| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইমন জুবায়ের
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]
একটি অ্যাজটেক উপকথায় রয়েছে: দেবতা কুয়েটজালকোয়াটল দেখতে ছিল লম্বা, শ্বেতকায় আর দাড়িওলা। তো সে দেবতা অ্যাজটেকদের শিখিয়েছিল কৃষিকাজ, ধাতুর কাজ আর কি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হয়। এরপর দেবতা কুয়েটজালকোয়াটল পূর্বসমুদ্রে মিলিয়ে গিয়েছিল। যাওয়ার আগে দেবতা কুয়েটজালকোয়াটল বলেছিল, আমি আবার ফিরে আসব। অনেক...অনেক বছর পর পূর্বসমুদ্রে স্প্যানিশ লুটেরা হেরনান্দো কোরতেজ এলে অ্যাজটেকরা কোরতেজকে বাধা দেয়নি। অ্যাজটেকরা লম্বা, শ্বেতকায় আর দাড়িওলা হেরনান্দো কোরতেজই ভেবেছিল দেবতা কুয়েটজালকোয়াটল... এভাবেই উপকথাটি একটি সমৃদ্ধশালী সভ্যতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ...
তো, অ্যাজটেক কারা এবং তারা বাস করত কোথায়?
অ্যাজটেক সভ্যতা হল মেসোআমেরিকার সভ্যতা। এখন মেসোআমেরিকার মানে ব্যাখ্যা করি। মেসোআমেরিকার মানে কলম্বাসপূর্ব সময়ের মধ্যআমেরিকার অংশ -যেখানে মায়া অ্যাজটেক প্রভৃতি সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। এ কারণেই মেক্সিকোর অ্যাজটেক সভ্যতা মেসোআমেরিকার অর্ন্তগত।
মেক্সিকো মানচিত্র; মেক্সিকোর অবস্থান উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মাঝখানে বলেই এই অঞ্চলের সভ্যতাসমূহ মেসোআমেরিকান সভ্যতা নামে পরিচিত।
অ্যাজটেকদের আদি ইতিহাস অনেকটা মুসা নবীর কাহিনীর সঙ্গে মিলে যায়। অ্যাজটেকরা অনেক আগে ‘অ্যাজটলান’ নামক স্থানে বাস করত। জায়গাটি মেক্সিকোর উপত্যকার উত্তরে। অনেকে বলে ঘটনাটি সত্য নয়-উপকথা মাত্র। কেননা, অ্যাজটলান শব্দটার অর্থই ‘প্লেস অভ দ্য অরিজিন’। অ্যাজটেক টার্মটা ব্যবহার করেছেন জার্মান প্রকৃতিবিদ ও আবিস্কারক আলেকজান্দার ফন হামবল্ডট । এর মানে: ‘যে অ্যাজটলান থেকে এসেছে।’ যা হোক, অ্যাজটেক উপকথা অনুযায়ী, অ্যাজটলান এ ৭টি অ্যাজটেক ট্রাইব ছিল; এবং তাদের নির্যাতন নিষ্পেষনের মধ্যে বাস করতে হত। কাজেই ওদের দক্ষিণে না পালিয়ে উপায় ছিল না। সময়টা ৬ শতাব্দী। অ্যাজটেকরা ওদের পুরোহিতের নেতৃত্বে যাত্রা করে (এক্সোডাস?)।
প্রায় ৮০০ বছর অ্যাজটেকরা ছিল যাযাবর শিকারী ও খাদ্যসংগ্রহকারী। এসময়ে অ্যাজটেকরা স্থানীয় কালচারের সংস্পর্শে আসল। এভাবে অ্যাজটেক কালচার তৈরি হয়। অ্যাজটদের ভাষা ছিল নাহুয়াটাল। ভাষার আদি রুপটি ছিল বর্ণমালা আর পিকটোগ্রাফ। দুটো শব্দ এখনও ব্যবহার করি। টমাটো ও চকোলেট।
যা হোক। এরপর তারা মধ্য মেক্সিাকোয় আসে।
১৪শ’ শতাব্দীতে অ্যাজটেকরা প্রথম মেক্সিকো উপত্যকায় আগ্নেয় পাহাড়ঘেরা সমভূমির মাঝে আসে, জায়গাটিতে তারা পাঁচ পাঁচটি হ্রদ দেখতে পায়। অন্যতম টেক্সকোকো হ্রদ।
টেক্সকোকো হ্রদ।
পুরোহিত হাত তুলে সবাইকে থামতে বলল। তারপর চেঁচিয়ে বলল, এই সেই প্প্রতিশ্রুত স্থান।
কি প্রতিশ্রুত স্থান?
