নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তন্ময় হয়ে পৃথিবী দেখি...........

নিজেরে হারায়ে খুজি..... [email protected]

বহুরূপী মহাজন

ক্ষ্যাপা খুজে ফেরে পরশ পাথর

বহুরূপী মহাজন › বিস্তারিত পোস্টঃ

জামাতে ইসলামী ধর্মের প্রবক্তা মওদুদীর ইসলাম বিকৃতির কিছু নমুনা

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২০



আবুল আলা মওদুদী (১৯০৩-১৯৭৯) পাকিস্তান ভিত্তিক দল জামাতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা যা বর্তমানে পৃথিবীর অনেক দেশেই তাদের ধর্ম ব্যবসা খুলে বসেছে। প্রথম দিকে মওদুদী পাকিস্তান রাস্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধীতা করলেও ১৯৪০ এর দশকে এসে নিজের ভোল পাল্টায় এবং তখন থেকেই সে পাকিস্তানে তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়। সে ইসলামকে একটি জীবন ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে প্রচার করতে শুরু করে। ইসলামের মৌলিক নীতি ও ভিত্তি সমূহ, যেমন: তাওহীদ, এক আল্লাহর ওপর বিশ্বাস, সালাত, সাওম, যাকাত, হ্জ্জ ইত্যাদিকে উপেক্ষা করে মওদুদী শাসন ব্যবস্থার ওপর বেশি জোর দেয়। রাস্ট্রের কর্তৃত্ব আকাংক্ষার ব্যাপারে তার মতামত:



“তাই কর্তৃত্বের আকাংক্ষা ছাড়া কোন দর্শণে আস্থাজ্ঞাপন করার কোন অর্থ নেই, এবং কোনটি আইন সম্মত বা কোনটি নিষিদ্ধ অথবা নির্দেশিত আইন, কোনটিরই কোন মানে নেই।"



- তাজদীদ উদ দ্বীন, পৃষ্ঠা ৩২ - ৩৩



অথচ হযরত মুহাম্মদ (স) পরিস্কার ভাবে কর্তৃত্বের লালসাকে পুরোপুরি নিষেধ করে দিয়েছেন; ওনার মতে কর্তৃত্ব ও শাসন করার লোভ মানুষকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। তিনি বলেন:



“নেতৃত্বের আকাংক্ষা করোনা। কেননা তোমরা যদি নেতৃত্বের আকাংক্ষা করে তা পাও তবে সে দায়িত্ব তোমাদের একাই পালন করতে হবে। কিন্তু আকাংক্ষা না করেই যদি তোমরা নেতৃত্ব পাও তবে তোমরা সাহায্য পাবে (আল্লাহর কাছ থেকে)।”



- মুসলিম, ৪৬৯২





জামাতে ইসলামীর ফ্ল্যাগ (অনেকটাই পাকিস্তানের পতাকার মত)



এখানে মওদুদীর কিছু ইসলাম বিকৃতির নমুনা তুলে ধরছি। এখানে পবিত্র কুরআন, হাদীস এবং মওদুদীর বিভিন্ন লেখা ও ভাষন থেকে উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়েছে; এখানে পরিষ্কার যে মওদুদী জেনেশুনে ইসলামের বিকৃতি ঘটানোর অপচেষ্টা করেছে। তাতেও যদি গন্ডমূর্খ জামাত-শিবিরের সমর্থকদের কিছুটা বোধ হয়।



আল্লাহ আমাদের এধরনের দুরাত্মার খপ্পড় থেকে রেহাই দিন।



“শাসন ও কর্তৃত্ব করার নামই হচ্ছে ধর্ম, শাসন ব্যবস্থার আইন হল শরিয়া এবং উপাসনা হচ্ছে শাসন ব্যবস্থার ঐতিহ্যকে অনুসরন করা’’ - খুতবা, পৃষ্ঠা ২১৭।



“লোকে সাধারণত বলে ইসলামের পাচটি স্তম্ভ: এক আল্লাহর ওপর বিশ্বাস, নামাজ, যাকাত, রোযা এবং হজ্জ। এবং এ গুলোই ইসলাম এই ভুল ধারণার মধ্যে তারা অনেকদিন ধরে আছে। এসলে এটা একটা বড় বিভ্রান্তি যা মুসলমানদের পথ এবং কর্মকে ধ্বংস করেছে।“



