| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইমন জুবায়ের
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]
![]()
উল্কি। উল্কি হল অমোচনীয় কালি দিয়ে মানব শরীরে বিচিত্র বর্ণের অলঙ্করণ। মানুষের সংস্কৃতির ইতিহাসে এই পদ্ধতিটি বহু পুরনো এবং প্রত্যেক জাতিই কমবেশি উল্কির ব্যবহার করে থাকে। অলঙ্করণের জন্য না-হলেও পশুর শরীরে উল্কি আঁকে না এমন কোনও জাত নেই। উল্কির ইংরেজি Tattoo; শব্দটি উদ্ভুত হয়েছে পলিনেশিয় (প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ) শব্দ tatau থেকে; কোথাও কোথাও এটি নিষিদ্ধ হলেও আজও এর জনপ্রিয়তা উর্ধ্বমূখিই বলা যায় ...
মানুষ বরাবরই তার দৈহিক সৌন্দর্য নিয়ে ছিল সচেতন। আর একারণেই তার পোশাক-পরিচ্ছদ, অলঙ্কার-প্রসাধন নিয়ে সচেতনার শেষ নেই। কালক্রমে উল্কি মানুষের সৌন্দর্য চর্চার অঙ্গ হয়ে ওঠে। যদিও উল্কি কেবলই সৌন্দর্য চর্চা নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু। সৌন্দর্য চর্চার অঙ্গ হিসেবে উল্কি বিচিত্র ধরনের অলঙ্করণ, বিচিত্র হলেও এটি গ্রহনীয় ও জনপ্রিয় । মানুষের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ইতিহাসে ত্বক চ্ছেদ করে বর্ণিল নকশা আঁকার বিষয়টি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গিয়েছে। ![]()
মানুষ শরীরে উল্কি আঁকে কেন?
উল্কি আঁকার পিছনে কতগুলি কারণ বিবেচনা করা যায় । প্রথমত, আগেই আমি বলেছি যে, অলঙ্করণ-তবে এর সঙ্গে আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্যও রয়েছে, এবং এটিই মনে হয় অন্যতম একটি কারণ, কেননা, সব উল্কিই যে দেখতে সুন্দর - তা কিন্তু নয়। শরীরে তাবিজ-কবজ বেঁধে মানুষ স্বস্তি পায়, অস্বীকার করার উপায় নেই যে- পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ আজও একুশ শতকে ‘ইভিল স্পিরিটে’ বিশ্বাস করে! কাজেই শরীরে তাবিজের নকশা অনুযায়ী উল্কি এঁকে নিলে অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া গেল আবার সৌন্দর্যের চর্চাও হল। ![]()
তাছাড়া শরীরে উল্কি আঁকা ট্রাইবাল সমাজে সামাজিক পদমর্যাদার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হত । এ ছাড়া কখনও প্রেমের নিদর্শন, কখনও শাস্তির চিহ্ন কখনও শোক, কখনও আবার উৎসর্গের চিহ্ন হিসেবেও উল্কি আঁকা হয়।
উল্কি আঁকার রীতি মানবসমাজে কত পুরনো?