খুলেই বলি। অ্যাজটেকদের দেবতা হুইটজিলোপকটলি। সে দেবতা এককালে অ্যাজটেকদের বলেছিল, যে স্থানে একটি ঈগলকে ক্যাটটাসের শাখায় বসে সাপ খেতে দেখবে সেখানে যেন তাদের নগর নির্মাণ করে। টেক্সকোকো হ্রদের জলাভূমিটিকে কাছে তারা একটি ঈগলকে ক্যাটটাসের শাখায় বসে সাপ খেতে দেখেছিল কিনা বলতে পারি না তবে অ্যাজটেকরা জায়গাটিকে স্থায়ী আবাস হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বেছে নেয়; সেই সঙ্গে হ্রদের মাঝে ছোট্ট একটি দ্বীপে নিজেদের জন্য নগর গড়ে তোলে। সেই নগরটিই বিস্ময়কর অ্যাজটেক রাজধানী টেনোকটিটলান। যে নগর নিয়ে বিশ্বের মানুষের কৌতূহল আজও কাটেনি।
টেনোকটিটলান নগর। ষোড়শ শতকের বিশ্বের এক অতুলনীয় নগর। ইউরোপীয়ানরাও সে কথা স্বীকার করেছে।
টেনোকটিটলান নগরটির বিস্তার ছিল ১৩ কিলোমিটার; দ্বীপে অবস্থিত বলে মূলভূমি সঙ্গে নগরটির অনেকগুলিসংযোগ সেতু ছিল । বাঁধও নির্মান করেছিল অ্যাজটেকরা।
টেনোকটিটলান নগর।
টেনোকটিটলান নগরে চারটি অঞ্চল ছিল। অঞ্চলগুলিকে বলা হত কামপান। প্রতিটি কামপানে ২০টি করে জেলা। প্রতিটি জেলায় ছিল আড়াআড়ি রাস্তা। ছিল বাজার। অ্যাজটেক সভ্যতায় অবশ্য মুদ্রার ব্যবহার ছিল না। কাজেই বার্টার। কাপড়, খাবার, জাগুয়ারের চামড়া প্রভৃতি বাজারে লেনদেন হত।
টেনোকটিটলান নগরের একটি অন্যতম আকর্ষন ছিল মকটেজুমা প্রাসাদ। মকটেজুমা ছিলেন অ্যাজটেক শাসক । প্রাসাদটির অবস্থান নগরের মাঝখানে দেওয়াল ঘেরা চতুস্কোন চত্তরে।শতাধিক শয়নকক্ষ ছিল প্রাসাদে। সেই সঙ্গে শয়নকক্ষ লাগোয়া বাথরুম।
তবে টেনোকটিটলান নগরের উপাসনালয়টিই নগরের প্রধান আকর্ষন। আজও। আজও বললাম এই কারণে যে. নগরের ধ্বংসের ওপরই গড়ে উঠেছি মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি।
ধর্ম,অনিবার্যভাবেই ছিল অ্যাজটেকদের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ। ওদের দেবতার সংখ্যা ছিল প্রায় ১০০০। মূল দেবতা সূর্যদেবতা। নাম আগেই একবার বলেছি, হুইটজিলোপকটলি। ইনিই সূর্য ও যুদ্ধের দেবতা। ইনিই বলেছিলেন ... যে স্থানে একটি ঈগলকে ক্যাটটাসের শাখায় বসে সাপ খেতে দেখবে সেখানে যেন তাদের নগর নির্মাণ করে। ...