নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্ত্যজ বাঙালী, আতরাফ মুসলমান ...

বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্‌উক, হে ভগবান।রবীন্দ্রনাথ

ইমন জুবায়ের

জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]

ইমন জুবায়ের › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাব্বালাহ: সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২২





সময়টা ১৩০০ খ্রিস্টপূর্ব । মিশর থেকে অবরুদ্ধ হিব্রুদের উদ্ধার করে মুসা নবী মুক্তাঞ্চল সিনাই উপত্যকায় নিয়ে এলেন ... তারপর ইয়াওয়ে বা ঈশ্বরের সঙ্গে হিব্রুদের একটি চুক্তি (covenant) করিয়ে দিলেন-এসব আমরা জানি। এবং এসব বিস্ময়কর ইতিহাস নিয়েই পরবর্তীকালে রচিত হলো হিব্রু বাইবেল বা ওল্ড টেস্টামেন্ট-যার প্রথম পাঁচটি অধ্যায়কে বলা হয় ‘তোরাহ’ । কালক্রমে তোরাহই হয়ে উঠেছিল সেই খ্রিস্টপূর্ব যুগের প্রাচীন ইহুদি জীবনধারার অনিবার্য দিকনির্দেশ। অবশ্য স্বল্পসংখ্যক অনুসন্ধিৎসু ব্যাক্তি ঠিক অতটুকুতে সন্তুষ্ঠ থাকলেন না- তারা তোরাহর শ্লোকগুলিকে রহস্যময় মনে করে সেই সমস্ত শ্লোকের নানাবিধ ব্যাখা-বয়ান করতে লাগলেন। এভাবে গড়ে উঠল ইহুদিধর্মের গুপ্ত মরমীবাদী শাখা- যার নাম: কাব্বালাহ ...শব্দটির মানে, ‘গ্রহন করা’ বা ‘মেনে নেওয়া’। কি গ্রহন করা হল? কি মেনে নেওয়া হল? ঐশ্বরিক শক্তি গ্রহন করা হল। ঐশ্বরিক শক্তি মেনে নেওয়া হল। কাব্বালাহর অন্য অর্থ ‘ ট্র্যাডিশন’ বা ঐতিহ্য। এক কথায়, Kabbalah হলো ইহুদি ধর্মের মরমীবাদী শাখা এবং কাব্বালাহর বিষয় ঐশ্বরিক পবিত্রতার সরুপ, সৃষ্টিতত্ত্ব, আত্মার উৎপত্তি ও পরিনতি এবং অনিবার্যভাবে মানুষের ভূমিকা । একইসঙ্গে কাব্বালাহ অনুধ্যানশীল, ভক্তিমূলক, মরমী এবং ঐন্দ্রজালিক ক্রিয়াকর্মের সমষ্টি।







ওল্ড টেস্টামেন্ট বা হিব্রু বাইবেলে তোরাহর গুরুত্ব সবচে বেশি । তার কারণ আছে। ঐ পাঁচটি অধ্যায়েই স্বয়ং নবী মুসা উপস্থিত । কাব্বালাহর উদ্ভব তোরাহর ব্যাখ্যা বয়ান থেকেই। আর, তোরাহকে যেহেতু পবিত্র গন্য করা হয়-কাজেই, তোরাহ হতে উদ্ভুত গুপ্ত জ্ঞান কাব্বালাহও পবিত্র । তোরাহ কে পবিত্র জ্ঞান করা কাব্বালাহপন্থি ঐহিত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য । কাজেই কাব্বালাহয় পবিত্র শক্তি নিহিত এবং এটি সাধনা করলে সৃষ্টিরহস্যকে জানা যাবে।







