নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

সোহানী

আমি অতি বিরক্ত হয়ে আমার অনেক লিখাই ড্রাফটে নিয়েছি কারন সামুতে আমার কিছু ভাবনা শেয়ার করছি, আর এ ভাবনা গুলো আমার অনুমতি ব্যাতিরেকে কপি না করার অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু যত্রতত্র আমার লিখার কপি পেস্ট দেখেই যাচ্ছি দিনের পর দিন।

সোহানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক বুক কস্ট নিয়ে বেচেঁ আছি...

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:২৮

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পৃথিবীর সব কিছুর বিনিময়ে আমার সন্তানের জীবন ভিক্ষা চাই। শুধুই আমার সন্তানের জীবন ভিক্ষা চাই।

লিখাটা লিখেছিলাম যখন তখন ভেবেছিলাম এবারেই শেষ। কিন্তু একই লিখা আমাকে বার বার লিখতে হচ্ছে........।

আমি হতাশ, আমি বেদনায় ভারাক্রান্ত, আমার বুক ভেঙ্গে যাচ্ছে। এতো কষ্ট কেন পাচ্ছি, জানি না। আমি সাধারন মানুষ নই আমি একজন মা......। একটি মায়ের বুকে যে কতটা কষ্ট জমা থাকে সেটা কি কেউ জানে? নিজে মা বলে হয়তো আরো বেশী দিশেহারা লাগছে। সন্তান কি জিনিস তোমরা কি জানো? একজন মায়ের কষ্ট তুমি কখনোই বুঝবে না যতক্ষন না তুমি মা হবে।

আপরাধ করলে তার শাস্তি হবে। তার বিচারের ভার এর জন্য আদালত আছে, আইন আছে। তুমি কে যে এ বিচারের ভার কাধেঁ তুলে নিয়েছো। দেশের সর্ব্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ যেখানে ভর্তি হবার জন্য তোমাকে সেরাই হতে হয়। সেরা শুধু পড়াশুনায় তোমরা হয়েছো কিন্তু মানুষ কি হতে পেরেছো????

হে প্রভু, আমার সন্তানদের বাচাঁও। আর্তনাদ করা ছাড়া আমার কাছে কিছুই যে নেই........।

আবারো শেয়ার করলাম সেই পুরোনো লিখাটি......
একটি রগকাটা তরুন প্রজন্ম ও আমার কিছু প্রশ্ন? ....... মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন, একটু শুনবেন কি?




মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪৬

বলেছেন: দানবীর হাজী মুহম্মদ মহসীন বলতেন, আমার তো জীবন একটাই। যে পথ দিয়ে এখন যাচ্ছি সে পথে তো আর নাও আসতে পারি।

এই আমরা এক বুক কস্ট নিয়ে বেচেঁ আছি.........................
আমাদের প্রত্যাশাগুলি সবসময় হতাশা আর ক্লান্তিকর বোঝায় পরিনত হয়।

আফসোস

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৫০

সোহানী বলেছেন: হায়রে অভাগা দেশ, হায়রে অভাগা জাতি।

২| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: কোনো প্রকার দ্বন্দ্ব শান্তি দিতে পারে না। বাংলাদেশে শুধু ছাত্র রাজনীতি নয়, রাজনীতি নামক পুরো প্লাটফর্ম নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০৩

সোহানী বলেছেন: সব কিছু নিষিদ্ধের বিনিময়ে আমার সন্তানের জীবন ভিক্ষা চাই।

৩| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৫৭

শায়মা বলেছেন: আমিও এটাই ভাবছিলাম। আজ সাারা দেশ কাঁদছে এই অমানবিক আচরণে কিন্তু সবচাইতে যেই কষ্টটা পাচ্ছে আবরারের মা। সেই কষ্টের সান্তনা কি?

ছোট ছোট বাচ্চাদের মাঝেও আজকাল সিমপ্যাথি এমপ্যাথি উবে যাচ্ছে। নিজের বন্ধুর গলায় ছুরি চালাতেও তাদের আর হাত কাঁপে না।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০৮

সোহানী বলেছেন: একটি দেশের মূল ভিত্তি আইনের শাসন। আর সেটি না থাকলে সব কিছুই সম্ভব। আর এতো মাত্র অনেক ঘটনার একটি....

