৬

প্রকৌশলী আতিক বলেছেন: বিশ্বাস করেন, এই পোষ্ট টা পড়েই মাকে কল দিছি। বাট বিজি ছিল।

পোষ্ট টার মোরাল অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ন।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১৮

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: দিবেনইতো, আমি নিজেও তো কল দিয়ে আম্মার সাথে ৪০ মিনিট কথা বলেছি :)


মোরাল ইজ:

এই পৃথিবীতে যেন আর কোন মা পুত্র শোকে কষ্ট না করেন।

১৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ছোট্ট নিথী বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপনার লেখাটা পড়ে। +++

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২০

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: এই পৃথিবীতে যেন আর কোন মা তার কলিজার টুকরা পুত্রধন থেকে কষ্ট না পান।

১৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩৯

ইউসুফ আলী রিংকূ বলেছেন: আমার মা কে আমি খুব ভালোবাসি

অসাধারণ ভালোলাগা পোস্ট টা, প্রিয়তে নিলাম ।

আপনার মার প্রতি আমার সম্মান রইল ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২১

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: এই পৃথিবীতে যেন আর কোন মা তার কলিজার টুকরা পুত্রধন থেকে কষ্ট না পান।


পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতিই রইলো সমান সম্মান।

১৫| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০৯

আফিফা মারজানা বলেছেন: আবু মুহাম্মাদকে পড়ে শোনাবো ।অনেক সুন্দর ও দামী কথা ।

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২৩

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আপনিই কি তাহলে সেই উম্মু মুহাম্মদ?

:) :) ওয়েলকাম।


এই পৃথিবীতে যেন আর কোন মা তার কলিজার টুকরা পুত্রধন থেকে কষ্ট না পান।

১৬| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২৬

রুদ্র মানব বলেছেন: জাস্ট অসাধারণ ভাই , আর কিছুই বলার মত ভাষা নাই । *মা* শব্দটা শুধু একটা ডাক হিসেবেই শব্দ না । এটা একটা অনূভূতিও ।
পোস্টে +++++++++++++++++++

২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩৭

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: হুম, সুন্দর বলেছেন।

*মা* শব্দটা শুধু একটা ডাক হিসেবেই শব্দ না । এটা একটা অনূভূতিও।

১৭| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৪০

মেলবোর্ন বলেছেন: অফিসে বসে পড়লাম আর দেখি আমার চোখ দিয়া পানি পরতাসে এবং কলিগ আইসা বলে ঠিক আছোতো আমি কোনা কথা বলি নাই শুধু বলছি হ্য সবচেয়ে সুখি আছি কারন আমার মা -বাবা বেচে আছেন সুস্থ আছেন যদিও আমি প্রবাসে তবুও তাদের সাথে ফোনে কথা বলতে পারি, স্কাইপের কারনে দেখতেতো পারি এও তো কম নিয়ামত নয়। চোখটা ভিজেই গেল।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫৮

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: -
-
যখন রাত্রি নুঝুম নেই চোখে ঘুম
একলা শুন্য ঘড়ে
তোমায় মনে পরে মাগো তোমায় মনে পরে।

১৮| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:০০

শিপু ভাই বলেছেন:
বাবা মাকে ছেড়ে আলাদা থাকার কথা মনে হলে আমার শরির শিউরে ওঠে। আম্মা মাঝে মাঝে দুষ্টামী করে বলে- "কয়েকদিন আলাদা থেকে দেখ কেমন লাগে!!!"
আমি বলি-" আমি মরেই যাব!!! :( "


আল্লাহ পৃথিবীর সকল বাবা মাকে ভাল রাখুন!!! আর সকল সন্তানকে তাদের পিতামাতার সেবা করার তৈফিক দিন!!!