তখন আমি বলেছি যে- কাব্বালাহর অন্য অর্থ ট্র্যাডিশন বা ঐতিহ্য। তোরাহ কেন্দ্রীক ব্যাখ্যাই হল ইহুদি ঐতিহ্য । তোরাহ মানে আইন। ইহুদি ঐতিহ্য মতে জগৎ সৃষ্টির পূর্বেই তোরাহর সৃষ্টি হয়েছে এবং তোরাহই নাকি মানুষ সৃষ্টি করার জন্য ঈশ্বরকে অনুরোধ করেছে! যে কারনে তখন আমি বলছিলাম যে- ওল্ড টেস্টামেন্ট বা হিব্রু বাইবেলে তোরাহর গুরুত্ব সবচে বেশি । যখন ১৩০০ খ্রিস্টপূর্বে সিনাই উপত্যকায় মুসা নবী ঈশ্বর কর্তৃক লিখিত আইন (টেন কমান্ডমেন্টস) লাভ করলেন তখন-বিশ্বাস করা হয় যে- তিনি ঈশ্বরের তরফ থেকে মৌখিক নির্দেশাবলীও (ওরাল ল) পেয়েছিলেন যা কিনা লিখিত হয় নাই। তারপর কালক্রমে বংশ পরম্পরায় সেই ওরাল ল বা মৌখিক নির্দেশাবলী বাহিত হয়েছে । এসব মৌখিক বিধানসমূহের নামই হল কাব্বালাহ। যে কারণে কাব্বালাহর অন্য অর্থ ট্র্যাডিশন বা ঐতিহ্য।







কাব্বালাহ সাধকগন বিশ্বাস করেন, মানুষের প্রতিটি ধারনা বা চিন্তা উত্থিত হয় ঈশ্বরের ভিত্তিমূল থেকেই। এটিই কাব্বালাহ চর্চার কেন্দ্রীয় বিশ্বাস। কাব্বালাহয় ঈশ্বরকে বলা হয়েছে সকল ভিত্তির ভিত্তি- সমস্ত প্রজ্ঞার স্তম্ভ। একমাত্র ঈশ্বরের জন্যই সমূদয় অস্তিত্ব সম্ভব হয়েছে। ‘ঈশ্বরের অস্তিত্বের সত্য’ থেকে স্বর্গ ও মত্যের জীবন ও প্রাণিকূল সম্ভব হয়েছে। (‘ঈশ্বরের অস্তিত্বের সত্য’ -এই বাক্যটি বিশেষ ভাবে লক্ষ করুন) ... তবে কথা আছে। কাব্বালাহর বিরুদ্ধে দ্বৈতবাদের অভিযোগ আছে। কাব্বালাহয় ঈশ্বরের এক সুপারনেচারাল কাউন্টার পার্টের কথা বলা হয়েছে-যা স্পষ্টতই একেশ্বরবাদ বিরোধী। সেই চিরকালীন শুভ আর অশুভ শক্তি আর কী! ইহুদিরা এককালে পারস্যে ছিল। পারস্যের প্রধান ধর্র্ম ছিল জরথুশত্রবাদ । ইহুদি মরমীবাদের ওপর নিশ্চয়ই জরথুশত্র ধর্মের প্রভাব পড়ে থাকবে।



কাব্বালাহ সাধকগন বিশ্বাস করেন, মানুষের আত্মা তিনটি ভিন্নধর্মী উপাদানে গঠিত।



নেফেস

রুআক, এবং

নেশামাহ



সব মানুষের ভিতরেই নেফেসটা বিল্ট-ইন থাকে। জন্মমুহূর্তেই দেহে প্রবেশ করে নেফেস । তারপর নেফেস হয়ে ওঠে মানুষের শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্যের উৎস। রুআক আর নেশামাহ শরীরে থাকে না। এ দুটো উপাদান অর্জন করতে হয়। সেই অর্জন নির্ভর করে মানুষের বিশ্বাস ও কার্যাবলীর ওপর। যারা আধ্যাত্মিকভাবে সচেতন কেবলই তারাই রুআক আর নেশামাহ হাসিল করতে পারে।

কাজেই -



নেফেস হল (নিচু স্তরের পাশবিক সত্তা)

রুআক হল (মধ্যবর্তী স্পিরিট। নৈতিকত। ভালোমন্দ বোঝার ক্ষমতা)

নেশামাহ হল (উচ্চতর আত্মা। এটিই মানুষকে অন্যান্য জীবনরুপ থেকে পৃথক করে দেয়। এটি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে

