নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময়ের মূল্য দিতে শিখুন।

রুপকথার গল্প

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।

রুপকথার গল্প › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহাযুদ্ধের আগে ফুটবল-রোম্যান্সে ডুবে দুই মহানায়ক

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:০১



‘এল ক্লাসিকো’র ঢাকে কাঠি আর কাকে বলে!

স্পেনের দুই মহাশক্তি। ফুটবলবিশ্বের দুই মহাতারকা। এবং বুধবারের ক্লাসিকো-যুদ্ধের আগে যা ফর্ম এবং স্কিলের ঝলকানি দেখা গেল, তাকে সূচক ধরলে তো দু’দলের সমর্থকদের পুরো জিভে জল আনার বন্দোবস্ত। সমীকরণটা এ রকম:

লিওনেল মেসি: হ্যাটট্রিক-সহ চার গোল। সবচেয়ে কম বয়সে লা লিগায় দু’শো গোলের রেকর্ড।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো: হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি ক্লাব কেরিয়ারে তিনশো গোলের স্বপ্নপূরণ।

বিশ্বজোড়া ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এর চেয়ে বড় রোম্যান্স আর কী হতে পারে?

এক দিকে এলএম টেন। অন্য দিকে সিআর সেভেন। বুধবারের কোপা দেল রে-র সেমিফাইনাল যুদ্ধে মুখোমুখি হওয়ার আগে দু’জনেই নিজ-ক্লাবের হয়ে অপূর্ব প্রতিভার ঝলকানি দেখিয়ে রাখলেন। লা লিগায় রবিবার গভীর রাতে ওসাসুনাকে ৫-১ উড়িয়ে দিল বার্সা। যার মধ্যে একা মেসিরই চার। এবং লা লিগার সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ার হিসেবে দু’শো গোলের রেকর্ড শুধু নয়, আরও একটা মহাকীর্তি রবিবার গড়ে রাখলেন আর্জেন্তিনীয় মহাতারকা। পরপর এগারোটা ম্যাচে গোল করে।







বার্সার হয়ে আপাতত ২৩৫ ম্যাচে দু’শো গোল টপকে গেলেন মেসি। চলতি মরসুমে তাঁর গোলসংখ্যা ৪৪, যার মধ্যে লা লিগাতেই এসেছে ৩৩টা! আর ওসাসুনাকে উড়িয়ে মেসির মন্তব্য, “আমরা নামিই ম্যাচ জিততে। সে দিকেই আমরা নজর রাখি। আর ম্যাচটা জেতা খুব সহজ ছিল না। বিশেষ করে সবাই যখন ক্লাসিকো নিয়ে এত কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে।”

বলাটাই স্বাভাবিক। মেসিকে আগুনে দেখালে রোনাল্ডোও তো তাই। রবিবার পর্তুগিজ সুপারস্টারের নামের পাশেও হ্যাটট্রিক। যা কি না এসেছে মাত্র এগারো মিনিটে! যা দেখার পর বিশ্বের সর্বত্র লেখালেখি চালু হয়ে গিয়েছে: ‘যে ঘটনা বা মুহূর্ত এক জন ফুটবলারের কেরিয়ার তৈরি করে দেয়, লোকে স্বপ্নে ভাবে, রোনাল্ডোর কাছে তা রোজনামচা!’







গত রাতে মেসি যদি বার্সার হয়ে বাইশ নম্বর হ্যাটট্রিকটা করে থাকেন, রোনাল্ডো করলেন নিজের কুড়ি নম্বর। গেটাফে-কে ৪-০ ওড়াল রিয়াল। আর রোনাল্ডো ৪৯৯ ক্লাব ম্যাচে তিনশো গোল করে ফেললেন। ফুটবলবিশ্ব মুগ্ধ শুধু তাঁর হ্যাটট্রিকে নয়, তিনটে গোলের মধ্যে অবিশ্বাস্য ব্যবধানেও। ৬২ মিনিটে বাঁ পায়ের শটে প্রথম গোল, মিনিট তিনেক পর আকাশে উড়ে হেড, সর্বশেষ গোল পেনাল্টি থেকে। ৬২ থেকে ৭২ মিনিটএক সেকেন্ডও নড়াচড়া করতে পারেনি রবিবারের ঠাসা বের্নাবউ।

দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের পরেও রোনাল্ডো স্বভাববিরুদ্ধ শান্ত, উত্তেজিত নন। বরাবরের প্রতিদ্বন্দ্বীকে আগাম বার্তা নেই, বরং বলে ফেলা আছে, “কৃতিত্বটা সত্যিই তৃপ্তি দিচ্ছে। আমি নিজেও খুব খুশি। আমার কাজটাই হল ক্লাবকে নিজের সেরাটা দেওয়া। নিজের অতীত রেকর্ডগুলো ভাঙা। গত মরসুমের থেকে আরও ভাল ফুটবল খেলা। সব সময়ই চেষ্টা করি নিজের সেরাটা বার করে আনতে।”

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে নিয়ে ছিটেফোঁটা বক্রোক্তি নেই। কটাক্ষও না। মেসি শান্ত। রোনাল্ডো চুপ। সব আগুন বুধবারের জন্য জমা হচ্ছে কি না কে জানে!

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৫

আমিনুর রহমান বলেছেন: পোষ্টে +++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.