নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময়ের মূল্য দিতে শিখুন।

রুপকথার গল্প

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।

রুপকথার গল্প › বিস্তারিত পোস্টঃ

শাহবাগে যোগ দিচ্ছেন ছয় ভারতীয়

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৪







‘বাংলা কখনও হয় না ভাগ, বাংলা ভাষায় আমরা এক’- এ স্লোগানে ঢাকা শাহবাগ চত্বরের আন্দোলনে যোগ দিতে কলকাতা থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন ভারতীয় ছয় যুবক ও এক বাংলাদেশি।



এরা হলেন-সাইকেল আরোহীদের টিম লিডার চন্দন সৌরভ, শরজিৎ রায়, গৌতম সরকার, সুব্রত সরকার, দেবাঞ্জন চক্রবর্তী, সর্নাভো চক্রবর্তী ও আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশের উত্তারার মোহাম্মদ হাসান নাওয়াজ।



হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত বাংলার বর্ণমালার গাথুনী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে লালন করার স্বপ্ন নিয়ে ভারতীয় ছয়জনসহ সাতজন কলকাতা থেকে ছুটে এসেছেন বাংলাদেশে। এর মধ্যে বাংলাদেশি মোহাম্মদ হাসান নাওয়াজ কলকাতায় গিয়ে সাইকেল র‌্যালিতে অংশ নেন।



ভাষা শহীদ সালাম, জব্বার ও রফিকদের শ্রদ্ধা জানাতে তারা এগিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার পথে। সেই সঙ্গে তারা শাহাবাগের প্রজন্ম চত্বরে লাখো জনতার সঙ্গে সুর মেলাবেন ‘যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই’ স্লোগানের সঙ্গে।



শনিবার সকালে ভোরের আলো ফুটে উঠতে না উঠতেই দর্শনা শহরের ডাক বাঙলো থেকে এই সাত বাংলা ভাষা প্রেমিক রওনা দিয়েছেন শাহবাগের উদ্দেশে।



মাতৃভাষাকে সম্মান জানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যোগ দেওয়ার আগে সাইকেল র‌্যালি নিয়ে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের যোগ দিয়ে চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করবেন তারা।



যাত্রাপথে শনিবার রাতে তারা কুষ্টিয়ায় থাকবেন। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি রোববার রাজবাড়ী, ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার মানিকগঞ্জ, ১৯ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাভার হয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি বুধবার তারা ঢাকায় পৌঁছাবেন। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেবেন তারা।



এদিকে, যাত্রাপথে সড়ক সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় জনগণ তাদের ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।



উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।



এ সময় সীমান্তের শূন্য রেখায় ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) চুয়াডাঙ্গা-৩৫ ব্যাটালিয়নের টুআইসি মেজর আনিসুর রহমান ও দর্শনা পৌরসভার সাবেক মেয়র মতিয়ার রহমান।



সেদিন সাইকেলারোহীদের টিম লিডার চন্দন সৌরভ বাংলানিউজকে বলেন, “গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টায় কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের ভাষামঞ্চ থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাইসাইকেল চালিয়ে যাত্রা শুরু করেছি আমরা। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে ভারত ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। আমরাও তাই বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে এদেশে এলাম।”



তিনি আরও বলেন, ‘‘এপার বাংলা ওপার বাংলার সঙ্গে যে বন্ধন তা কখনো ছিন্ন হওয়ার নয়’’।



উল্লেখ্য, কলকাতার ‘হান্ড্রেড মাইলস্’ ও বাংলাদেশের ‘মুক্ত আসর’ নামে দু’টি সংগঠন মিলিতভাবে এ বাইসাইকেল র‌্যালির আয়োজন করেছে।





‘বাংলা কখনও হয় না ভাগ, বাংলা ভাষায় আমরা এক’- এ স্লোগানে ঢাকা শাহবাগ চত্বরের আন্দোলনে যোগ দিতে কলকাতা থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন ভারতীয় ছয় যুবক ও এক বাংলাদেশি।



এরা হলেন-সাইকেল আরোহীদের টিম লিডার চন্দন সৌরভ, শরজিৎ রায়, গৌতম সরকার, সুব্রত সরকার, দেবাঞ্জন চক্রবর্তী, সর্নাভো চক্রবর্তী ও আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশের উত্তারার মোহাম্মদ হাসান নাওয়াজ।



হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত বাংলার বর্ণমালার গাথুনী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে লালন করার স্বপ্ন নিয়ে ভারতীয় ছয়জনসহ সাতজন কলকাতা থেকে ছুটে এসেছেন বাংলাদেশে। এর মধ্যে বাংলাদেশি মোহাম্মদ হাসান নাওয়াজ কলকাতায় গিয়ে সাইকেল র‌্যালিতে অংশ নেন।