জড়িত। বুদ্ধিমত্তা সৎকাজ করে পরলোকের লাভালাভ অর্জন করে। আত্মার এই উপাদানটি জন্ম লগ্নেও থাকে। নইলে- কাব্বালাহ সাধকগনের মতে ঈশ্বরের নৈকট্য অনুভব সম্ভব না।)







কাব্বালাহ সাধকগন বিশ্বাস করেন, কাব্বালাহর উদ্ভব অনেক পুরনো- সেই আদম থেকে। ইহুদি মরমীবাদীদের পক্ষে এরকম চিন্তা স্বাভাবিক। তবে বিশ্বাস বাদেও ইতিহাস বলে একটা কথা আছে। আমরা এখন কাব্বালাহর উদ্ভবের ইতিহাসটি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করব।







তোরাহর ব্যাখ্যা-বয়ানের ওপরই কাব্বালাহ গড়ে উঠলেও আরেকটি গ্রন্থকে বা গ্রন্থাবলীকে কাব্বালাহর উৎস বলে মনে করা হয়। গ্রন্থটির নাম: ‘ জোহার।’ এখানে বলে রাখি-জোহার একটি গ্রন্থ নয়, বরং অনেকগুলি বইয়ের সমষ্টি। জোহার শব্দটি হিব্রু-এর অর্থ, জ্যোতি। জোহার এর ইতিহাসও বিস্ময়কর। খুলেই বলি। খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দী। ইজরেলে তখন রোমান শাসন। সেই সময়টায় ইজরেলের লোকে কথা বলত হিব্রু ভাষায় নয়- ইজরেলের লোকে কথা বলত আরামিক ভাষায়। স্বয়ং যিশুখ্রিস্টের মাতৃভাষা ছিল আরামিক ।







জোহার লিখিত হয়েছিল ঐ আরামিক ভাষাতেই। সেটা খ্রিষ্টিয় ২য় শতকের ঘটনা। ইজরেলজুড়ে ইহুদিদের ওপর চলছিল ভয়ঙ্কর রোমান নির্যাতন; রোমান শাসনের বিরুদ্ধেও ইহুদিদের বিদ্রোহসংগ্রাম চলছিল। সে সময় শিমোন বার য়োচাই নামে একজন রাব্বি (ইহুদি মৌলানা) রোমান নির্যাচন এড়াতে গুহায় লুকিয়ে থাকবেন ঠিক করলেন। সঙ্গে ছেলে। সে ছেলের নাম এলাজার। ছেলের সঙ্গে শিমোন বার য়োচাই প্রত্যহ তোরাহ পাঠ করতেন। সেই সঙ্গে তোরাহর মরমী তফসির বা টীকা। যার বিষয় ছিল-ঈশ্বরের প্রকৃতি, মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও কাঠামো, আত্মা, পাপ, মোক্ষ, শুভ-অশুভ, মানুষ ও ঈশ্বরের সম্পর্ক -ইত্যাদি । এভাবে ১৩ বছর কাটল গুহায় ।







সে সময়ই নাকি একদিন প্রোফেট এলিজাহ গুহায় এসে শিমোন বার য়োচাই কে তোরাহর নতুন একটি টীকাভাষ্য লিখতে অনুপ্রাণিত করেন। অনুপ্রাণিত শিমোন বার য়োচাই তখন ঐ আরামিক ভাষাতেই তোরাহর নতুন একটি টীকাভাষ্য রচনা করেন। রচনা শেষ করে রচনার নাম দেন, ‘জোহার।’ আমি আগেই বলে ছিলাম জোহার মানে- ‘জ্যোতি’ এবং এটি একটি গ্রন্থ নয়।









রোমান সাম্রাজ্য। দক্ষিণ-পুবে ইয়েররুষহালাইম বা জেরুজালেম।



এরপর বহুকাল কেটে গেছে। রোমান সম্রাট কর্তৃক প্রাচীন ইজরেল থেকে বহিস্কৃত হয়ে ইহুদিদের ওপর অনেক বিপদ-আপদ গেছে। যাই হোক। এবার আমাদের চোখ ফেরাতে হবে তেরো শতকের স্পেনে। ওখানকার এক ইহুদি পন্ডিত-নাম- মেজেস দি লেওন: তিনিই শিমোন বার য়োচাই রচিত ‘জোহার’ সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন। তারপর থেকেই জোহার-এর ওপরই কাব্বালাহর ধ্যানধারনা গড়ে উঠতে থাকে। জোহার ছাড়াও অবশ্য কাব্বালাহর অন্যান্য আকরগ্রন্থ রয়েছে। সেগুলো হল: সেফের যেটযিরাহ, বাহির, সেফের রাজিয়েল হামাললাখ।









