নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সেই দিন হব শান্ত....

বিদ্রোহী ভৃগু

সকল অনাচার আর অনিয়ম জাগায় দ্রোহ.....

বিদ্রোহী ভৃগু › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনা বাস্তবতা : স্বাস্থ্য খাতের ঘুরে দাড়ানোর ইউটোপিয়ান স্বপ্ন

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৪২

করোনার হালফিল আপডেট সকলেই কমবেশি অবহিত। তাই আর পরিসংখ্যানে লেখা ভারী করবো না। চলে যাই মূল কথায়। করোনা মোকাবেলায় অল্প কিছু সফল দেশের মাঝে অন্যতম ভিয়েতনাম নামটি অগ্রগণ্য। আর আছে পাশের দেশের এক রাজ্য কেরালা।দুটোর মোকাবেলার পদ্ধতি এবং সক্ষমতা আজ উদাহরন হিসেবে উল্লেখ হচ্ছে। কি আছে বা ছিল তাদের যা আমাদের নেই?


করোনা মোকাবেলায় আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্তদের গালভরা কথার বিপরীতে বাস্তবতা এখন অনেকটাই দিবালোকের মতো খোলাসা। প্রথমত যেখানে জরুরী প্রতিরোধক স্থাপন করার কথা সেই বন্দর সমূহ ছিল অরক্ষিত। প্রধান বিমান বন্দর ছিল কাগুজে বাঘের মতো। স্ক্যানারগুলো ছিল সাজের নাও তাজের বৈঠা। থার্মাল স্ক্যানারের মাঝে ১/২ টি ছিল সচল। যার অব্যবহিত ফল হিসেবে বেড়ে যাচ্ছিল কিউ। বাড়ছিল প্রতিবাদ। আর বাড়ছিল আত্মঘাতি ফাঁকি দেবার প্রবণতা। কিছু টাকা নিয়ে স্ক্যানিং না করেই ছেড়ে দেবার বিষয় ছিল বিস্ময়ের সাথে টক অব দা টাউন। ফল যা হবার তাই হল। ব্যাপক ভাবে প্রবাসীদের মাধ্যমে প্রথম ট্রান্সমিশনটা সফল ভাবে হয়ে গেল।

অন্যান্য দেশে যখন জানুয়ারীর শেষ দিকে বা ফেব্রুয়ারীর শুরু থেকেই ছিল সদা সতর্ক আমাদের ঘোষনা আসতে আসতে চলে গেল ১৮ মার্চ। দীর্ঘ দুই মাসের অবহেলায় আরেকদফা স্যালাইন ঘুটার মতো ভাইরাস মিশে গেল কমিউনিটি ট্রান্সমিট লেভেলে। সতর্কতা, সচেতনতা, লক ডাউন, কোয়েরনটাইন নতুন নতুন টার্ম গুলও আত্মস্থ হবার আগেই মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে গেল।

যেখানে হু এর প্রধান শ্লোগান ছিল টেষ্ট, টেষ্ট এবং টেষ্ট। সেখানে আমাদের টেষ্ট কেন্দ্র দীর্ঘদিন রইল সবেধন নীলমনি আইইডিসিআর। লাখো লাখো প্রবাসী এবং সম্ভাব্য সংক্রমনের আশংকার মাঝে মাত্র দুই তিনশ টেষ্ট হচ্ছিল দিনে। কিউ লম্বা হচ্ছিল, বাড়ছিল সংক্রমন। সরকারী হিসেবের বাইরে ঠান্ডা সর্দিজ্বরের মৃত্যুর হার আশংকাজনক বেড়ে গেল। অতপর ধীরে ধীরে টেস্টের অনুমোদিত কেন্দ্র বাড়লেও টেস্টের পরিমান হাজার বারশ’র মধ্যে উঠানাম করতে লাগলো। রোগী বেড়ে গেল জ্যামিতিক হারে। টেস্ট হচ্ছিল গানিতিক হারে! এরই মাঝে পোষাক শ্রমিক নিয়ে হযবরল দিয়ে কমি্উনিটি ট্রান্সমিশনের শংকাকে কাঁচকলা দেখিয়ে লেজেগোবরে করা হলো।

সংক্ষেপে এই বাস্তবতাটুকুকে সামনে রেখেই আমরা সমাধানের পথ সন্ধান করি। খাদ্য, ত্রান বা চালচুরির বিষয়গুলো না হয় তোলাই থাক।

অনেকেই বলতে পারেন খোদ আমেরিকা, ফ্রান্স বা ইটালী জার্মানীর মতো দেশ যেখানে ব্যার্থ সেখানে আমাদের এই ব্যার্থতা এড়ানো যেতেই পারে! না । বিষয়টি মোটেও অত সরল নয়। তারা তাদের পুরো সিস্টেমকে কাজে লাগিয়েছে। প্রতিদিন লাখের উপরে টেষ্ট করছে। হোটেল, স্টেডিয়ামকে হাসপাতাল বানিয়েছে। মানুষকে নূন্যতম চিকিৎসা সুবিধা দিয়েছে সর্বোচ্চ আন্তরিকতায়। তারপর মৃত্যুর হারের কাছে হার মেনেছে।
কিন্তু আমাদের কি হচ্ছে? একজন সাধারন রোগীও ভর্তি হতে পারছে না। সর্দি জ্বর শুনলেই হাসপাতালের পর হাসপাতাল এম্বুলেন্স ঘুরছে। কেউ ভর্তি নিচ্ছে না? কি জঘন্য। কি অমানবিক! স্বাস্থ্য সেবা নীতিমালার কতটা বহির্ভুত কান্ড!!
একদম কাছের দেখা, আমাদের এক শ্রদ্ধেয় ভাই- একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমাস উদ্দিন। সারা রাত এম্বুলেন্স নিয়ে নূন্য ৬টি হাসপাতালে ঘুরেছেন ১৬ ঘন্টা। কেউ ভর্তি করেনি। পরদিন ভোর সাড়ে সাতটার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস একজন মুক্তিযোদ্ধা যার নূন্যতম চিকিৎসা দিতে পারলোনা রাষ্ট্র উনাকেই বিকেলে রাষ্ট্রীয় গার্ড অফ অনার দিয়ে বিদায় দিল।
এরকম অসংখ্য ঘটনা যারা অনেক অনেক টাকার মালিক হবার পরো স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা না পেয়ে হইলোক ত্যাগ করেছেন। পত্রিকার পাতায় নিত্যই যা হৃদয়বিদারক ঘটনা হিসেবে প্রকাশিত হচেছ। সেই ক্ষেত্রে দরিদ্র, সাধারন মানুষের অবস্থান কোথায় সহজেই অনুমেয়।

