| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আধুনিক কালের যুদ্ধের গুরুত্বপুর্ন অস্ত্র হল মিসাইল বা ক্ষেপনাস্ত্র। আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র ( Inter Continental Ballistic Missile) বা সংক্ষেপে ICBM হল এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে আঘাত হানতে সক্ষম ৫,৫০০ কিলোমিটার এর বেশী পাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র। উৎক্ষেপন থেকে লক্ষবস্তু পর্যন্ত এর গতিপথ উপবৃত্তাকার হওয়ার ফলে এই ক্ষেপনাস্ত্রকে বলা হচ্ছে “ব্যালিস্টিক”(Ballistic ) । নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য দেশ, আমেরিকা রাশিয়া,চীন,বৃটেন,ফ্রান্স এর পর এবার ভারত পরীক্ষা চালালো তার প্রথম আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র অগ্নি-৫ এর। আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্রের উদ্দেশ্য হল দুরবর্তী স্থানে পারমানবিক বোমার সাহায্যে আঘাত হানা । এখনকার সময়ের ক্ষেপনাস্ত্রগুলো হল multiple independently targetable reentry vehicles (MIRVs), অর্থাৎ তারা অনেকগুলো বোমা নিয়ে গিয়ে একাধিক স্থানে পারমানবিক বোমা নিক্ষেপ করতে সক্ষম । ক্ষেপনাস্ত্রকে ভাগ করা হয়ে থাকে তার পাল্লা অনুযায়ী, স্বল্প পাল্লা, মাঝারি পাল্লা এবং দুরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র হিসেবে। দুরপাল্লার আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র গুলো অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন, এবং নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। ৭০০০ কিলোমিটার দুরেও এর ভুল হয় মাত্র কয়েকশ ফুট ।
ইতিহাস- ক্ষেপনাস্ত্রের প্রথম ব্যবহার হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে। জার্মানী ১৯৪৪/৪৫ সালে লন্ডনে আঘাত হানে কয়েক হাজার V-1 এবং V-2 ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে শুর হয় আমেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যে ঠান্ডা যুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার। ১৯৬০ সালের দিকে রাশিয়া আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র Atlas এবং D R-7A ,আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র সেনাবাহিনীতে সংযোজন করে।একইভাবে আমেরিকা উদ্ভাবন করে LGM-30, Minuteman, Polaris and Skybolt. প্রভৃতি ক্ষেপনাস্ত্র। ক্ষেপনাস্ত্রের সাথে শুরু হয় ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরোধের উপায় খোজা। অবস্থা এমন বেগতিক দাঁড়ায় যে ১৯৭০ সালের দিকে এসে সবাই সম্ভাব্য পারমানবিক ক্ষেপনাস্ত্র যুদ্ধ নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে । সম্ভাব্য এ যুদ্ধের নাম হয় - Mutual Assured Destruction। ১৯৭২ সালে রশিয়া এবং আমেরিকা সাক্ষর করে স্ট্র্যাটেজিক আর্মস কন্ট্রোল ট্রিটি বা SALT-১ । ১৯৮০ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রীগান শুরু করেন ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা Strategic Defense Initiative যা তারকা যুদ্ধ নামে খ্যাত।
১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর ঠান্ডা লড়াই থেমে গেলেও ক্ষেপনাস্ত্র উৎপাদন থেকে থাকে নি।
ক্ষেপনাস্ত্রের সুবিধা- ১) হাজার হাজার মাইল দূর থেকে লক্ষবস্তুতে আঘাত হানা সম্ভব ২) বিমান এবং বৈমানিক শত্রুর গোলার আঘাতে ধ্বংশ প্রাপ্ত হলে লোকক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে কিন্তু ক্ষেপনাস্ত্রে সে ভয় নেই ৩) গোলা এবং মিসাইলের পার্থক্য হল যে ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষিপ্ত হওয়ার পর থেকে আঘাত হানা পর্যন্ত ক্ষেপনাস্ত্রের গতি , দিক প্রভৃতি নিয়ন্ত্রন করা যায়। যে সমস্ত গোলা নিক্ষেপের পর তার উপর আর নিয়ন্ত্রন থাকে না তাকে বলা হয় রকেট। ৪) এরা অত্যন্ত ক্ষিপ্রগতির, মুহুর্তের মধ্যে গতিপথ পরিবর্তন করে ১৮০ ডিগ্রী পর্যন্ত ঘুরে যেতে পারে। ৫ ) ক্ষেপনাস্ত্রএর নিজস্ব জ্বালানী এবং ইঞ্জিনের ব্যবস্থা থাকে।
আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্রের রয়েছে –১) জ্বালানী বা প্রপেল্যান্ট বাহিত অংশ । নির্দ্দিস্ট লক্ষ্যবস্তুতে বয়ে নিয়ে ক্ষেপনাস্ত্রে ব্যাবহৃত হয় রকেট বা জেট ইঞ্জিন । এই ইঞ্জিনে তরল বা কঠিন, উভয় ধরনের জ্বালানী ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপন এবং আঘাৎ হানার বিভিন্ন স্তরে আলাদা আলাদা ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়।
২) লক্ষ্যবস্ততে আঘাত হানার নির্দেশনা বা গাইডেন্স সিস্টেম, (Guidance systems ) সঠিক লক্ষে পৌছানোর জন্য ক্ষেপনাস্ত্র বিভিন্ন ধরনের বিকিরন রশ্মি যেমন – ইনফ্রারেড রশ্মি, বেতার তরংগ, লেজার, প্রভৃতির নির্দেশনা ব্যাবহার করে থাকে । লক্ষবস্তুর বিকিরন, ক্ষেপনাস্ত্রের নিজস্ব বিকিরন বা অন্য কোথা থেকে আসা বিকিরনের নির্দেশনায় ক্ষেপনাস্ত্র এগিয়ে যায় লক্ষ্যবস্তুর দিকে। টেলিভিশন ক্যামেরার ব্যবহার করেও ক্ষেপনাস্ত্রের নিয়ন্ত্রন করা হয়ে থাকে। । ক্যামেরার সেন্সর লক্ষবস্তুর চিত্র পাঠিয়ে দেয় উৎক্ষেপন স্থলে যেখানে অপারেটর অথবা স্ব্যংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার সে চিত্রকে বিশ্লেষন করে আঘাৎ হানার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে । Targeting systems পদ্ধতিতে ইনার্শিয়াল নেভিগেশান সিস্টেম(INS) বা গ্লোবাল পজিশানিং সিস্টেম(GPS) ব্যবহার করে মিসাইল এবং লক্ষবস্তুর অবস্থান নির্নয় করে বেতার তরংগ বা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে ক্ষেপনাস্ত্রের গতিপথ নিয়ন্ত্রন করা হয়ে থাকে।
৩) বিস্ফোরকের অংশ পে লোড( Pay Load) এটি হল মিসাইলের বিস্ফোরক অংশ। একটি বা অনেকগুলো বোমা বহন করে থাকে । প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম পারমানবিক বোমা হল, এক একটি ওয়ারহেড( Warhead ) । অনেক গুলো ওয়ারহেড বয়ে নিয়ে গিয়ে পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র ।