এখানে বলে রাখি। কাব্বালাহর চর্চায় মুসলিমদের প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষ অবদান আছে! ১৩ শতকের পূর্বে স্পেনেই ইহুদিরার ব্যাপক সংখ্যায় বাস করত। স্পেনের খ্রিস্টান রাজা ইহুদিদের বহিস্কার করলে ইহুদিরা সারা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় উদার ভাবাপন্ন তুর্কি সুলতান বহিস্কৃত ইহুদিরে আশ্রয় দেন। কাজেই, কাব্বালাহ চর্চা অব্যাহত রইল। তুর্কি সুলতান নাকি সে সময় স্পেনের খ্রিস্টান রাজাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন-‘আজ আমি ধনী হলাম; আর আপনি ভিখেরি হলেন!’ এজন্যই বলছিলাম-কাব্বালাহর চর্চায় মুসলিমদের প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষ অবদান আছে!

কাব্বালাহর বিকাশে যেমন তেরো শতকের মেজেস দি লেওন এবং খ্রিষ্টিয় ২য় শতকের রাব্বি শিমোন বার য়োচাই-এর অবদান ছিল-তেমনি আব্রাহাম বেন সামুয়েল আবুলাফিয়া (১২৪০-১২৯৫) এর অবদান অপরিসীম । আব্রাহাম বেন সামুয়েল আবুলাফিয়া ছিলেন স্পেনের বিশিষ্ট ইহুদি পন্ডিত। যিনি বিশ্বাস করতেন -ঈশ্বরকে বর্ননা করা সম্ভবপর নয় এবং নিত্যদিনের ব্যবহার্য প্রতীক দিয়েও ঈশ্বরকে কনসেপচুয়ালাইজ করাও সম্ভবপর নয়।







আব্রাহাম বেন সামুয়েল আবুলাফিয়



আব্রাহাম আবুলাফিয় আরও বিশ্বাস করতেন হিব্রু বর্ণমালার রয়েছে স্বর্গীয় বৈশিষ্ট্য। এই বর্ণমালার করে ধ্যানের গভীরতা বাড়ানো যায় ও দীর্ঘক্ষণ তুরীয় আচ্ছনতায় অবস্থান করা সম্ভব। হিব্রু বর্ণমালার বিমূর্ত অক্ষরের পারমুটেশন- কম্বিনেশনই হল মানবচৈতন্যের রুপান্তরিত পর্যায়ের পৌঁছবার চাবিকাঠি। (যারা গঞ্জিকা সেবন করেন তারা এই কথার মানে ভালো বুঝবেন! ) কাব্বালাহ সাধকদের কাছে মরমে পৌঁছবার এটি একটি মরমিয়া পন্থা । আব্রাহাম আবুলাফিয়া ধ্যানের বিভিন্ন পর্যায় সম্বন্ধে বিস্তারিত লিখে গেছেন।









রহস্যময় (!) হিব্রু বর্ণমালা ...



কাব্বালাহপন্থিরা বিশ্বাস করেন- কোনওভাবেই চল্লিশ বছরের নীচে কাব্বালাহচর্চা সঙ্গত নয়। নারীরা কাব্বালাহ চর্চা করতে পারবে না। এখন অবশ্য অবস্থা অনেকখানি বদলে গেছে। কাব্বালাহর আকর্ষন এতই যে, অ-ইহুদিরাও কাব্বালাহ চর্চা করছে। গত ৫০০ বছর ধরে এটি ঘটছে। অ-ইহুদি নারীরা আজ কাব্বালাহ চর্চা করছে। অবশ্য ইহুদি নারীরা আজও কাব্বালাহ চর্চার অধিকার পায়নি। (বিপ্লব আসন্ন?)