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৫৯

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: একান্নবর্তি পরিবারই শুখের পরিবার, কোন সন্দেহ নাই।

আল্লাহ আপনার পরিবারের সকলকে শুখি করুন। আমিন।

১৯| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১০

লিন্‌কিন পার্ক বলেছেন: :( :(

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০১

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: মা যে আমাদের জন্য কত চোখের পানি ফেলছেন তা কিছুতেই অনুধাবন করতে পারি না। তাই আমরা মাকে কষ্ট দেই। :( ;'(

২০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১১

আল মামুন ১৯৮৭ বলেছেন: অসাধারণ লেখা। মাকে নিয়ে যে কোন লেখাই ভাল লাগে, মায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। গতকাল মাকে ফোন করেছিলাম, মা বলল তোকে কতদিন দেখিনি, তাড়াতাড়ি দেশে আয়। জানিনা আমি আর কতদিন বাঁচব। তখন নিজেকে খুব অসহয় মনে হয়েছিল। থিসিসের কাজে ব্যস্ত থাকায় কবে যে দেশে যেতে পারি সে কথা ভাবলে খুব খারাপ লাগে। বাবাকে এভাবে হারিয়েছি, জানিনা মাকে আবার হারিয়ে ফেলি কিনা সে ভয় হয়। মায়ের জন্য তো কতকিছু করতে ইচ্ছে হয়, কিন্তু সে সুযোগ কি পাব? দোয়া করবেন। জানি মা হয়ত এ লেখা পড়বেননা তবুও বলবঃ "“মা তোমাকে অনেক অনেক ভালবাসি, তুমি বেঁচে থাক অনেক দিন”"।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০২

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: "“মা তোমাকে অনেক অনেক ভালবাসি, তুমি বেঁচে থাক অনেক দিন”"।

২১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৩

নিমচাঁদ বলেছেন: পোষ্ট পড়ে কন্ঠ কেনো জানি রুদ্ধ হয়ে গেলো এবং অতর্কিতে চোখে পানি এসে গেলো ।

৪১ বছর বয়সে এখনো বাবা মাকে নিয়ে বসবাস করি এবং তাদের ছায়াতলে থাকি । এটা নিয়ামত বললে ভুল হবে , আমি এই জন্য পরম করুনা ময় আল্লাহর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞ।

বাবা মায়ের জন্য কিছু করতে পারি নাই , ইন ফাক্ট যা কিছু করতে চেষ্টা করেছি , তা কোনমতেই তাদের ভালোবাসার প্রতিদান হতে পারে না ।

অনেক দিন আগের আমার একটা ফেবু ষ্টাটাস দিয়েছিলাম , এটা আমি কোন সুযোগ পেলেই , যে কোন জায়গায় শেয়ার করি , যে কোন আড্ডায় বলে ফেলি । এই ব্লগে ও কয়েকবার শেয়ার করেছি । আজকে ও করলাম ।

"একটা নতুন দেশ জন্ম হওয়ার ১২ দিন আগে আমার জন্ম।জন্মের পর ঢাকা থেকে আমার পরিবার পালিয়ে চলে যাচ্ছিলো গ্রামের বাড়ীতে।নদীর জলে নৌকা ভেসে আমরা যাচ্ছিলাম। ভেসে আসা লাশের গন্ধে আর কাক চিল শুকনের উল্লাসে চারিদিক ছিলো নির্মমতায় ভরা।ক্ষুধায় ভীষণ কাঁদছিলাম , শীর্ণ মায়ের বুকে কিনবা নিডো দুধের টিনে, কোন দুধ আমার জন্য অবশিষ্ট ছিলো না । চিৎকার করে কাঁদছিলাম।কেউ কেউ বললো , ওকে নদীর জলে ফেলে দিন ।৪০ জনের লোকের চাপে , আব্বাও ছিলেন অসহায় । কিন্তু মা ? সে কি করে ফেলবে আমাকে ? আমাকে শাড়ীর আচল দিয়ে কোমরে বেঁধে , ব্যাগ থেকে দাও বের করে বললেন, কে আমার ছেলেকে নদীতে ফেলবি আয় । মা দুর্গার মতোন সেই রুদ্র মুর্তি দেখে কেউ আমাকে ফেলতে পারেনি। লাশ পচা শীতলক্ষ্যার পানি ,পান করিয়ে আমাকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছিলো ।তাই এখন ও বেঁচে আছি । মাও বেঁচে আছেন , কিন্তু হাসপাতালে খুব অসুস্থ হিসাবে ভর্তি হয়েছেন গতকাল।
তাই আজ নিজের জন্মদিন একা একা , মায়ের কথা ভেবেই পার করতে হচ্ছে ।মায়ের পাশে বসে ।

