নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্ত্যজ বাঙালী, আতরাফ মুসলমান ...

বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্‌উক, হে ভগবান।রবীন্দ্রনাথ

ইমন জুবায়ের

জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]

ইমন জুবায়ের › বিস্তারিত পোস্টঃ

মিলিন্দ পহনো

১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৬





মুদ্রায় অঙ্কিত ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজা মিলান্ডার। ইনি একজন বৌদ্ধ পন্ডিতকে কয়েকটি প্রশ্ন করে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। প্রাচীন ভারতে মৌর্যবংশের পতনের যুগে ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজারা পশ্চিম ভারতের গুজরাটের ভৃগকচ্ছ অবধি তাদের সাম্রাজ্য বিস্তার করে। এদের সর্বশেষ নৃপতি মিলান্ডার (বা মিলিন্দ) বৌদ্ধধর্মে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন এবং ঐ ধর্মে দীক্ষা নেওয়ার পূর্বে বৌদ্ধ পন্ডিত নাগসেনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। পালি সাহিত্যে এই আলোচনা ‘মিলিন্দ পহনো’ বা মিলিন্দ প্রশ্ন আখ্যায় লিপিবদ্ধ আছে।







ব্যাকট্রিয়ার মানচিত্র



ব্যাকট্রিয়া বা বাখট্রিস রাজ্যটির অবস্থান ছিল বর্তমান আফগানিস্তানের উত্তরে। অতি প্রাচীনকালেই দুর্ধর্ষ যোদ্ধা ও জরথুশত্র প্রচারিত ধর্মের কারণে অঞ্চলটি বিখ্যাত ছিল। ব্যাকট্রিয়ার উত্তরে অক্সাস নদী (আমু দরিয়া) এবং দক্ষিণে হিন্দুকুশ পর্বতমালা। এর মাঝখানে উর্বর পলল সমতল, উষ্ণ মরুভূমি ও ঠান্ডা পবর্তমালা সমন্বিত ভৌগোলিক বৈচিত্র্য অতি বিচিত্র । রোমান লেখক কুইনটাস কার্টিয়াস রুফুস এই বৈপরীত্যের কথা উল্লেখ করেছেন।







মানচিত্রে ব্যাকট্রিয়া



গ্রিক সম্রাট আলেকজান্দারের পারস্য আক্রমনের সময় গ্রিকরা ব্যাকট্রিয়ায় নতুন নগর গড়ে বসবাস করতে শুরু করে । ব্যাকট্রিয়ার স্থানীয় লোকজনও বাস করত সে নগরে। খ্রিস্টপূর্ব ৩২৫ সালে একটি ভারতীয় নগর অবরোধ সময় আলেকজান্দার আহত হলেন । ঠিক ঐ সময়ই ব্যাকট্রিয়ায় বসবাসকারী গ্রিকরা গ্রিসে ফিরে যেতে চাইল । উপরোন্ত ব্যাকট্রিয়ার স্থানীয়রাও চাইছিল না যে ব্যাকট্রিয়ায় গ্রিকরা থাকুক। তারা আন্দোলন শুরু করে।





প্রাচীন ব্যাকট্রিয়ার চিহ্ন



যা হোক। গ্রিক সৈন্যরা কঠোর হাতে অরাজকতা দূর করে। এরপর ৩২৩ খ্রিস্টপূর্বে আলেকজান্দার মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর একজন উত্তাধিকারীর নাম পারডিকাস। তিনি সেনাপতি পেইথনকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য ব্যাকট্রিয়ায় পাঠালেন। পেইথন চাইলেন গ্রিকরা ব্যাকট্রিয়ায় থাকুক। কিন্তু তারা বিদ্রোহ করে। পেইথন এর অনুগত গ্রিক সৈন্যরা তাদের হত্যা করে। এভাবে ব্যাকট্রিয়ায় বসবাসকারী গ্রিকদের সংখ্যা কমে এল। অর্থাৎ

গ্রিকদের আর ব্যাকট্রিয়ায় ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য থাকল না।