আরেকটা কথা। কাব্বালাহচর্চা করতে হলে হিব্রু ভাষাটি জানতেই হবে-নইলে এর মূল প্রদেশে ঢোকা যাবে না। যদিও কাব্বালাহর ওপর ইংরেজিতে প্রচুর বই আছে। আছে ঠিকই। তবে সে বই পড়ে কাব্বালাহ সম্বন্ধে জ্ঞান হবে ভাসা ভাসা। কেননা, কাব্বালাহ এখনও গুপ্ত, গূহ্য ও গোষ্ঠীগত একটি মরমীবিদ্যা।







কাবালা সেন্টার বর্তমানে কাব্বালাহ চর্চাকে বিশ্বময় প্রচার করে যাচ্ছে। । ১৯৬৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়।







তরুণ-তরুণীরা ওদের মতো করে কাব্বালাহ কে গ্রহন করেছে।







মনে থাকার কথা, কাব্বালাহ শব্দটির মানে, ‘গ্রহন করা’ বা ‘মেনে নেওয়া’।







উৎসর্গ: আকাশ অম্বর ও শয়তান।

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

তামিম ইরফান বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য........ সরাসরি প্রিয়তে......

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ...

২| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯

লীনা দিলরূবা বলেছেন: ++++

খুব ভাল লিখেছেন।
লেখাটা বিশ্বাস থেকে লেখা, নাকী ইতিহাস পাঠের ব্যাপার স্যাপার?

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ইতিহাস পাঠের ব্যাপার স্যাপার। এমনিতে আমার ঝোঁক বৌদ্ধধর্মের দিকে ...

৩| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

বৃত্তবন্দী বলেছেন: পুরোটা পড়তে পারলাম না এখন, প্রিয়তে...

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ঠিক আছে।

৪| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: ধন্যবাদ। দারুন একটা অধ্যায় সূচনা করেছেন।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ইহুদি জাতির ইতিহাস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অল্পবিস্তর পড়াশোনা করছি। বিষয়টায় আগ্রহ আছে। এ ব্যাপারে আরও লেখার ইচ্ছে আছে। অনেক ধন্যবাদ।

৫| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লীনা দিলরূবা বলেছেন: বৌদ্ধধর্মতো অসম্পূর্ণ ধর্ম!

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: তাই?

৬| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮

নকীবুল বারী বলেছেন: চমকপ্রদ...........

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

মেহবুবা বলেছেন: আপনার তথ্য সংগ্রহ এবং ব্লগে সে সবের অবতারনা , অবাক হয়ে যাই ।
শুভকামনা আপনার জন্য অনেক ।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আসলে ইহুদি জাতির ইতিহাস নিয়ে অনেকদি যাবৎ পড়ছি। স্বচ্ছ ধারনা গড়ে উঠেছে।
আপনার জন্যও রইল অনেক শুভকামনা।

৮| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০১

পারভেজ বলেছেন: বৌদ্ধ ধর্ম মুলত ধর্ম নয়, দার্শনিক মতবাদ বলেই মনে হয়েছে আমার কাছে।
গায়িকা ম্যাডোনা কাব্বালাহ অনুসারী বলে জানি।
আমাদের ব্লগার ভুতের আড্ডার কাববালাহ নামে একটা গল্পের সিরিজ আছে :)
পোস্ট টা চমৎকার।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: হ্যাঁ। বৌদ্ধধর্ম মুলত ধর্ম নয়, আসলে দার্শনিক মতবাদ।
জ্বী। ম্যাডোনার ব্যাপারটি জানি। উনি প্রথমে ভারতীয় কোন্ গুরুর যেন শিষ্যত্ব বরণ করেছিলেন।

ভূতের আড্ডার পোষ্টগুলো খুঁজে নেব।
ধন্যবাদ।

৯| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৯

নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: অসাধারণ পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ ইমন।

--------------------------------------------------------------------------
১৩০০ খ্রিস্টপূর্বে সিনাই উপত্যকায় মুসা নবী ঈশ্বর কর্তৃক লিখিত আইন (টেম কমান্ডমেন্টস)

