নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্ত্যজ বাঙালী, আতরাফ মুসলমান ...

বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্‌উক, হে ভগবান।রবীন্দ্রনাথ

ইমন জুবায়ের

জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]

ইমন জুবায়ের › বিস্তারিত পোস্টঃ

মারদুক

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫৯





মারদুক। ব্যাবিলন নগরের প্রধান দেবতা। আকাশ ও যুদ্ধের দেবতা মারদুককে কখনও বলা হত বেল-মারদুক। বেল শব্দটি মানে: প্রভূ। খ্রিস্টপূর্ব অস্টাদশ শতক থেকে ব্যাবিলনিয় সাম্রাজ্যে মারদুকের উপাসনা সূচিত হয়। ব্যাবিলনিয় সম্রাট হাম্মুরাপি (খ্রিস্টপূর্ব ১৭৯৫ থেকে ১৭৫৯) এবং প্রথম নেবুচাদনেযর (খ্রিস্টপূর্ব ১১২৫ থেকে ১১০৩) মারদুকের উপাসনায় পৃষ্ঠপোষকতা করেন। ব্যাবিলনে ৪৮৪ খ্রিস্টপূর্ব অবধি মারদুক এর উপাসনা টিকে ছিল, এরপরপরই ব্যাবিলন পারস্যের অধীন হয়ে পড়ে । ব্যাবিলন নগরে মারদুকের যে মূর্তি ছিল, সেটি ব্যাবিলন অবরোধকালে পারস্যের সম্রাট জেরেক্সেস অপসারণ করেন।









ব্যাবিলনের মানচিত্র। ব্যাবিলন শব্দটি আক্কাদিয় শব্দ ‘বাবিলানি’ শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ: “দেবতার দরওয়াজা।” ব্যাবিলন রাজ্যটি দীর্ঘ ও সংকীর্ণ; চওড়ায় ৪০ মাইল, আয়তনে ৮০০০ বর্গমাইল। ২০০০ খ্রিস্টপূর্বে ব্যাবিলন সাম্রাজ্যের রাজধানী হয়ে ওঠে। ইরাকের রাজধানী বাগদাদ শহরের ৫০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত ছিল প্রাচীন ব্যাবিলন নগর, যা বর্তমানে ইরাকি শহর আল-হিললার উত্তরে। উনিশ শতকে নগরটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্বে ব্যাবিলন নগরের সমৃদ্ধি বাইবেলিয় উপকথা বলে ধারণা করা হত।



খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে সেমিটিক অ্যামোনাইট জাতি ব্যাবিলনিয়া রাজ্যটি জয় করেছিল। তার আগে ব্যাবিলনিয়ার দেবতা ছিলেন এয়া এবং এনলিল। অ্যামোনাইট জাতির প্রধান দেবতা ছিলেন মারদুক; স্বভাবতই তারা ব্যাবিলনিয়ায় মারদুককে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিল। এবং এই পালাবদলের বৈধতার জন্য প্রয়োজন ছিল উপকথার। সে উপকথার নাম: ‘ইনুমা এলইশ ।’







ইনুমা এলইশ



সুইডিশ লেখক এবং ঐতিহাসিক Stefan Stenudd লিখেছেন:

The political motif of the epic is to present divine arguments for the supremacy of Babylonia. This is done by glorifying Marduk, who was the primary god of that city-state... He is introduced rather late in the chain of events. Five generations of gods precede him, and the epic mentions no god being born after him. Making him the last can be a way of exalting him over his predecessors, but also this is likely to have been necessary in order to make the story at all believable to the people of that time, who knew of a mythology where other gods had done a lot of the ground work, so to speak.