এই প্রশ্নটি উঠতেই পারে।
একটা সময় ছিল যখন মানবসমাজের প্রাচীন উল্কির নিদর্শন হিসেবে আজ থেকে ৪,০০০ বছরের পুরনো প্রাচীন মিশরের মমির উল্কির কথা বলা হত। তবে গত শতকের নব্বুয়ের দশকের শুরুতে জানা গেছে যে মানবদেহে উল্কি আঁকার রীতি আরও বহু বছরের পুরনো। আল্পস পবর্তমালায় ওটৎ উপত্যকায় পাওয়া ৫,২০০ বছরের পুরনো নবপোলীয় যুগের ‘ওটৎ দি আইসম্যানে’-র যে ফসিলটি পাওয়া গেছে তার শরীরেও উল্কি আঁকা ছিল। ![]()
ওটৎ দি আইসম্যান। এর মেরুদন্ডের নিচে, বাঁ হাঁটুর নিচে এবং ডান গোড়ালিতে ৫৭টি উল্কির চিহ্ন ছিল। উল্কিগুলি ছিল বিন্দু রেখার সমন্বয়ে তৈরি।
প্রাচীন মিশরে উল্কির কথা উল্লেখ করেছি। প্রাচীন মিশরীয় সমাজে মেয়েরা শরীরে উল্কি আঁকত। ৪০০০ থেকে ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বের মূর্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়। ১৩০০ খ্রিস্টপূর্ব প্রাপ্ত এক নারীমূর্তির উরুতে উল্কি করা ছিল। বয়স্ক নারীরা উল্কি আঁকায় ছিল দক্ষ, তারাই কমবয়েসিদের শরীরের নানা স্থানে উল্কি আঁকত। ![]()
প্রাচীন পারস্যের সমাজে উল্কি আঁকার চল ছিল। গ্রিকরা পারস্যেরদের এই রীতিটি গ্রহন করেছিল- বিশেষ করে মেয়েরা; গ্রিক মেয়েরা নাকি উল্কির নকশায় পরম সৌন্দর্য আবিস্কার করেছিল। গ্রিকরা দাসদের শরীরে চিহ্ন বসাতে উল্কি আঁকত। গুপ্তচরেরা উল্কি ব্যবহার করত।
খ্রিষ্টের জন্মের ২০০ বছর আগে গ্রিস রোমানদের অধিকারে গেল। রোমানরাও সৌন্দর্য চর্চায় গ্রিকদের কাছ থেকে উল্কি আঁকার রীতিটি গ্রহন করেছিল। তবে অনেক দাস ও অপরাধীরও শরীরে উল্কি আঁকা হত।
একালেও বন্দির শরীরে উল্কি আঁকা হয়।![]()
২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে নাৎসী কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে এক বন্দির হাতে আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার ।
খ্রিস্টপূর্ব সময়ের জার্মানিক ও কেল্টিক জাতি উল্কির ব্যবহার করত । মধ্য ও উত্তর ইউরোপীয় ট্রাইবও উল্কির ব্যবহার করত । ট্রাইবাল কেল্টরা ১২০০ থেকে ৭০০ খ্রিস্টপূর্বর মধ্যবর্তী সময়কালে পশ্চিম ইউরোপে অভিপ্রয়ান করে। ৪০০ খ্রিষ্টপূর্বে তারা ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছায়। ওদের সংস্কৃতির ওপরই গড়ে উঠেছে বর্তমান কালের আয়ারল্যান্ড, ওয়েলশ ও স্কটল্যান্ডের সংস্কৃতি। জনৈক ঐতিহাসিক এ প্রসঙ্গে লিখেছেন, “কেল্টিক কালচার ওয়াজ ফুল অভ বডি আর্ট।”![]()
কেল্টিক বডি আর্ট
১৯৪৮ সালে রাশিয়া ও চিন সীমান্তের ১২০ মাইল উত্তরে রুশ প্রতœবিদদের খননকার্যের ফলে ২৪০০ বছর আগেকার মমিতে উল্কি চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। তারা শকদের সমাধিসৌধ (কুরগান) খনন করছিল। মৃত শকদের শরীরে পশুর ছবি আঁকা ছিল। উল্কি আঁকার উদ্দেশ্য ছিল মিশ্র। আধ্যাত্মিক ও অলঙ্করণ।![]()
শক গোত্রপ্রধানের শরীরে উল্কি