ব্যাকট্রিয়ায় গ্রিক নগরের মডেল



এর মধ্যে একচ্ছত্র ক্ষমতার লক্ষ্যে আলেকজান্দার এর সেনাপতিদের মধ্যে ব্যাবিলনে সংঘাত বাধল। ৩০৮ খ্রিস্টপূর্বে ১ম সেলুকাস নিকেতর ব্যবিলনীয় যুদ্ধে জয়লাভ করেন। এরপর ব্যাকট্রিয়ায় নতুন সৈন্য অনুপ্রবেশ করল। ব্যাকট্রিয়া সেলুসিদ বংশের অধীন হয়ে পড়ে। সম্রাট ১ম সেলুকাস নিকেতর এর ছেলে অ্যান্টিওকাস ১ম সোটার ব্যাকট্রিয়া শাসন করতে থাকে। তাঁর শাসনের ধরন ছিল পারশিক।







পার্থিয়ার মানচিত্র



ব্যাকট্রিয়ার পশ্চিমে পার্থিয়া। ২৪৫ খ্রিস্টপূর্বে পার্থিয়ার প্রাদেশিক শাসনকর্তা (সাটরাপ) অ্যান্ড্রাগোরাস সেলুসিদ কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে; এই গোলযোগের সুযোগে মধ্য এশিয়ার তৃণভূমির পার্ণি গোত্র পার্থিয়া আক্রমন করে। সেলুসিদ সৈন্যরা পার্নিদের প্রতিরোধ ব্যর্থ হয়। পার্নিরা পার্থিয়া ধ্বংস করে।







মানচিত্র। গান্ধার। বর্তমান পকিস্তান। ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজারা যখন গান্ধার ও পাঞ্জাব দখল করে সে সময় মৌর্য শাসন ক্ষয়ে যাচ্ছিল।



গ্রিক ও মেসিডোনিয়রা এরপর ইউরোপ হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ডিওডোটাস ব্যাকট্রিয়ায় স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন। ইনি পার্নিদের সমর্থন দিয়েছিলেন। যদিও সেলুসিদ সম্রাট ৩য় অ্যান্টিওকাস ২০৬ খ্রিস্টপূর্বে পার্থিয়া ও ব্যাকট্রিয়া আক্রমন করে তা সত্ত্বেও এতদ্বঞ্চলের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখেন। ব্যাকট্রিয়ার রাজা ইউদিদেমাস ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। ১৮৪ খ্রিস্টপূর্বে ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজারা গান্ধার ও পাঞ্জাব দখল করেন।





দেমেট্রিয়াস



ইউদিদেমাস এর পুত্র দেমেট্রিয়াস তক্ষশিলায় তাঁর শাসনের কেন্দ্র করে তোলেন। তক্ষশিলাকে গ্রিক নগরীর আদলে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন। তক্ষশিলা হয়ে ওঠে শিক্ষাদীক্ষার কেন্দ্র । বিশেষ করে বৌদ্ধসংস্কৃতির বিকাশ লাভ করে। ভারতীয় শিল্পের সঙ্গে গ্রিক শিল্প মিলে গান্ধার শিল্প গড়ে উঠে।





বৌদ্ধ মূর্তি। মুখায়ব ভারতীয়; কাজের ছাঁচটি গ্রিক। এইই গান্ধার শিল্পে মূল বৈশিষ্ট্য।







নাগসেন রচিত মিলিন্দ পহনো গ্রন্থের প্রচ্ছদ।



আমাদের এই লেখার বিষয় মিলিন্দ পহনো। ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজা মিলিন্দ এর পরিপ্রেক্ষিত বোঝার জন্যই সংক্ষেপে ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজাদের ইতিবৃত্তটি বলতে হল। এবার নাগসেন সম্বন্ধে কিছু কথা বলা দরকার। নাগসেন প্রথম জীবনে ব্রাহ্মণ ছিলেন, সম্ভবত গান্ধারে বাস করতেন। পরে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহন করেন। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ তাঁর সময়কাল বলে চিহ্নিত করা গেছে। সর্বশেষ ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজা মিলান্ডার (বা মিলিন্দ) বৌদ্ধধর্মে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন এবং ঐ ধর্মে দীক্ষা নেওয়ার পূর্বে বৌদ্ধ পন্ডিত নাগসেনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। আগেই বলেছি -পালি সাহিত্যে এই আলোচনা মিলিন্দ পহনো বা মিলিন্দ প্রশ্ন আখ্যায় লিপিবদ্ধ আছে।