(কাউসার, ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫১- মওদুদীর ভাষণ থেকে উদ্ধৃত)



অথচ সহীহ বুখারী এবং মুসলিম শরীফে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে ইসলামের মূল স্তম্ভ পাচটি: ১. শাহাদাহ ২. সালাত ৩. বাধ্যতামূলক যাকাত প্রদান ৪. সাওম এবং ৫. হজ্জ।



শুধু তাই নয়, মওদুদী হাদীস শরিফের ও সমালোচনা করতে ছাড়েনি। মওদুদী এ সম্পর্কে বলেছে:



“কোন সত্যবাদী মানুষই এই দাবী করতে পারবেনা যে ৬ - ৭ হাজার হাদীসের (সহীহ বুখারী শরিফ) সবগুলোই পুরোপুরি ঠিক।“



(১৯৫৫ সালের ১৫ মে বরকত হলে মওদুদীর দেয়া ভাষণ থেকে; যা পরে আল-ইতেশাম পত্রিকায় ২৭ মে ১৯৫৫ এবং ৩ জুন ১৯৫৫ তারিখে প্রকাশিত হয়।)



শুধু এই নয়, হযরত মুহাম্মদ (স) চুক্তি ভিত্তিক অস্থায়ী বিয়ে (মুতাহ) হারাম ঘোষনা করেছেন। কিন্তু মওদুদী হাস্যকর উদাহরণ টেনে তা হালাল করতে চেয়েছে:



“ধরেন সমুদ্রের মাঝে একটি নৌকা ডুবে গেল। একজন পুরুষ ও একজন মহিলা বেচে গিয়ে এক নির্জন দ্বীপে গিয়ে ওঠে। এ অবস্থায় তাদের একসাথে থাকতেই হবে। কিন্তু ইসলামী আইন মতে তারা নিকাহ করতে পারবে না। তাই তাদের কাছে যে একমাত্র রাস্তাটা খোলা আছে তা হল নিজেদের মধ্যে চুক্তি করে অস্থায়ী বিয়ে করা ততদিনের জন্য যতদিন না তারা লোকালয়ে পৌছাতে পারে বা লোকেরা তাদের খুজে পায়। অস্থায়ী বিয়ে (মুতাহ) এ ক্ষেত্রে বা এর মত পরিস্থিতিতে জায়েজ।“



-তারজুমামুল কুরআন, ১৯৫৫, পৃষ্ঠা: ৩৭৯



যুদ্ধবন্দী মহিলাদের ব্যাপারে মওদুদীর মতামত দেখুন:



“এমনকি বর্তমান যুগেও যুদ্ধবন্দী মহিলাদের সৈনিকদের মধে বন্টন করে দেয়া উচিৎ এবং সৈন্যদেরকে তাদের (মহিলাদের) ভোগ করার অনুমতি দেয়া উচিৎ।“



অথচ পবিত্র কুরআনে এ ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়া আছে। আল্লাহ বলেন:



“অবশেষে যখন তাদেরকে (কাফিরদের) পূর্ণরূপে পরাভূত কর তখন তাদেরকে শক্ত করে বেধে ফেল। অতঃপর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর, না হয় তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ লও (এবং মুক্তি দাও) ।”



- সূরা মুহাম্মদ, আয়াত ৪



বাল্য বিবাহ নিয়ে মওদুদী বলেছে:



“নাবালিকা মেয়েদের (বয়:প্রাপ্তির আগে) বিয়ে করা যায়। স্বামীরাও তাদের সাথে সহবাস করতে পারে।“



-তাহফীমুল কুরআন, পঞ্চম খন্ড, পৃষ্ঠা: ৫৭১



বিভিন্ন নবী-রাসূলদের নিয়ে মওদুদীর সমালোচনার বিস্তর উদাহারণ আছে। যেমন নিচের মন্তব্যে সে হযরত ইউসুফ (আ) কে মানুষ হত্যাকারী জঘন্য মুসোলিনীর সাথে তুলনা করেছে -