অ্যাজটেকদের আরেক জন দেবতা হলেন টিলালোক। ইনি বৃষ্টিদেবতা। অ্যাজটেক কৃষকের দেওতা। মেক্সিকো উপত্যকায় খরা ছিল নিত্য। কাজেই ...অ্যাজটেকরা স্বর্গনরকে বিশ্বাস করত। ওদের মতে স্বর্গ ১৩টি আর নরক ৯টি। মৃত্যুর পরবর্তী জীবনেও বিশ্বাস করত তারা। একজন মানুষ কী ভাবে মৃত্যু বরণ করে তার ওপরই নির্ভর করে তার পরবর্তীজীবন। যুদ্ধের সময়ে মারা গেলে সরাসরি সূর্যদেবতার কাছে চলে যাবে সে। জন্মদানের সময় নারীর মৃত্যু হলে সে নারীও পাবে বিশেষ সুবিধাদি। অন্যান্য কারণে মৃত্যু হলে পাতাল ঘুরেটুরে শেষে মৃতদের দেশে যাবে। এমন আর ও অনেক অদ্ভূত অদ্ভূত বিশ্বাস ছিল অ্যাজটেকদের। যেমন সূর্য নাকি প্রতিরাতে অন্ধকারের সঙ্গে মল্লযুদ্ধ করে!
যাক। টেনোকটিটলান নগরের কথা বলছিলাম। সে নগরের অন্যতম আকর্ষন: অ্যাজটেক উপাসনালয়; যার নাম টেমপ্লো ম্যাওর ; নাহুয়াটাল ভাষায়- হুয়েই টিয়োকালি।
অ্যাজটেক উপাসনালয়ের আকার সাধারনত হত পিরামিড আকৃতির। নিচে পুরোহিতের ঘর। বাগান, খুলি রাখার স্থান। ছিল পরিশুদ্ধ হওয়ার জন্যে জলাশয়। একপাশে ওপরে উঠবার সিঁড়ি । ওপরে দেব মন্দির। পুরোহিতরা অ্যাজটেকদের বোঝাত- মানুষের কার্যাবলী দেবতাকে খুশি অথবা অখুশি করতে পারে। এই বিশ্বাসের বশেই মানুষ ধরে উৎসর্গ করত। সারা বছর। ২০ থেকে ৫০ হাজার। দেবতার ভোজনের দিনেও দাসদের হত্যা করত।
নরবলি এখানেই হত!
One of the most celebrated religious days was the O'Nothing Days. During this time, priests would get dressed up like gods and go to an extinct volcano to perform human sacrifices. These sacrifices would occur when the evening star rose high in the sky. The captive would be placed over either a stone chosen just for this purpose or an altar. The victims' hearts would be set on fire and torn out of their chests. Once removed from their bodies, it would be lifted toward the sun and placed in a dish that was believed to be sacred. The bodies of the sacrificed would be pushed down the stairs of the temple. It may be surprising to learn that many of the sacrificed were happy to give up their bodies, as they believed that it was their instant ticket to heaven.