বিশ্বের পড়ুয়া মহলে বইটি আদৃত।



মিলান্ডার শাসন করেন ১৫৫ থেকে ১৩০ খ্রিস্টপূর্ব। ইনি ছিলেন ২য় অ্যান্টিমাকাস এর উত্তরাধিকারী। মিলান্ডার ১ম দেমেট্রিয়াস এর কন্যা আগাথোক্লেইয়াকে বিবাহ করেছিলেন। এর রাজত্বকালেই ব্যাকট্রিয় গ্রিক সাম্রাজ্যের সীমানা বৃদ্ধি পেয়েছিল। তক্ষশিলা ছিল কেন্দ্র এবং পশ্চিম পাঞ্জাব ও গান্ধারের রাজধানী।





মিলান্ডার আমলের রুপার দ্রাকমা (গ্রিক মুদ্রা)



রাজা মিলান্ডার এর ২৫০ টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন নাগসেন। তারপর মিলান্ডার ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন। মিলিন্দ পহনো সাতটি অধ্যায়ে বিভক্ত।



১ পটভূমি ইতিহাস

২ স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের ওপর প্রশ্ন

৩ দুবোধ্যতা দূর করবার জন্য প্রশ্ন

৪ দ্বন্দ বিষয়ক প্রশ্ন

৫ উদাহরণ দিয়ে প্রশ্নের উত্তর

৬ সংযমের বিশেষ গুণ

৭ তুলনামূলক প্রশ্ন





ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজা মিলান্ডার এর প্রশ্নের ধরনে গ্রিক বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। যেমন প্রজ্ঞান বৈশিষ্ট সম্পর্কে মিলান্ডার বলছেন: মাননীয় নাগসেন, প্রজ্ঞার স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য কি?

নাগসেন বললেন, আমি আগেই আপনাকে বলেছি মহারাজ কঠোরতা প্রজ্ঞার স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য। এখন আবার বলছি আলোকময়তা প্রজ্ঞার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।

রাজা জিজ্ঞেস করলেন, মাননীয় নাগসেন, কী ভাবে আলোকময়তা প্রজ্ঞার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য?

নাগসেন বললেন, মহারাজ উদীয়মান প্রজ্ঞা অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে। অর্ন্তদৃষ্টির উজ্জ্বলতা উৎপন্ন করে। জ্ঞানের আলোক আনে। আর্যসত্যকে প্রকাশ করে। উপরোন্ত আধ্যাত্মিক সাধক পূর্নজ্ঞানে দেখতে পায় অনিত্য, অতৃপ্তি ও অন্তসারশূন্যতা।

উদাহরণ দিন। রাজা বললেন।

নাগসেন বললেন, ধরুন এক ব্যক্তি অন্ধকার ঘরে প্রদীপ নিয়ে এল। প্রদীপ জ্বালাতেই আলো হল, আর আঁধার দূর হল। এভাবে উৎপন্ন হল উদ্ভাসন। আলোক প্রকাশিত হল, সেই সঙ্গে রুপও গোচরীভূত হল। এভাবে প্রজ্ঞার উত্থানে বিদূরিত হল অজ্ঞতার অন্ধকার। জ্ঞানের আলো এল। আর্যসত্য প্রকাশিত হল। উপরোন্ত আধ্যাত্মিক সাধক পূর্নজ্ঞানে দেখতে পেল অনিত্য, অতৃপ্তি ও অন্তসারশূন্যতা।

রাজা বললেন, মাননীয় আপনি সত্যিই জ্ঞানী। তারপর রাজা বললেন, এবার বলুন চেতনার স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্য কি?

