নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিন আরফান

আমার জীবন ও যৌবনের তিক্ত অভিজ্ঞতায় কষ্টে রাত জেগে শব্দের কারিগর, লিখে চলি কবিতার পাণ্ডলিপি. বিনিময়ে জোটেনি ক বেলার ভাত একটি লাল গামছা অথবা সোহাগী প্রিয়ার সামান্য প্রসাধনী. নিজের ঘরেই জ্বলে অভাবের আগুন. নুন আনতে পান্তা ফুরায় প্রতিদিনের সংসারে. বায়ান্নের ভা

মোঃ আব্দুর রহিম বিন আরফান

আমার জীবন ও যৌবনের তিক্ত অভিজ্ঞতায় কষ্টে রাত জেগে শব্দের কারিগর, লিখে চলি কবিতার পাণ্ডলিপি. বিনিময়ে জোটেনি ক বেলার ভাত একটি লাল গামছা অথবা সোহাগী প্রিয়ার সামান্য প্রসাধনী. নিজের ঘরেই জ্বলে অভাবের আগুন. নুন আনতে পান্তা ফুরায় প্রতিদিনের সংসারে. বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন থেকে নব্বইয়ের গণ আন্দোলন, বিশ্বাসে বিপ্লবে ফিরে আসে বার বার আমার প্রিয় কবিতার মাঝে. কবিতা আমায় হাসায় কাদায়, কবিতা শোনায় বিজয়ের গান. কবিতা আমার শুধুই আমার বিশ্বাসে বলিয়ান জীবনে মরণে.

মোঃ আব্দুর রহিম বিন আরফান › বিস্তারিত পোস্টঃ

নষ্টপ্রেম

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৫২

আমি কখনো চাইনি এমনটা হোক। ওটা আমি চাইতেও পারি না। আমি ওকে অনেক ভালবাসতাম। তারপরেও অপরাধটি আমি না করে পারলামই না। এছাড়া কি আর করতাম? ও আমার জীবনটা তিলে তিলে নষ্ট করে ফেলছিল। ওকে নিয়ে সবসময় আতংকে থাকতাম। ও এতোটাই ঘাড়ে চেপে বসেছিল, নিজে থেকে আমাকে মুক্তি দিচ্ছিল না। আমিও পারছিলাম না।

ওর প্রতি ভাললাগা আর ভালবাসা দেখে সমাজের অনেকেই আমাকে ঘৃণাভরা দৃষ্টিতে দেখতো। তাদের চাহুনী দেখে মনে হতো পঁচা জীব-জন্তু দেখছে ওরা। অনেকে নাকে রুমাল চেপে শকুনের মতো দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতো। থুথুও ফেলতো কেহ কেহ।

এতোসবের পর আমার আর কী করার ছিল?
তাও তেমনটা করতাম না। এতোটা নিষ্ঠুরও আমি হতে পারতাম না, যদিনা পত্র-পত্রিকা আর টিভি চ্যানেলগুলোতে ওর সম্বন্ধে নানাভাবে নাক ছিটকানোমূলক প্রচারণা না দেখতাম।

নিয়তি আমার সহায় ছিল না। তাই হয়তো ওর সাথে আমার পরিচয়। আগে থেকে চেনা-জানা থাকলেও কলেজ ক্যান্টিনে ওকে প্রথম আপন করে নিই। আমার প্রতি ওর আকাঙ্ক্ষাটাই বেশি ছিল। ভাবটা এমন দেখিয়েছিল যেন আমার জন্য ওর জন্ম। ক্যান্টিনের পর থেকে ও আমার পিছু ছাড়ে না।

প্রথম প্রথম উন্মুক্ত মেলামেশায় সংকোচবোধ করলেও ধীরে ধীরে আমাদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে যায়। একসময় আমি ওর প্রতি এতোটাই আকৃষ্ট হয়ে যাই যে, লাজ-সরমের মাথা খেয়ে যেখানে সেখানে ওকে ভালবাসার পরশ বুলাতাম। সরম ভাঙ্গবেনাইবে কেন? ওকে যখন চুম্বন দিতাম আমার কলিজা পর্যন্ত টের পেত। একেবারে ছেদ করে ওঠতো। মনে হতো এর চেয়ে শান্তির অনুভূতি আর কিছুতেই হতে পারে না।

আমার বেহায়াপনা আর উন্মুক্ত মেলামেশা দেখে ছোটরাও ওর প্রতি দুর্বল হতে শুরু করে। আমার অগোচরে স্নেহভাজনরাও একটু-আধটু শূরশূরি দিত। ও নিজে থেকেও ছোটদের কাছে পেতে সঙ্গ দিত।

এটা আমি কিছুতেই মানতে পারছিলাম না। সমবয়সীরা হলে না হয় বুঝায়ে দূরে সরিয়ে দিতাম। কিন্তু চক্ষুলজ্জার মাথা খেয়ে ছোটদের সাথে এব্যাপারে কিভাবে আলাপ করি? তাছাড়া আমাদের সম্পর্কটাও বৈধ ছিল না। কোন মুখে ওদেরকে বিরত রাখি?

পরিস্থিতি এতোটাই ঘোলাটে হচ্ছিল যে ওর সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা মানে স্নেহভাজনদের নষ্ট হয়ে যাওয়ার সুযোগটা করে দেয়া। তাই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম ওকে জীবন থেকে চিরতরে ওপড়ে ফেলতে। সফলও হলাম। কিন্তু একটুও অপরাধবোধ কাজ করল না। বরং ও এতোদিন আমার সাহচর্যে থাকলে আমি নিষ্প্রাণ হয়ে যেতাম।

তারপরেও মাঝেমধ্যে ওর জন্য মায়া হয়।ওর প্রেম আমার কলিজায় এতোটাই দাগ কেটেছিল যে, এখন ওর নাম শুনলেই দুর্গন্ধে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। এখন মনে হয় নামটাও বিশ্রী। সিগারেট। যে নিজেও জ্বলে অন্যকেও জ্বালায়। ওকে অনেকে তামাক নামেও চিনে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:০০

খেলাঘর বলেছেন:


বাজে পোস্ট

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.