আমাদের স্বাস্থ্যখাতে বড় বড় নাম, পদবি আর প্রতিষ্ঠান থাকলেও কার্যকর অবকাঠামো নেই, নীতি নেই প্রমানীত হলো। অলিতে গলি ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক, হাসপাতাল গজিয়ে উঠলেও আপদকালীন তা উপকারী না হয়ে বোঝায় পরিণত হলো। অথবা সরকার তাদেরকে ব্যবহার করার মতো যথাযথ পরিকল্পনা করতে ব্যার্থ হলো।

এই পরম বাস্তবতাকে অস্বীকার না করে সামনে রেখে মুক্তির পথ খুঁজতে হবে।
এক নজরে দেখে নেই স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান অবস্থা -

“বাংলাদেশের প্রতিটি বাসিন্দার ন্যায়সঙ্গত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, বাংলাদেশের প্রশাসনিক ওয়েবের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের অবকাঠামো তিন স্তরে ভাগ করা যায়: মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল তৃতীয় স্তরে রয়েছে। জেলা হাসপাতাল, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র মাধ্যমিক স্তর হিসেবে বিবেচিত। উপজেলা (সাব জেলা) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক (সর্বনিম্ন স্তর স্বাস্থ্য সুবিধা) হচ্ছে প্রাথমিক স্তরের স্বাস্থ্য প্রদানকারী। বিভিন্ন এনজিও (বেসরকারি সংগঠন) ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও এই জটিল স্বাস্থ্য নেটওয়ার্কে অবদান রাখে।
২০১৭-১৮ বাংলাদেশ সংসদীয় বাজেটে কেবল স্বাস্থ্যখাতে বাজেট নির্ধারন করা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

মোট (হাসপাতাল) 127 29973 উত্স: স্বাস্থ্য পরিষেবা, স্বাস্থ্য ব্যুরো, 2017 এর ডিজি

২০১১ সালে বিশ্বব্যাংকের একটি ডাটা অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি ৩০০০ জনের জন্য একটি হাসপাতাল বেড রয়েছে।স্বাস্থ্যসেবার উপর ২০০৯-এ সরকারের সাধারন ব্যয় ছিল মোট ৭.৯%, জনগন তাদের স্বাস্থ্যসেবায় নিজেদের থেকে খরচ করেছে ৯৬.৫%। চিকিৎসক অনুপাত জনসংখ্যা – ১:২,০০০, নার্স অনুপাত জনসংখ্যা – ১:৫,০০০” প্রতি দুই হাজার জনে একজন চিকিৎসক এবং পাঁচ হাজার জনে একজন নার্স!

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সর্বশেষ (৫ জুলাই) তথ্যানুসারে রেজিস্টার্ডভুক্ত ৮৮ হাজার ৩০ জন এমবিবিএস ও ৮ হাজার ৫২৪ জন ডেন্টালসহ মোট ৯৬ হাজার চিকিৎসক রয়েছেন। জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশসহ ৪৪ শতাংশ দেশে এখনও জনসংখ্যার তুলনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তারের ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ২ হাজার ৫শ’ মানুষের জন্য একজন ডাক্তার রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

এছাড়াও ডাক্তারী চর্চার গতানুগতিক পদ্ধতি পরিবর্তন করে উন্নত বিশ্বের মতো রেফারেল সিস্টেম চালু করতে হবে।যেখানে ইমার্জেন্সি বা জরুরি অবস্থা ছাড়া যে কোনো অসুখের জন্য রোগীকে প্রথমে একজন সাধারণ এমবিবিএস পাস করা বা সমমানের কোনো ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। এই ডাক্তারদের সাধারণত “জেনারেল প্রাক্টিশনার” বা “ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান” বলা হয়। এরা প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যদি মনে করেন রোগীর উন্নত মানের চিকিৎসা লাগবে, তাহলেই কেবল তারা রোগীকে প্রয়োজনীয় বিষয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পাঠান বা রেফার করেন। আমাদের দেশের মতো সামান্য সর্দি-কাশি বা ঠাণ্ডাজ্বর হলেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে সরাসরি চলে যাওয়ার সুযোগ সেখানে নেই।

এর ফলে জেনারেল প্রাক্টিশনাররা যেমন সাধারণ রোগীদের দেখার সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররাও অপ্রয়োজনীয় রোগী দেখে সময় নষ্ট না করে জটিল রোগীদের অধিক মনোযোগ সহকারে দেখতে পারেন। এর ফলে ডাক্তারদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপ্তিও বাড়ে। আমাদের দেশেও এ ধরনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা দরকার। তাহলে এখন যেমন ডাক্তারদের মধ্যে এফসিপিএস, এমডি, এমএসসহ বিভিন্ন ধরনের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি করার জন্য এক ধরনের অসুস্থ উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছে, সেটি তখন অনেকাংশে হ্রাস পাবে। গুরুত্ব বাড়বে এমবিবিএস ডিগ্রিরও। বর্তমানের মতো তখন আর এমবিবিএস ডিগ্রিকে গুরুত্বহীন মনে করার অবকাশ কমে যাবে। এমবিবিএস পাস করার পর সবাইকেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তাহলেই অসাধু ক্লিনিক ব্যবসায়ী, ঔষুধ কোম্পানীর লাগামহীন অনৈতিক প্রতিযোগীতার্ও লাগম টেনে ধরা যাবে।

দেশেরে স্বাস্থ্য খাতের আরো বেহাল অবস্থা ‍উঠে আসে প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে।
খবরে বলা হয় দেশের স্বাস্থ্য খাতের বেহাল চিত্র উঠে আসা তিনটি জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না সরকার। গত বছর মাতৃমৃত্যু ও স্বাস্থ্যসেবা জরিপের প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করার দেড় সপ্তাহ পর ওয়েবসাইট থেকে তা সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার জন্য এখনো আটকে আছে। বাংলাদেশ জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপের তথ্য ৯ মাস আগে সংগ্রহ শেষ হলেও তা প্রকাশিত হয়নি। আর বাংলাদেশ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান জরিপের কাজ শেষ হয়েছে গত বছর।
তাতে সার সংক্ষে হিসেবে যে সমস্যা গুলো উঠে আসে তা হলো :
• চিকিৎসাসেবা পরিস্থিতি
• সব ধরনের সেবার ক্ষেত্রে সমন্বিত প্রস্তুতির মান নিম্নপর্যায়ের
• গত তিন বছরে উন্নতি হয়নি বলে খসড়া প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়েছে
• মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুস্বাস্থ্যে অর্জন ধরে রাখতে পারছে না বাংলাদেশ
• সেবা দিতে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রস্তুত থাকে না