৪| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০০

কর্ণফুলী এক্সপ্রেস বলেছেন: আমার কালি ও কলম
ওরা কেড়ে নিয়েছে
ক্ষতি কী?
আমার আঙ্গুল আমি ডুবিয়ে নিয়েছি আমারই বুকের খুনে ।

ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ( অনুবাদ-অমিতাভ দাশগুপ্ত )

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০৮

সোহানী বলেছেন: আমি ভাষাহীন........

৫| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



পড়ালেখার স্হানে পড়ালেখার বাইরে অনেক কিছু ঘটছে; এগুলোর ফলাফল সবাইকে ভোগ করতে হচ্ছে

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:১১

সোহানী বলেছেন: কিন্তু অনেক কিছু না ঘটার জন্য দায়িত্ব কার? ছাত্রের? প্রশাসনের? দলীয় সরকারের? রাষ্ট্রের?

৬| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " কিন্তু অনেক কিছু না ঘটার জন্য দায়িত্ব কার? ছাত্রের? প্রশাসনের? দলীয় সরকারের? রাষ্ট্রের? "

-সবার

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:১৯

সোহানী বলেছেন: তাহলে কেন তারা ব্যার্থতার ভার কাধেঁ নিচ্ছে না?

৭| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:২৫

ইসিয়াক বলেছেন: এর জন্য কমবেশি আমরা সবাই দায়ী। আমরা আমাদের সন্তান দের মানবতাবোধ ।অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ।ন্যয়পরায়ণতা ।কর্তব্য বোধ । নূন্যতম মানবিক মূল্যবোধ । দেশপ্রেম.....কিছুই শেখাতে পারিনি আর সেই সুযোগটাই নিয়েছে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ । এবং বলা যায় শতভাগ সফল । ফলস্রুতিতে দেশ আজ সীমাহীন অন্ধকারে তলিয়ে যেতে বসেছে।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:২৯

সোহানী বলেছেন: না, আমরা দায়ী নই। এ অস্থির সমাজে কোনভাবেই আমরা সুস্থভাবে বাস করতে পারছি না। আর সে কারনেই আমাদের সন্তানরাও অস্থির....।

৮| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

কানিজ রিনা বলেছেন: তোমার পোষ্ট পড়ে চোখ ঝাপসা এই দুইদিন
চোখ ঝাপসা আমরা মা আর কিছু বলতে
পারছিনা প্রিয় সোনামনি। ছেলেটা আমার
এলাকার। স্নেহ রেখ।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৪:৩৫

সোহানী বলেছেন: আপু, আমার আর সহ্য হচ্ছে না। কিভাবে এরা এতোটা নিষ্ঠুর হয়। এরা না মেধাবী? দেশের ভবিষ্যত? দেশের সাধারন মানুষের টাকায় ওরা পড়ছে? নিজের বন্ধুকে ওরা এখাবে মেরে ফেললো????

৯| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: লেখা পড়ার পবিত্র স্থান টিকে অপিবত্র ও দুষিত করে আসসে যুগ যুগ ধরে বিবিধ নামদারী রাজনৈতিক দল ও ছাত্র নামদারী অংগ সংগঠন সাথে রাজনীতির সাথে যুক্ত শিক্ষক নামদারী দলবাজেরা। সব জায়গায় শুদ্ধি অভিযান প্রয়োজন । তবে দেশের সব রাজনৈতিক দলগুলি মিলে একদল হলেও নীজেরা নীজেরা কামড়া কামড়ি করে মরবে ক্ষমতা ও লুটপাটের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৪:৩৭

সোহানী বলেছেন: নবীজ্বির মিস্টি খাবারের গল্পটা কি মনে আছে প্রিয় আলী ভাই? নিজে শুদ্ধ হয়েই তিনি উপদেশ দিয়েছিলেন।

আগেতো আমাকেই শুদ্ধ হতে হবে তারপর শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। আর ওরা নিজেরা কামড়া কামড়ি করে মরবে না, আমাদেরকে তিলে তিলে মারবে।

১০| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ আপু ভয়ঙ্কর অন্ধকারের দিকে সমাজ এগিয়ে চলেছে। জানিনা এর শেষ কোথায়, কিম্বা আর কত মায়ের কোল এভাবে খালি হবে।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৪:৩৮

সোহানী বলেছেন: কতজনের খবরই বা জানি। যেখানে বুয়েটের মতো জায়গায় এই হাল সেখানে সাধারন শিক্ষাপিঠে কি অবন্থা তা সহজেই অনুমেয়।

১১| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৫৫

করুণাধারা বলেছেন: পোস্ট পড়তে পড়তে নতুন করে আরেকবার কষ্টে বুক ভেসে গেল। ছেলেটাকে সকালে মা ঘুম থেকে তুলে দিলেন, বাসে করে ছেলে ঢাকায় আসলো, মায়ের সাথে কথা বলে পড়তে বসল, তারপর মরে গেল..