(দ্র. Click This Link )







ইনুমা এলইশ ট্যাবলেট। এর ভাষা ছিল পুরাতন ব্যাবিলনিয় বা সেমেটিক আক্কাদিয়। ১৮৪৯ সালে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক অস্টেন হেনরি লেয়ার্ড নিনেভ নগরে (বর্তমান ইরাকের মসুল শহর) আসিরিয় সম্রাট আসুরবনিপাল (খ্রিস্টপূর্ব ৬৬৮ থেকে ৬২৭)-এর গ্রন্থাগার থেকে আবিস্কৃার করেন সাতটি কাদার তৈরি ট্যাবলেট। প্রতিটি ট্যাবলেটে ১১৫ থেকে ১৭০ লাইন ছিল।



পন্ডিতেরা মনে করেন: হিব্রু বাইবেল ওল্ড টেস্টামেন্টের আদিপর্ব (বা জেনেসিস)-এর ওপর ‘ইনুমা এলইশ’-এর গভীর প্রভাব রয়েছে। (আসলে আব্রাহিমিয় ধর্মের ওপরে ব্যাবিলনিয় সভ্যতার গভীর প্রভাব রয়েছে।The Bible reveals that all false systems of religion began in the land of Babylon and will have their consummation from the spirit of Babylon in the last days. It is interesting to note that every organized system of religion in the world today has traces of ancient Babylon.

(দেখুন: http://www.bible-history.com/babylonia
/BabyloniaHistory_of_Babylonia.htm



এই ওল্ড টেস্টামেন্ট রচয়িতারাও ছিলেন সেমেটিকভাষী...যাই হোক। তবে ব্যাবিলনিয়ায় মারদুক উপাসনার পথ প্রশস্ত ছিল না। মারদুক উপাসকদের পূর্বতন এনলিল উপাসকদের প্রবল বিরোধীতার মধ্যে পড়তে হয়েছিল। তবে মারদুক টিকে ছিলেন। খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে আসিরিয় প্রধান দেবতা আশুর-এর উপাসকদের বিরোধীতার সম্মূখিন হয়। তবে মারদুককে টলাতে পারেনি। এর প্রধান কারণ ব্যাবিলনিয় জনসমাজে পবিত্র গ্রন্থ ‘ইনুমা এলইশ’- এর আকর্ষন ও জনপ্রিয়তা। ‘ইনুমা এলইশ’ খ্রিস্টপূর্ব দ্বাদশ শতকে লেখা হয়েছিল, যদিও বিষয়বস্তু ছিল প্রাচীন।







ইনুমা এলইশ। প্রথম দুটি শব্দ থেকে নামকরন করা হয়েছে। When on high = ইনুমা এলইশ। ইনুমা এলইশ আরম্ভ হয়েছে এ কথাগুলি দিয়ে:



When on high the heaven had not been named,

Firm ground below had not been called by name,

When primordial Apsu, their begetter,

And Mummu-Tiamat, she who bore them all,

Their waters mingled as a single body,

No reed hut had sprung forth, no marshland had appeared,None of the gods had been brought into being,

And none bore a name, and no destinies determined--

Then it was that the gods were formed in the midst of heaven.Lahmu and Lahamu were brought forth, by name they were called.









‘ইনুমা এলইশ’ অবলম্বনে দেয়ালের গায়ে আঁকা প্রাচীন ছবি



‘ইনুমা এলইশ’ এর মূল বিষয়বস্তু হল : ভয়ঙ্কর এক লোনা জলের দেবী তিলমাৎ কে পরাজিত করেন মারদুক । সে দেবী মহাবিশ্বের স্থিতি ও ঐক্য নষ্ট করেছিল। এ প্রসঙ্গে Dennis Bratcher লিখেছেন: The Enuma Elish is a Babylonian or Mesopotamian myth of creation recounting the struggle between cosmic order and chaos. তিলমাৎ কে হত্যা করে মারদুক স্বর্গ ও মত্য সৃষ্টি করেন। গ্রহ নক্ষত্রের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেন এবং মানবজাতি সৃষ্টি করেন।