ক্ষেপনাস্ত্রের গতিপথের রয়েছে তিনটি পর্য্যায় ১) উৎক্ষেপন বা (boost, ৩ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে তা বায়ুমন্ডলে ছাড়িয়ে সেকেন্ডে ৭ কিলোমিটার বেগে উঠে যায় ১৫০ থেকে ৪৫০ কিলোমিটার উপরের Low Earth Orbit।
২) উপবৃত্তাকার পথ বা ballistic,পর্য্যায় হল বায়ুমন্ডলে পুনরায় প্রবেশ করার আগ পর্যন্ত , এর স্থায়িত্ব আনুমানিক ২৫ মিনিট।
৩) re-entry এই পর্য্যায়ে ১০০ কিলোমিটার উপরে বায়ুমন্ডলে ঢুকে সেকেন্ডে ৪ কিলোমিটার বেগে তা মাত্র দুই মিনিটে আঘাত হানে লক্ষবস্তুতে।
বিভিন্ন দেশের সাম্প্রতিক কালের আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র-
১) রাশিয়া- ২০১১ সালে সংযোজিত RS-24 হল রাশিয়ার সাম্প্রতিকতম আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র । ১০,৫০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপনাস্ত্র ৪ থেকে ৬টা পর্যন্ত পারমানবিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। ৪৭ টন ওজনের এই ক্ষেপনাস্ত্রে পে লোড এর ওজন হল ১।২ টন। রাশিয়ার অপর ক্ষেপনাস্ত্র হল RSM-56 Bulava। সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য এই ক্ষেপনাস্ত্র ৮ থেকে ১০হাজার কিলোমিটার দুরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ১০টি পারমানবিক বোমার ওয়ারহেড থাকে এই ক্ষেপনাস্ত্রে।
রাশিয়ার ভ্রাম্যমান আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র Topol.
২)যুক্তরাস্ট্র- প্রধান আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র হল Minuteman III. এই ক্ষেপনাস্ত্রের পাল্লা ১৩,০০০ কিলোমিটার , ওজন প্রায় ৩৫ টন , এবং ১৮।৫ মিটার লম্বা।২০২০ সালের পর এর যায়গা নেবে Minuteman -৪ সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য যুক্তরস্ট্রের অপর আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র হল Trident D-5 । ১২ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপনাস্ত্র ২।৮ টন পে লোড বয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম। এই ক্ষেপনাস্ত্রের পরবর্তী সঙ্গস্করন উন্নততর প্রযুক্তির Trident E-6 ২০৩০ সাল নাগাদ যুক্তরাস্ট্রের সেনবাহিনীতে সংযোজিত হবে।
উৎক্ষেপনের পর যুক্তরাস্ট্রের আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র MInuteman-3
চীন- চীনের অস্ত্রভান্ডার অত্যন্ত গোপনীয় বিষয়। এ দেশের প্রধান আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র হল DF-5A । ১৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপনাস্ত্র ৩,২ টন ওজনের পে লোড বয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম। চীনের সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র হল JL-2 যা ৮ ০০০ কিলোমিটার পাল্লার এবং একাধিক ওয়ারহেড সংযোজিত।
ফ্রান্স- ৩০০ এর ও বেশী ওয়ারহেড সংবলিত ক্ষেপনাস্ত্রের অধিকারী ফ্রান্সের অবস্থান যুক্তরাস্ট্র, রাশিয়া, এবং চীনের পরেই। ফ্রান্সের সাম্প্রতিকতম ক্ষেপনাস্ত্র হল সাবমেরিন থেকে নিক্ষেপযোগ্য M-51 । ৮০০০ কিলোমিটার পাল্লার, ১৩।৫ মিটার দৈর্ঘের এই ক্ষেপনাস্ত্রের ওজন ৫৩ টন এবং তা ৬টি পারমানবিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম।
বৃটেন- বৃটেনের রয়েছে আমেরিকায় তৈরী আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র। কেবলমাত্র সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপনযোগ্য এই ক্ষেপনাস্ত্রের ওয়ারহেড বৃটেন নিজেই তৈরী করে থাকে।
ভারত- গত ১৯ শে এপ্রিল আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র অগ্নি-৫ এর সফল পরীক্ষা চালানোর মধ্য দিয়ে আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র প্রযুক্তির অধিকারী ৬ষ্ঠ দেশ ভারত । অগ্নি-৫ ক্ষেপনাস্ত্রের পাল্লা ৫ হাজার কিলোমিটারের বেশী, ১৭ মিটার লম্ব্ ২ মিটার পরিধি, এবং ৫০ টন ওজনের এই ক্ষেপনাস্ত্র ১ টন ওজনের পারমানবিক বোমা বহন করতে সক্ষম।
জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী আসন প্রত্যাশি , উদীয়মান অর্থনীতির দেশ ভারত তার সামরিক শক্তি বাড়িয়ে চলেছে। ইতিমধ্যেই ভারত সর্বাধিক অস্ত্র আমদানী কারক দেশ। অল্প কিছুদিনের মধ্যে নিজস্ব পারমানবিক শক্তি চালিত ডুবো জাহাজ সংযোজন করছে নৌবাহিনীতে। ১৯৬০ সালে শুরু হয় অগ্নি ক্ষেপনাস্ত্র কর্মসুচী । ইতিপুর্বে উদ্ভাবিত অগ্নি -৪ ক্ষেপনাস্ত্র পাকিস্তান এবং চীনের পশ্চিমাংশে আঘাত হানতে সক্ষম ছিল। এই ক্ষেপনাস্ত্র ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সংযোজিত হবে ২০১৪ সাল নাগাদ।সমগ্র এশিয়া মহাদেশ এবং ইউরোপের ৭০% এলাকা এই ক্ষেপনাস্ত্রের পাল্লার অধীন। চীনের প্রধান শহর যেমন বেইজিং , সাংহাই প্রভৃতি শহরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে ভারত। ভারতের দাবী এই ক্ষেপনাস্ত্রের উদ্দেশ্য হল শত্রুকে চাপের মধ্যে রাখা বা Deterrence ।
ভারতের ক্ষেপনাস্ত্র- অগ্নি-৫।
ইজরায়েল তার সামরিক তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করে না করলেও সে তার সেনাবাহীনিতে আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র Jericho 3 ইতিমধ্যেই যোগ করেছে।
দক্ষিন আফ্রিকার প্রথম আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র RSA-4 নির্মানের চুড়ান্ত পর্য্যায়ে।
সুত্র- ১) এখানে
২) এখানেও
৩)ekhane
২|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:৫৯
অনিক আহসান বলেছেন: যে দেশে ৮০০ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্রসীমার নীচে বাস করে সে দেশের জন্য এমন হাউইবাজীর শখ মেটানো কতটুক যৌক্তিক আর মানবিক ? কিছু লোকের কথিত সুপার পাওয়ার সিনড্রোম এর খায়েস মেটাতে ১২৫ বিলিয়ন ভারতীয়র পকেট কাটা হচ্ছে প্রতি বছর । ফলাফল শুধুই মানসিক তৃপ্তি?