এই বাস্তবতা দিয়ে বৈশ্বিক পেনডেমিক মহামারী প্রতিরোধ কি সম্ভব? কোনভাবেই নয়। সাধারন মানের চিকিৎসাই যেখানে অপ্রতুল। তাই সমাধানের পথ বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত সফল উদাহরন গুলো অনুসরন করা। স্বাস্থ্যসেবাকে বানিজ্যের বদলে “সেবার স্থান” দেয়া। এবং কল্যান রাস্ট্রের আদলে সবার জন্য স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করার যুগোপযুগি পরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন।

লক ডাউন সিনড্রোম কাটাতেই এই ভাবনাতে জল দিতে শুরু করি। কিভাবে তা সম্ভব। প্রচলিত সরকারী উপর থেকে নীচ ফর্মূলায় তা এখনো সম্ভব হয়নি। নীচ থেকে উপরে গেলে কেমন হয়? এবং এক পর্যায়ের বিস্ময়ের সাথে আবিস্কার করি আমাদের দেশেও সেই সেবা দেয়া খুবই সম্ভব। “ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার” প্রকল্পের (প্রস্তাবিত) মাধ্যমে কোন বিদেশী অনুদান বা ঋণ সাহায্য গ্রহণ ব্যাতিরেকেই প্রতি একশত জনের জন্য একজন ডাক্তার, একজন প্যারামেডিক, দুইজন নার্স এবং একজন স্বাস্থ্য সহকারী নিশ্চিত করা সম্ভব।
দেশটাকে ১৮ কোটি জনসংখ্যা ধরে (প্রয়োজনে আনুপাতিক হারে বাড়বে) “ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার” প্রকল্পে দেশকে জনসংখ্যানুপাতে ১ লাখ ৮০ হাজার ক্ষুদ্র কোরে (ইউনিটে) ভাগ করতে হবে। প্রতিটি কোরে উল্লেখিত অনুপাতে একজন ডাক্তার, একজন প্যারামেডিক, দুইজন নার্স এবং একজন স্বাস্থ্য সহকারী সমন্বয়ে টিম গঠিত হবে। প্রতিটি কোর নির্ধারিত এলাকায় দিনে মাত্র ১৪ জন রোগীকে কাভার করলে রাউন্ড দা উইক ১০০ জন কাভারেজের আওতায় চলে আসবে। এভাবে চলতেই থাকবে রাউন্ড দা মান্থ, রাউন্ড দা ইয়ার।

এবং চেকাপের পর প্রতি সপ্তাহে তারা তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্রীয় সার্ভারে তথ্য আপলোড করবে। কল্যান রাস্ট্রের আদলে সকল নাগরিকের “হেলথ কার্ড” থাকবে এনআইডির অনুরুপ। সে জন্যে আদম শুমারীর মতো “স্বাস্থ্য শুমারী” করতে হবে একবার। পরবর্তীতে জন্ম মৃত্যু সনদের আবশ্যিকতা নির্ধারনের মাধ্যমে ডিজিটালী তথ্য বিনিময় এবং প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আপডেট হতে থাকবে। সরকারী বেসরকারী সকল হাসপাতালগুলো একই সার্ভারে যুক্ত থাকবে। এবং সকল নাগরিক স্বাস্থ্য পরিষেবার তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করবে।

“ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার” প্রকল্পের জন্যে প্রয়োজন নূন্যতম ১ লাখ আশি হাজার ডাক্তার, সমানুপাতিক প্যারামেডিক, ৩ লাখ ৬০ হাজার নার্স, এবং ১ লাখ ৮০ হাজার স্বাস্থ্য সহকারী। এত বিপুল সংখ্যক জনবলতো রাতারাতি তৈরী করা সম্ভব নয়। তাই নূন্যতম ১০ বছর মেয়াদী উদ্যোগ নিতে হবে। প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে, সরকারী এবং বেসরকারী সবগুলোতে দুই শিফট চালু করতে হবে। এমবিবিএসকে মাথাভারী কোর্স না করে জনস্বাস্থ্য সম্পৃক্ত মৌলিক আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষায় আপগ্রেড করে উন্নত শিক্ষাকে পৃথক কোর্সে যারা আগ্রহী কেবল তাদের জন্য রাখা যেতে পারে। প্রয়োজনে কোর্স কারিকুলাম যুগোপযুগি করে সমসাময়িক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিয়ে আপগ্রেড করতে হবে। প্যারামেডিক, স্বাস্থ্য সহকারী এবং নার্সের ক্ষেত্রেও নতুন প্রতিষ্ঠানের সাথে সাথে পুরানো প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুই শিফটে শিক্ষাক্রম চালু রাখতে হবে।

এবং “ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার” প্রকল্পের এই কার্যক্রমকে সাধারন আটপৌড়ে ঢিমতেতলা প্রকল্প হিসেবে না দেখে জাতীয় জরুরী প্রয়োজনে জাতীয় সেবা এবং জরুরী ভিত্তিতে বাস্তবায়নে দেশ গঠন এবং দেশ সুরক্ষার দেশপ্রেমিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটা মিশন হিসেবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায়্ও এর অনুকুলে পাঠক্রমে পরিবর্তন আনতে হবে। যাতে দ্বাদশ শ্রেণী শেষ করার পর একজন দেশসেবায় স্বাস্থ্য খাতে কাজ করতে চাইলে যেন সহজেই তাতে অংশ নিতে পারে। এবং স্কুল লেভেল থেকে স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক পাঠক্রম যুক্ত করতে হবে। প্রাথমিক চিকিৎসার সাধারন বিষয়গুলো যেন সকলেই অবহিত থাকে। এবং স্কাউট বিএনসিসির মতো “ন্যাশনাল হেলথ কোরের” কার্যক্রম যুক্ত করা যেতে পারে। যাতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যসেবা সেক্টরে যোগদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।