* টেন কমান্ডমেন্টস বা ডেকালগ

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: হ্যাঁ। বানানটা ভুল হয়ে গেছে। ঠিক করছি।
ধন্যবাদ।

১০| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯

শ।মসীর বলেছেন: জানার ইচ্ছা ছিল, আজ অনেকটা ধারনা হল ।ধন্যবাদ।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ।

১১| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২০

শয়তান বলেছেন: আরেকটা পর্ব আশা করছি । এবং এটা বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ঠিক আছে। আমারও সেরকমই ইচ্ছে ছিল।

১২| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

বৃত্তবন্দী বলেছেন: খুব ভালো লাগলো ইমন ভাই। নেক্সট পর্বের অপেক্ষায়।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ওকে।

১৩| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১

মনির হাসান বলেছেন: কঠিন সব জিনিষ জানলাম ... অনেক ধন্যবাদ ইমন ভাই ।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ। বিষয়টা আসলেই জটিল।

১৪| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০০

শয়তান বলেছেন: কাব্বালা বিষয়ক ভুতের আড্ডার গল্পঃ

Click This Link


শেষ পর্বের লিংক

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: দেখব। অনেক ধন্যবাদ।

১৫| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

অপু২৮৩৮ বলেছেন: ভালো লাগলো লিখাটি পড়ে। সামনে আরো লিখা আশা করছি।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: লিখব। ধন্যবাদ।

১৬| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: একটানে পড়লাম প্রিয়তে নিয়া নিলাম...এবং কাব্বালাহ সম্পর্কে জানার আগ্রহ পাইলাম...ধন্যবাদ

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৭| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৮

আকাশ অম্বর বলেছেন:

'হিব্রু বর্ণমালার স্বর্গীয় বৈশিষ্ট্য....ধ্যানের গভীরতা বাড়ানো ও দীর্ঘক্ষণ তুরীয় আচ্ছনতায় অবস্থান....হিব্রু বর্ণমালার বিমূর্ত অক্ষরের পারমুটেশন- কম্বিনেশন....মানবচৈতন্যের রুপান্তরিত পর্যায়ের পৌঁছবার চাবিকাঠি....।' --- অসাধারণ!

রহস্যময় (!) হিব্রু বর্ণমালা! রহস্যময়ই বটে! এই হিব্রু ভাষায় আলাদা ভাবে কোন সংখ্যা-ধারণার উৎপত্তি ঘটেনি (ঘটানো হয়নি?)। বর্ণমালাগুলোই নির্দিষ্ট কোন সংখ্যাসূচক। Gematria। আর এই 'বিশ্বাস' যে তো'রা তে আছে কোডেড মেসেজ, স্রষ্টার কাছ হতে! তার পুনোরুদ্ধার করতেই Gematria পদ্ধতি। এর আবার অনেক উপায় আছে। মজার ব্যাপার, ইসলাম ধর্মের সুফী'রাও নাকি মোটামুটি এই একই পদ্ধতি ব্যবহার করে। সবই স্রষ্টার গোপন রহস্য পুনোরুদ্ধার করতে! অতৃপ্ত মানবাত্মার চাহিদা পূরণে অতীন্দ্রিয়বাদ! আধ্যাত্মিক নেশা!

শয়তান বলেছেন: আরেকটা পর্ব আশা করছি । এবং এটা বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে।


অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অতৃপ্ত মানবাত্মার চাহিদা পূরণে অতীন্দ্রিয়বাদ! আধ্যাত্মিক নেশা!

১৮| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

দীপান্বিতা বলেছেন: নেফেস হল (নিচু স্তরের পাশবিক সত্তা)
রুআক হল (মধ্যবর্তী স্পিরিট। নৈতিকত। ভালোমন্দ বোঝার ক্ষমতা)
নেশামাহ হল (উচ্চতর আত্মা। এটিই মানুষকে অন্যান্য জীবনরুপ থেকে পৃথক করে দেয়। এটি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে
জড়িত। বুদ্ধিমত্তা সৎকাজ করে পরলোকের লাভালাভ অর্জন করে। আত্মার এই উপাদানটি জন্ম লগ্নেও থাকে।

আপনার ব্লগে এলে কত বিষয়ে জানা যায়!...অনেক ধন্যবাদ...:)

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: দীপাকেও অনেক ধন্যবাদ।

১৯| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮

বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মনির হাসান বলেছেন: কঠিন সব জিনিষ জানলাম ...