চিন জাপান কোরিয়াতেও প্রাচীনকাল থেকেই উল্কির ব্যবহার ছিল। জাপানি শব্দ irezumi অর্থ হল: কালির প্রবেশ বা ঢোকানো। তবে আজকের পশ্চিমা বিশ্বের যে উল্কির চল, তা মূলত এসেছে পলিনেশিয় সংস্কৃতি থেকে। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের আদি অধিবাসী মাওরিদের কাছ থেকে। ![]()
মাওরি গোত্রপ্রধান। উল্কি বা টাটু মাওরিসংস্কৃতির অন্যতম ভিজুয়াল বৈশিষ্ট্য। মুখভরা টাট্টুকে বলা হয় মোকো। মেয়েরা অবশ্য মোকো করতে পারে না। তাদের অনুমতি নাক থুতনি আর ওপরের ঠোঁট অবধি।
অষ্টাদশ শতকের নৌ অভিযাত্রীরা পলিনেশিয় সংস্কৃতি আবিস্কার করে। পলিনেশিয় সংস্কৃতির অন্যতম দিক উল্কি-তা অভিনব বৈশিষ্ট্যের কারণে রাতারাতি ইউরোপীয় নাবিকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। একটি সূত্র অনুযায়ী: পলেনিশিয় শব্দ tatao থেকেই ইংরেজি Tattoo শব্দের উদ্ভব- যার আক্ষরিক অর্থ হল টোকা বা বৈশিষ্ট্যসূচক চিহ্ন। ক্যাপ্টেন জেমস কুক ১৭৬৯ সালে শব্দটি প্রথম চয়ন করেন। ![]()
আধুনিক উল্কি আঁকার যন্ত্রপাতি। আজকাল উল্কি আঁকা সহজ হলেও আগে পদ্ধতিটি ছিল নিষ্ঠুর ও যন্ত্রণাদায়ক । ধারালো তীক্ষ্ম চিরুনিতে কার্বনের গুঁড়ো মেখে আঁক কাটতে হত। ![]()
মেহেদি। বাঙালির সমাজে মেয়েদের (কোনও কোনও ক্ষেত্রে ছেলেদেরও) মেহেদি রাঙানো কি উল্কির পর্যায়ে পড়ে। শরীরের কোনওরুপ পরিবর্তন ইসলামে নিষিদ্ধ। কাজেই উল্কিও -তবে শিয়া ইসলামে নাকি উল্কির ব্যবহার করা যায়। বাঙালির সমাজে মেয়েদের (কোনও কোনও ক্ষেত্রে ছেলেদেরও) মেহেদি রাঙানো এক ধরনের উল্কির চর্চা বলেই মনে হয়। কেননা, প্রথমেই বলেছি-কোথাও কোথাও এটি নিষিদ্ধ হলেও এর জনপ্রিয়তা বরাবরই উর্ধ্বমূখিই ছিল ...তবে বাঙালি মেয়েদের মেহেদি রাঙানোর বিষয়টি উল্কি হলে এর সৌন্দর্য যে উল্কি-জগতে বড়ই মনোরম এবং ব্যাতিক্রমী সে ব্যাপরে সন্দেহ কী। ![]()
আধুনি ভারতীয় নারীর হাতে মেহেদি-উল্কি![]()
উল্কির সুঁই কতটা নিরাপদ? এই প্রশ্ন উঠেছে। সুঁই বলেই হেপাটাইটিসের ঝুঁকি থাকে। যে কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোথাও নিষিদ্ধ কোথাও বা ১৮ বছরের কম বয়েসে এর প্রয়োগ নিষিদ্ধ। এখন শরীরে ছুঁচ ঢোকানোর পরিবর্তে আঠালো ষ্টিকার পাওয়া যায়। যা সহজে খুলে ফেলা যায়। যুগটা বিজ্ঞানের বলেই কোথাও কোথাও লেজার রশ্মিও ব্যবহৃত হচ্ছে।
তথ্য ও ছবি: উইকিপিডিয়াসহ ইন্টারনেটে প্রাপ্ত নানা ওয়েভসাইট মাইক্রোসফট এনকার্টা
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: খুঁজেন। খুঁজলেই পাবেন।
২|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০
সিউল রায়হান বলেছেন: বরাবরের মতই দারুন
অনেক কিছু জানলাম
( আমার অনেক শখ ঘাড়ের উপরে এবং মাথার নিচের যে অংশটা ওটায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লোগোটা উল্কি করবো কিন্তু আমাদের দেশের উল্কি করার প্রচলন নাই দেখে সাহস পাইনা)
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হ্যাঁ। এখানে এখনও ...