ইনুমা এলইশ থেকে পাঠ করা যাক-



আদিতে দুইজন আদিম দেবদেবী ছিলেন। ইহারা হইলেন আপসু এবং তিয়ামাৎ। আপসু ছিলেন সুমিষ্ট জলের দেবতা এবং তিয়ামাৎ ছিলেন লবনাক্ত জলের দেবী। ইহাদের মিলনে মারদুকসহ অন্যান্য দেবদ্বিজের জন্ম হইয়াছিল। যাহা হউক। পিতা এয়া এবং মা ডামকিনা-র পুত্র মারদুক গভীর অতল হইতে উত্থিত হইয়াছিল। সেই অতল হইল পবিত্র আপসুর হৃদয়। চারিটি চক্ষু এবং চারিটি কর্ণসহ মারদুক জন্মিয়াছিলেন পূর্নাঙ্গ, শক্তিশালী ও রূপবান রূপে ...কথা বলিবার সময় থুতুর পরিবর্তে অগ্নি নিক্ষিপ্ত হইত ...তাহার ছিল যাদুকরী শক্তি, বায়ূগন ছিলেন তাহার অধীনস্থ। বাস্তবিকই, মারদুক ছিলেন প্রকৃত বীর। জন্মগত নেতৃত্বদানের ক্ষমতা। প্রথমে সে ছিল ক্ষুদ্র এক দেবতা, পরবর্তীকালে তিয়ামাৎ কে ধ্বংস করিতে ইগিগির রাজা নির্বাচিত হইয়াছিলেন। তিয়ামাৎ-ভয়ঙ্করি জলদেবী, যে আদিম বিশৃঙ্খলা বলিয়া প্রতিভাত হয়। তিয়ামাৎ ছিল প্রাচীন দেবগনের অর্ন্তগত, ক্ষুদ্র দেবগনকে সে র্ভৎসনা করিত ও অপমান করিত। তাহাকে ধ্বংস করিবার ভার মারদুক এর উপর অর্পন করা হইয়াছিল । তিয়ামাৎ কে ফাঁদে ফেলিতে মাদরদুক জাল লইলেন ...তাহার পর বায়ূকে আহব্বান করিলেন রথে উঠিলেন। পিছনে তাহার অনুগত সৈন্যদল চলিল। কোথায় তিয়ামাৎ? জগৎ প্রকম্পিত হইল। তিয়ামাৎ-এর হুঙ্কারধ্বণি অনুসরণ করিয়া মারদুক ছুটিলেন। তিয়ামাৎ কে মারদুক দেখিতে পাইলেন। তিয়ামাৎ মারদুক এর জাদুকরি শক্তি নিষ্ক্রিয় করিতে চেস্টা করিলেন। মাদদুক ছিলেন চতুর। মারদুক তিয়ামাৎ কে সম্মূখ সমরে আহবান করিলেন। তিয়ামাৎ সম্মত হইল।







তিয়ামাৎ



মারদুক এবং তিয়ামাৎ-এর মধ্যে লড়াই চলিল। অবশেষে মারদুক বায়ূর সাহায্য নিয়া তিয়ামাৎ কে জালে আবদ্ধ করিতে সক্ষম হইল। তিয়ামাৎ মারদুককে গিলিয়া খাইতে চেষ্টা করিল ...কিন্তু মারদুক তাহার ভিতরে ইমহুললুকে (বায়ূর নাম) প্রবেশ করাইয়া দিলেন। এই বায়ূ তিয়ামাৎ এর ভিতরে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করিয়া তাহার মুখ খুলিয়া উপরে উড়াইয়া নিয়া গেল ...তাহার পর বীর মারদুক তিয়ামাৎ কে লক্ষ করিয়া তীর ছুড়িল ...ইহাতে তিয়ামাৎ এর উদর ও হৃদয় ছিন্নভিন্ন হইয়া গেল। বিজয়স্বরূপ মারদুক তাহার মৃতদেহের উপরে পা রাখিয়া দাঁড়াইল।