ওকে মেরে ফেলে ক্লান্ত খুনিরা প্রথমে খেতে গেল, খাওয়া শেষে বার্সেলোনার খেলা দেখতে বসলো... এ কোন দেশে আমরা থাকছি সোহানি!!

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৪:৪৩

সোহানী বলেছেন: অমানুষ অমানুষ অমানুষ অমানুষ .............................

উন্নত বিশ্বের স্কুলের পড়াশুনার উদারহন টানা বোকামী হবে জানি তারপরও বলি এখানে স্কুলে বাচ্চাদের শিক্ষা দেয় কিভাবে মানবিক হতে হয়। পড়াশুনা নয় আগে জানতে হবে মানুষ হিসেবে আমাদের কি করনীয়। একটা ছোট্ট পোকাকেও ওরা পিষে মারতে মানা করে। কোন বাচ্চা যদি তা করে তাহলে তার জন্য কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করে।

আর আমরা শেখাই কিভাবে অমানুষ হতে হবে। মানুষ হত্যাকে ওরা পোকা মাকড় হত্যা থেকেও সহজ মনে করে।........... হায়রে দেশ

১২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১:৩২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:




রাষ্ট্রের বর্ণমালাগুলোকে রাষ্ট্রেরই অবৈধ সন্তানগুলো হত্যা করে চলেছে!
পেছনে আমরা তার আফসোসকারী এক অকর্মা জাতি সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে থাকি ! !



০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৪:৪৫

সোহানী বলেছেন: আর কতকাল এভাবে সহ্য করতে হবে??????

প্রতিটি মৃত্যুর পর শুধুই আফসোস করেই যাবো পরবর্তী মৃত্যু পর্যন্ত।

১৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৩:৩৯

গড়ল বলেছেন: সব খুনীর মা এর কাছে ছেলে ফিরিয়ে দেওয়ার আবদার শিয়ালের কাছে মুরগী ফিরিয়ে দেবার মতই ব্যাপার।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৪:৪৬

সোহানী বলেছেন: খুব কষ্টকর... খুব কষ্টকর...

১৪| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:৪৫

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আপু, পড়া-লেখা, পরিবার, ডিপার্টমেন্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদের দায়িত্ব, ও ভলান্টিয়ারি কাজ এর পরে হাতে ১ সেকেন্ড ও সময় থাকে না। মনে-প্রানে চেষ্ট করি ব্লগ থেকে দূরে থাকতে (না-লিখার), কিন্তু পারিনা। মনে পড়ে এর পরে কি আমার ভাই-বোন? আবারও কিবোর্ডে আংগুলে চাপ পড়ে।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:০২

সোহানী বলেছেন: প্রচন্ড ব্যাস্ত তারপরেও থাকতে পারলাম না পলাশ। উকিঁ দিতেই হলো ব্লগে। কিছুতো করতে পারলাম না ছেলেটার জন্য.... শুধুমাত্র চিৎকার দিয়ে কান্না ছাড়া।

১৫| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ক্ষমতার অন্ধ মোহে
প্রতিহিংসা আর প্রতিশোধের উন্মত্ত নেশায়
সব হারিয়ে যায়
মানবিকতা, মূল্যবোধ, গণতন্ত্র

বিষের বীজে তো বিষফলই হয়
সে বিষ জ্বালায় জর্জর জাতি, জ্ঞাতী
মিথ্যে আর মিথ্যে
রাষ্ট্রের শীর্ষ থেকে যখন হয় মিথ্যের চর্চা
সত্য সুবোধ নির্বাসনে পালায়!