“কিছু মানুষ যে ধারনা পোষণ করে যে তিনি [হযরত ইউসুফ (আ)] মিশরের তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব চেয়েছিলেন শুধু সেখানকার অর্থ মন্ত্রী হবার জন্য তা আদপে ঠিক নয়; প্রকৃত পক্ষে তিনি একজন সৈরশাসক হতে চেয়েছিলেন। এমতাবস্থায় হযরত ইউসুফ (আ) যে পদ পান তা বর্তমানকালের ইতালির মুসোলিনীর অবস্থার সমতুল্য।“



- তাহফিমাত, খন্ড ২, পৃষ্ঠা ১২২, ৫ম সংস্করণ



মওদুদী হযরত সুলাইমান (আ) এর ১০০ স্ত্রী থাকার ব্যাপারে মন্তব্য করেছে:



“হয় আবু হুরাইরা (রা) নবীর কথা শুনতে ভুল করেছেন অথবা তিনি পুরো ব্যাখ্যা শোনেননি।“



-রাসাইল -ও-মাসাইল, খন্ড ২, পৃষ্ঠা: ২৭



এখন বলেন কিভাবে কোন সভ্য ও বিবেকবান মানুষ এই লোকের মতবাদে বিশ্বাস করতে পারে এবং একে ইসলাম বলে দাবী করতে পারে?



(বি:দ্র: এখানে অনেক উদ্ধৃতি ইংরেজী থেকে অনুদিত)

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +২৮/-১৭

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২২

সেলটিক সাগর বলেছেন: +

২| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩১

আবু আব্দুল্লাহ মামুন বলেছেন: আপনি অনেক কথা গায়ের জোরে মওদুদীর উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। আমি দীর্ঘ ১০ বৎসর যাবৎ কুয়েতে আছি, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যে তাঁকে উস্তাদ হিসেবে জানে। আমার অনুরোধ রইল বিষয়গুলো আপনি ভালোভাবে গবেষণা করুন। তারপর মন্ত্য করুন।

৩| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩২

লালপ্রভাত বলেছেন: স্যালুট , মহাজন !
আমরা রাজপথ ছেড়ে যাই নি ।

৪| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৪

অরণ্যচারী বলেছেন: + এবং প্রিয়তে। পরে পড়ব।

কে কে মাইনাস দিচ্ছে একটু বলেন। চিনে রাখি।

৫| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৫

বহুরূপী মহাজন বলেছেন: সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন

* অরণ্যচারী
* শহিদবিডি
* রেডিও বাংলাদেশ বেতার
* জাহান৮২
* লালপ্রভাত
* আবু আব্দুল্লাহ মামুন
* সেলটিক সাগর
* সাইবেরিয়ান কোকিল
* জেড ইসলাম
* শামীম হাদী
* আগুন পাখি
* সত্যের মত বদমাশ
* নীল লাল সবুজ
* ঐক্যতান
* স্বাধিকার
* নীল চাঁদ
* দ্বিতীয়নাম
* মানবজমিন
* মহলদার
* রাজর্ষী

৬| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৩

আল-আমিন বলেছেন: মাইনাস-

৭| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৪

অরণ্যচারী বলেছেন: শহিদবিডি

রেডিও বাংলাদেশ বেতার

আবু আব্দুল্লাহ মামুন

৮| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৫

লংকার রাজা বলেছেন: যারা মাইনাস দিল তাদের ব্যাখ্যা চাই।

৯| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০১

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: রাজাকার রা কখনোই ব্যাখ্যা দেবার মতো সাহস রাখে না। এগুলো হলো
কচ্ছপ প্রজাতি । সুযোগ পেলে মাথা বের করে। আবার ভয় পেলেই মাথা
গুটিয়ে নেয়।
এই ব্লগের রাজাকার - আলবদর- মৌলবাদী বীজাক্ত দের সাথে তর্কে
না গিয়ে , এদের মুখোশ উন্মোচন করুন।
তাদের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরুন।

বহুরূপী মহাজন কে আবারও ধন্যবাদ । তিনি এদের তাত্ত্বিক ভন্ড
মওদুদীর ফিরিস্তি তুলে ধরেছেন।

১০| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৩

হাসান মাহবুব বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।যারা মাইনাস দিয়েছেন,তাদের কাছে ব্যাখ্যা আশা করছি।