সবশেষে প্রশ্ন আসে অর্থনৈতিক। বিপুল পরিমান অর্থ এবং ব্যায় নির্বাহ কিভাবে হবে। আমি হলফ করে বলতে পারি এরচে সহজ প্রশ্ন বুঝি দ্বিতীয়টি নেই। সঙ্গত কারণেই বিস্তারিত এখানে দেয়া হলো না। খাতটি হলো সামাজিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কল্যান রাষ্ট্রে যেভাবে “হেলথ ইন্সুরেন্স” “মেডিকেয়ার” ব্যবস্থা রয়েছে, রাস্ট্র যদি সেই দায়িত্ব নেয় তবে অর্থ যেমন সমস্যা নয়, নাগরিকগণ্ও চিন্তামুক্ত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে। সাথে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের প্রণোদনার দায়তো রয়েই গেল। জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বাজেট ও “ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার” বাজেট সু সমন্বয়ের মাধ্যমে খূব সহজেই নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা দেয়া যায়।

আর দূর্নীতি বা অন্য অসদুপায়ের কথা যদি এসেই যায়- তার জন্যে খুব সহজ নিরাময় আছে সঠিক সিস্টেম ডেভেলপ করা। তা হতে পারে যেমন প্রযুক্তির সাহায্যে, তেমনি নৈতিকতার শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে, এবং যথাযথ কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ ও সঠিক অনুসরনের মাধ্যমে। বেসরকারী বা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে পদ্ধতি উন্নয়ন করে নিশ্চিন্তে প্রতিষ্ঠান চালায়, তেমনি পদ্ধতি উন্নয়ন এবং তার যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা বা স্বায়ত্তশাসিত যা প্রযোজ্য হয়; এবং সিস্টেমের কল্যানেই চাইলেও কেউ দূর্ণীতি করতে পারবে না। বা করলে ধরা পড়বে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা তো থাকবেই।

“ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার” প্রকল্প ইউটোপিয়া থেকে বাস্তব হয়ে ধরা দিক। প্রতিটি নাগরিক আসুক স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষার আওতায়। স্বাধীনতার সার্ধশতবর্ষের কাছাকাছি দাড়িয়ে এই স্বপ্নটুকু তো দেখতেই পারি।

তথ্যসূত্র ও কৃতজ্ঞতা:
গুগল (ছবি)
বাংলাদেশ স্বাস্থ্য উইকি
ইউএস ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার উইকি
প্রথম আলো ,পুন্ড্রকথা.কম,ডয়েচে ভেলে, জাগো নিউজ সহ অর্ন্তজাল

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:০১

বিজন রয় বলেছেন: অনেক তথ্যবহুল পোস্ট।

কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্যখাত কতটুকু ঘুরে দাঁড়াতে পারবে?
আমি সবকিছুর মতোই এটা নিয়েও সন্দিহান।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সন্দেহ দূর করতেইতো ইউটোপিয়ান স্বপ্নটা দেখছি
একদিন আমাদেরও সবার জন্য স্বাস্থ্য কথা না থেকে বাস্তবে পণিত হবে।

অনেক ধন্যবাদ বিজন দা’

ভাল থাকুন, নিরাপদ থাকুন

২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:০৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের সবগুলো খাতেরই ঘুরে দাড়ানোর সক্ষমতা আছে, আবার সদিচ্ছার অভাবে কোনটারই নাই। স্বাস্থ্য খাতও এর বাইরে কিছু না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য.....এগুলোতে করার মতো বহু কাজ আছে। শুধুমাত্র সদিচ্ছা আর সুষ্ঠ পরিকল্পনার অভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। খুব সিম্পল কথা........এই খাতের স্বাস্থ্য ঠিক নাই বলেই যারা পারে, তারা বিদেশে দৌড়ায়, তবুও এর উন্নতির জন্য কোন চেষ্টা করে না। আমি অদূঢ়-ভবিষ্যতে এর উন্নতির কোন সম্ভাবনাই দেখি না।

কিছু পুরানো সাফল্যের চর্বিতচর্বন দেখে যাবেন শুধু.....মূল কাজের কিছুই হবে না।

বাই দ্য ওয়ে, আপনারা কতিপয় ব্লগার নাকি ব্লগকে ফেসবুকে পরিনত করছেন!! ভালো হয়ে যান, নয়তো ব্লগের বিবেকরে নালিশ দিমু কইলাম!!! :P

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম...

শুধুমাত্র সদিচ্ছা আর সুষ্ঠ পরিকল্পনা হলেই সোনার বাংলা সত্যিকারের সোনার বাংলা হয়ে উঠতে পারে ১০-১৫ বছরে
যেই সুবর্ণ সুযোগ হারিয়েছে রাতের ভোটে নির্বাচিতরা!!!

সেই কাজের জন্যই আসুন স্বপ্ন দেখি। স্বপ্নই একদিন সত্যি হয়।

হা হা হা
ভুই পাইছি ;) ভায়া,
আত্মরতিতে মগ্ন ব্যাক্তির সূখানুভব কি অন্যেরা বুঝতে পারে ;)
আমাদের জাতির বিবেক সহ সকল বিবেকের সেই দশা :P

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১৬

বিজন রয় বলেছেন: মিথ্যুক, ভন্ড, চোর আর জনগণের মনের কথা যারা না শোনে তাদের দিয়ে কিছু হবে না।

@ ভুয়া মফিজ....... ভাল বলেছেন।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম। সহমত।

৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১৭

বিজন রয় বলেছেন: অবশ্য আমরা এই দেশের জনগণ তাদের চেয়েও কম খারাপ নই, কারণ ঘুরে ফিরে তাদেরকেই আমরা নির্বাচন করি।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:২৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সরলার্থে ঠিকাছে। কিন্তু ব্যাপকার্থে নেই।

কারণ আমাদের জনগনকে প্রকৃত শিক্ষার দায়টাযে কেউ নেইনি।
যে আম জনতা শুধু দু মুঠো খাবার জন্য উদয়াস্ত খেটে মরে তার পক্ষে গণতন্ত্র, নেতৃত্ব, তার মৌলিক অধিকারের জ্ঞান কই পাবে বলেন? আগে তাকে জাগাতে হবে। তাপর আশা করতে হবে।