নূন্যতম গণতন্ত্রের চর্চা
নাই হয়ে গেল
বিচারের বানী দলান্ধতায় দৃষ্টিহীন
অর্থের ঢেউয়ে ভেসে গেল প্রশাসন

আর কি আশা করো?
গুম, খুন আর ত্রাসের জনপদে
হয় চুপ থাকো নয় পূর্ন বিপ্লবের পথে হাটো
আর সকল বিপ্লবই রক্তাক্ত হয়

চোখের জল মুছো এবার আগুন জ্বালো
মুক্তির পথ মসৃন নয়,
পদে পদে ত্যাগ,কষ্ট আর হারানোর পথ ধরেই
মেলে মহামুক্তির বিজয় আনন্দ।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:০৫

সোহানী বলেছেন: চুপ চুপ বিগু। আমি কিছু শুনতে চাই না, আমি কাউকে হারাতে চাই না। আমি পাথর হয়ে থাকতে চাই। দু'মুঠো যদি খেতে দাও তাও সই আর না দিলে সেটাতে ও কোন প্রতিবাদ করবো না। শুধু আমার সন্তানদের বাঁচতে দাও...........

১৬| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কয়েকদিন যাবত কিছুতেই ভাল্লাগছে না । এত কষ্ট বুকের মাঝে জমা । আমার ছেলেরা বলে মা বিদেশে চলে যেতে হবে ।
আল্লাহ আবরারের মাকে শোক সইবার ক্ষমতা দিন

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:১৫

সোহানী বলেছেন: এছাড়া আর কি করার আছে আমাদের। যারা পারছে তারা পাড়ি জমাচ্ছে। লাশ হতে চাই না.................

১৭| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:১৫

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: কষ্টগুলো একটুও কমেনি, শুধু সহ্যক্ষমতাটা বাড়িয়ে নিয়েছি।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:১৬

সোহানী বলেছেন: আর কত সহ্য ক্ষমতা বাড়াবো। এর তো একটি সীমা আছে.............

১৮| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:১৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এতো কষ্ট কেন পাচ্ছি, জানি না। আমি সাধারন মানুষ নই আমি একজন মা......। একটি মায়ের বুকে যে কতটা কষ্ট জমা থাকে সেটা কি কেউ জানে?

ভালো বলছেন। যে কোন মা ই এরকম ভাববে।
দলবাজ ছাত্রলীগের পিটুনিতে একজন ছাত্র নিহত। নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। সান্তনা যে আসামিরা প্রায় সবাই গ্রেফতার হয়েছে।

আপনি তো বাংলাদেশে পড়াশোনা করেছেন, ভুলে যাওয়ার কথা না। ১০-১২ বছর আগে প্রায় প্রতিদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ে গোলাগুলি হত প্রতি ছাত্রনেতার পকেটে পিস্তল দেখেছি। মটরসাইকেলে মেশিনগান নিয়ে টহলও দেখেছি। হলে প্রতি রাতে গুলির শব্দ শোনা যেত, মানে হলের ছাদে গুলির প্রাক্টিস।। ৮২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত একশোর বেশি ছাত্র নিহত হয়েছিল, ব্রাস্ট ফায়ারও হয়েছিল, শুধু শিবিরের হাতেই মারা গেছিল ৬০ জনেরও বেশি। টর্চার কি দেখেছেন? শিবিরের হলে টর্চার করতে করতে রগ কেটে কানে গজাল ঢুকিয়েও হত্যা হয়েছিল।

তখন এসব নিয়ে কেউ কাঁদত না, মামুলি স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল ওসব। এখন কাঁদে । কারন ছাত্রহত্যা খুবই অফেন। নজিরবীহিন। মাত্র একজন মারা যাওয়াতেই বিপুল পরিমান রিএকশান হয়েছে। যে আগে ১০ জন করলেও হত না। পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ছাত্র রাজনিতিতে অস্ত্রবাজি বন্ধ হয়েছে, গুলির শব্দ বন্ধ হয়েছে।
বন্ধ হয়েছে মানে বন্ধ করা হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারই বন্ধ করেছে।

বিশ বছর আগে সনি হত্যার দাবি জানিয়ে ৬ মাস বিক্ষোবেও কোন কাজ হয়নি, কেউ গ্রেফতার হয় নি, বিচার হয় নি।
আর এই হত্যাকান্ড মিডিয়া জানার আগেই পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। ২৪ ঘন্টার ভেতর ১৯ জন আটক হয়েছে।
হাসিনা যেভাবে গুলির শব্দ বন্ধ করেছে, সেভাবেই হলে ছাত্রগুন্ডামি বন্ধ করবে।
পারলে শেখহাসিনাই পারবে, অন্য কেউ না।

