নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সময়ের মূল্য দিতে শিখুন।

রুপকথার গল্প

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান। কেননা ক্ষণস্থায়ী এ পৃথিবীতে আমাদেরকে খণ্ডকালীন সময়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। আর এ ছোট্ট জীবনে বিধাতার অভিরুচি অনুযায়ী কর্ম করে যাওয়াটাই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক। তাই প্রত্যেকের মনে চিন্তাধারা থাকা উচিত যে, আমারা উত্তম কাজের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। নিজেকে প্রভুর সান্নিদ্ধে রাখতে সচেষ্ট থাকবো। আমিন।

রুপকথার গল্প › বিস্তারিত পোস্টঃ

রংপুরে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ভাঙচুর-আ হাহাহা কি সুন্দর শিক্ষা

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৯



রংপুরের একটি কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের দশ মিনিট বিলম্বে প্রশ্নপত্র বিতরণ এবং পাঁচ মিনিট আগে উত্তরপত্র নিয়ে নেয়ার অভিযোগে চারটি কক্ষ ভাঙচুর করেছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। এ সময় অভিভাবকরা সহকারী কেন্দ্র সচিবকে দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন।



রোববার রংপুর নগরীর সমাজ কল্যাণ বিদ্যাবীথি স্কুল ও কলেজ ভেন্যুকেন্দ্রে এই ঘটনার পর কেন্দ্রের সাত পরিদর্শককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।



জেলা পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফরিদ আহম্মাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নুরুজ্জামানকে তদন্ত করে রাতেই প্রতিবেদন দিতে বলেছি। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”



এই কেন্দ্রে রংপুর জিলা স্কুল, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ এবং আল মদিনা স্কুলের পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছেন। পদার্থবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষায় ৬১২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।



পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অভিযোগ, সকাল ১০টায় পদার্থবিদ্যা বিষয়ের রচনামূলক পরীক্ষা শুরু হয়। বেলা ১২টায় রচনামূলক পরীক্ষা শেষে ১২টা ১০ মিনিটে ৩৫ মিনিট স্থায়ী নৈর্ব্যাক্তিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু কেন্দ্রের ১০২, ১০৯, ১১০, ১১১, ২০২, ২০৩, ২০৮ নম্বর কক্ষের ৬১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২টা ২০ মিনিটে নৈর্ব্যাক্তিক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। আবার উত্তরপত্র নেয়া হয় ১২টা ৪০ মিনিটে। এর প্রতিবাদ করলে ১১১ নম্বর কক্ষের পরিদর্শক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী তিন পরীক্ষার্থীকে লাত্থি মেরে কক্ষ থেকে বের করে দেন।



এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা ১০২, ১০৯, ১১০, ১১১ নম্বর কক্ষের টেবিল ব্রেঞ্চ ভাঙচুর করে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও অভিভাবকরা সহকারী কেন্দ্র সচিবকে বেলা ১টা থেকে ২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাত কক্ষ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করায় পরিস্থিতি শান্ত হয়।



অভিভাবক ডা. সৈয়দ মামুনুর রহমান অভিযোগ করেন, তার ছেলে রংপুর জিলা স্কুলের ছাত্র। পরীক্ষার শুরু থেকেই জিলা স্কুলের পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে আসছেন সমাজকল্যাণ বিদ্যাবীথি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা। বিষয়টি কেন্দ্র সচিব, জেলা প্রশাসক ও দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।



রংপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আর এম মিজানুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, নৈর্ব্যাক্তিক পরীক্ষায় ৩৫ মিনিটে ৩৫ নম্বরের উত্তর দিতে হয়। ১০মিনিট বিলম্বে এবং ৫ মিনিট আগে উত্তরপত্র নেয়ায় ফলাফল বিপর্যয় ঘটবে। জিলা স্কুলের বিজ্ঞানের পরীক্ষার্থীরা অধিকাংশই জিপিএ-৫ পাওয়ার মতো মেধাবী।



১১১ নম্বর কক্ষের অভিযুক্ত পরিদর্শক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।



সমাজকল্যাণ বিদ্যাবীথি স্কুল ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সহকারী কেন্দ্র সচিব মর্জিনা খাতুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব কেন্দ্র সচিবের।



কেন্দ্র সচিব ও রংপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কোহিনুর বেগম বলেন, “অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। জেলা প্রশাসককে অবহিত করেছি। ইতোমধ্যে ৭ পরিদর্শককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।”

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:০২

স্বপ্নের মানুষ বলেছেন: আহারে কি বলেন ভাই



আশা করি এইখানে লিখবেন
ব্লগ চ্যাট ফোরাম

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.