===========

@ মনির হাসান,

আপনার নাস্তিক্যবাদের মুলে কুঠারাঘাত করা হলো কী......??

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: মনির হাসান কই? মনির হাসান।

২০| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২

ত্রিশোনকু বলেছেন:
তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব আমার অতি প্রিয় বিষয়। কাব্বালা সম্পর্কে আমার জানাকে সমৃদ্ধ করার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ।


היית צריך לתת את הכיתובים בתמונות שלך איורים.

একটু মজা করলাম।





.

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আব্রাহাম আবুলাফিয় আরও বিশ্বাস করতেন হিব্রু বর্ণমালার রয়েছে স্বর্গীয় বৈশিষ্ট্য। এই বর্ণমালার করে ধ্যানের গভীরতা বাড়ানো যায় ও দীর্ঘক্ষণ তুরীয় আচ্ছনতায় অবস্থান করা সম্ভব। হিব্রু বর্ণমালার বিমূর্ত অক্ষরের পারমুটেশন- কম্বিনেশনই হল মানবচৈতন্যের রুপান্তরিত পর্যায়ের পৌঁছবার চাবিকাঠি। (যারা গঞ্জিকা সেবন করেন তারা এই কথার মানে ভালো বুঝবেন! ) কাব্বালাহ সাধকদের কাছে মরমে পৌঁছবার এটি একটি মরমিয়া পন্থা ।

২১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২১

পাপী বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম! +++

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২২| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: লেখাটা অনেক আগ্রহ উদ্দীপক।

কাব্বালাহ মতাবলম্বিদের মূল ধর্ম বিশ্বাসটা কি?

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ইহুদি।

২৩| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

অন্যরকম বলেছেন: আপনার সবগুলো লেখা প্রিয়তে নিতে গেলে আমার শোকেস লিস্টে আর অন্য কোন লেখা নেওয়ার জায়গা হবে না। যার জন্য আপনার আর অন্য কোন লেখা, সেটা যতই ভাল হোক, প্রিয়তে নেওয়া থেকে বিরত থাকলাম। তবে চিন্তা করছি আপনার যে সব লেখা আমার ভাল লেগেছে এবং মনে হয়েছে তথ্যগুলো দরকার লাগবে, সেগুলোর লিংক নিয়ে আমি নতু একটি পোস্ট দিবো। :)

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৭

অন্যরকম বলেছেন: কাব্বালাহ সম্পর্কে প্রথম জানেত পারি ম্যাডোনা যখন এটা গ্রহণকরে। পত্রিকায় পড়েছিলাম। রিপোর্টটা অসম্পূর্ণ ছিল। মাথামুন্ডু কিছুই বুঝি নাই। এর পর বিভিন্ন ব্যতিব্যাস্ততার কারণে ইন্টারেস্ট থাকা স্বত্তেও েঘঁটে দেখি নি। আপনার লেখাটা পড়ে অনেক কিছু ক্লিয়ার হল।

কিছু জানার বিষয় আছে:

কাব্বালাহর সাথে জুডাইজম বা ইহুদীবাদের/ধর্মের কোন মৌলিক পার্থক্য আছে কি? নাকি এটার সাথে ইহুদি ধর্মের সেরকম সম্পর্ক যেরকম ট্র্যাডিশনাল ইসলামের সাথে বর্তমান বা উপমহাদেশীয় সুফিবাদের।

কাব্বালাহ হিব্রুতে চর্চিত হয় কেন?

হিব্রু হরফের সাথে ২/১ টি আরবীর মিল পেয়েছি যেমন 'শীন', উচ্চারণ এবং প‌্যাটার্ন একই মনে হয়েছে।

ফাইনাল ক্বাফ, ফাইনাল মীম কি? (উচ্চারণ রীতি কি আরবির মত?)