পারমানবিক অস্ত্র খেয়ে সোভিয়েত রাশিয়ানরা জীবন ধারন করতে পারে নাই ভারত কত দূর পারবে তা সময়ই বলবে।
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ৩:২৫
বীরেনদ্র বলেছেন: ভারত কি করবে বা না করবে তা তাদের ব্যাপার তবে এটা যে অগ্রগতি সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই।আপনার তথ্যে বেশ কিছু ভুল আছে, শুধরে নিন।
যেমন ভারতের দারিদ্র্যের হার হল ৩৭% , সে হিসেবে ১২১ কোটি মানুষের দেশে তা হয় ৪৪ কোটী ৮০ কোটী নয়। ভারতে পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ গরীব মানুষের বাস। এত বিপুল পরিমান মানুষ দারিদ্র্য সীমার নীচে থাকা নিশ্চয়ই ভারতের ব্যার্থতা।
উল্টোভাবে যদি দেখি গত ২০১০ সালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১০ শতাংশের উপরে আর নোমিনাল বেসিসে ভারতের মোট জি,ডি,পি, পৃথিবীতে ১০ম এবং পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটিতে ৪ র্থ, মোট জি,ডী,পি'র পরিমান ১. ৮১ ট্রিলিয়ন। পৃথিবীড় শীর্ষ ১০০ জন ধনীর মধ্যে ৬ জন ভারতের।
ভারতে দারিদ্র্যের হার বাংলাদেশের ৩১ শতাংশের চেয়ে বেশী কিন্তু মাথাপ্রতি যদি আয় দেখা হয় তা হলে কিন্তু ভারতের মাথা প্রতি আয় বাংলাদেশের দ্বিগুন।
১২৫ কোটীর যায়গায় ১২৫ বিলিয়ন লিখেছেন। সেখানেও ভুল। ভারতের লোক সংখ্যা ২০১১ তে দেখলাম ১২১ কোটী।
রাশিয়ার কথা লিখেছেন? জীবন ধারন করতে পারে নি বলতে কি বোঝাতে চেয়েছেন বুঝলাম না। তবে রশিয়ার মাথা প্রতি আয় দেখলাম ১৩ হাজার ডলার.
রাশিয়া এখন যে অবস্থায় আছে সেখানে আমাদের পৌছাতে কত বছর যে লাগবে কে জানে?
৩|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:১৮
রকিবুল আলম বলেছেন: সহমত @ অনিক আহসান
গণবিধ্বংসী অস্ত্র দ্বারা এমন যেকোন অস্ত্রকে বোঝায় যা অনেক মানুষকে একসাথে মেরে ফেলার ক্ষমতা রাখে, যা মনুষ্য নির্মিত (দালান) বা প্রাকৃতিক (পাহাড়) কাঠামোর বিপুল ক্ষতি সাধন করে বা সাধারণভাবে জৈব মণ্ডলের বিশাল ক্ষতির কারণ হয়।
৪|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ৩:০০
ম্যাভেরিক বলেছেন: এখনও ঠিক মতো ভাত জুটে না সবার, কিন্তু ইন্ডিয়ার ঘোড়ারোগটা দিন দিন চেগে উঠছে। সুপারপাওয়ার হওয়ার স্বপ্নে এরকম ব্রেইনওয়াশড দেশ পাকিস্তান ছাড়া আর একটাও নাই।
৫|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ ভোর ৫:১৮
বাতাসের রূপকথা বলেছেন: ইন্ডিয়ার পাশের দেশ চায়না এগিয়ে আছে অনেক বেশী, সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কোন দিন চায়নাকে বলার সাহস নাই ভারতের। এসব বানানোর কোন উদ্দেশ্য কারো জানা নাই। আপনি বাইরে আসলে দেখবেন ইন্ডিয়ানদের গরীবী চলাফেরার জন্য যে কেউ তাদেরকে চিনতে ভুল করে না। আর জীবন জীবিকার মান - কিছু বড় সিটির পরিধির বাইরে বলতে হবে লজ্জাজনক।
এমনিভাবে একদিন পারমানবিক অস্ত্রের পরীক্ষা করে ইন্ডিয়ানরা যখন তৃপ্তির ঢেকুর তুলতেছিল ঠিক সেই সময়ে পাকিস্তান জানান দিল। তাদের সেই বালখিল্যতা বেশী দিন স্থায়ী হলো না।
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ সকাল ৭:৩৪
বীরেনদ্র বলেছেন: @ বাতাসের রুপকথা ,
বাইরে আসলে মানে আপনি কি উপমহাদেশের বাইরের কোন দেশকে বোঝাতে চেয়েছেন?