২
অ্যাজটের জীবনের মূলে ছিল কৃষি। টেক্সকোকো হ্রদের দ্বীপে জায়গার স্বল্পতার কারণে অ্যাজটেকরা হ্রদের অগভীর অংশ ভরাট করে তা বাড়িয়ে ছিল। তীর থেকে মাটি আর হ্রদের তলদেশ থেকে কাদা সংগ্রহ করে গড়ে তোলা হতো আয়তাকার কৃষি জমি বা কিনামপাস । কিনামপাসগুলো দৈর্ঘ্যে ২০০ মিটারের মতো হলেও প্রস্থে কখনোই ১০ মিটারের অধিক হতো না। যে সব কিনামপের বা কৃষক খালসদৃশ জলভাগের দুপাশে জেগে থাকা জমিগুলো চাষ করতো তারাই আবার তাদের তলা সমতল ক্যানোর সাহায্যে সেখান থেকে ফসল সংগ্রহ করতো। কিনামপাসগুলো ছিল অভূতপূর্ব উর্বর প্রকৃতির। এক বছরেই সেখান থেকে সাতটি ফসল সংগ্রহ করা সম্ভব হতো। এতে কোনো সেচের প্রয়োজন পড়তো না। কারণ পার্শ্বস্থ খাল থেকে কিনামপাসের মাটিতে অনবরত পানি প্রবেশ করতে পারতো।
অন্যদিকে এর উর্বরতা রহস্য ছিল অ্যাজটেকদের অত্যাধুনিক কম্পস্পিং পদ্ধতির মাঝে নিহিত। যার মাঝে হ্রদের তলানি ব্যবহার করা হতো। কিনামপের অনবরত তাদের ক্যানোর সাহায্যে লেকের তলদেশ থেকে এই তলানি সংগ্রহ করতো। একটি থামের মাথায় কাপড়ের থলি আটকে ট্রল করে পুরু পলির স্তর সংগ্রহ করা হতো। তারপর একে কৃষি জমির ওপর ছড়িয়ে দেয়া হতো। সঙ্গে মেশানো হতো মানব বর্জ্য। খালের পানিতে সরাসরি বর্জ্য ফেলা হতো বলে সেটাই আবার কালক্রমে তলানির অংশে পরিণত হতো, এর কিছু অংশকে সরাসরি মাটির ওপর ছড়িয়ে দিয়ে তলানি দিয়ে ঢেকে দেয়া হতো। কর্টেস ও তার দখলদার বাহিনী ১৫১৯ সালে এখানে আসার পর থেকে আধুনিক ইউরোপীয় নির্মাণশৈলীর কারণে শত বছর ধরে হাজার হাজার হেক্টর কিনামপাস বিলীন হয়ে গেছে। মেক্সিকোসিটির দক্ষিণপ্রান্তে জোকিমিলকোর একটি অংশে হ্রদের খানিকটা অংশ এখনো টিকে আছে। তাই এখনো কিনামপাস কৃষি পদ্ধতি টিকে আছে ত্রিশ বর্গকিলোমিটার জায়গা জুড়ে।
১৯৮০ সালের গোড়ার দিকে বিকল্প প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে এরকম একটি সংস্থার পক্ষ থেকে একদল বিজ্ঞানি জোকিমিলকো পরিদর্শনে যায়। সেখানে তারা দেখতে পায় আধুনিক কৃষকরা এখনো তাদের বর্জ্য খালে ফেলছে। তা সত্ত্বেও সেখানকার পানি দুর্গন্ধহীন। নেই মানব বর্জ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত রোগ-জীবাণুর প্রকোপ। সংগ্রহকৃত তলানির নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে এর বিশেষ একটি অনুজীব ২২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে। গরম পানির ঝরনার মাঝে পাওয়া ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে এর সাদৃশ্য আছে। অস্বাভাবিক এই ব্যাকটেরিয়াটিই অ্যাজটেকদের বর্জ্য পরিশোধনে সাফল্য এনে দিয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। এর সাহায্যে দ্রুত কম্পোস্ট উৎপাদন সম্ভব। এটি বর্জ্যরে নাইট্রোজেন বন্ধনে ভূমিকা রাখে, ক্ষতিকর রোগ-জীবাণু নিষ্ক্রিয় করে। জৈব ভাঙন প্রক্রিয়া দ্রুততর করে।
গবেষণাগারে ব্যাকটেরিয়াটিকে কালচার করা সম্ভব হয়েছে। আধুনিক কৃষিতে এর ফলপ্রসূ ব্যবহার সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তার তাপপ্রেমী এ বন্ধুসুলভ ব্যাকটেরিয়া কেন টেক্সকোকো হ্রদের তলদেশে তার আবাস গড়ে তুললো, বিজ্ঞানীদের কাছে তা এক বিস্ময়কর ঘটনা।
(এই অংশের সূত্র: ১৮ জুলাই ২০০৯ এর দৈনিক যায়যায় দিনে প্রকাশিত সোহরাব সুমন রচিত একটি নিবন্ধ ...)