প‌্যাগানদের সাথে কাব্বালাহর কোন সম্পর্ক আছে কি? দ্য ডা ভিঞ্চি কোড পড়ে এরকম মনে হল!

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ১/ হ্যাঁ। এটার সাথে ইহুদি ধর্মের সেরকম সম্পর্ক যেরকম ট্র্যাডিশনাল ইসলামের সাথে বর্তমান বা উপমহাদেশীয় সুফিবাদের

২/ হিব্রু ভাষাকে পবিত্র ও রহস্যময় মনে করা হয়।

৩/হিব্রু আর আরবি সেমিটিক ভাষা গোত্রের বলে মিল রয়েছে।

৪/এই প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই।

৫/ না । প‌্যাগানদের সাথে কাব্বালাহর কোন সম্পর্ক নেই। কাব্বালাহর মূল বিশ্বাস একেশ্বরবাদ। প‌্যাগানরা বহু ঈশ্বরবাদী বা সর্বপ্রাণবাদী।
ধন্যবাদ।

২৫| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৯

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ক্রপ সার্কেলে একবার একটি মেসেজ এসেছিল যার সাথে প্রাচীন হিব্রু ভাষার আংশিক মিল পাওয়া গিয়েছিল। লিংকের ছবিটা দেখবেন।
http://www.dcca.nl/art/milkhill-uk.htm

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ। দেখছি।

২৬| ০৫ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৯

এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: প্রিয়তে

০৫ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:০৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭| ১০ ই মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:৩৪

তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন:
বহু আগেই প্রিয়তে ছিল। পড়া হয় নাই। এখন পড়লাম। ভালো লাগলো পড়ে।

এই লেখাটার দ্বিতীয় পর্ব কি দিয়েছিলেন?

১০ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৪:০০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: কুড়ি শতকে কাবালা নামে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম।
অনেক ধন্যবাদ।

২৮| ১৭ ই মে, ২০১১ সকাল ৮:৩৬

ইসফানিদয়র আরিওন বলেছেন: অন্যরকম ভাইকে বলছি , আরবির সাথে হিব্রুর কয়েকটা বর্ণতে নয় বলতে পারেন পুরা ভাষাতেই মিল আছে । আমাদের সাথে যেমন হিন্দির । আর পোস্টটা ভালো লাগল । কাব্বালাহ নিয়ে আমারও আগ্রহ আছে ।

আখেরি ক্বাফ/ আখেরি মীম হিব্রুর ক্বাফ আর মীমেরই দুটো সংস্করণ । আখেরি ক্বাফ/ আখেরি মীমের মূল ক্বাফ/মীম থেকে উচ্চারণে কোনই পার্থক্য নেই । মূল ক্বাফ/মীমের সাথে এর মূল পার্থক্য এর লেজে । আখেরি ক্বাফ/মীমের লেজ থাকে । যেমন:


ক্বাফ(כ) - আখেরি ক্বাফ (ך)
মীম (ם) - আখেরি মীম (מ)

এরকম আরও আছে পে (פ) - আখেরি পে (ף)
ৎসাদেই (צ) - আখেরি ৎসাদেই (ץ)
নূন (נ) - আখেরি নূন (ן)

এবার উদাহরণ দিই এবার : আপ যদি লিখেন তবে প হবে শেষ অক্ষর । তাহলে আখেরি পে (ף) ব্যবহার হয় ।

আপার যদি লিখেন তবে প মাঝের অক্ষর । তাহলে পে (פ) লিখবেন ।

হিব্রু বর্ণের উচ্চারণ নির্দিষ্ট নয় । যেমন : পে (פ) কখনও প/কখনও ফ ।
ক্বাফ(כ) কখনও ক/কখনও খ ।

আরও জানতে চাইলে বলবেন ।

১৭ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:১৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৯| ১২ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:৩৮

আমি লিখতে চাই না বলেছেন: একটি পোস্টেই সব মাত করে দিয়েছেন। আপনাকে অনুসরনে নিলাম আপনার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে পড়ে দেখবো। সব গুলো পোস্টের মাঝে কেন যেন একটি যোগসূত্র দেখতে পাচ্ছি।

১২ ই জুন, ২০১২ দুপুর ২:৫৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.