| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রুপকথার গল্প
জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে গতকাল বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য প্রাথমিক শিক্ষার ৬০ কেজি বইসহ ফেরিওয়ালা হানিফ মিয়াকে (৩২) পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসি। হানিফ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নীলগঞ্জ চৌধুরী হাটি গ্রামের আবদুল মালেকের পুত্র।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাড়াইল-সাচাইল (সদর) ইউনিয়নের ভেরনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নমিতা রাণী সরকার ফেরিওয়ালা হানিফ মিয়াকে (রোববার) বিদ্যালয়ে ডেকে এনে ২০১২ শিক্ষা বর্ষের অবিতরণকৃত ৬০ কেজি বই বিক্রি করেন। এ বই গুলো বিগত শিক্ষা বর্ষে বিতরণ না করে স্কুলে স্টক রেখে গতকাল বিক্রি করেছেন। বিক্রিত বইগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর।
এদিকে ফেরিওয়ালা বইগুলো বিদ্যালয় থেকে ভ্যানে করে নিয়ে তাড়াইল সদরে আসার পর ওই বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হাদিছ মিয়া এবং ভেরনতলা গ্রামের কয়েকজন লোক দুই বস্তা বইসহ ফেরিওয়ালাকে তাড়াইল সদর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে তাড়াইল থানা পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে বইসহ ফেরিওয়ালাকে থানায় নিয়ে যায়। ইউনিয়ন পরিষদে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ফেরিওয়ালা হানিফ মিয়া নয় শত ৬০ টাকা দিয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে ৬০ কেজি বই কেনার কথা স্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নমিতা রাণী সরকার বলেন, 'একটি বোর্ড বানানোর জন্য শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে বইগুলো বিক্রি করা হয়েছে।' এভাবে বই বিক্রি করা সঠিক কি-না জিজ্ঞাসার জবাবে তিনি বলেন, স্কুলে টাকা নাই, তাই এই টাকা দিয়ে বোর্ড তৈরির উদ্যোগ নিয়েছি। বিদ্যালয়ের সভাপতি বিষয়টি জানেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব কিছু কমিটির লোকজনকে জানানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। স্যার (উপজেলা শিক্ষা অফিসার) বিষয়টি জানেন। স্যারের সাথে কথা বলেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হাদিছ মিয়া বলেন, 'উনি (প্রধান শিক্ষক) বিগত দিনে অনেক অনিয়ম করেছেন। আজ হাতে-নাতে সরকারি বই বিক্রির ঘটনা ধরা পড়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। তার বাসায় অভিযান চালালে ২০১৩ শিক্ষা বর্ষের বইও বেরিয়ে আসবে। যা আরো আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছার কথা ছিল।'
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোঃ আবদুল হাই বলেন, বই বিক্রির ঘটনা আমার জানা নেই।
যোগাযোগ করা হলে তাড়াইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, 'পুরাতন বই ফেরত দেওয়ার জন্য সকল বিদ্যালয়ে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এসব বই আমার কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর সব বই স্যারের (জেলা শিক্ষা অফিসার) কার্যালয়ে পাঠানোর কথা। সেখানে দরপত্রের মাধ্যমে বই বিক্রি হবে। আমরা কেউ ইচ্ছে করলেই বই বিক্রি করতে পারবো না।'
তাড়াইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মজিবুর রহমান বলেন, বইসহ ফেরিওয়ালাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সুত্রঃ Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩০
রাইসুল নয়ন বলেছেন: বই সহ ফেরিওয়ালা কেনও?
ঐ অসভ্য মহিলারে নেড়া কইরা আলকাতরা দেয়া উচিৎ ।।
পুলিশ তো পারবে ফেরিওয়ালার লগেই।।
সালারা,