| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রুপকথার গল্প
জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।
বিশ্বখ্যাত টাইম ইনকরপোরেটেড-এ শুরু হয়েছে ছাঁটাই পর্ব। ম্যাগাজিন প্রকাশনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই প্রতিষ্ঠানের ৫০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা হচ্ছে এক দিনে। দিনটিকে ব্ল্যাক ডে হিসেবে নাম দিয়েছে আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলো। টাইম, স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড ও পিপল ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয় এই কোম্পানি থেকে। এর রয়েছে সবমিলিয়ে ৮০০০ সদস্যের এক শক্তিশালী কর্মীবাহিনী। এবারের ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় বাদ পড়ছে মোট সদস্যের ৬ শতাংশই।
অনলাইন সংবাদমাধ্যমের দাপটে প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতি পাঠকের আগ্রহ কমে আসছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যাগাজিন প্রকাশক প্রতিষ্ঠানটিরও ওপরও। কর্মী ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে ১০০ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে টাইম। এরই মধ্যে পত্রিকাটির বিজ্ঞাপন ও বিক্রি থেকে অর্জিত আয়ের পরিমান কমেছে ব্যাপক হারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন প্রধান নির্বাহী (সিইও) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে লরা ল্যাং কে। বিশাল জাহাজটিকে সমুদ্রের বুকে ভাসিয়ে রাখার সব চেষ্টাই তিনি করে যাচ্ছেন।
টাইমের সম্পাদক রিক স্টেনজেল এক অফিস মেমোতে বলেছেন, টাইম ইনকর্পোরেটেড এর প্রতিটি প্রকাশনার কাঠামোগত পরিবর্তনের উদ্যোগ দিয়েছে। এবং টাইমের অন্তত ছয়জনকে বাইআউট পদ্ধতিতে অর্থের বিনিময়ে পদ ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে।
নিজস্ব নোটে ল্যাং লিখেছেন, “সংবাদ মাধ্যম শিল্পে যে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসছে তার কথা বিবেচনায় রেখে আমাদেরও একই পরিবর্তন আনতে হবে।
তিনি বলেন, এখন এক হাতে আরও দ্রুত ও বহুবিধ কাজ করতে হবে।
এমন সমস্যার মধ্য দিয়ে যে টাইম ইনকর্পোরেটেড একাই যাচ্ছে তা নয়, নিউজ উইক এরই মধ্যে তার প্রিন্ট এডিশন বন্ধ করে দিয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসসহ বিশ্বের দেশে দেশে সংবাদপত্র তাদের প্রকাশনা টিকিয়ে রাখতে ডানে-বামে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই করছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৩১
মিতক্ষরা বলেছেন: ছাটাই এর দিনটি পশ্চিমাদের জীবনে এক চরম ভয়াবহ দিন।