| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রুপকথার গল্প
জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।
পিটার ব্রেইটার জার্মানির অসাধারন এক ব্যাংক মালিক। জার্মানির গ্যামসফিল্ড গ্রামের দ্য রাইফেইসেন গ্যামসফিল্ড এগ নামে ব্যাংকটির একমাত্র মালিক ও কর্মকর্তা তিনি একাই।
জার্মানের ছোট্ট গ্রাম গ্যামসফিল্ড এর ৫০০ জনগনের জন্য এই কাজটি তিনি বেশ আনন্দ সহকারেই করে যাচ্ছেন।
গ্রামবাসীদেরকে তাদের দৈনন্দিন চাহিদা অনুযায়ী নগদ লেনদেন ও স্থানীয় ব্যবসার জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান ব্রেইটারের প্রতিদিনকার কর্ম। একতলা বিশিষ্ট এই ব্যাংকটি তার বাড়ি থেকে ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত।
ব্যাংকটি তার কার্যক্রমকে ঐতিহ্যবাহী খুচরা লেনদেন ও একই রকম ব্যবস্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছে। নেই কোনো ক্রেডিট কার্ড, শেয়ার, তহবিল ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের ব্যবস্থা। লেনদেন সংক্রান্ত যত রসিদ আছে সব নিজের হাতেই লেখেন পিটার।
২০০৮ সালে বড় একটি ব্যাংক থেকে সরে এসে এখানে নিয়োজিত হওয়ার কাজটি ছিল সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত বলে জানান ব্রেইটার।
ব্রেইটার তার বাৎসরিক ছুটির দিনগুলোর কথা মনেই রাখেন না। সপ্তাহের শেষে পাহাড়ে স্কিইং করেই সে খুশি।
৪১ বছর বয়সী এই ব্যাংকার বলেন, “আমার পেশাই আমার শখ।”
তার ব্যাংকের বার্ষিক মুনাফা ৪০ হাজার ইউরোর কাছাকাছি ও সর্বোচ্চ ঋণ দানের পরিমাণ ছয় লাখ ৫০ হাজার। প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য সুদের হার একই পরিমাণ।
এই রকম ছোট ছোট ব্যাংকগুলো জার্মানির ব্যাংকিং খাতে আধিপত্য ধরে রেখেছে। ব্যক্তিগত ও স্থানীয় ব্যবসায়ী গ্রাহকদের সীমিত আকারে এসব ব্যাংক ঋণ দেয়।
এ ধরনের ব্যাংকের সংখ্যা ১৯৭০ সালে ছিল সাত হাজার যা বর্তমানে কমে এক হাজার একশ-এ নেমে এসেছে। কিন্তু রাইফেইসেন গ্যামসফিল্ডের মত সমবায় ব্যাংকগুলো দেশটির দুটি বৃহত্তম ব্যাংক ডয়েচে ও কমার্জব্যাংকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলেছে।
©somewhere in net ltd.