৩|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮
রিফাত হোসেন বলেছেন: পড়ে ভাল লাগল ।
তবে আমি শুনেছি যে উল্কি উঠানো যায় তিনভাবে এর মধ্যে সবচেয়ে এফেকটিব পদ্ভতি হচ্ছে লেজার সার্জারী ।
তবে এতে ক্যান্সার হবার আশংকা আছে শুনেছি ।
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: এখন লেজার ব্যবহার হচ্ছে।
ক্যান্সার হবার আশংকা থাকলে তো করা উচিত না!
৪|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: শব্দটা শুনলেই মেজাজ খারাপ হয়।
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হুমম।
৫|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪১
তুষারকনা বলেছেন: বরাবরের মতোই ভাল লাগলো....++++++
"ওটৎ দি আইসম্যান" নিয়ে আপনার কোন পোষ্ট আছে কি??? এ বিষয়ে জানতে ইচ্ছে করছে।যদি না থাকে তবে এ নিয়ে একটা পোষ্ট এর অপেক্ষায় থাকলাম....
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: "ওটৎ দি আইসম্যান" নিয়ে আমার কোনও পোস্ট নেই। তবে লিখব আশা করি।
অনেক ধন্যবাদ ।
৬|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০
রাজামশাই বলেছেন: হারাম হারাম ......................
তয় মেহেদি রাঙ্গা হাত ভালা পাই
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: শরীরের কোনওরুপ পরিবর্তন ইসলামে নিষিদ্ধ। কাজেই উল্কিও -তবে শিয়া ইসলামে নাকি উল্কির ব্যবহার করা যায়। বাঙালির সমাজে মেয়েদের (কোনও কোনও ক্ষেত্রে ছেলেদেরও) মেহেদি রাঙানো এক ধরনের উল্কির চর্চা বলেই মনে হয়।
৭|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
জোশিলা!
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হুমম।
৮|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১০
অরুদ্ধ সকাল বলেছেন:
আমি উল্কা আকুম
ইমন কবি কোথায় তুলি নিয়া আসেন
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: কি কলেন?
৯|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১১
সালেহীন শিপ্রা বলেছেন: ভালো লাগলো।
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
১০|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১
দীপান্বিতা বলেছেন: আমিও করবো ভাবছি...
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: কি!
১১|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩
রাজামশাই বলেছেন: মেহেদি ইসলামে নিষিদ্ধ নয় ...
কিন্তু উল্কি আকা নিষিদ্ধ কারণ একটা স্থায়ী অন্যটা অস্থায়ী
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: জ্বী।
১২|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫
দীপান্বিতা বলেছেন: উল্কি ![]()
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: বেশ!
১৩|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৪
নতুন রাজা বলেছেন: একটা করবো নাকি ভাইয়া
???
২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: বেশ! ![]()
১৪|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২০
তাজা কলম বলেছেন: উল্কি পুরান ভাল লাগল।+
২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৫|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৩
পল্লী বাউল বলেছেন: উল্কির ইতিহাস পড়ে এখন নিজেরই উল্কি আকাঁর লোভ হচ্ছে।
ইমন ভাই, বাংলাদেশে কি স্থায়ী উল্কি আকাঁর কোন প্রতিষ্টান আছে।
২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমার একেবারেই জানা নেই। আচ্ছা দেখি খোঁজ নিয়ে ...