নাগসেন বললেন, চেতনার স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্য অবধারণ করা।

উদাহরণ দিন। রাজা বললেন।

নাগসেন বললেন, ধরুন একজন নগরপরিদর্শক নগরের মধ্যিখানে চৌরাস্তায় বসে আছে। সে পূর্বদিক থেকে আসা একজন ব্যাক্তিকে দেখতে পাবে, দক্ষিণ দিক থেকে আসা একজন ব্যাক্তিকে দেখতে পাবে, পশ্চিম দিক থেকে আসা একজন ব্যাক্তিকে দেখতে পাবে এবং উত্তর দিক থেকে আসা একজন ব্যাক্তিকে দেখতে পাবে । এভাবে সচেতন ব্যাক্তি চোখ দিয়ে রুপ দেখতে পারে, কান দিয়ে শব্দ শুনতে পারে, নাক দিয়ে গন্ধ নিতে পারে, জিভ দিয়ে স্বাদ নিতে পারে, স্পর্শ দ্বারা সচেতন হতে পারে, মন দ্বারা উপলব্দি করতে পারে। এ হল চেতনার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।

আপনি জ্ঞানী মাননীয় নাগসেন। রাজা বললেন।



ব্যাকট্রিয় গ্রিক রাজা মিলান্ডার এর এরকম ২৫০টি প্রশ্নই বৌদ্ধধর্মে মিলিন্দ পহনো বা The Milindapañha নামে পরিচিত।

মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫২

কথক পলাশ বলেছেন: প্রিয়তে নেবার জন্য এমন একটি পোস্ট খুঁজছিলাম। ভবিষ্যতে আরো পাবো তো?

সুন্দর একটি তথ্যবহুল পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অবশ্যই পাবেন। আমার তো এরকম বিষয়েই লিখতে ভালো লাগে।
অনেক ধন্যবাদ।

২| ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৭

কিরিটি রায় বলেছেন: যেতে যেতে পোষ্ট দেখে আবার লগিন।..

জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে ঋনি করছেন। আর ঋদ্ধ হচ্ছেন।

আরো আলোর অপেক্ষায়...

১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: কৃতজ্ঞতা।

৩| ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১২

দীপান্বিতা বলেছেন: অনেকগুলো নতুন পোস্ট এসে গেছে!!!


ইমন ভাই! আপনি এতো জানেন! আপনার লেখা আর ছবিগুলো দেখে খুব ইচ্ছে হয় ওই সব জায়গায় গিয়ে সব নিজের চক্ষে দেখে আসি...... আপনি গেছেন, এরকম!

১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: নাঃ, আমি বাংলাদেশের বাইরে কখনও যাইনি। কলেজে পড়ার সময় একবার ভাবলাম কলকাতা যাই-ও শহরে বিদ্যাসাগর বাস করতেন ...পরে আর যাওয়া হয়নি ...

৪| ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৯

পল্লী বাউল বলেছেন: মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়লাম একটানা।
+++

১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: বৌদ্ধধর্মের বিকাশের ইতিহাস সত্যিই বিস্ময়কর ...

৫| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩১

জাতিষ্মর বলেছেন: ভালো লাগলো।

"আর্যসত্য" এই টার্মটার মানে কি?

ইন্ডিয়াতে মিলিন্দ নাম টা অনেকের মধ্যে দেখি। মনে হয় উনার কাছ থেকেই আসছে।

১৫ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:০০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আর্যসত্য হল ধ্যানের পর বুদ্ধের ৪টি উপলব্ধি। ১. জগৎ দুঃখময়। ২.দুঃখের কারণ আছে।৩. দুঃখ দূর করা সম্ভব এবং ৪. দুঃখ দূর করার জন্য সঠিক পথে চলা।

মিলিন্দ? হ্যাঁ। তাই হবে।
ধন্যবাদ।

৬| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৮

আকাশ_পাগলা বলেছেন: দারুণ।
++++++++++

১৫ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:০০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৭| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৮

কুয়াশা বলেছেন: আপনি মানচিত্র এবং মূদ্রাগুলির ছবি কোথায় পেলেন? দয়া করে সোর্সগুলি বলবেন। প্রিয়তে রাখলাম

১৫ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:০২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমি ছবিগুলি ইন্টার নেট থেকে নিয়েছি। যেমন গুগল সার্চে গান্ধার লিখলে অনেকগুলি ছবি আসবে। সেখান থেকে আমি নির্বাচন করেছি। ব্যাকট্রিয়া কিংবা অন্যান্য ছবি বেলায়ও একই উপায় অবলম্বন করেছি।
অনেক ধন্যবাদ।

৮| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২১

নুভান বলেছেন: খুব ভালো লাগলো ইমন ভাই। ব্যাক্ট্রিয়া রাজ্যের বিস্তার ও পতন নিয়ে একটি পর্ব আশা করছে।

১৫ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: O.k.