এ পর্যন্ত আমি ইউরোপ আমেরিকা এশিয়ার ২০/২৫ টা দেশে গেছি, আর এখন তো থাকি কানাডার টোরোন্টো শহরে। আর কোথায় যেতে হবে আমাকে ভারতীয়দের করুন অবস্থা বুঝতে?
আমেরিকার কথা যদি ধরি ওখানে কিন্তু ৩৫% ডাক্তার ভারতীয়, নাসাতে কর্মরত বিজ্ঞানীদের মধ্যে প্রায় ৪০% ভারতীয় ইত্যাদি।
পরিসংখ্যান কিন্তু বলে উপমহাদেশে পাকিস্তান বা বাংলাদেশের চেয়ে ভারত এগিয়ে আছে । ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইটে খুজে দেখলেই সব দেশেরই অবস্থান পাবেন।
ভারত তৃতীয় বিশ্বের দেশ, উন্নয়নশীল দেশ, গরীব দেশ এ সমস্ত ব্যাপারে তো সন্দেহ নেই । পৃথিবীর এক তৃতিয়াংশ গরীব মানুষের বসবাস ভারতে এ গুলো তো সত্যি কথাই।
আপনি পাকিস্তানকে বলছেন সে ভারতের মতই পারমানবিক শক্তির অধিকারী - কোন সন্দেহ নেই। এটাই হল পারমানবিক অস্ত্র থাকার উপযোগীতা । এই দুই দেশের কেউই পারমানবিক যুদ্ধের ঝুকি নেবে না । আর এটাকেই বলে Deterence. এর ফলেই ভারত/ পাকিস্তান যুদ্ধের সম্ভাবনা কমে গেছে, ১৯৪৭ থেকে ৭১ পর্যন্ত ৩ টা বড় যুদ্ধ হলেও এর পর যুদ্ধ হয় নি বা অদুর ভবিষ্যতে হবে না।
চীন ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে, রাশিয়া, আমেরিকা চীনের চেয়ে এগিয়ে আছে- সেটা তো কোন ব্যাপার নয়। কে এগিয়ে থাকল বা না থাকল তা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথার কোন কারন আছে কি? আমার উদ্দেশ্য ভারতকে বিরাটত্ব প্রমান করাও নয়।
ভারত চীনকে কিছু বলতে সাহস পায় না কারন চীন সামরিক শক্তি বা অর্থনৈতিক শক্তি সব দিক থেকেই এগিয়ে , এ সত্যি কথা আমি বুঝি।
আপনি কোন দেশের মানুষ? বাংলাদেশের তো। বাংলাদেশকে নিয়ে ভাবলেই তো হল।
৬|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১১:২৭
দিগন্তের পথিক বলেছেন: হাস্যকর রকম বাতুলতা বলেই মনে হলো পুরো ব্যাপারটা। যে দেশে খেতে না পেয়ে রোজ রোজ ৬ হাজার বাচ্চা মারা যায়, যে দেশের ৮০ কোটি মানুষের (জনসংখ্যার ৭৫%) প্রতিদিনের মাথাপিছু আয় ০.৫ ডলারের নীচে, যে দেশের ৪৯.৮% জনসংখ্যার কোন টয়লেট নেই বিধায় তারা খোলা আকাশের নীচে প্রাকৃতিক কর্ম সারে, যে দেশের ৪২% মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে সেই দেশের খালি বসে বসে নিজেদের সব টাকা পয়সা খরচ করে নিজেদেরকে শীর্ষ অস্ত্র-আমদানিকারক দেশ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে অতঃপর তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার বিলাসী খায়েশ!
গরীবের ঘোড়া-রোগ আর কি!
Fastest Economic Growth, Tremendous Per Capita GDP, 4th Largest Purchasing Power ইত্যাদি ইত্যাদি কতোগুলো কাগুজে আর গাণিতিক সাফল্যের ধোঁয়া তুলে তুলে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে জনগণ মন অধিনায়ক ভারত-ভাগ্যবিধাতা জনগণের মাথার স্ক্রু ঢিলা করে অতঃপর টাটা-আম্বানি-মিত্তাল-বিড়লা-প্রেমজী নামক কতোগুলো ভারতীয় ধনকুবেরের গরম গরম পকেট লব্ধ টাকা-পয়সা সব খরচ করে শখের অস্ত্র মহড়ায় মেতে উঠেছে! কথায় বলে: "রোম যখন পুড়ছিলো, নিরো তখন বাঁশি বাজাচ্ছিলো"! প্রকৃতপক্ষে অন্য আর সব কিছু ছাপিয়ে তথাকথিত ভারতীয় অর্থনৈতিক উন্নতি সম্পর্কে অনস্বীকার্য সত্য আসলে একটিই: কাগজে কলমের হিসেবে ভারত হয়তো ‘গরীব দেশ’ নয়, কিন্তু ভারত হলো পৃথিবীর সব থেকে বড় ‘গরীবদের দেশ’।
পৃথিবীর মোট দরিদ্রদের এক-তৃতীয়াংশ অংশই ধারণকারী ভারতের এ এক আজব বাতুলতা!
যাকে মুখ-ঝামটা দেয়ার জন্য ভারত-মাতা এমন কোমরে আঁচল বেঁধে নেমেছে সেই চীনের প্রতিক্রিয়াটা অনেকটা ঘুম থেকে উঠে হাই তোলার মতো করেই দৃশ্যমান হলো। ভারত যেখানে নিজেদের খাওয়ার পয়সা পর্যন্ত বিকিয়ে দিয়ে তা দ্বারা অন্য দেশ থেকে অস্ত্র আমদানি করে হামবড়া ভাব দেখানোয় ব্যস্ত সেখানে চীন নিজেই নিজের প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের জন্য অত্যাধুনিক সব অস্ত্র উত্পাদন করে নিজের অস্ত্রভান্ডার সমৃদ্ধ করে চলেছে আর উপরন্তু অন্যদেশের কাছে অস্ত্র রপ্তানি করছে।
কোথায় মহারানী চীন, আর কোথায় চু*মারানি ভারত-মাতা!
