| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিধুভূষন
নিয়ম মানতে ভাল লাগে না, উদ্দেশ্যহীন পথচলা
আজ অনেক দিন পর একা একা বুয়েটের সামনে দিয়ে আসছিলাম, হঠাৎ বুয়েট অ্যাডমিশন টেস্টের মজার কথাটা মনে পড়ে গেল। এমন কেউ নাই, যার বুয়েট এ পড়ার স্বপ্ন থাকে না (যদিও আমি এ লিস্টে কখনই ছিলাম না)। বন্ধু দেবের সাথে যখন ফর্ম জমা দিতে গেলাম তখন দেব আমাকে বুয়েটের ভেতরে ঘুরিয়ে বুয়েট কি জিনিস তা বুঝিয়ে ছিল। আমি হা করে দেখেছিলাম সেই দিন।
ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও বুয়েটে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম, স্বপ্নের একটা পরীক্ষা দিতে। যদিও এটা ছিল আমার অ্যাডমিশন টেস্টের মধ্যে সবচেয়ে মজার পরীক্ষা । শুধু মজা করতেই গিয়েছিলাম পরীক্ষাটা দিতে। আমার সিট পড়েছিল Architecture building এর দো’তলায়। আশে পাশে কে কি করছে তা দেখতাছিলাম, আর ভাবতাছিলাম আহ কি মজা আমি বুয়েটে পরীক্ষা দিতাছি!!!!
আমার পরের রোলটি ছিল এক বোরকা পড়া মেয়ের যে পরীক্ষা শুরুর ৫ মিনিট পর হলে প্রবেশ করেছে। আমি লেখার থেকে বেশী দেখছিলাম হলের সবাই কি করে। হঠাৎ চোখ পড়ল দরজার পাশে দ্বিতীয় বেঞ্চে,
দেখি মুনমুন!!!
ভাবলাম থাক একজন পরিচিত পাওয়া গেল। কোন মেয়ে এত সুন্দর হয়,তা মুনমুনকে না দেখলে বুঝাই যায় না। ওর দিকে তাকিয়ে থেকে কাটিয়ে দিলাম বাকিটা সময় আর এদিক ওদিক দেখতে দেখতে এক সময় মজার পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়।
নিজে কি দিছি, নিজেও জানিনা। মনে মনে আফসস করলাম “যদি একটু পড়তাম তাহলে........???”
পরীক্ষা শেষে ভাবলাম মুনমুনের সাথে একটু কথা বলা যাক কিন্তু হায়!! মুনমুন তখন হাওয়া!!! বুঝলাম ওর পরীক্ষা কেমন হয়েছে , যদিও ওটাই মুনমুনের সাথে আমার শেষ দেখা ছিল।
মজা করে পরীক্ষা দিছি, রেজাল্ট কি হবে তা আমি ভালো করেই জানি কিন্তু বাসার সবার জ্বালায় বাধ্য হয়ে তাদের শিউর করতে হল যে আমার নাম কোন লিস্টেই নেই। ইন্টারনেটে রেজাল্ট দিলেও আমার সাথে তখনও ইন্টারনেটের পরিচয় হয় নাই। আমি গেলাম বুয়েটে রেজাল্ট জানতে...
দেখলাম, যা হবার তাই হইছে। মুনমুনের রোলটাও খুজে পেলাম না, হঠাৎ দেখি আমার পাশে ( পাশে মানে ১০ হাত দূরে) বসা বোরকা পড়া মেয়ের রোল কিন্তু এ কি এখানে তো নাম “বিমল দেবনাথ”
তার মানে আমার পাশের মেয়েটা ছেলে ছিল????
তাও আবার হিন্দু!!!
তাহলে বোরকা কেন??????
ছেলে ছিল না মেয়ে????
মাথাটা পুরাই নষ্ট !!!!!
ফোন দিলাম দেবকে যে বুয়েটে চান্স না পেয়ে তখন শীতনিন্দ্রাতে ছিল....
সব বললাম কিন্তু ও কিছুই বুঝল না। ভীষণ মন খারাপ দেবের। ১০ মিনিট পর কাহিনী বুঝে ও আমাকে ফোন দিল কিন্তু আসল কাহিনীর আর কোন কুল কিনারা আজও করতে পারলাম না।
ঐ দিনের পর কত কাক কা কা করলো, কত মানুষ কত দিকে গেল, কত ম্যানহোলের ঢাকনা চুরি হয়ে গেল আর তাতে পরে কত মানুষ অক্কা পেল কিন্তু সেই বিমলা সুন্দরীর রহস্য আজও মেঘে ঢাকাই রয়ে গেল।
দারুন মজার ছিল আমার বুয়েট অ্যাডমিশন টেস্ট আর আন-সল্ভট বিমলা সুন্দরীর রহস্য।
২২ শে জুন, ২০১৪ রাত ১২:৪৩
বিধুভূষন বলেছেন: মি তো এমনেই মজা করতে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম, চান্স পাওয়া তো আমার কাছে আমাবরসার চাঁদের থেকেও কঠিন কিছু ছিল। বিমলা সুন্দরীও চান্স পায় না, ওয়েটিং এ নাম ছিল। মাঝে মাঝে জানতে ইচ্ছা করে কে ছিল আমার পাশে, বিমলা সুন্দর/ সুন্দরী নাকি অন্য গ্রহের প্রাণী।
২|
২০ শে জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৪
সিরাজুল লিটন বলেছেন:
২২ শে জুন, ২০১৪ রাত ১২:৪৩
বিধুভূষন বলেছেন: )
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৪
আমি দিহান বলেছেন: চান্স পেলে তো ঝিমলা সুন্দরীর সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ ছিলো।