জন্মের পর থেকে একাত্তরের শহীদের লাশের গন্ধ যুক্ত পানি খেয়ে বেঁচে আছি । তাই এখন ও অনেক কষ্ট সহ্য করতে পারি ।অনেক রাত্রি পার করতে পারি একা একা ।"

March 14, 2012 at 2:57am

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০৫

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: আমার পোষ্টের চেয়ে আপনার কমেন্টই বেশী ভাল লাগল। মা এমনই হয়। আপনার মা'র জন্য রইলো অনেক অনেক সম্মান ও সালাম। প্লিজ প্লিজ আমার নাম ধরে আপনার মা'র নিকট আমার জন্য দোয়া চাইবেন।


আল্লাহ আপনার মাকে সুস্থ করে দিন। আমিন।

২২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:২১

ধান শালিক বলেছেন: বুকের মাঝখান থেকে নীরবে বেরিয়ে আসে একটি শব্দ । মা , , , , ,
কতদিন দেখিনা !

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০৭

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: -
যখন রাত্রি নুঝুম নেই চোখে ঘুম
একলা শুন্য ঘড়ে
তোমায় মনে পরে মাগো তোমায় মনে পরে।
-

২৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৪৭

চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: অসাধারন লাগলো পড়ে।২০০৪ এর পর থেকে ঘরের বাইরে বাইরে থাকা।টানা ৮ বছর মায়ের পাশে থাকা হয়না।মাঝে মাঝে মনে হয় আমার জীবনের সবচাইতে দুঃখের সময় এই ৮ বছর।বাবা মা বাইরে সেটেল হতে বললেও আমি প্রতিজ্ঞা করেছি পড়াশোনা শেষ করে বাবা মার কাছেই ফিরে যাবো।টাকার বিছানায় শুয়ে ঘুমানোর চাইতে মায়ের কোলে মাথা পেতে শুতে আমি বেশী সাচ্ছন্দ্য বোধ করবো।

ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মায়েরা।+

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:১৬

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মায়েরা।

২৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৪৯

জাকারিয়া মুবিন বলেছেন: আগেই পড়েছিলাম গল্পটা। আবারও পড়লাম। খুব ভাল লেগেছে। ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৪

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য।

২৫| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৩

প্রিন্স হেক্টর বলেছেন: হৃদয় ছোয়া লেখা, +

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৫

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: মা তো হৃদয়েই থাকেন, তাই সকলের হৃদয় ছুয়ে যায়।

২৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:০৯

ডানাহীন বলেছেন: শুধু ডিনার আর সিনেমা কেন, মাকে তো সবসময় কাছেই রাখা উচিত !
আমরা আলাদা একা হই কেন!
যাইহোক সুন্দর লেখা .. আশা করব আমরা সবাই যেন বাবা-মার কাছাকাছি থাকতে পারি ।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৮

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ডিনার আর সিনেমা একটা উদাহরন মাত্র।

২৭| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৪

ইখতামিন বলেছেন:
আমার নিজের কোনও কথা নেই.

ডানাহীন বলেছেন: শুধু ডিনার আর সিনেমা কেন, মাকে তো সবসময় কাছেই রাখা উচিত !
আমরা আলাদা একা হই কেন!
যাইহোক সুন্দর লেখা .. আশা করব আমরা সবাই যেন বাবা-মার কাছাকাছি থাকতে পারি ।

সহমত

হাই. কেমন আছেন.

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৯

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ডিনার আর সিনেমা একটা উদাহরন মাত্র।

২৮| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৫২

খায়ালামু বলেছেন: ডানাহীন বলেছেন: শুধু ডিনার আর সিনেমা কেন, মাকে তো সবসময় কাছেই রাখা উচিত !
আমরা আলাদা একা হই কেন!
যাইহোক সুন্দর লেখা .. আশা করব আমরা সবাই যেন বাবা-মার কাছাকাছি থাকতে পারি ।

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৯

মাহমুদুল হাসান কায়রো বলেছেন: ডিনার আর সিনেমা একটা উদাহরন মাত্র।

২৯| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৩৬

আহমেদ চঞ্চল বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++

খুবই---শিক্ষনীয় একটি গদ্য।।।।

Click This Link

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.