যে চীনের ব্যাপারে কথা বলার ক্ষেত্রে ভারতের পিতৃতুল্য আমেরিকা-ইসরাইলকেও অনেক হিসেব কষে সাবধানে কথা বলতে হয় সেই চীনের সমীহ আদায়ের উদ্দেশ্যে অগ্নি মিসাইলের পরীক্ষা কার্যকর হয়েছে বলে মনে করে থাকলে ভারত আসলে একটা বোকার স্বর্গেই বসবাস করছে। ভারত তো মোটে এই সেই দিন ক্ষেপনাস্ত্র আকাশে উড়াতে শিখলো, আর চীন ১৯৬৯ সাল থেকেই ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরোধক ও স্যাটেলাইট প্রতিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা প্রতিষ্ঠান খুলে গবেষণা চালিয়ে আসছে। শুধু তাই-ই নয়, চীন বর্তমানে রাশিয়ান প্রযুক্তির S-300PMU-2/S-300PMU-1 সিরিজের ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য অত্যাধুনিক এন্টি ব্যালাস্টিক-মিসাইল সিস্টেম নিজেরাই উত্পাদন এবং মোতায়েন করে আসছে এবং নিজস্ব চীনা প্রযুক্তির HQ সিরিজের অত্যাধুনিক সব নতুন নতুন ঘরানার ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরোধক Surface-to-Air Missile System নিজেরা উত্পাদন ও সেই সাথে মোতায়েন করে আসছে। উপরন্তু, চীনা নৌবাহিনী Type 052C এবং Type 051C সিরিজের আকাশ প্রতিরক্ষী ডেস্ট্রয়ার ব্যবহার করছে যা নিজস্ব চীনা প্রযুক্তির HHQ-9 সিরিজের এন্টি ব্যালাস্টিক-মিসাইল সিস্টেম গাইড করতে সক্ষম।
তার উপর, বিশ্বে এই মূহুর্তে কেবলমাত্র তিনটি দেশের হাতে স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্র আছে, এরা হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন। স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহকে ধ্বংস করতে সক্ষম এমন সব ব্যালাস্টিক মিসাইলের পরীক্ষাও চীন ইতোপূর্বে সফলভাবে অসম্পন্ন করেছে এবং চীনের হাতে এমন অস্ত্রের মোতায়েনযোগ্য মজুদ আছে। চীন চাইলেই যে কোন সময় অন্য যে কোন দেশের কৃত্রিম উপগ্রহকে ভূমি বা আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় স্যাটেলাইট বিধ্বংসী এই সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অনন্য। কারণ, মিসাইল গাইডেন্স প্রযুক্তিতে মিসাইলের অবস্থান এবং টার্গেটের অবস্থান ও গতিপ্রকৃতিকে নিখুঁতভাবে সনাক্ত করার জন্য Global Positioning System (GPS) এবং GLObal NAvigation Satellite System (GLONASS) কে ব্যবহার করা হয়, যা সম্পূর্ণই স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ নির্ভর। কাজেই, নিজেদের স্যাটেলাইট বিধ্বংসী অস্ত্র প্রয়োগ করে চীন যে কোন সময় চাইলেই ভারতীয় স্যাটেলাইট ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে ভারতকে যেকোন ক্ষেপনাস্ত্র প্রয়োগে সম্পূর্ণ অক্ষম করে দিতে পারে। চীনের এই বিশেষ সক্ষমতাটি ক্ষেপনাস্ত্র যুদ্ধে ভারতের উপর চীনের প্রাধান্য, বলিষ্ঠতা ও শ্রেষ্ঠত্বকে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত এবং প্রতিষ্ঠিত করে।
৭|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১১:২৮
দিগন্তের পথিক বলেছেন: এতোক্ষণ তো শুধুমাত্র বললাম যে কোন ক্ষেপনাস্ত্র আক্রমণকে প্রতিহত করার জন্য ‘ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা’ ব্যবস্থায় চীনের হাতে কি কি আছে। এখন আক্রমণ করার জন্য ক্ষেপনাস্ত্র প্রয়োগে চীনের হাতে কি কি আছে সেটা নিয়ে আলোচনা করে স্থান-সময়-শ্রমের অপচয় করার কোন প্রয়োজনই নেই। কারণ, চীন এক্ষেত্রে ভারতের তুলনায় যোজন যোজন দূরত্বে এগিয়ে আছে। ছোট্ট একটা উদাহরণ টানলেই বিষয়টা স্পষ্টভাবে বুঝা যাবে। ভারত তো মোটে দুদিন আগে ৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার একটা ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষামূলকভাবে উত্ক্ষেপন করে দেখলো, আর চীনের অস্ত্রভান্ডারে মজুদ ক্ষেপনাস্ত্রের পাল্লা ১৩ হাজার কিলোমিটার (যা ভারতের তুলনায় প্রায় ৩ গুনের কাছাকাছি)। কাজেই সবাই বুঝতেই পারছেন যে কি ক্ষেপনাস্ত্র প্রয়োগে, আর কি ক্ষেপনাস্ত্র আক্রমণ প্রতিহতকরণে, চীনের সাথে ভারতের কোন তুলনাই চলে না।
চীনের সাথে ভারতের তুলনা আর চাঁদের সাথে বানরের পোঁদের তুলনা সমান কথা!
এবার আসি বিশ্ব-মোড়ল আমেরিকার প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে। আমেরিকা যে তাদের পোষ্যদেশ ভারতের যেকোন রূপ অস্ত্র মহড়ার ব্যাপারে মোলায়েম স্নেহের সুর আর সমর্থনের ভাষায় কথা বলবে সেটা তো আগে থেকে অনুমিতই ছিলো। কারণ, আমেরিকা যে তাদের পালিত-দেশ ভারতকে চীনের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানোর জোর চেষ্টা করে চলেছে সেটা তো অনেক পুরনো খবর। কেবল ইরান আর উত্তর কোরিয়ার দ্বারা যদি পান থেকে চুন খসে তাহলেই আমেরিকার যতো মাথাব্যথা আর হম্বিতম্বি শুরু হয়ে যায়! উপরন্তু অগ্নি মিসাইলের ব্যাপারে DRDO এর ভারতীয় কর্মকর্তারা আমেরিকার কাছ থেকে গোপনে কোন কারিগরী সহায়তা পেয়েছে কিনা সেটাই একটা প্রশ্ন হিসেবে দেখা দেয়ার যোগ্যতা রাখে।
এখন আসা যাক ভারতের সাম্প্রতিক পরীক্ষামূলক ক্ষেপনাস্ত্র উত্ক্ষেপন প্রসঙ্গে চীনের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে। চীনের সতর্ক পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিক্রিয়ার কারণ মূলত দুটি।
প্রথমত, ভারতের মতো একটা প্রচারসর্বস্ব চেঁচামেচিপ্রিয় নেংটি ইঁদুরকে শায়েস্তা করার জন্য এখন থেকে চীনের মতো একটা সিংহের স্রেফ কান দুটো একটু সজাগ রাখার কষ্টটা স্বীকার করা লাগবে বলে চীনা কর্তৃপক্ষ স্বভাবতই কিছুটা মনঃক্ষুন্ন। এতোদিন তো চীনা সিংহের এক ফুত্কারেই ভারতীয় নেংটি ইঁদুর উড়ে যাওয়ার উপক্রম ছিলো!