মারদুক এবং তিয়ামাৎ-এর মধ্যে লড়াই



তিয়ামাতের মৃত্যু হইলে মারদুক তিয়ামাৎ এর দলের সৈন্যদের পদদলিত করিয়া ধ্বংস করিল। তিয়ামাৎ এর মরদেহ লইয়া কী করিবে ভাবিয়া পাইল না। সে তিয়ামাৎ-এর খুলি ভাঙিগা ফেলিল, তাহার ধমনী হইতে রক্ত বাহির করিয়া জগতের চতুর্দিকে ছড়াইয়া দিল। অতঃপর মৃত তিয়ামাৎ কে দুই টুকরা করিয়া উর্ধ্বাকাশে তুলিয়া ধরিল। উপরের অংশ দিয়া আকাশের খিলান গড়িলেন। তিয়ামাৎ এর চক্ষুদ্বয় দ্বারা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেতিস নদীর উৎসধারা সৃষ্টি করিলেন। এবং তাহার স্তন দিয়া পর্বতরাশি গড়িলেন ।

অশুভ তিয়ামাৎ নিহত হওয়ায় দেবতাগন হর্ষ করিলেন। তাহারা মারদুককে নানাবিধ উপহার দিলেন। সেই সঙ্গে পঞ্চাশটি পবিত্র নাম উপহার দিলেন। ইহার কয়েকটি হইল-



বেল

আসারু

আসার-আলীম

আসার-আলীম-নুননা

টুটু

জি-উককিন-না

জি-কুগ

আগা-কুগ

টুকু

শাজু

জিসি

শুহরিম

শুহগুরিম

জাহরিম





... মারদুক তাহার নির্মিত আকাশের সীমানা নিরীক্ষণ করিলেন। ব্যাবিলনকে তাহার আবাসস্থল নির্বাচিত করিলেন। ব্যাবিলন কে বসবাসের উপযোগী করিবার জন্য মানবজাতি তৈরি করিলেন ।







মারদুক। মারদুক এর স্ত্রীর নাম সারপানিতুম। পুত্রের নাম নাবু-ইনি প্রজ্ঞার দেবতা।



কয়েকটি পশুর সঙ্গে মারদুক সংশ্লিষ্ট; এই পশুগুলি হল: ঘোড়া, কুকুর এবং চেরা জিভের ড্রাগন। এরা পবিত্র বলে গন্য হত। মারদুক যুদ্ধরথে চড়ে বেড়াতেন; হাতে ধনুক, বর্শা, জাল কিংবা স্বর্গীয় বজ্রের অস্ত্র।। এমন ছবি পাওয়া যায়। তবে, হাতে তরবারি নিয়ে হাঁটছেন-এমন ছবিই পাওয়া গেছে বেশি।







মারদুক। ড্রাগনের পিঠে।



ব্যাবিলনে মারদুক এর দুটি প্রধান উপাসনালয় ছিল।

(ক) এসাগিলা। এবং (খ) এতেমেনাকি।

এসাগিলা উপাসনালয়ে নববর্ষের সময় পবিত্র ‘ইনুমা এলইশ’ থেকে পাঠ করা হত।







এসাগিলা; বাঁয়ে ইউফ্রেতিস নদী।







এতেমেনাকি। জিগুরাট। এর ওপর মারদুক এর উপাসনালয় ছিল। দক্ষিণে এসাগিলা। বাঁয়ে ইউফ্রেতিস নদী। এর মানে ব্যাবিলন নগরে মারদুক এ টেম্পল কমপ্লেক্সটি ছিল ইউফ্রেতিস নদীর পূর্বতীরে।





তথ্যসূত্র:



Click This Link



মন্তব্য ৪৯ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৪৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:০৬

আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন: ভাল লাগিল বরাবরের মত

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: :)