৯| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০০

রেজোওয়ানা বলেছেন: মিলিন্দ পহনো উপসংহারে প্রশ্নের সংখ্যা ২৬৩ টি উল্লেখ করা আছে, তবে বর্তমান কালে যে সংকলনে পাওয়া যায় ওখানে আছে ২৩৬ টা।
এখানে দেখুন.......

১৫ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: দেখছি।

১০| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৭

তারার হাসি বলেছেন:
১. জগৎ দুঃখময়।
২.দুঃখের কারণ আছে।
৩. দুঃখ দূর করা সম্ভব এবং
৪. দুঃখ দূর করার জন্য সঠিক পথে চলা।

কি অদ্ভুত ! বিপরীতটাও হতে পারত।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: হুমম।

১১| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৯

আকাশ অম্বর বলেছেন: আধ্যাত্মিক সাধক পূর্নজ্ঞানে দেখতে পেল অনিত্য, অতৃপ্তি ও অন্তসারশূন্যতা।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: তাই তো ...

১২| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৮

শিরীষ বলেছেন: অনুরোধ রাখার জন্য ধন্যবাদ ইমন ভাই। আপনি পাঠকের সামান্যতম তৃষ্ণার বিষয়টিও এত সচেতন ভাবে মনে রাখেন, ভাবলে অবাক হই! কনফুসিয়াস এর একটি উক্তি মনে পড়ছে - "অজ্ঞতা হল অন্ধকার রাত্রি যে রাত্রিতে চাঁদ নেই তারা নেই।" এই ব্লগপাতাটি একটি জোৎস্না রাত।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: "অজ্ঞতা হল
অন্ধকার রাত্রি
যে রাত্রিতে চাঁদ নেই
তারা নেই।"
এই ব্লগপাতাটি একটি জোৎস্না রাত।

কবি!

১৩| ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪১

দীপান্বিতা বলেছেন: চলে আসুন ইমন ভাই সময় করে! :)

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: যাব হয়তো কোনও দিন ...

১৪| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

ভাঙ্গন বলেছেন: জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ,বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব' ভাঙ্গন, ইমন জুবায়ের ভাইয়ের ব্লগ পড়ে পড়ে এই অপবাদ ঘোছাবে:)

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: তাই?

১৫| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২১

চতুষ্কোণ বলেছেন: ইমন ভাই এই ধরণের বিষয়গুলো বরাবরই ভালো লাগে। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

১৬| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩২

অনিকেত বলেছেন: +

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৫৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৭| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫১

মে ঘ দূ ত বলেছেন: কয়েকটা লাইন মনে পরলো তাই শেয়ার করছি -

"হাজার বছরের বাঙালী সংস্কৃতি" বইটিতে সংস্কৃতির সংঙ্গা দেয়া কিরকম কঠিন সেটি বুঝাতে লেখকঃ

"গ্রীকা রাজা মিলিন্দ গিয়েছিলেন বৌদ্ধাচার্য নাগসেনের সাথে দেখা করতে। নাগসেন মিলিন্দকে জিজ্ঞেস করলেন, "মহারাজ, আপনি রথে চড়ে এসেছেন, কিন্তু রথ কি?"। জবাবে রাজা বললেন, রথ হল চাকা লাগানো একটা শকট, যা ঘোড়ায় টেনে নিয়ে যায়। ঋষি জিজ্ঞেস করলেন, তা হলে ঘোড়া কি রথ? রাজা বললেন, না। তবে চাকাগুলো কি রথ? রথের সংঙ্গা দেওয়ায় যদি এত্ত কঠিন হয়, তা হলে সংস্কৃতির সংঙ্গা দেয়া অসম্ভব মনে হতে পারে..."

১৮| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৪

দীপান্বিতা বলেছেন: অবশ্যই ...অবশ্যই :)

১৯| ২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৪

মেঘ শূন্য দিন বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম পড়ে আরো ভাল করে পড়বো। অভিনন্দন এরকম তথ্যবহুল একটি পোষ্ট এর জন্য। শুভেচ্ছা রইলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.