ভাষা শহীদ সালাম, জব্বার ও রফিকদের শ্রদ্ধা জানাতে তারা এগিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার পথে। সেই সঙ্গে তারা শাহাবাগের প্রজন্ম চত্বরে লাখো জনতার সঙ্গে সুর মেলাবেন ‘যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই’ স্লোগানের সঙ্গে।



শনিবার সকালে ভোরের আলো ফুটে উঠতে না উঠতেই দর্শনা শহরের ডাক বাঙলো থেকে এই সাত বাংলা ভাষা প্রেমিক রওনা দিয়েছেন শাহবাগের উদ্দেশে।



মাতৃভাষাকে সম্মান জানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যোগ দেওয়ার আগে সাইকেল র‌্যালি নিয়ে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরের যোগ দিয়ে চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করবেন তারা।



যাত্রাপথে শনিবার রাতে তারা কুষ্টিয়ায় থাকবেন। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি রোববার রাজবাড়ী, ১৮ ফেব্রুয়ারি সোমবার মানিকগঞ্জ, ১৯ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাভার হয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি বুধবার তারা ঢাকায় পৌঁছাবেন। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেবেন তারা।



এদিকে, যাত্রাপথে সড়ক সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় জনগণ তাদের ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।



উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।



এ সময় সীমান্তের শূন্য রেখায় ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) চুয়াডাঙ্গা-৩৫ ব্যাটালিয়নের টুআইসি মেজর আনিসুর রহমান ও দর্শনা পৌরসভার সাবেক মেয়র মতিয়ার রহমান।



সেদিন সাইকেলারোহীদের টিম লিডার চন্দন সৌরভ বাংলানিউজকে বলেন, “গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টায় কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের ভাষামঞ্চ থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাইসাইকেল চালিয়ে যাত্রা শুরু করেছি আমরা। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে ভারত ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। আমরাও তাই বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে এদেশে এলাম।”



তিনি আরও বলেন, ‘‘এপার বাংলা ওপার বাংলার সঙ্গে যে বন্ধন তা কখনো ছিন্ন হওয়ার নয়’’।



উল্লেখ্য, কলকাতার ‘হান্ড্রেড মাইলস্’ ও বাংলাদেশের ‘মুক্ত আসর’ নামে দু’টি সংগঠন মিলিতভাবে এ বাইসাইকেল র‌্যালির আয়োজন করেছে।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৭

পথহারা সৈকত বলেছেন: আস তোমরা...........আস আমার দেশে......তোমাদের রক্তিম শুভেচ্ছা তো পেয়েছি বছরের শুরুতেই। আবার তোমরা আসছ জানি না কি শুভেচ্ছা নিয়ে আসছ।

২| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৬

ভালোরনি বলেছেন: পথহারা সৈকত বলেছেন: আস তোমরা...........আস আমার দেশে......তোমাদের রক্তিম শুভেচ্ছা তো পেয়েছি বছরের শুরুতেই। আবার তোমরা আসছ জানি না কি শুভেচ্ছা নিয়ে আসছ

আস, কিন্তু বিএসএফ এর কথা মাথায় আছে। দাদাদের বিশ্বাস নাই।

৩| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৪

হাঁসি মুখ বলেছেন:
ভাষা শহীদ সালাম, জব্বার ও রফিকদের শ্রদ্ধা জানাতে তারা এগিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার পথে। সেই সঙ্গে তারা শাহাবাগের প্রজন্ম চত্বরে লাখো জনতার সঙ্গে সুর মেলাবেন ‘যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই’ স্লোগানের সঙ্গে।

৪| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫

আরিফ১৯৭৮০০৭ বলেছেন: 'র' এর এজেন্ট ও তো হতে পারে। সাবধান।

৫| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৩

ভালোরনি বলেছেন: আরিফ১৯৭৮০০৭ বলেছেন: 'র' এর এজেন্ট ও তো হতে পারে। সাবধান

আরিফ ভাই র এর এজেন্ট কে এতো অবমুল্যায়ন কইরেন না। উনারা অনেক আগে থেকেই আছে।

৬| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১০

আরিফ১৯৭৮০০৭ বলেছেন: @ ভালোরনি : পরোক্ষভাবে সঠিক পদ্ধতিতে সব কর্ম হয়তো সম্পাদিত হচ্ছে না; তাই সরাসরি ময়দানে ............

৭| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২৮

শাকিল ২৪২ বলেছেন: পথহারা সৈকত বলেছেন: আস তোমরা...........আস আমার দেশে......তোমাদের রক্তিম শুভেচ্ছা তো পেয়েছি বছরের শুরুতেই। আবার তোমরা আসছ জানি না কি শুভেচ্ছা নিয়ে আসছ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.