২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২৭

অর্ফিয়াস বলেছেন: অনেক ধঘন্যবাদ ভাই পরিশ্র,লব্ধ লেখাটির জন্য। এটি নিয়মিত করুন প্লিজ।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৩২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। লিখব নিয়মিত।

৩| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৪৬

শিরীষ বলেছেন: আবারো কিছু উপাদান সংগ্রহের রশদ পাওয়া গেল। যথারীতি আরো একটি জ্ঞান ভান্ডার উন্মোচন করলেন অকৃপণ ইমন ভাই।

শুভ নতুন বছর, ঋষি !

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:০৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: কবি! অনেক দিন পর।
শুভেচ্ছা রইল।

৪| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৫০

কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার!

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৫| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৪৭

রোডায়া বলেছেন: নামটা পছন্দ হইছে- বেল মারদুক৷ :)

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:০৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: নামখান আমারও পছন্দ হইছে :P

৬| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১:৫২

বাদ দেন বলেছেন: গুগল রে তথ্যসূত্র হিসেবে না দিয়ে ব্যাবহত লিঙ্ক দিতেন

++++++

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২০

রেজোওয়ানা বলেছেন: পড়তে মজা লাগলো :)

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: হুমম।

৮| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:২২

নিষিক্ত বলেছেন: চমৎকার ! +++++
এবার বলেন; এত তথ্য পান কই.....?

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৫৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: Click This Link

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: Click This Link

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:১০

ইমন জুবায়ের বলেছেন:

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:১১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: http://www.bible-history.com/babylonia/

৯| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৫০

রেজোওয়ানা বলেছেন: হুমান ক্যান X(

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৩১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপনি লিখছেন পড়তে মজা লাগলো :)
পড়তে মজা লাগল মানে? দেবতা মারদুক কে নিয়ে মজা X(
বুঝবেন ... X((

১০| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:২৪

কাঠফুল বলেছেন: ভালো লাগলো। প্রিয়তে রাখলাম +++

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:৩২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৩

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ভাল লগালো জনাব। আপনিতো রীতিমতো পুরাণোপিডিয়া।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: পুরাণোপিডিয়া?
ভালো বলছেন। মাইথোপিডিয়াও বলতে পারেন।
অনেক ধন্যবাদ।

১২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৩২

শয়তান বলেছেন: পন্ডিতেরা মনে করেন: হিব্রু বাইবেল ওল্ড টেস্টামেন্টের আদিপর্ব (বা জেনেসিস)-এর ওপর ‘ইনুমা এলইশ’-এর গভীর প্রভাব রয়েছে। (আসলে আব্রাহিমিয় ধর্মের ওপরে ব্যাবিলনিয় সভ্যতার গভীর প্রভাব রয়েছে।)

-----

আরেকটু বিস্তারিত বলবেন ইমনভাই । ইন্টারেস্ট ফিল করছি ভীষন

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:১০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আব্রাহিমিয় ধর্মের ওপরে কেবল ব্যাবিলনিয় সভ্যতার গভীর প্রভাব নয়-পারশিক ও গ্রিক প্রভাবও রয়েছে। ৫৯৭ খ্রিস্টপূ্র্বে ব্যাবলনিয় রাজা নেবুচাদনেজর জেরুজালেম ধ্বংস করে হিব্রুবাসীদের ব্যাবিলনে বন্দি করে নিয়ে আসেন। এই সময়ে হিব্রুভাষীরা ব্যাবিলনিয় সভ্যতার দ্বারা প্রভাবিত হয়। পরে পারস্যের সম্রাট সাইরাস হিব্রুভাষীদের মুক্ত করেন। ইহুদিরা সিনাগগ এর ধারণা লাভ করেছিল পারস্য থেকে। খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ শতকে গ্রিক ভাষায় ওল্ড টেস্টামেন্ট অনুদিত হয়। তখনও গ্রিক প্রভাব লক্ষ করা গেছে। এ বিষয়ে পৃথক পোস্টে বিস্তারিত আলোচনার ইচ্ছা রইল।
ধন্যবাদ।

১৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:১৬

লিলি বিন্‌তে সো্লায়মান বলেছেন: বরাবরের মতো-অনেক ভালো লাগলো....।
আপনার ব্লগকে একটা মিথ আর্কাইভ মনে হয় আমার....।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ৮:১০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: মিথ আর্কাইভ?
thanks.

