নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময়ের মূল্য দিতে শিখুন।

রুপকথার গল্প

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।

রুপকথার গল্প › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিশ্ব ভালবাসার আদিকথা।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩২

তুমি কি কোনো উপহার পেলে? যদি পাও তাহলে তো “কুল”। না পেলেও ক্ষতি নেই, অপেক্ষা করো। সবাইকে ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা’— সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক এখন ভালোবাসা দিবসের এ রকম শুভেচ্ছায় ভরপুর। ব্যতিক্রমও কিছু আছে। ফেসবুকেই একজন লিখেছেন ‘ভালোবাসা দিবস নিয়ে এত মাতামাতির কী আছে?’



উদযাপন নিয়ে যত বিতর্কই থাক, আজ দিনটি ভালোবাসার। ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটির মর্মবাণী, ‘আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে মুক্ত হও। পরের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করো। কারণ, ভালোবাসা উৎসর্গ করতে শেখায়, নিজেকে বিলিয়ে দিতে শেখায়, শেখায় হাসি-আনন্দ-গান ভাগাভাগি করে নিতে।’



আজকের এই ভালোবাসা দিবসের পেছনের যে গল্প তা আত্মদানের গল্প। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার তথ্য এমন, ‘রোমান সম্রাট ক্লডিয়াস ২ (মে ২১৩—জানুয়ারি ২৭০) সেনাবাহিনীতে লোকবল বাড়াচ্ছেন। হঠাৎ তিনি ঘোষণা দিলেন, কোনো যুবক আর বিয়ে করতে পারবে না। এই অদ্ভুত ঘোষণার বিরোধিতা করে সন্ত ভ্যালেন্টাইন গোপনে যুবকদের বিয়ের আয়োজন চালিয়ে যেতে লাগলেন। একসময় ধরা পড়ে গেলেন ভ্যালেন্টাইন, নিক্ষিপ্ত হলেন কারাগারে। এর মধ্যে ভ্যালেন্টাইন মনে মনে ভালোবেসে ফেলেছেন কারারক্ষীর মেয়েটিকে। এর কিছুদিন পর ১৪ ফেব্রুয়ারি সম্রাটের নির্দেশে ভ্যালেন্টাইনের শিরশ্ছেদ করা হয়। কথিত আছে, ওই দিনই প্রথম তিনি মেয়েটিকে এক চিঠিতে জানান তাঁর ভালোবাসার কথা। চিঠির নিচে লেখেন, ‘ইতি, তোমারই ভ্যালেন্টাইন’।



প্রায় ১৭০০ বছর আগে ঘটে যাওয়া এই দিনটিকে ইউরোপে পরিচিত করে তোলেন জিওফ্রে চসার চতুর্দশ শতকে। ধীরে ধীরে এর ব্যাপ্তি ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে পৌঁছায় চীন, জাপান, ভারত ও বাংলাদেশের মতো এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও। বাংলাদেশে দিনটিতে ফুলের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। একজন অন্যজনকে ফুল, কার্ড, মগ কিংবা চকলেট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নানা আনন্দ আয়োজনের উদ্যোগ নেয়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.