| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
¤ শুক্রবার ভোরে প্রেসিডেন্ট জিয়া নাস্তা খাচ্ছিলেন । আয়োজন সামান্য ।
চারটা লাল আটার রুটি । দুই পিস বেগুন ভাজি । একটা ডিম সিদ্ধ ।
জিয়ার সঙ্গে নাশতার টেবিলে বসেছেন তার বন্ধু ও সহযোদ্ধা জেনারেল মঞ্জুর
জেনারেল মঞ্জুর বিস্মিত হয়ে বললেন , এই আপনার নাশতা ?
প্রেসিডেন্ট বললেন , হতদরিদ্র একটি দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই নাশতা কি যথেষ্ট না ? (দেয়াল,হুমায়ুন আহমেদ,১৮৯পৃষ্ঠা)
¤ জিয়াউর রহমানের পাঁচ বছরের শাসনে প্রতি মাঘের শেষে বর্ষন হয়েছিল কিনা তা কেউ হিসাব রাখেনি , তবে এই পাঁচ বছরে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি । অতি বর্ষনের বন্যা না , খরা না , জলোচ্ছাস নাদেশে কাপড়ের অভাব কিছুটা দূর হলো । দ্রব্যমূল্য লাগামছাড়া হলো না । বাংলাদেশের নদীতে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পড়তে লাগলো
বাংলাদেশের মানুষ মনে করতে লাগলো অনেক দিন পর তারা এমন এক রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছে যিনি সত্ । নিজের জন্য বা নিজের আত্নীয়স্বজনের জন্য টাকা পয়সা লুটপাটের চিন্তা তার মাথায় নেইবরং তার মাথায় আছে দেশের জন্য চিন্তা । তিনি খাল কেটে দেশ বদলাতে চান ।
জিয়া মানুষটা সত্ ছিলেন , এতে কোনো সন্দেহ নেই লোক দেখানো সত্ না , আসলেই সত্ তার মৃত্যুর পর দেখা গেল জিয়া পরিবারের কোনো সঞ্চয় নেই (দেয়াল,পৃষ্ঠা১৯৩)
¤ তারিখ ৩০ মে রাত এগারোটা জিয়া প্রান হারান তার একসময়ের সাথী জেনারেল মঞ্জুরের পাঠানো ঘাতক বাহিনীর হাতে বলা হয়ে থাকে , জেনারেল মঞ্জুর তার রুপবতী স্ত্রী দ্বারা পরিচালিত ছিলেন এই স্ত্রী মঞ্জুরের শেষ দিন পর্যন্ত তার সঙ্গী ছিলেন সেনা অভ্যুত্থান ঘটানো এবং জিয়া হত্যার পেছনে প্রলয়ংকারী স্ত্রীবুদ্ধি কাজ করতে পারে (দেয়াল,পৃষ্ঠা১৯৬)
¤ বঙ্গবন্ধুর অতি কাছের মানুষ তার রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদ বসে আছেন রক্ষীবাহিনীর সদর দপ্তর সাভারে ।আতঙ্কে তিনি অস্থির ।
বঙ্গবন্ধু নিহত হলেন
বঙ্গবন্ধুকে রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত রক্ষীবাহিনী ঝিম ধরে বসে আছে । একসময়ের সাহসী তেজি ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদও ঝিম ধরে বসে আছেন । শুরু হয়েছে ঝিম ধরার সময় ।
রাস্তায় মিছিল বের হয়েছে । দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি , সেই মিছিল আনন্দ মিছিল ।
শফিক বাংলামোটরে গিয়ে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখল । সেখানে রাখা ট্যাংকের কামানে ফুলের মালা পরানো কিছু অতি উত্সাহী ট্যাংকের উপর ওঠে নাচের ভঙ্গি করছে ।
আমার বাবর রোডের বাসার কথা বলি । বেতারে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর খবর প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে একতলার রক্ষীবাহিনীর সুবেদার পালিয়ে গেলেন । তার দুই মেয়ে ছুটে এল মা'র কাছে তাদের আশ্রয় দিতে হবে । মা বললেন তোমাদের আশ্রয় দিতে হবে কেন ?তোমরা কি করেছ ? তারা কাঁদো কাঁদো গলায় বলল , খালাম্মা , এখন পাবলিক আমাদের মেরে ফেলবে ।
এই ছোট্ট ঘটনা থেকে রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার এবং তাদের প্রতি সাধারন মানুষের ক্ষোভ ও ঘৃনাও টের পাওয়া যায় (দেয়াল,হুমায়ুন আহমেদ,পৃষ্টা১০৭)
২|
০৩ রা জুন, ২০১৪ সকাল ১১:২৬
ব্লগারতারেক বলেছেন:
সমস্যা নেই ভাই , এসব ট্যাগ পেয়ে অভ্যাস আছে । আর কথাগুলা কিন্তু আমার না , তথাকথিত স্বাধীনতার স্বপক্ষের দাবিদারদের একজন গুরু হুমায়ুন আহমেদের । @নীল আকাশ
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা জুন, ২০১৪ সকাল ১০:২৭
নীল আকাশ ২০১৩ বলেছেন: এই পোস্টের মাধ্যমে আপনি একজন স্বাধীনতাবিরোধী, প্রতিক্রিয়াশীল, যুদ্ধাপরাধীদের দোসর হিসেবে চিন্হিত হয়ে গেলেন। আপনার ভাগ্য ভাল যে এই পোস্ট আপনি ২০১৩ সালের আগে দেননি। তাহলে ছাগু বলতে বলতে আপনাকে মানসিক ভাবে দুর্বল করে ফেলত তথাকথিত স্বাধীনতার স্বপক্ষের সাইবার যোদ্ধারা