১৬|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:১০
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: পড়তে ভালো লাগল ।
প্রিজন ব্রেক এর কথা মনে পড়ে গেল!
সারা শরীরে উল্কি আঁকা ছিলো!!
২৪ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৪১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: তাই নাকি?
১৭|
২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩১
শয়তান বলেছেন: এশিয়ানদের ট্যান কালারে উল্কি কতটাইবা আর ফোটে
২৪ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৪২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: বেশ ভাববার বিষয় তো।
১৮|
২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: দেহে উল্কি ধারন আর মেহেদী রাঙানো একই পর্যায়ে পড়ে কীন আমার সন্দেহ আছে।
যাই হোক, উল্কি নিয়ে উল্কা পোষ্ট ভাল লেগেছে।![]()
২৪ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৯|
২৪ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:২৯
অপু২৮৩৮ বলেছেন: ভালো লাগলো
২৪ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
২০|
২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৮
নাজিম উদদীন বলেছেন: কতরকম ট্যাটু যে দেখলাম, খুবই জনপ্রিয় একটা কালচার। আগে ট্যাটু পার্মানেন্ট ছিল,আজকাল ওঠানো যায় তবে খুবই কষ্টকর। পিয়ার্সিং আরেকটা জনপ্রিয় কালচার যেটা মনে হয় সব জায়গাতেই আছে।
২৫ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: শয়তান বলেছেন: পিয়ার্সিং জঘন্য লাগে ।
২১|
২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৬
শয়তান বলেছেন: পিয়ার্সিং জঘন্য লাগে । এবং বিভৎস্যও
২৫ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: নাজিম উদদীন বলেছেন: পিয়ার্সিং আরেকটা জনপ্রিয় কালচার যেটা মনে হয় সব জায়গাতেই আছে।
২২|
২৫ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:১৭
রেজোওয়ানা বলেছেন: ট্যাটু ভাল লাগে না।
২৫ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হুমম।
২৩|
২৫ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: তবে লেখা ভাল লেগেছে (পুরাতন কথা).......
২৫ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
২৪|
২৬ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৪৩
শায়মা বলেছেন: এই উল্কি ইতিহাস খুবই ভালো লাগলো। তবে উল্কি এক ভয়াব হ পদ্ধতি মনে হয় আমার কাছে। এর চাইতে মেহেদিই ভালো।
২৬ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: মেহেদি আসলেই ভালো।
২৫|
২৬ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০৫
করবি বলেছেন:
উল্কি ভালো লাগে না , তবে আপনার তথ্যবহুল লেখা ভালো লেগেছে।
২৬ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ ...আচ্ছা, অনেক ধন্যবাদ।
২৬|
২৬ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১০
নতুন বলেছেন: মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে ডাফি ডাকের একটা উলকি করতে... যে সে ঘাস কাটার মেসিনচালাইতাছে...
২৬ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: করেন
২৭|
২৬ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: পিয়ার্সিং ও ভাল্লাগে। ট্যাটুও ভাল্লাগে।
সবই ভাল্লাগে।
ফ্রী করাইলে সবই করুম।
তয়, টাকা চাইলে কোন কিছুতেই আমি নাই।
লেখা চরমজ হইসে। ভাল্লাগসে।
২৬ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ফ্রী করাইলে সবই করুম।
তয়, টাকা চাইলে কোন কিছুতেই আমি নাই।
২৮|
০৯ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০৭
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমার উল্কি খারাপ লাগে না কিন্তু নিজে কখনও করব না। আর আমি মেহেদি পাগলি তো আগে থেকেই
০৯ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:২৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: মেহেদি পাগলি কথাটা ভীষণই আন্তরিক ঠেকল ...
২৯|
১৮ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৪৮
আগত বলেছেন: ভীষণ ভাল লাগল...
১৮ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: Thanks.
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৮
মোঃ তৈমুর রেজা বলেছেন: বড়ই ইচ্ছা ছিলো...কই যাইয়া যে আকাই