আর নির্বাচন? সেই প্রহসন নিয়ে না হয় নাই বলি! আমাদের এক ব্লগার ভায়া্ও দীর্ঘদিন গুম ছিলেন- জানেন আশাকরি।
ভাগ্যগুনে জীবিত ফিরে এসেছেন। তাই ডিম আগে না মুরগী আগে এই ধাধার মতো জনগন আগে বদলাবে না সিস্টেম বদলালে জগঘন বদলে যাবে সে এক মিলিয়ন ডলার কুশ্চেন, দাদা।



৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:২৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: @বিজনদাঃ হুদাই জনগনরে দোষ দ্যান ক্যান? জনগন কবে কারে নির্বাচন করলো? :(

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৩৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কথা সেইটাই ;)

ভায়া নালিশের উত্তর কিরাম লাগলো কিছু কইলেন নাযে ;)

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৪১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই ব্লগেই কতিপয় ব্লগার আছে ভৃগুদা, এনারা বুঝে কিংবা না বুঝে, যে কোনও কিছুতে সমস্যার দায়ভার আংশিকভাবে হলেও জনগনের উপর চাপিয়ে দেন। এটা যে, উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়, এই জ্ঞানটুকুও এনাদের নাই। ব্যাপারটা অত্যন্ত দুঃখজনক মনে হয় আমার কাছে। ব্লগারদের বিশ্লেষণ ক্ষমতা এতো কম হবে কেন?

আপনাকে আমার এই পোষ্টটা পড়ার অনুরোধ করছি। তারপরে কাইন্ডলি বলেন, আমি ভুল কিছু কি বলেছি.....বললে কোথায়?জনগন নাকি সরকার; কে আগে?

বিজন রয় বলেছেন: মিথ্যুক, ভন্ড, চোর আর জনগণের মনের কথা যারা না শোনে তাদের দিয়ে কিছু হবে না। বিজনদা, আপনি যেহেতু এই কথা বলেছেন, ধরে নিতে পারি, জনগনের অসহায়ত্ব আপনি অনুধাবন করতে পারেন।

ভায়া নালিশের উত্তর কিরাম লাগলো কিছু কইলেন নাযে ;) লা-জওয়াব!!! :P =p~

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দলান্ধতা ছাড়াও আছে অজ্ঞানতার অন্ধত্ব।
আপনার পোষ্টে ঘুরে এলাম। দারুন বলেছেন। আমিও চিহ্ণ রেখে এসেছি। সময় করে দেখে নিয়েন।

:)

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৩১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সকালে দেশের প্রথম একজন ডাক্তার মারা গেল :((

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৩৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম ...
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন।
আল্লাহ উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন।

আক্রান্ত আছে বহু। নার্সদের খাদ্য সংকট ... সব কেমন লেজেগোবরে অবস্থা!
অথচ তিনাদের প্রেসব্রিফিং দেখলে মনে হবে - আমেরিকা্ও নস্যি তাদের কাছে!!
তাদের চেতনা হিপোক্রেসি থেকে মুক্ত হোক। সত্যকে সত্য দিয়েই জয় করতে হয়।

৮| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৩৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় কবি ভাই ,

বেশ পরিশ্রমী এবং তথ্যবহুল পোস্ট। অনেক সময় লাগলো পোষ্টটি পড়তে এবং প্রত্যেকটা লিংক দেখতেও। বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপিকার বাবা যিনি কিনা মুক্তিযোদ্ধা, ছয় ছয়টি হসপিটাল ঘুরে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন এবং পরদিন রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার পেয়েছেন এ যে কোন দেশের পক্ষে চূড়ান্ত লজ্জাজনক যার প্রতিবাদের কোন ভাষা হতে পারে না।
বাকি পোস্ট সম্পর্কে আর কিছু বলার নেই।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৩৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা

হুম সে লজ্জ্বার তো পারাপার নেই। কিন্তু বেহায়াদের লাজ দেবে কে?

বাকী পোষ্ট নিয়েইতো মতামত চাই দাদা। ইউটোপিয়ান স্বপ্নটা নিয়ে। এটা আমাদের এখানে যেমন আপনাদের ওখানেও তেমনি কার্যকর। দেখবনে নাকি মমতা দিদির সাথে কথা বলে ;)
হা হা হা

ভাল থাকুন। নিরাপদ থাকুন।

৯| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: প্রথম কথা হলো- ভালো বিষয় নিয়ে লিখেছেন। অবশ্য আপনি সব সময় ভালো ভালো বিষয় নিয়েই লিখেন।

পোষ্ট টি মন দিয়ে পড়লাম এবং চিন্তিত হলাম।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:১৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

আপনার মূল্যায়নে কৃতজ্ঞতা।

শুভকামনা রইলো

১০| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:০০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রতিমন্তব্যে আবার আসা।
স্যার। বাকি বিষয়ে মন্তব্য করতে চাইছি না। ‌

ভালো থাকুন সবসময়।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: পুনরাগমনে অনেক ধন্যবাদ দাদা

ওকে।
আপনিও ভাল থাকুন সবসময় :)

১১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আশা করি সরকার আপনার এই ফ্রী কিন্তু মূল্যবান পরামর্শ অতিসত্বর গ্রহণ করবে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সে জন্যেইতো ইউটোপিয়ান বলতে হয়েছে।
দেশের ভাল, জনতার ভালটা চাইলে সত্যি দেশ জনতা অনেক উপকৃত হতো।

আপনার শুভাশা সত্যি হোক :)

১২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০২

সোহানী বলেছেন: পুরো বিষয়টিকে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছো ভৃগু।

আমার ক্ষুদ্র চিন্তাতে এতটুকুই মনে হয় আমাদের দেশে অনেক কিছুই সম্ভব শুধু দরকার সত্যিকারের উদ্যোগ যে উদ্যোগে কোন বাঁধা থাকবে না, কোন দূর্নীতি থাকবে না, কোন পার্সেন্টিজ থাকবে না, কোন প্রতিবেশী দেশের চাপ থাকবে না.....। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য এর চেয়ে আর কোন উপাদানের প্রয়োজন নেই।

