| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রুপকথার গল্প
জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ থেকে ঢাকার শ্যামলী যাওয়ার পথে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের রাস্তার অপর পারে বাস থেকে নামেন হামিদা আকতার (২৮) নামে জনৈক মহিলা। রাস্তার উপর বেশ কয়েকটি লাগেজ রেখে ট্যাক্রি ক্যাবের অপেক্ষায়। এমন সময় এক ছিনতাইকারি তার সবচেয়ে বড় ব্যাগটি তুলে নিয়ে রাস্তার অপর পারে চলে যায় এবং একটি বাসে উঠে পড়ে। এ সময় ওই মহিলাও দ্রুত রাস্তা পার হয়ে বাসের হেলপারের সহায়তায় ছিনতাইকারিকে পাকড়াও করে। কিন্তু ইতিমধ্যে ছিনতাইকারি ব্যাগটি পাচার করে দেয় সহযোগী অন্য একজনের কাছে। এর পর ব্যাগের কথা সে শিকার না করায় উক্ত মহিলা কষে চপেটাঘাত করে তার গালে। ছিনতাইকৃত লোকটির শার্টের রঙ দেখেই মহিলা নিশ্চিত ছিল এই লোকই তার ব্যাগ ছিনতাই করেছে। এরপর তার শার্টের কলার ধরে তাকে নিয়ে যান স্থানীয় পুলিশ ষ্টেশনে। পুলিশের কাছেও ছিনতাইকারি বেমালুম অস্বীকার করে ব্যাগ ছিনতাইয়ের কথা। এক পর্যায়ে পুলিশ কৌশল অবলম্বন করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে ছিনতাই ঘটনার সাথে সে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে।
পুলিশ তখন হামিদা আক্তারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায়। কিন্তু এ সবের আগেই হামিদা আক্তার তার ব্যাগটি হাতে পাওয়ার জন্য ক্ষেপে বসেন। ব্যাগ ছাড়া কিছুতেই যাবেন না এবং লিখিত অভিযোগও দিবেন না বলে মহিলা জেদ করলে পুলিশ ছিনতাইকারীকে নিয়ে গিয়ে তার সহযোগীর কাছ থেকে অপরিবর্তীত অবস্থায়ই ব্যাগটি উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পুলিশ তখন হামিদাকে উদ্দেশ্য করে বলে, �আপা আপনার পুলিশে চাকুরি নেয়া উচিৎ ছিল�। জবাবে হামিদা অকপটে বলে ফেলেন, তাহলে আর ব্যাগ উদ্ধার হতো না। ব্যাগটি হাতে পেয়ে হামিদা পুলিশের জনৈক সদস্যের হাতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে এবং ধন্যবাদ জানিয়ে নিজ গন্তব্যে চলে যান। এভাবে সাহসী ভুমিকা রাখার জন্য তার পুরস্কার পাওয়া উচিৎ ছিল বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
২|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩২
লক্ষ্যহীন বলেছেন: জবাবে হামিদা অকপটে বলে ফেলেন, তাহলে আর ব্যাগ উদ্ধার হতো না।
৩|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৬
রাইসুল নয়ন বলেছেন: হামিদা অ্যান্টি কি একা ছিলেন?
ওনার কি কোনও মেয়ে আছে, থাকলে বিয়ে করতাম,!!
আমার ছিনতাইকারি নাম হুনলেই ডর লাগে !!!
৪|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৪৮
আফিফা মারজানা বলেছেন: এরকমের হওয়া দরকার ।
৫|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৯
আহমেদ নিশো বলেছেন: মহিলা কষে চপেটাঘাত করে তার গালে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:২১
পথহারা সৈকত বলেছেন: আহারে .
যদি একটা পুলিশ বউ পাইতাম.........