১১| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৬

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ++

১২| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯

স্বজন বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। মওদুদীর ইসলাম বিকৃতি নিয়ে ধারাবাহিক লিখুন।

১৩| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩১

জুবায়ের চৌধুরৗ বলেছেন: গুল মেরেচেন মহা গুল
কিচু গাজা ো কেয়েছেন বটেই
মন গড়া কেচচা

১৪| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৫

ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:

১৫| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৬

ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:

১৬| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৭

ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: @ আবু আব্দুল্লাহ মামুন

''''''''''''''''''''''' আপনি অনেক কথা গায়ের জোরে মওদুদীর উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। আমি দীর্ঘ ১০ বৎসর যাবৎ কুয়েতে আছি, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যে তাঁকে উস্তাদ হিসেবে জানে। আমার অনুরোধ রইল বিষয়গুলো আপনি ভালোভাবে গবেষণা করুন। তারপর মন্তব্য করুন।'''''

যেইটা চাপিয়ে দেয়া হল ওটার ব্যাখ্যা কর। মধ্যেপ্রাচ্যে ওরে বালের ওস্তাদ মানে। মধ্যপ্রাচ্যের শেখেরা মওদূদির কাছ থেকে শিখতেছে
কিভাবে দালালি করতে হয়।কিছু বই সিলেবাসে ঢুকাইছে যেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম পরাশক্তিদের গোয়া চাঁটতে পারে।

বুঝলা।

১৭| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০২

ভালো বলেছেন: Click This Link

বহুরূপী মহাজন যেসকল বিষয় তুলে ধরেছেন , এর প্রতিটা কথা মাওলানা মওদূদী সম্পর্কে ভিত্তিহীন তথ্যবিভ্রাট - আংশিক কোটেশন এবং মাওলানার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা । আলাদা করে প্রতিটা কথার জবাব দেয়ার কোন অর্থ নাই । এসম্পর্কিত একটি বইয়ের খোঁজ দিচ্ছি ।

বইয়ের নাম : মাওলানা মওদুদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের তাত্বিক পর্যালোচনা
লেখক : মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ উইসুফ

সত্যি-ই যদি কেউ সততার সাথে বিষয়গুলো যাচাই করতে চান , বইটির পাতা উল্টিয়ে দেখতে পারেন । তবে প্রকৃতপক্ষে বিবেকবিবেচনা ও বুদ্ধি খাটিয়ে যারা ভাবতে পারেন, তাদেরকে এসকল হালকা অপপ্রচার বিভ্রান্ত করতে পারেনা । মাওলানা মওদুদীর হাতে গড়া ইসলামের এত শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী একটা আন্দোলন বিশ্বব্যাপী এভাবে ছড়িয়ে পড়া , আল্লাহর অশেষ রহমত ও দয়ার কারনেই সম্ভব হয়েছে । ইসলামী জীবনব্যবস্থার তিনটি মৌলিক বিষয়, ১. ইসলামী অর্থব্যবস্থা (ইসলামী ব্যাঙ্কিং ধারনার বিশ্বায়ন) ২. ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা (উদাহরন: মদীনা ইউনিভার্সিটির -! প্রাথমিক পরিকল্পনাবিদ মাওলানা)ও ৩. ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা সম্পর্কিত যুগোপযোগী চিন্তা ধারনার প্রাথিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন যেই ব্যক্তি, তার সম্পর্কে যদি বলা হয় তিনি ওজু করতে ভুল করেছেন , নিয়্যত করতে ব্যকরনগত ভুল করেছেন, অমুকের ব্যাপারে কুৎসা রটিয়েছেন, সেটা হাস্যকর অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই না !