১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:২৮

সোহানী বলেছেন: জুনায়েদ বি রাহমান ভাই আপনার মন্তব্যের উত্তর দিয়েছে। আমি কোন কিছু যোগ করতে চাই না। শুধু মা হিসেবে বলতে চাই সন্তান হত্যার কষ্ট সবসময়ই একই রকম সেটা আপনি যেমন বুঝেন তেমন সবাইও বুঝে। তাই আগে হত্যা করা হয়েছে, অপকর্ম করেছে, টর্চার সেল বানিয়েছে, গোলাগুলি প্রাকটিস করেছে তাই এখনো করতে হবে..............। এটার যুক্তি কিভাবে আপনি দিচ্ছেন তা সাধারন মানুষ হিসেবে বোধগম্য নয়।

আমি কোনভাবেই হত্যাকান্ডের সাথে তুলনা করতে চাই না। সব হত্যাই কষ্টের। সব হত্যাই বন্ধ করতে হবে ....।

হাঁ, ছাত্রগুন্ডামি বন্ধ করবে সে আশায় বসে আছি বছরের পর বছর। আমরা শুধু নিজের জীবনের নিশ্চয়তাটুকু চাই, এতটুকু কবে পাবো তা কি বলতে পারবেন???

১৯| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: সত্য কথা বলতে কি এই দেশ নষ্ট হয়ে গেছে। পচে গলে গেছে।
এই দেশে রবেশির ভাগ মানূষই দুষ্ট।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:১৮

সোহানী বলেছেন: না এ দেশের বেশীর ভাগ মানুষই ভালো। গুটি কয়েক হায়েনার জন্য আজ দেশ অন্ধকারে।

২০| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৪

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী @ ভাই...
১০-১২ বছর আগে দেশে সামাজিক, প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়া এতো বেশি ছিলো না। থাকলে মানুষ সব ঘটনার ছবি, ভিডিও ফুটেজ দেখার সুযোগ পেতো না। এখন সহজে সব দেখতে পারছে, জানতে পারছে বলেই কাঁদছে, সমবেদনা জানাচ্ছে। এসব সাধারণ বিষয়, বুঝবার চেষ্টা কইরেন একটু।

৯০'র দশকে
৮০'র দশকে
৭১'এ.... শিবিররা মানুষ মেরেছে কিন্তু বিচার হয়নি, কেউ কাঁদেনি - এসব ইতিহাস সামনে এনে কি বলতে চান একটু পরিষ্কার করুন।
তখন যেহেতু কেউ কাঁদে নি, অতএব এখন এতো কান্নাকাটির দরকার নাই!?
দুইএকটা মানুষ মরতেই পারে, এটা স্বাভাবিক!? আগে শিবির মেরেছে, বিম্পি মেরেছে- এখন লীগ মারছে?!
বিচারের দরকার নাই?!

অন্যের নোংরামি দিয়ে, নিজের নোংরামি ঘুরবার অপচেষ্টা বাদ দেন ভাই। এসব দেখতে আর ভাল্লাগেনা।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২২

সোহানী বলেছেন: অন্যের নোংরামি দিয়ে, নিজের নোংরামি ঘুরবার অপচেষ্টা করে বলেইতো আজ অবস্থা। আগে রগ কেটেছে এখন চাপাতি দিয়ে কোপাও। ............... আসলে আমাদের বিবেক বলে কি কিছু অবশিষ্ট আছে??? বড় জানতে ইচ্ছে করে।

২১| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: মুছে যাক সকল জরা গ্লানি ও ক্লান্তি জাতি পাক কলঙ্ক থেকে মুক্তি, বাঙালি ফিরে পাক স্বস্তি ।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২২

সোহানী বলেছেন: সে অপেক্ষায় আছি..................

২২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী,




শিরোনামই তো - এক বুক কস্ট নিয়ে বেচেঁ আছি...
তাই মন্তব্য নিস্প্রয়োজন............

১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২৩

সোহানী বলেছেন: একসময় কষ্ট পেতে পেতে কষ্ট কি জিনিস ভুলে যাবো্ ওটাই আমাদের জীবনের অংশ হয়ে যাবে প্রিয় জী ভাই।

২৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:১০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: কষ্ট :(

১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২৪

সোহানী বলেছেন: :(:(:(:(:(:(:(:(:(:(:(:(:(:(:(

২৪| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:৫৭

আনমোনা বলেছেন: এত ক্ষ্ট একজান মা কিভাবে সইবে!