দ্বিতীয়ত, নিজেদের প্রতিদ্বন্দী যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও একবার অনুযোগের সুরে বার্তা পৌঁছে দিলো:
“কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা,
প্রেম শুধু অন্যের বেলা।“
(এখানে, ‘কৃষ্ণ’ = ভারত এবং ‘অন্য’ = ইরান, উত্তর কোরিয়া)
পরিশেষে একটা কথাই বলতে হয়, ভারতের মতো একটা ভুখা নাঙ্গা দেশের যেমন জনগণকে দুর্দশা-পীড়িত রেখে নিজেদের সব টাকা-পয়সা খরচ করে কেবল অস্ত্র প্রদর্শন করে নিজেদের বড় বলে প্রমাণ করা সম্ভব হবে না, তেমনি চীনের মতো একটা স্বয়ংসম্পূর্ণ বিশ্বশক্তির সাথে অসম পাল্লার শিশুসুলভ খেলায় মেতে উঠেও কোনরূপ কূল-কিনারা করা সম্ভব হবে না। “অন্যের ভাত মেরে নিজের খাওয়া জোগার করো” এমন প্রতিহিংসাপরায়ণ আদর্শে বিশ্বাসী ভারত তার নিজের যেকোন একটা প্রতিবেশীর সাথে ঝঞ্ঝাটমুক্ত নির্ভেজাল সুসম্পর্ক তৈরিতে বারংবার ব্যর্থ হয়েছে। চারিদিকে শত্রু-বেষ্টিত ভারত নিজের অভ্যন্তরীণ দুর্দশাকে আড়াল করে কেবল অস্ত্র প্রদর্শন করে আর গায়ের জোর খাটিয়ে অনন্তকাল টিকে থাকবে বলে আশা করলে নিঃসন্দেহে ভুল করবে। কাজেই, নিজের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক শান্তি ফিরিয়ে আনার মানসে ভারতের উচিত ‘আঞ্চলিক-প্রভুত্ব কামী উচ্চাভিলাষ’ পরিহার করে শান্তিপূর্ণভাবে এবং নির্লোভ-পরহিতৈষী মানসিকতা নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণভাবে এগিয়ে আসা।
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:১৮
বীরেনদ্র বলেছেন: দিগন্তের পথিক,
আপনার অগাধ পান্ডিত্য হাজার সালাম। চীন সম্পর্কে অনেক বক্তব্য দিলেন। জানতাম না। কানাডা তে সবচে বেশী ইমিগ্রান্ট আসে চীণ থেকে । আমি এক চীনা কে জিজ্ঞেস করলাম তোমাদের দেশ তো অনেক উন্নত তোমরা কেন চীন ছেড়ে এ দেশে আসো? সে উত্তর দিলো " তোমার যদি কানাডিয়ান পাস পোর্ট থাকে তা হলে যে কোন চীনা মেয়ে তোমাকে বিয়ে করবে"
বাংলাদেশ ভারত এবং চীনের অর্থনৈতিক অবস্থা একটু দেখি। মাথা পিছু জি,ডি,পি এই ৩ দেশের হল যথাক্রমে ১৬৯৩, ৩৬৯৫ এবং ৮,৩৮২ ডলার, যেখানে যুক্ত্ররাস্ট্রের জন্য তা ৪৮, ৩৮৭ বিশ্ব ব্যাঙ্কের হিসাব ও কাছাকাছি সুত্র-এখানে এবং এখানে
এখন আসি আপনার গোড়ার দিকের পরিসংখ্যানে বিশ্বব্যাঙ্কের হিসেব অনুযায়ী মাথাপিছু দৈনিক ১.২৫ ডলার আয় হল দারদ্র্য সীমা সে হিসেব অনুযায়ী দারিদ্র্য সীমার নীচে বসবাসকারী হল ভারতে ৩৭.২% বাংলাদেশে ৩১.৫% এবং চীনে ২.৮ % সুত্র-http://data.worldbank.org
অর্থাৎ আপনার দেওয়া তথ্য ৮০% লোক .৫ ডলারের নীচে এবং ৪২ % লোক দারদ্র্য সীমার নীচে বাস করে এই তথ্য সঠিক নয়।
মনে হল আপনি তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন । চীনের বন্দনা শুরু করলেন । কিন্তু কারন টা কি?