অ্যাজটেকরা প্রকৃতির আবর্তন বা চক্র নিবিড়ভাবে লক্ষ করেছিল। তারা প্রকৃতির খেয়ালি নিষ্ঠুর
ভূমিকাও লক্ষ করেছিল। প্রকৃতির এই খেয়ালি ভূমিকা নিয়ন্ত্রনের জন্য ওরা তৈরি করেছিল দুটি বর্ষপঞ্জী। বর্ষপঞ্জী দুটি একত্রে মিলিয়ে হত আরও একটি বর্ষপঞ্জী। জিহুহিটল ছিল বাৎসরিক পঞ্জী।
এতে উল্লেখ থাকত কৃষি ও ধর্মীয় উৎসবাদির। ২য়টির নাম টোনালপোহুয়াল্লি। এটি একেবারেই ধর্মীয় ...অনেকটাকোষ্ঠীর মতন; কে কোন্ তারিখে জন্মালে কি হয় এসবের আলোচনা। দুটি মিলে হত জিউহমলপিলি। এর মানে বছরসমূহ।
ক্রমশ ...
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
২|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
প্রিয়সখা বলেছেন: চমৎকার। সরাসরি প্রিয়তে।++++
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৩|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
ধ্রুব০০৭ বলেছেন: priote rakhlam. pore porbo.
many many thanks.
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
sorry, bangla likha jassena.
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
অসুবিধা নেই। মাঝেমাঝে আমারও এমন হয়।
আশা করি ২য় পর্ব পড়বেন।
৪|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: খুব ভালো লাগল।। বিস্তারিত বর্ননার জন্য বেশী ভাল লাগল।।
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
আশা করি ২য় পর্বও পড়বেন।
৫|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২
আমজাদ সুজন বলেছেন: মহাখুশ হলাম।
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: থ্যাঙ্কু।
৬|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
শয়তান বলেছেন: দুইটা পৃথক মহাদেশে দুটি ভিন্ন সভ্যতায় প্রায় একই শেপের ( পিরামিড আকৃতি ) প্রার্থণাগৃহ নিয়ে আপনার কি চিন্তা ধারা ?
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: এক সময় বিষয়টি নিয়ে বিস্তর পড়েছিলাম। এখন খুব একটা মনে নেই। দানিকেনের মতে ভিন্ গ্রহের বুদ্ধিমান প্রাণি ...আসলে লক্ষ করে দেখবেন অ্যাজটেকদের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের ধর্ম ও নৈতিকতার সাদৃশ্য রয়েছে। যেমন, পরকালে বিশ্বাস ও মদ না খাওয়া। যা হোক। আপনার প্রশ্নটি পৃথক পোস্ট হিসেবে আসতে পারে।
ধন্যবাদ।
৭|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: প্রিয়
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
৮|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন: খুব ভাল লেখা
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
৯|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬
কিরিটি রায় বলেছেন: জানার কোন শেষ নাই
জানার চেষ্টা বৃথা তাই
(ফান)
দারুন। অনেক সময় লাগলো, তবে ছবি আর বর্নণা অদ্ভুত ভাবে টেনে নিয়ে গেল..
অত:পর .. দেখী ক্রমশ:
অপেক্ষায়....
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আসলে পোস্টা রেডি করে দেখি বড় হয়ে গেছে। কাজেই বাধ হয়ে ...কি আর করা ...আশা করি ২য় পর্ব পড়বেন।
১০|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
ঘাসফুল বলেছেন:
আবারো দুর্দান্ত পোষ্ট...