আর স্বাস্থ্য সেবার জন্য যে ডাক্তার দেশে আছে বা তৈরী হচ্ছে তাদেরকে ঠিকভাবে পূর্নবাসিত করা দরকার তার যদি কিছুটা ঢেলে সাজানো যায় আমরা কোনভাবেই পিছিয়ে থাকবো না। কিন্তু দেশে কি কোন পরিকল্পনা আছে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে। দূর্ভাগ্য বা সৈাভাগ্য যাই বলো দেশে কিছুদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। তখন দেখেছি ননপ্রফেশনালরা কিভাবে প্রফেশনালদেরকে দৈাড়ের উপর রাখে।

ক'দিন ধরে লিগাসি অব ব্লাড পড়ছি আর নিজের কপাল চাপড়াচ্ছি, আমাদের চরিত্র কখনই ঠিক করতে পারিনি কারন আমাদের সঠিক নেতৃত্বের অভাব সবসময়ই ছিল।

ভালো থাকো সবসময়ই।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: শুধু দরকার সত্যিকারের উদ্যোগ যে উদ্যোগে কোন বাঁধা থাকবে না, কোন দূর্নীতি থাকবে না, কোন পার্সেন্টিজ থাকবে না, কোন প্রতিবেশী দেশের চাপ থাকবে না.....। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য এর চেয়ে আর কোন উপাদানের প্রয়োজন নেই।

এক্কেবারে খাঁটি কথা।

দেশে কিছুদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। তখন দেখেছি ননপ্রফেশনালরা কিভাবে প্রফেশনালদেরকে দৈাড়ের উপর রাখে। --
সেটাই কথা । আর দু:খের শুরু এখানেই। না তারা ভাবেত পারে, না ভাবনাকে মূল্যায়ন করতে জানে। অথচ তারাই সবচে বড় বিঘ্ন সৃষ্টিকারী। অথচ মন্ত্রনালয়ের বাজেট দেখেেতা কম বলৈ মনে হয়না। সঠিক ব্যবহার করলে - আমার পরিকল্পনা যেভাবে দেখেছি.. অনেক কর্ম অর্থেই মান সম্পন্ন বেতন ভাতা দিয়েও এই সিস্টেমটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
কে শোনাবে কাকে? তাইতো ইউটোপিয়ান ড্রিম বলতে বাধ্য হয়েছি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।
তুমিও ভাল থেকো। নিরাপদ থেকো সুস্থ থেকো।

১৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:১৯

করুণাধারা বলেছেন: ভাবনাটা ভালো ভৃগু, কিন্তু আমার খুব মনখারাপ তাই কিছু বলতে পারছিনা। একজন ডাক্তারের জন্য যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা করতে পারে না, সেজন্য ডাক্তার মারা যায়, সেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আমজনতার জন্য কী দেবে!! রোমেন রায়হানের যে কবিতা মাথায় ঘুরছে সেটা তুলে দিলাম:

মরণোত্তর
রোমেন রায়হান

মঈনরা আসে, এসে চলে যায়, কোথাও পড়ে না দাগ
নিরাপদে বসে, তুমি সংখ্যার করে যাও গুণ, ভাগ!
সেজেগুজে তুমি বক্তৃতা দিয়ে, ক্যামেরায় দিয়ে পোজ
অস্ত্রবিহীন আমাকে ঠেলিছ যুদ্ধক্ষেত্রে রোজ!

বুকের ভেতরে গুমরিয়ে ওঠে ঝঞ্ঝা ও বিক্ষোভ
মরে গেলে কী কী দেবে বলে প্লিজ দেখাতে এসো না লোভ।
অনেক করেছ ঘৃণা, অবহেলা, প্রাণ ভরে উপহাস
আমি মরে গেলে হেলিকপ্টারে তুলো না আমার লাশ।

যেখানে সাধুর মাথা অবনত, চোরের উচ্চ শির
সেখানে মরলে দোহাই আমাকে ডেকো না শহীদ, বীর।
রাষ্ট্রযন্ত্র, অনেক দেখেছি তোমার রক্তচোখ
করজোড়ে বলি, আমি মরে গেলে দেখাতে এসো না শোক।
১৫/৪/২০২০

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:১৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম
চলমান অব্যস্থাপনা ব্যার্থতার চরম বলিদান দিলেন ড. মঈন।

আর সে জন্যেই শোককে শক্তি করে দাবীতে দৃঢ় মুষ্ঠি করে দাড়াতে হবে
যাতে আর কোন মঈনদের এভাবে জীবন দিতে না হয়।

নিরাপদ থাকুন সুস্থ থাকুন।

১৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১২:১২

মা.হাসান বলেছেন: ছাগল দিয়া হাল চাষ হয় না, পাঁঠার পো পাঁঠা দিয়া মন্ত্রনালয় চালানো যায় না। যত দিন মন্ত্রীরা নিজেদের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর-লন্ডন-নিউয়ার্ক যাইবেন ততদিন দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি হইবে না। এরশাদ অনেক লাম্পট্য করিলেও তার আমলে মন্ত্রীরা পিজিতেই যাইতেন, সেই সময়ে পিজির কিছু পরিবর্তন হইয়াছিলো। মোদী নিজের চিকিৎসার জন্য AIIMS এ যান, দেশের বাইরে না। ঐ মানের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আগামী ৫০ বছরে হইবে না।

চিকিৎসার বাজেটের টাকা কোথায় যায় তা সকলেই জানে, শুধু প্রধান মন্ত্রী জানেন না। অথবা তিনিই হয়তো সত্য জানেন, আমরা যা জানি সব গুজব।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:১৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দু:খজনক চরম বাস্তবতার কথাই বললেন।
এইতো চলছে- সত্য আর গুজবের আড়ালে সত্য কি চিরদিন আড়ালে থাকবে?
যদিও কোন স্বৈরাচারই তা ভাবেনা। কিন্তু ইতিহাস কাউকে ছাড়েও না।

বদলে যাক ভাবনা। বদলে যাক সময়।
সুস্থ সুন্দর চিন্তার হোক জয়।

১৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:১৮

রাফা বলেছেন: সাস্থবিভাগ ও মন্ত্রনালয় যদি আন্তরিক হইতো আর সরকারের অন্যান্য মন্ত্রনালয় সহযোগিতা করত. এই পেনডেমিক করোনা ভাইরাস থেকে আমাদের দেশ অনেকটা নিরাপদ থাকতে পারতো। এটা একেবারে প্র‌্যাক্টিক্যালি প্রমাণ করে দিতে পারবো আমি।