১৮| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৬

জানজাবিদ বলেছেন: মওদুদী কোন নবী না যে তার ভুল হবে না। আপনি বরং এমন কোন ইসলামী চিন্তাবিদের কথা বলুন যার ভুল নেই বা খুব কম। আমরা সবাই মিলে তার বই পড়ি।

আলেম ওলামাদের মধ্যে মওদুদীর বিরোধিতা অনেকেই করেছেন, তাদের লেখা থেকে কাট টু কাট মেরে দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে।

+ বা - মাইনাস কোনটাই দিলাম না। ইসলাম সম্পর্কে আরো পড়াশুনা করে, আরো সমৃদ্ধ লেখা লিখুন।

১৯| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৫

নরাধম বলেছেন: পিলাস। জব্বর পোস্ট হইছে ভ্রাত। জামাতি ভন্ডদের মুখোশ খুলে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।




ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: @ আবু আব্দুল্লাহ মামুন

''''''''''''''''''''''' আপনি অনেক কথা গায়ের জোরে মওদুদীর উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। আমি দীর্ঘ ১০ বৎসর যাবৎ কুয়েতে আছি, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যে তাঁকে উস্তাদ হিসেবে জানে। আমার অনুরোধ রইল বিষয়গুলো আপনি ভালোভাবে গবেষণা করুন। তারপর মন্তব্য করুন।'''''

যেইটা চাপিয়ে দেয়া হল ওটার ব্যাখ্যা কর। মধ্যেপ্রাচ্যে ওরে বালের ওস্তাদ মানে। মধ্যপ্রাচ্যের শেখেরা মওদূদির কাছ থেকে শিখতেছে
কিভাবে দালালি করতে হয়।কিছু বই সিলেবাসে ঢুকাইছে যেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম পরাশক্তিদের গোয়া চাঁটতে পারে।

বুঝলা।

২০| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৭

কেমিকেল আলী বলেছেন: জটিল

২১| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫১

নরাধম বলেছেন: Click This Link


এই পোস্ট দেখুন।

২২| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৬

অ্যামাটার বলেছেন: কুশল ভাল?

২৩| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৬

অ্যামাটার বলেছেন: কুশল ভাল?

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭

বহুরূপী মহাজন বলেছেন: কুশল ভাল, তোমার খবর কি? ঈদ কেমন করলা?

২৪| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫

Shottobadi সত্যবাদী বলেছেন: একজন মৃত মানুষ আপনার কি ক্ষতি করেছেন। তার কিছু বই পড়ে মন্তব্য করুন। পরে আপনারই ক্ষারাপ লাগবে।

২৫| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০২

Shottobadi সত্যবাদী বলেছেন: মিথ্যায় পরিপূর্ন একটা লেখা। অযথা এমন কিছূ কথা লিখেছেন যেগুরো পড়ে নিজেই আশ্চর্য হচ্ছেন যে আপনি কোন গ্রেডের মিথ্যুক।

- আপনার প্রাপ‌্য

২৬| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০২

কাঙাল মামা বলেছেন: বাপরে!!!

২৭| ০৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:১০

জয়_জয় বলেছেন: deshe to deskhi rajakar er ovab nai

২৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৭

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: মওদুদী যে রাস্তা দিয়া হেটে গেছে সেই রাস্তার ধুলির সমান গিয়ান আপনার নাই। লিখা পড়া করেন গিয়ে

২৯| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭

ফাহিম আহমদ বলেছেন: বিয়াক্কাল কুথথাকার বেকুফের মত পোস্ট, না জেনে না বুজে খালি লাফা লাফি করছ, X((

৩০| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

হরিদাস পাল বলেছেন: বলক ভরিয়া গেল হরিদাস পালে। ছাগুদের নিয়া একটু লেখাপড়া করলে কেমন হয়?

৩১| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৩৬

আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: এখান থেকে একটু ওখানে থেকে মাথা বাদ দিয়া গলা , কাটা-ছেড়া করে প্রসংগ ছাড়া খন্ডবিশেষ কিছু বাক্য তুলে নিয়ে আইছেন মওদূদীর লেখা ভুল বলতে।

কিছু লেখাপড়া করন লাগবো, বুঝলেন?


মওদুদীর বিরুধ্যে যে সব অভিযোগ তার অধিকাংশের জবাব দেওয়া হয়েছে রাসায়েল-মাসায়েল বইতে। পারলে সময় নিয়ে বইগুলো পড়িয়েন। আসলেই যদি মওদূদীকে ভুল প্রমান করতে চান, ঐ বই পড়া জরুরী।

৩২| ১৮ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:২০

ব্ল্যাকমেটাল বলেছেন: সবচে বড়ো কথা মওদূদী ছাড়া আরও তাফসীর আছে, কারো ভালো না লাগ্লে ওগুলা পড়েন...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.