ভারত শুনলেই ক্ষেপে যান কেন এত? ভারত যদি আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র তৈরী করে তাতে আপনার বা আমার সমস্যা কি? চীণ যে ভারতের থেকে অনেক এগিয়ে তা তো আমিও বলছি। দেশ গুলোর আন্ত মহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্রের হিসেব তো নির্ভরযোগ্য সুত্র থেকে দিয়েছি।
৮|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:১৯
দিগন্তের পথিক বলেছেন: @বীরেনন্দ্র দাদা: আমি ভুল কিছু বলি নি। ভারতে ৪২% জনসংখ্যা দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে এই হিসেবটা ২০০৫ সালের ছিলো, ২০১০/২০১১ তে এসে হয়তো এই হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে যেটা আমার জ্ঞাতসারে ছিলো না।
এটা তো গেলো বিশ্বব্যাঙ্কের হিসাব। ভারতের সরকারী হিসাব মতেই দেশটির ৮০ কোটি ভারতীয়র (জনসংখ্যার ৭৫%) প্রতিদিনকার আয় ০.৫ ডলারের নীচে, কাজেই আমার উল্লেখ মোটেও কোন ভুল ছিলো না।
তথ্যসূত্র: 800 million Indians live on about $0.50 a day
আর আমেরিকার পার ক্যাপিটা জিডিপি বা পার ক্যাপিটা ইনকামের সাথে চীনেরটার কোন তুলনা করে লাভ নেই, কারণ আমেরিকা এবং চীনে ভিন্ন ভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা। আমেরিকা যেখানে পুঁজিবাদী দেশ সেখানে চীন সমাজতান্ত্রিক দেশ। আমেরিকার বেশিরভাগ অর্থ-সম্পদ, টাকা-পয়সা সব কিছু হাতে গোনা কয়েকজন পুঁজিবাদীর হাতে কুক্ষিগত হয়ে থাকে। আমেরিকাতে যারা বিত্তবান তারা অনেক বেশী বিত্তবান, আবার যারা দরিদ্র তারা অনেক বেশী দরিদ্র। আমেরিকান বিত্তবানদের বিশাল আয় কে গণিতের হিসাবের আওতায় এনে পার ক্যাপিটা ইনকাম বা পার ক্যাপিটা জিডিপির হিসাবটা করা হয়, যে হিসাব মোটেও আমেরিকান আম-জনতার সাথে যায় না। কিন্তু চীনে এই অবস্থা হওয়ার তেমন সুযোগ নেই সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার দরুন। ছোট্ট একটা চীনে যেখানে দরিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারী জনসংখ্যার পার্সেন্টেজ ২.৮%, সেখানে আমেরিকাতে দরিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারী জনসংখ্যার পার্সেন্টেজ ১৫.১ % (২০১১ এর হিসাব)। কাজেই, আশা করি এইটা থেকে বুঝা যাচ্ছে যে পার ক্যাপিটা জিডিপির হিসাবটা কেবলি গাণিতিক বিশ্লেষণ, এটা দিয়ে তুলনা করা সম্ভব না।
আর ক্ষেপনাস্ত্রের জোরে ভারতের আঞ্চলিক প্রভুত্ব-কামী স্বপ্ন-তরণীর পালে যে নতুন করে হাওয়া লাগবে সেটা আর বলে দেয়া লাগে না, যে প্রভুত্ব-বাসনার অল্প-বিস্তার শিকার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে বাংলাদেশও হতে পারে। কাজেই, রাগের কারণটা আশা করি অনুমান করা যাচ্ছে।
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ৮:৩৮
বীরেনদ্র বলেছেন: ধন্যবাদ,
আপনার দেওয়া সুত্র হল হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত । তা ছিল সি,পি,এম নেতা সিতারাম ইয়েচুরীর দাবী। তিনি অফিসিয়াল ফিগার বলে যা দাবী করেছেন তার সুত্র কিন্তু বলেন ও নি। এর বিপরীতে ভারতের পরিকল্পনা মন্ত্রীর দাবী দেখুন ভারতে দারিদ্র্যের হার কমে দাড়িয়েছে ২৯.৮%, সরকার সাফল্য দাবী করবে এবং বিরোধী দল ব্যার্থতার অভিযোগ আনবে এটাই তো স্বাভাবিক। সেখানে যদি আমরা তৃতীয় পক্ষ বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রতিবেদন কে মেনে নি তাহলেই মনে হয় কিছুটা হলেও নিরপেক্ষ হব।
এখানে এবং এখানে । সেটা আমার আলোচ্য বিষয় ও নয়।
চীণ সমাজতান্ত্রিক দেশ সেখানে সম্পদের বন্টন সুষম । তাদের থেকে কিন্তু আমেরিকার দারিদ্র্যের সংগা ভিন্ন। আমেরিকাতে ২০১১ সালের হিসেব অনুসারে দারিদ্র্য ১৫% ( ৪ জনের পরিবারের বাৎসরিক আয় ২২,৩৫০ ডলারের নীচে হলে তাকে গরীব বলা হয়।) । অর্থাৎ মাথা পিছু প্রতিদিনের আয় ১৫ ডলারের নীচে হলে তাকে গরীব বলা হয় যা বিশ্ব ব্যাঙ্কের ১.২৫ ডলারের ১২ গুন।
কানাডা আমেরিকার চেয়ে দরিদ্র্য দেশ, কিন্তু এখানে আসার জন্য চীনারা কি পরিমান পাগল তা না দেখলে আপনি বিশ্বাস করবেন না।উপরে মন্তব্যে দেখুন।
এখন আঞ্চলিক পরাশক্তির কথা বলছেন? সামরিক এবং অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে ভারত নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেস্টা চালাচ্ছে তা তো সত্যি। আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপনাস্ত্র বাংলাদেশের জন্য কোণ অতিরিক্ত হুমকি নয় কারন হল সার্ক অঞ্চলে ভারতের সাথে অন্য দেশগুলোর পার্থক্য অনেক অনেক। বাংলাদেশেকে সামরিক ভাবে হুমকির জন্য ঐ ক্ষেপনাস্ত্রের কোন প্রয়োজন ও নেই।
৯|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১০:৫৯
অনিক আহসান বলেছেন: ভারত অবশ্যই উন্নয়ন করেছে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। তার আরো উন্নতি আমাদেরও কাম্য কারন প্রতিবেশী হিসাবে আমাদের উপরো এর একটা পজেটিভ প্রভাব পড়বে। তবে বর্তমান ভারতীয়রা (বলা উচিত ভারতীয়দের একটা অংশ) সুপার পাওয়ার
সিনড্রোমে আক্রান্ত। ৪৪ কোটি (আপনার দেয়া তথ্য মত ) অভুক্ত মানুষ রেখে সুপার পাওয়ার হওয়ার জন্য কসরত করা আর পিঠে জাজিম চড়ানো খুশিতে গাধার নিজেকে ঘোড়া ভাবার ইল্যুশনের মধ্যে খুব একটা তফাত নাই ।
পুনশ্চঃ সোভিয়েতদের গমের বদলে পারমানবিক অস্ত্র খেয়ে জীবন ধারনের কথা গরভাচেভ বলেছন।
১০|
২২ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১২:৪৫
রমিত বলেছেন: ইন্ডিয়ার ঘোড়ারোগটা দিন দিন চেগে উঠছে। ভারত একটি হতদরিদ্র রাস্ট্র। জনগণের ভাতের ব্যবস্থা না করে, বন্দুকের ব্যবস্থা করছে। ভালো ভালো, চালিয়ে যাক।
১১|
২২ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:১৮
অ্যামাটার বলেছেন: ভারতের এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্পগুলো যে এখন চিনকে লক্ষ্য রেখে, তা বুঝতে অসুবিধা হয়না।
কেননা, পাকিস্তান এখন ঠিক কোনও বিচারেই ভারতের প্রতিদ্বন্দী না। একে তো সামরিক শক্তিতে অনেক পিছিয়ে, তার উপর আভ্যন্তরীন সমস্যায় জর্জরিত। সুতরাং অদূর ভবিষ্যতে পাকিস্তার বড় কোনও থ্রেট না।
দিগন্তের পথিক এর ৭ নং মন্তব্যে দেওয়া তথ্য গুলো সঠিক হলে তো দেখছি, চিনের সাথে ভারতের কোনও তুলনাই চলেনা আদতে। সবে ৫০০০কিলোমিটার ক্ষেপনাস্ত্রের বিপরীতে ১৩০০০পাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র, এন্টি ব্যালাস্টিক সিস্টেম, সাটেলাইট ডেস্ট্রয়ার!