১৪| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৪

শয়তান বলেছেন: আপনারে খোচা দেই এজন্যই । দিলেই লাভ । নতুন পুর্নাঙ্গ তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট পাই :#)

বাই দ্য ওয়ে বিশ্বকাপের থিম সং তৈরির কতদুর শেষ হয়েছে ??

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: বিশ্বকাপের থিম সং তৈরির কাজ শেষ। কিন্তু লাভ নেই, কারণ, শেষ পর্যন্ত ইন্ডিয়ানদেরটা সিলেক্ট করা হবে :P

১৫| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪১

চতুষ্কোণ বলেছেন: সম্পূর্ণ নতুন একটা বিষয় জানলাম। ধন্যবাদ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: thanks.

১৬| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৫৯

ভাঙ্গন বলেছেন: বরাবরের মতন ইমনোপিডিয়ায় স্তম্ভিত!!



............
শুভ ইংরেজি নববর্ষ ইমনোপিডিয়া!

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:০১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: :)

১৭| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:১৩

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: হুম ভাইয়া লেখা অনেকদিন পর পড়লাম :)

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:০২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: !:#P

১৮| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৪৬

পল্লী বাউল বলেছেন: জেনে ধন্য হলাম।

কেমন আছেন ভ্রাতা?

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো আছি :)

১৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৩৬

পদ্ম।পদ্ম বলেছেন: :-B

১১ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৪৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন: B:-)

২০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩৪

দীপান্বিতা বলেছেন: দারুন! ...টুটু নামটি বেশ!... কত্ত গল্প যে চারদিকে ছরিয়ে আছে! ...আপনাকে আবারো ধন্যবাদ:)

১২ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:২৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ:)

২১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:০২

উধাও ভাবুক বলেছেন: যতই পড়িবে ততই জানিবে, যতই জানিবে ততই মুর্খ হইবে।
এমনই তো কথাটা !

শুভকামনা ইমন ভাই।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৪২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: শুভকামনা

২২| ০৬ ই মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৬

anisa বলেছেন: ভাল লাগলো ।

০৬ ই মে, ২০১১ রাত ৮:০০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: thanks.

২৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৩২

তৌফিক জোয়ার্দার বলেছেন: মধ্যপ্রাচ্যের সভ্যতা (মূলত: সুমেরিয়, ব্যাবিলনিয় ও এ্যাসিরিয় সভ্যতা) নিয়ে আপনার শেষ লেখাটা দেখতে পাচ্ছি জানুয়ারি মাসে; আর আমি ব্লগে আসছি ফেব্রুয়ারি থেকে। তাই এই অনবদ্য সম্পদ অনাঘ্রাত রয়ে গিয়েছিল :#)
ধন্যবদা সূত্র ধরিয়ে দেয়ার জন্য। বইমেলাতে ঘুরে ঘুরে কত যে প্রাচীন সভ্যতার উপর বই কিনেছি। আপনার এই তথ্যভান্ডারের সন্ধান জানলে আর এভাবে পন্ডশ্রম করতে হতনা। কিন্তু এখন বুঝতে পারছিনা কোন দিক থেকে শুরু করব: পুরনো লেখা থেকে নতুনতর লেখা গুলোর দিকে, নাকি নতুন থেকে আস্তে আস্তে পুরনোর দিকে যাব |-)

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: thanks. B:-/

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.