১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২৫

সোহানী বলেছেন: বুয়েট পর্যন্ত পৈাছাতে সে মায়ের কি কষ্ট হয়েছে তা একমাত্র মাই জানে। একজন এলেবেলে ছেলে না একজন সম্ভাবনাময়ী মেধাবী তরুন।

২৫| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৪

নীল আকাশ বলেছেন: লেখাপড়ার পবিত্র স্থান টিকে অপবিত্র ও দুষিত করে বিবিধ নামদারী রাজনৈতিক দল ও ছাত্র নামদারী অংগ সংগঠন সাথে রাজনীতির সাথে যুক্ত শিক্ষক নামদারী দলবাজেরা শুধু লেখাপড়ার পবিত্র স্থান নয় সারা দেশটাকেই কলুষিত করে ফেলেছে।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২৬

সোহানী বলেছেন: নীল আকাশ, অভিযোগ করতে করতে ক্লান্ত। যাদের দেখার কথা তারাতো চোখ বন্ধ করে আছে। শিক্ষক নাম একসময়ে কত পবিত্র ছিল এখন সেটা দিনে দিনে ঘৃনায় পরিনত হচ্ছে।

২৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনার সুতীব্র আকূতি যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিবেক দরজা দিয়ে উপযুক্ত স্থানে পৌছুায় ।

১১ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২৭

সোহানী বলেছেন: সে অপেক্ষাতে আছি কবি।

২৭| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এক বুক কস্ট নিয়ে বেচেঁ আছি... আপনি, আমিসহ দেশের সাধারন জনগন এভাবেই বেচে আছি। একবুক কষ্ট নিয়ে। প্রতিবারই এ'ধরনের লেখা লিখতে গিয়ে আপনার মতো আমিও ভাবি, এটাই যেন এমন শেষ লেখা হয়। কিন্তু না, আবার একই ধরনের ঘটনা ঘটে......ঘটতেই থাকে, ঘটতেই থাকে। আমাদের অনেক প্রশ্নেরই আমরা কোন জবাব পাই না। আমাদের কোন কথাই কেউ শোনে না।

একটি রগকাটা তরুন প্রজন্ম ও আমার কিছু প্রশ্ন? ....... মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন, একটু শুনবেন কি? আপনার এই লেখার মতো আমিও লিখেছিলাম, পড়েছিলেন কিনা জানি না মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটা খোলা চিঠি

সবাই নিজেদের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। কোন মা.....সে দেশমাতৃকাই হোক, আপনিই হোন কিংবা দেশের শত শত আবরারের মা-ই হোক, কারো কথাই কেউ শুনবে না। কঠিন হলেও এটাই বাস্তবতা।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:০১

সোহানী বলেছেন: মফিজ ভাই, আমাদের কথা শুনবে না বা শোনার ও প্রয়োজন নেই। কারন আমরা মানুষ নই। আমরা এক শ্রেনী পাথর আর অন্য শ্রেনী পিচাশ। ভয়ংকর হরর মুভি চলছে দেশে। তবে পার্থক্য সে মুভি তিন ঘন্টার নয়, এটির শেষ কখন কেউই জানে না।