অসহায়ভাবে দেখলাম প্রতিদিন টিভির পর্দায় কি মিথ্যা প্রচারণা চালানো হলো।মনে হলো ইচ্ছা করে অবহেলা করেই এই দুর্যোগে পা দিলাম আমরা।

তবে করোনা একটা জিনিশ প্রমাণ করে দিলো বাংলাদেশে প্রাইভেট যে হাসপাতাল সেগুলো শুধুই লোক দেখানো ফাইভস্টার হোটেলের মত চাকচিক্য আর টাকার খেলা।নিজেদের ডাক্তার,নার্সদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সামর্থ্যও এই কসাই ব্যাবসায়ীগুলোর নাই।হ্যা এদের আমি কসাই ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারিনা।শুধু রং চং-এর বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের পকেট কাঁটাই যাদের কাজ। এর চাইতে গ্রামের কিছু ক্লিনিক ভালো কাজ করছে এখনও। শিক্ষার মত সাস্থ্য বিভাগ নিয়েও আমি খুবই হতাশ।

ধন্যবাদ-বি.ভৃগ।চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন মোটামুটি সব কিছুই।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:০২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমিও বিশ্বাস করি তা - আসলেই তা সম্ভব ছিল।

আত্মঘাতি বাঙালী বুঝি একেই বলে!!!

প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোর লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হোক। যারা দুর্যোগর সময় শীতনিদ্রায় যাবে আর সুসময়ে গলাকাটা ব্যবসা করবে তাদের কোন প্রয়োজন নেই।

অনেক অনেক ধন্যবাদ রাফা ভাই

সুস্থ থাকুন নিরাপদ থাকুন।

১৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: ছাগল দিয়া হাল চাষ হয় না, পাঁঠার পো পাঁঠা দিয়া মন্ত্রনালয় চালানো যায় না। যত দিন মন্ত্রীরা নিজেদের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর-লন্ডন-নিউয়ার্ক যাইবেন ততদিন দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি হইবে না। এরশাদ অনেক লাম্পট্য করিলেও তার আমলে মন্ত্রীরা পিজিতেই যাইতেন, সেই সময়ে পিজির কিছু পরিবর্তন হইয়াছিলো। মোদী নিজের চিকিৎসার জন্য AIIMS এ যান, দেশের বাইরে না। ঐ মানের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আগামী ৫০ বছরে হইবে না। চিকিৎসার বাজেটের টাকা কোথায় যায় তা সকলেই জানে, শুধু প্রধান মন্ত্রী জানেন না। অথবা তিনিই হয়তো সত্য জানেন, আমরা যা জানি সব গুজব।
দারুন লিখেছেন। অনেক কিছু বলতে এসেছিলাম কিন্তু দেখি উপরে সবাই আগেই সবকিছু বলে দিয়েছে।
যেই দেশে একজন ডাক্তার মারা যাবার জন্য তাকেই দোষ দেয়া হয়, সেখানে আপনি কী আশা করেন?
পিপিই কেনার নামে দেশে হরিলুট হয়েছে। দেশে স্বাস্থ্য খাতে দূর্নীতি সকল সীমা অতিক্রম করেছে।
অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকলে মানুষের কাছে কোন জবাবদিহিতা থাকে না। আমরা এখন সেটাই দেখছি আর এর পাপের শস্তি ভোগ করছি।
১৮ তারিখে কেন সিদ্ধান্ত নেয়া হলো কিন্তু আগে কেন নেয়া হলো না সেটার জবাব একদিন দিতে হবে এই দেশ'কে।
ধন্যবাদ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভায়া

জবাব চাইবার জন্য আগে বেঁচে থাকুন। আল।লাহর রহমত কামনা করুন।
সুস্থ নিরাপদ বেঁচে থাকার জন্য।

শুভকামনা রইল

১৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৭

ভ্রমরের ডানা বলেছেন: ভাল বিশ্লেষণ করেছেন। এদেশের ৯৯.৯৯৯৯৯৯৯৯৯ ভাগ মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন নন। এই দেশে নভেল করোনা ভাইরাস আসলে একটি এটম বোমার বিস্ফোরণ থেকেও ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুমমম
যত দিন যাচ্ছে ভয়াবহতা বাড়ছে.....

আল্লাহর রহমতই পারে আমাদের বাঁচাতে

১৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:২৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,




দেশের বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে বিশদ পোস্ট। এই রকম রুগ্ন স্বাস্থখাতের জন্যে কোনও চিকিৎসাই নেই। প্রশাসন আর সরকারের সবখানেই যদি ধুর্তামি, পদলেহন, অদায়বদ্ধতা, আখের গোছানোর প্রতিযোগিতার ক্যানসার ছড়িয়ে যায় তবে তার কোনও চিকিৎসাই চিকিৎসা নয়।
বহুল ব্যবহৃত কথাটিই আবার বলি --- সর্ব অঙ্গে ব্যথা, মলম দেবো কোথা?

এই সর্ব অঙ্গের হাড় কুড়মুড় রোগে যে সিম্পটোমেটিক দাওয়াই বাৎলে দিলেন তা এদেশে কি ভাবে সম্ভব, বুঝিনে; যেখানে আমরা নিজেরাই স্বাস্থ্য কাকে বলে সেটাকেই জানিনে। সচেতনতা তো পরের কথা।

স্বপ্ন দেখতে সাধ কার না হয়!

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: শুরুটােতা চাই.... হোক তা স্বপ্ন দিয়েই...
ছড়িয়ে পড়ুক স্বপ্ন জনে জনে
স্বপ্নই তখন পথের সন্ধান দেবে। বাস্তবায়নের তাগিদ দেবে।

প্রয়োজনই আবিস্কারের প্রাণ -চেতনায় জাগুক এমন চেতন।

অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় আহমেদ জিএস ভায়া :)