আপনি এটাকে থিক কিভাবে অগ্রগতি বলছেন, @লেখক? বরং এরকম অসুস্থ প্রতিযোগিতা ব্যাতিরেকে দারিদ্র দূরিকরণে মনঃযোগ দেওয়া উচিৎ ছিলনা?
২২ শে এপ্রিল, ২০১২ ভোর ৪:৩৩
বীরেনদ্র বলেছেন: চীনের সাথে ভারতের তুলনা চলে না এ নিয়ে তো দ্বিমত পোষন করার কিছু নেই। সুতরাং এ নিয়ে বিতর্কের কি আছে?
আপনি পাকিস্তান ভারতের মধ্যেকার ব্যাপারটা দেখুন, এত সমস্যার পর ও পাকিস্তানকে ক্ষেপনাস্ত্র এবং পারমানবিক কর্মসুচী চালু রাখতে হচ্ছে। কারন হল পারমানবিক বোমা একটা কার্য্যকরী Deterrant. একই ভাবে ভারতের এই চেস্টা যদি কার্য্যকরী deterrent হিসেবে কাজ করে তা হলেই মনে হয় ভারত খুশী।
ভারতকে সামরিক বা অর্থনৈতিক দিয়ে চীনের সমকক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা আগামী ৫০ বছরেও নেই, উলটো পার্থক্য আরো বেড়ে যাবে- আমার ধারনা।
অগ্রগতি ? কেন নয় ? ২০ বছর আগে কোন ক্ষেপনাস্ত্র ছিল না, অল্প কয়েকদিন হল মাঝারি পাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র সেনাবাহিনীতে সংযোজন করেছে ,দুরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা চালালো ভবিষ্যতে তা সেনাবাহিনীতে আসবে, চাঁদে মহাশুন্যযান পাঠালো ইত্যাদি নিশ্চয়ই বিজ্ঞানের অগ্রগতি।
অর্থনৈতিক দিক দিয়েও ভারতের কিছুটা হলেও অগ্রগতি আছে। ১৯৯০ সালে ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র ৪০০ কোটী ডলার। আমদানী ব্যয় মেটাতে ভারতকে ৪০ টন সোনা বিক্রি করতে হয়। ২০১২ তে তা ২৯, ৫৮২ কোটী ডলার।
সব কিছুর পর ও ভারত একটা গরীব দেশ সে দেশে পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ গরীব লোকের বাস
এখন আপনি প্রশ্ন রাখতে পারেন ৪৪ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যের মধ্যে রেখে এ গুলো করার আদৌ দরকার আছে কি? পৃথিবীতে অনেক ধনী দেশই আছে যাদের সামরিক শক্তির পেছনে ব্যয় নেই বললেই চলে যেমন সুইজারল্যান্ড।
এ ব্যাপারে ভারতের জনসাধারনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক।
১২|
২২ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ৩:৫৮
বাতাসের রূপকথা বলেছেন: @ লেখক, আমি বুঝাতে চেয়েছি বিদেশে ভারতীয়দের গরীবী হালের চলন । তারা যত বড় বটগাছ হোক না কেন - তাদের অবয়ব অত্যন্ত টিপিক্যাল।
১৩|
২২ শে এপ্রিল, ২০১২ ভোর ৪:৩৯
বীরেনদ্র বলেছেন: ভারতীয়রা কৃপন এবং স্বার্থপর । সে ব্যাপারে আমার বলার কিছু নেই কারন কেউ যতক্ষন পর্যন্ত আমার জন্য ক্ষতিকর নয় তাকে নিয়ে আমার মাথা ঘামানোর কোন দরকার নেই।
আপনি কোন দেশে আছেন জানি না তবে আমরা বাংলাদেশী রা যেভাবে চলি তার চেয়ে ভারতীয়রা অনেক দীন হীন জীবন যাপন করে। ওদের দেখলে আমার মনে হয় আমরা বাংলাদেশীরা অনেক বিলাসী জীবন যাপনে করি। এতে কিন্তু আমাদের অবনতি হয় আর ওরা উন্নতি করে।
১৪|
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩২
মিজানুর রহমান মিলন বলেছেন: আজকে বিশ্বে সামরিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার কোন বিকল্প নেই । ভূ-রাজনীতিগত দিক দিয়ে ভারতের সামরিক শক্তির প্রয়োজন আছে আমরা পছন্দ করি আর না করি । শুধু ভারত নয় বিশ্বের সব রাস্ট্রের সামরিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার প্রয়োজন আছে কোন দেশকে আক্রমনের জন্য নয় কিন্তু আত্বরক্ষার জন্য । ইরাক, আফগানিস্তান লিবিয়া সিরিয়ায় তার বড় প্রমান ।দারিদ্র থাকবে কিন্তু দারিদ্রের চেয়ে বড় প্রয়োজন স্বাধীনতা রক্ষা । উত্তর কোরিয়া, ইরান এই সত্যটা বুজতে পেরেছে বলেই তারা এখনো ইরাক আফগানিস্তান হয়নি ।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:৫৭
কল্পবিলাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমাদের কবে হবে?