উত্তর রেখে এসেছি..... কিন্তু কষ্ট সবসময়ই বয়ে চলছি।

২৮| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৬

অক্পটে বলেছেন: আপনার এই বেদনাবোধটা সমগ্র জাতি এখন বুকে ধারণ করে আছে। আমরা মা বাবারা কেমন অসহায় হয়ে গেলাম তা আপনার এই ছোট্ট লেখায় ভীষণভাবে ফুটে উঠেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চাইলে ছাত্র/শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করা সম্ভব ছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেটা তিনি চাননা, তার বক্তব্যে সেটা তিনি পরিস্কার করেছেন। রাজনীতিতে কি পরিমাণ দেউলিয়াত্ব বরণ করলে সাধারণ ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়া যায়! সব সরকারই এই কাজটি করেছে, জাতি জানছে ছাত্র রাজনীতিতে এখন আর কোন সুফল নেই, শুধুই রক্তাক্ত হচ্ছে এই প্রাঙ্গন! কিন্তু আমার কথা হলো কোন এক সরকারকে ত এটা বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ নাকম এই রাষ্ট্রের একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী এখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তিনি মায়ের জাত, ছাত্র সম্প্রদায়কে যদি সন্তানের মতো অনুভব করতেন, একেকটা মৃত্যুতে মায়েদের বুক কিভাবে ভেঙ্গে চুড়মাড় হয় তা যদি তিনি একটিবার অনুভব করতেন তাহলেই শুধু এই প্রাঙ্গনে শান্তি বিরাজ করত। রেগিং, টর্চারিং অপমান মারধর এসব থেকে আমাদের সন্তানেরা মুক্তি পেত। উনি কোন পদ্ধতিতে ক্ষমতায় আছেন সেটার বিবেচনা করে আমার কোন লাভ নেই তবে কিছু একটা ভাল কাজ তিনিত করতেই পারেন। তিনি জনগণ মানেন না, জনগণের ভোট তার দরকার নেই একথা সবাই জানে জানুক তাতে আমার কিছু যায় আসেনা। আমি শুধু আমার সন্তানদের নিরাপত্তা চাই। বর্তমানে যা সামনে এসেছে পুরো জাতি একটা শোকের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এটাই উপযুক্ত সময় ছিল ছাত্র/শিক্ষক রাজনীতি সকল শিক্ষাঙ্গন থেকে তুলে দিয়ে আমাদের মনের স্বস্থি ফিরিয়ে আনা।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৩:০০

সোহানী বলেছেন: " বাংলাদেশ নামক এই রাষ্ট্রের একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী এখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তিনি মায়ের জাত, ছাত্র সম্প্রদায়কে যদি সন্তানের মতো অনুভব করতেন, একেকটা মৃত্যুতে মায়েদের বুক কিভাবে ভেঙ্গে চুড়মাড় হয় তা যদি তিনি একটিবার অনুভব করতেন তাহলেই শুধু এই প্রাঙ্গনে শান্তি বিরাজ করত।"........... ভাইরে এক আঙ্গুলের ইশারায় এখন সব কিছু সম্ভব। কিন্তু সে আঙ্গুলের ইশারা কোন কালেই কেউই দেয়নি। অদূর ভবিষ্যতেও দেবার সম্ভাবনা নেই।

উনি কোন পদ্ধতিতে ক্ষমতায় আছেন সেটার বিবেচনা করে আমার কোন লাভ নেই.............. আমি শুধু আমার সন্তানদের নিরাপত্তা চাই।.......... হাঁ, আমি রাজনীতি বুঝি না। আমি খেটে খাওয়া মানুষ। আজ কাজ না করলে আমার পেটে ভাত জুটবে না। আমার কষ্টের টাকায় আমার সন্তানকে পড়াশুনা করাচ্ছি। যেন সে আপনার জন্যই খেটে তার পেট চালাতে পারে। আপনি যদি তাকে মেরেই ফেলেন তাহলে আপনার জন্য মজুরী খাটাবার লোক কোথায় পাবেন?????????


নিজের মনের কথাগুলো আপনার মন্তেব্যে প্রতিধ্বনি হচ্ছে। অনেক ভালো থাকুন সবসময়ই।

২৯| ০১ লা নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার বুক ভেঙ্গে যাচ্ছে.... সন্তান কি জিনিস তোমরা কি জানো? - পাঁজর ভাঙ্গা এ আর্তনাদ নরপিশাচদের কর্ণ কুহরে কোনদিনও প্রবেশ করে না, করবেও না।
আপনার এ কষ্ট, এ দীর্ঘশ্বাস, এ আকুতি, এ প্রার্থনা - সবই স্রষ্টা শুনছেন, আজ হোক, কাল হোক, এর প্রতিকারও নিশ্চয়ই তিনি করবেন, কারণ আপনি মজলুমদের পক্ষ হয়ে এসব কষ্টের কথা বলেছেন।
পড়ালেখার স্হানে পড়ালেখার বাইরে অনেক কিছু ঘটছে; এগুলোর ফলাফল সবাইকে ভোগ করতে হচ্ছে (৫ নং মন্তব্য) - এ এক সকরুণ উপলব্ধি!!!

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৪

সোহানী বলেছেন: প্রিয় খায়রুল ভাই, এভাবে আর কতদিন চলবে?? ক'দিন পর পরই এরকম কিছু চলতে থাকে। আর যে ভালো লাগে না। স্রষ্টার উপরে ভরসা করেই দিন কাটাচ্ছি। খুব হতাশ লাগে, খুব মন খারাপ লাগে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.