সেবা থেকে হেনরি রাইডার হ্যাগার্ডের অনুবাদ করা "মন্টেজুমার মেয়ে" পড়ে অনেক তৃপ্তি পেয়েছিলাম- যেমনটা আপনি দিলেন ![]()
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আহা, মন্টেজুমার মেয়ে" বইটি আমার পড়া হয়নি। আচ্ছা, যোগার করে নেব।
অনেক ধন্যবাদ।
১১|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮
কাজী আফসিন সিরাজী বলেছেন: ভালো লাগল বেশ কিছু শিখলাম!
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আশা করি ২য় পর্বও পড়বেন।
১২|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
নাজিম উদদীন বলেছেন: দারুণ, পড়ছি।
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আশা করি ২য় পর্বও পড়বেন।
১৩|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
পাথুরে বলেছেন:
কত অজানারে!!!
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১৪|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫১
সোহানা মাহবুব বলেছেন: ভাল লাগল।শুভকামনা রইল।
+++
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১৫|
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৫৮
লুথা বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট ... ভাল লাগল
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৪৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
১৬|
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৫২
জটিল বলেছেন: এজন্যেই বলি দিনে দিনে নিজের মূর্খতা বাড়ছে ![]()
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৫৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমি ছবি আঁকতে পারলে/ সারাদিনই ছবি আঁকতাম/ইতিহাস চর্চা করতাম না।
১৭|
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
জটিল বলেছেন: কবি নির্মলেন্দু প্রদর্শনী করছেন শেষ বয়সে !! আর আপনি এটা কি বললেন ভ্রাতা !! তবে আপনি পাশে থাকলে দুইজনে নিজেদের কিছু বিষয় শেয়ার করা যেত , আর ছবি আঁকা খুবই সহজ কিছুই ![]()
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:০৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ছবি আঁকতে না পারা নিয়ে আমার গভীর আক্ষেপ আছে! ঐ বিদ্যাকেই প্রকৃত শিল্প বলে মনে হয়।
১৮|
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১১
জটিল বলেছেন: আজকেই পেন্সিল আর রঙ তুলি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পরেন , সাফল্য নিশ্চিত , অন্তত এ্যাবস্ট্রাক্ট কিছু হয়ে যাবে এটা বলা যায় , শুভস্য শীঘ্রম , আর সবই হয় ছবি আঁকা খুব সামান্য কিছু ![]()
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেকবারই ট্রাই করেছি। আমার চঞ্চলতা বেশি। আমার কাছের মানুষেরা জানে। কুম্ভ রাশি মিথুন লগ্ন তো ...
১৯|
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২২
জটিল বলেছেন: কুম্ভ রাশির মিথুন লগ্ন হলেও আপনার কিন্তু ধৈর্য্য আছে , যতটুকু কুম্ভ চিনি এটুকু জানি তারা নিজেদের কে চিনে তবে সবটুকু নিজেরাই বিশ্বাস করতে পারেনা আর একটা অদ্ভুত ঘোরে মাঝে মাঝেই আচ্ছন্ন থাকে , এটা থেকে বের হলেই সম্ভব হয় ।
আপনি চঞ্চল কতখানি জানিনা , কিন্তু এর মাঝেও করা যায় ।
লেগে থাকেন ব্রো শুধু নিজের হাতকে মনের মত চলতে দেন , ছবি এম্নিতেই বের জয়ে আসবে , পারফেকশনিস্টদের কাজ ভিন্ন গোত্রের জিনিস , এই এ্যলার্জি না থাকলেই দেখবেন হয়ে যাবে
[ নিজ অভিজ্ঞতা থেকেই বললাম মাত্র ]
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: দেখা যাক কি হয়!
সেই অদ্ভুত ঘোরের আচ্ছন্নই ...
২০|
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯
অপু২৮৩৮ বলেছেন: বেশ ভালো হয়েছে লিখাটি।
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
২১|
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
নাজনীন খলিল বলেছেন:
এই লেখাগুলো বুকমার্ক করে রেখে দিচ্ছি।প্রিন্ট করে পড়বো বলে।
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩
রশীদ খাঁন বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট