নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময়ের মূল্য দিতে শিখুন।

রুপকথার গল্প

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।

রুপকথার গল্প › বিস্তারিত পোস্টঃ

গ্যাস্ট্রিকের মুক্তি শুধুই খাবার

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:১৩

গ্যাসট্রিক হওয়ার একমাত্র কারণ আমি বলবো, আঁশ জাতীয় খাবার কম খাওয়া। আমরা সিন্থেটিক অর্থাৎ মাংস বেশি খাই। পাকস্থলিতে সিন্থেটিক ইউরিক এসিড তৈরি করে। মূলত এ থেকে গ্যাসের সৃষ্টি। আমরা যদি সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা দুই মুঠো কাঁচা ছোলা খাই তাহলে পাকস্থলিতে ইউরিক এসিড তৈরি হবে না।



অবশ্যই তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সকালে উঠে দুই গ্লাস হালকা গরম পানি, এরপর কাঁচা ছোলা, তারপরে ভেজিটেবল বা সালাদের সঙ্গে চিড়া দই। এটা কিন্তু হাজার বছর আগে থেকেই বাঙালির খাবার। এরপর চাইলে অন্য কিছু খাওয়া যাবে। তবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তেলে ভাজা কিছু খাওয়া ঠিক হবে না। এভাবে যদি টানা তিন মাস চালানো যায়, তবে গ্যাস্ট্রিক, আলসার, পাকস্থলীর এলার্জি, কোষ্টকাঠিন্য, পিত্তথলির সমস্যা উধাও হবে। এতে করে ঘুমের সমস্যাও দূর হবে।

অনেক রোগ থেকে বাঁচা যায়, যদি আমাদের শরীরে ইউরিক এসিড তৈরি না হয়। প্রতিদিন সমন্নিতভাবে ২০০ গ্রাম সালাদ খেলে গ্যাস্ট্রিক, আলসার, আইবিএস হবে না।



গাজর হলো ভিটামিনের সম্রাট। এটাতে ভিটা ক্যারোটিন আছে। এর গুণের শেষ নাই। গাজর আগামী দিনের মহৌষধ।

টমেটোতে ভিটমিন সি ভর্তি। এতে এন্টিঅক্সিজেন আর লাইকোফেন থাকে। পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষ টমেটো স্যুপ খেয়ে ঘর থেকে বের হয়। পেঁপে লিভারের জন্য খুবই উপকারি। অন্যদিকে ধনেপাতা ভর্তা পাকস্থলি সবসময় ঠান্ডা রাখে। পুদিনা পাতা, থানকুনি পাতা ভর্তা প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে ভাতের সাথে।



কেউ যদি দুই-তিন বছর ধরে গ্যাস্ট্রিক বা আলসারজনিত সমস্যায় ভোগে তাকে প্রতিদিন দই ও দই জাতীয় খাবার, মাঠা, পেঁপে, পুদিনা পাতা, ধনে পাতা নিয়ম করে অন্তত তিন মাস মন স্থির করে খেতে হবে। কারণ অনেক দিন তেলেভাজা জিনিস আর মাংস (সিন্থেটিক) খেলে পাকস্থলির এনামেল, গুড ফ্লুয়েড নষ্ট হয়ে যায়। এটাকে ঠিক করতে হলে তিন মাস সময় লাগে। তাই তিন মাসের জন্য ভেজিটেরিয়ান হয়ে যেতে হবে।



যদি কেউ নিয়ম করে প্রতিদিন দই, মাঠা- এ জাতীয় খাবার খায়, এর সাথে খায় সবজি। তাহলে আমরা সুইজারল্যান্ডের মানুষের মতোই নিরোগ হতে পারব। ওই দেশটির কথা বললাম, কারণ আমার অভিজ্ঞতা থেকে জানি, সুইজারল্যান্ডে এমনও ঘটনা আছে ২২৭ শয্যার একটি হাসপাতালে সাতদিনে কোনো রোগীই ভর্তি হয়নি! আমাদের দেশেও এমনটা হওয়া সম্ভব। আমাদের দেশ নাতিশীতোষ্ণ। এদেশে পাঁচ হাজারেরও বেশি ঔষধি গাছ আছে। এখানে ডাল থেকে, এমনকি পাতা থেকেও গাছের জন্ম হয়। তাই সুলভ খাবার থেকে সহজেই গ্যাস্ট্রিক মুক্ত হওয়া অনেক সহজ





সুত্রঃ Click This Link

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.