সুস্থ থাকুন নিরাপদ থাকুন।

১৯| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:২৩

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,
লেখাটা চমৎকার হয়েছে । খুব ইনফোরমেটিভ । করোনার সময়ে আমাদের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে এ ধরণের একটা লেখা খুব দরকার ব্লগে ছিল । স্বাস্থ্য খাতে আমাদের অবস্থাটা কি সেটা বোঝার জন্য এই আলোচনাটা খুব দরকার । আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয় আমাদের ধর্ম ও সাংস্কৃতিক কারণেই নানা বিধি নিষেধ থাকায় স্বাস্থ্য ইস্যুতে আমাদের কিছু এডভ্যান্টেজ আছে । ঠিকঠাক পরিকল্পনা দিয়ে স্বাস্থ্য খাতের সমস্যা আমরা কাটিয়ে তুলতেই পারি ।আমাদের দেশ থেকে কিন্তু ওয়াটারবর্ন ডিজিজগুলো আমরা প্রায় মুক্ত করতে পেরেছিলাম গ্রামের সাধাৰণ মানুষগুলোকে সচেতন করার মধ্য দিয়েই । প্রোএক্টিভ স্ট্রাটেজিগুলো দিয়ে মানুষকে সচেতন করাতে পারলেই অনেক বড় স্বাস্থ্য সমস্যার মোকাবেলা করা যাবে বলেই আমি মনে করি। গ্রাম বা ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোকে যদি কার্যকর ভাবে সক্রিয় রাখা যায় তাহলে ছোট খাটো স্বাস্থ্য সমস্যা স্থানীয় পর্যায়েই মোকাবেলা সম্ভব তাতে শহরের হাসপাতালের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে না । এর জন্য খরচ হযে কিন্তু তার ইকোনোমিক রিটার্নও অনেক । সুস্থ্য মানুষতো আর বসে থাকে না গ্রামে তারা কাজ করে । তারা দেশের জিডিপিতে ভূমিকাও রাখতে পারবে সুস্থ্য থাকলে । স্বাস্থ্য খাতের পুকুর চুরিগুলো বন্ধ করতেই হবে ।তাহলেই বড় সমস্যাগুলোর সমাধান অনেক সহজ হবে বলে আমি সব সময়ই বিশ্বাস করি।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভায়া

প্রোএক্টিভ স্ট্রাটেজিগুলো দিয়ে মানুষকে সচেতন করাতে পারলেই অনেক বড় স্বাস্থ্য সমস্যার মোকাবেলা করা যাবে বলেই আমি মনে করি। গ্রাম বা ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোকে যদি কার্যকর ভাবে সক্রিয় রাখা যায় তাহলে ছোট খাটো স্বাস্থ্য সমস্যা স্থানীয় পর্যায়েই মোকাবেলা সম্ভব তাতে শহরের হাসপাতালের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে না । এর জন্য খরচ হযে কিন্তু তার ইকোনোমিক রিটার্নও অনেক । সুস্থ্য মানুষতো আর বসে থাকে না গ্রামে তারা কাজ করে । তারা দেশের জিডিপিতে ভূমিকাও রাখতে পারবে সুস্থ্য থাকলে । স্বাস্থ্য খাতের পুকুর চুরিগুলো বন্ধ করতেই হবে ।তাহলেই বড় সমস্যাগুলোর সমাধান অনেক সহজ হবে বলে আমি সব সময়ই বিশ্বাস করি।
ভাল বলেছেন। সমস্যা হলো ভাল কথা শুনার লোক নাই।

নিরাপদ থাকুন। সুস্থ থাকুন।

২০| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৩৮

জুন বলেছেন: শুধু শুধু আমাদের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বলছেন যে! আমেরিকা, বৃটেন ইতালী স্পেনের কথাও একটু বলেন ভৃগু। এত উন্নত মানের স্বাস্থ্য ব্যাবস্থাও ভেংগে চুরমার। এ জন্যই আমাদের একজন উর্ধতন ব্যাক্তি বলেছেন "লোকজন এমন অনেক কথা বলবে, আমি পাত্তা দেই না /:)
এই যে মনোভাব এর জন্যই আমরা আজ এত উন্নতি করতে পেরেছি শুধু স্বাস্থ্য নয় সকল খাতেই :||

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: তাদের কথা বলেছিতো। তারা নূন্যতম সেবা দিয়েও মৃত্যুর মিছিল টেখাতে পারছেনা। আর আমরা সেবাই পাচ্ছি না। আমাদের ভর্তিই নিচ্ছে না্ !

উর্ধতন ব্যাক্তির পেটে একটা করোনা যা ফুস করেই ঢুকে! ;) তাহলেই বুঝবে কোনটা সঠিক ভাবে পাত্তা দিতে হয়!

করোনায় নিরাপদ থাকুন, সুস্থ থাকুন।

২১| ২০ শে মে, ২০২০ রাত ১২:৩০

কল্পদ্রুম বলেছেন: সময়োপযোগী লেখা।একটা হেলথ কেয়ার সিস্টেম আমাদের খুবই দরকার।কেবল ২০০ সিটের হাসপাতাল, জেলায় জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন,বিশেষ বিসিএসের মূলা ঝুলানোই সমাধান নয়।আমাদের নেতাদের এই হেদায়েত কবে হবে!আমার নিজের ধারণা ডাক্তারদেরও দোষ আছে।প্রধানত সিনিয়র ডাক্তারদের।হেলথ কেয়ার সিস্টেম এমনই এটা যে কেউ বুঝবে না।ডাক্তারদের সংগঠন আছে।তারা নিজেরা একটা পরিকল্পনা তৈরি করে ধীরে সুস্থে হলেও সরকারকে দিয়ে তা বাস্তবায়ন করিয়ে নিতে পারতো।বড় বড় ডাক্তার এবং ডাক্তার নেতাদের ব্যবসায়ীক এবং চাটুকারি মনোভাব বদলাতে হবে আগে।

২০ শে মে, ২০২০ সকাল ৯:১৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভায়া

বিশ্বাস করেন আমি অবাক হয়ে ভাবি, এরা সরাকারী টাকার শ্রাদ্ধ করে ট্যুরে যায়, ঘুরে ফিরে আসে!
কিছূই কি শিখে না? এক বছর দু বছর ফি বছর.. এভঅবেই চলছে?
তাদের মাঝে কি সামগ্রীক, সামষ্টিক কল্যান ভাবনা আসে না?
আসে না।
আসলে নিশ্চয়ই বিগত ৪০-৫০ বছরে টোটাল স্বাস্থ্য খাত অনুসরনীয় অনুকরনীয় একটা স্তরে যাবার কথা ছিল।
শেষ কথাটাই আসল- বড় বড় ডাক্তার এবং ডাক্তার নেতাদের ব্যবসায়ীক এবং চাটুকারি মনোভাব বদলাতে হবে আগে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.