নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বরফের গরম

বরফের গরম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ম নিয়ে সমস্যা, সমাধান কি?

২৩ শে মে, ২০১৫ রাত ৮:১০

আমরা মেয়ে দিবো। ১০টা পাত্রে মধ্যে কোনটার পড়ালেখা বেশী, কোনটার টাকা বেশী, কোনটার চেহারা সুন্দর, কোনটার চুল পাকা নয়, কোনটা ভালো বংশের .... ইত্যাদি হাজার আইটেম পর্যবেক্ষণ করে, গবেষণা করে তারপর সিদ্ধান্ত আসে যে অমুকের সাথে মেয়ে বিয়ে দেয়া যেতে পারে।

আমার ৫ বন্ধুর মধ্যে ৫ জন ভিন্ন রকম। কার সাথে ব্যবসা করা যায়। সব কিছু যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত হল অমুকের সাথে শেয়ারে ব্যবসা করা নিরাপদ।

আমরা জন্মে পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যে সকল কাজ করি তার সবগুলি লাভ লোকসান আয় ব্যায় ঝুকি নিরাপদ অনেক কিছু ভেবে চিন্তে তারপর কাজটা কোন পথে করবো তা ঠিক করি।

কিন্তু।
কিন্তু দুর্ভাগ্য, শুধু ১টি কাজ আমরা কোনো কিছু বিবেচনা না করেই, বেকুফের মত অনুকরন অনুসরন করে যাচ্ছি। লাভ লোকসান ক্ষতি অক্ষতি কিছুই বিবেচনা করছি না।

কাজটি হচ্ছে ধর্ম। যারা হিন্দু তারা শিউর যে হিন্দু ধর্মই হচ্ছে সঠিক ধর্ম। ভগবান খুশি হবে হিন্দু ধর্মগ্রন্থে যেভাবে বলা আছে সেভাবে ধর্ম পালন করলে, পূজা করলে, পশু বলি দিলে ... ইত্যাদি। যেহেতু ইসলাম বা খ্রিষ্টান বা বৌদ্ধ তারা ভগবানকে ভগবানের সিস্টেম মত পূজা করে না, তাই ভগবান অখুশি হয়ে সবাইকে নরকের আগুনে জ্বালাবে।

আল্লাহকে কিভাবে ডাকতে হবে কিভাবে কি করতে হবে তর একটি সিস্টেম রয়েছে ইসলাম ধর্মে। এই সিস্টেমের বাইরে গেলে ধর্ম পরিপূর্ণ হচ্ছে না। ফলে সঠিক পথে ইসলাম পালনকারী ছাড়া বাকি সকলে জাহান্নামি।

একই প্রকার খৃষ্টান ও বৌদ্ধ।

বাংলাদেশের প্রায় ৫০% মানুষ বিম্পির সমর্থন করে। কারণ সব দিক দিয়ে বিম্পি দেশের জন্য উপযুক্ত একটি দল। আম্লিগ একটা দল হল! অন্য দিকে, প্রায় ৫০% মানুষও মনে করে আম্লিগই দেশের জন্য মঙ্গলকারী একটি দল। বিম্পি ক্ষমতায় এলে দেশ যাবে জাহান্নামে।

ধরে নিলাম বিম্পি ভালো। তাহলে ১০০% মানুষ কেন বিম্পিকে সমর্থন করে না? ধরে নিলাম আম্লিগ ভালো। তাহলে ১০০% মানুষ কেন আম্লিগকে সমর্থন করে না?

তাহলে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে, এটা হচ্ছে মানুষের যার যার চিন্তা ভাবনার ফসল। আমার মনে হয় বিম্পি ভালো, অন্যের মনে হয় আম্লিগ ভালো।

এই ভালো বা অভালোর পক্ষে সমর্থন করা জাষ্ট মনের খামখেয়ালী। পয়েন্টে পয়েন্টে যাচাই বাছাই করে, ল্যাব্রেটরীতে মাইক্রোস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করে কেউই বিম্পি বা আম্লিগের সমর্থন করে না। আমার ভালো লাগে তাই বিম্পি করি, ভালো লাগে তাই আম্লিগ করি।

একই ঘটনা এই ধর্মের ব্যাপারেও।

হিন্দু খৃষ্টান বৌদ্ধ ইসলাম। এই বড় চারটি ধর্মের চারটা সঠিক হতে পারে না। যেমনটা হয় : ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মান চারটি দলই বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হবে। আয়নার মত পরিস্কার সত্য হচ্ছে চারটা নয়, হলে ১টা চ্যাম্পিয়ন হবে।

তদ্রুপ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ইসলাম, ৪টাই ঠিক ধর্ম হতে পারে না (যুক্তিতে)। যদি সত্য হয় তাহলে এদের মধ্যে ১টি হতে পারে। আর অথবা কোনোটাই না।

সকলে ভগবান ইশ্বর আল্লাহ গডকে খুশি করার জন্য যার যার সিস্টেমে ধর্ম পালন করে যাচ্ছে। গত ১ কোটি বছর আগে থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যত লোক মারা গেছে তাদের কে কে আগুনে জ্বলছে আর কে কে স্বর্গে বা বেহেস্তে আরামে আছে, তা কি আপনি দেখেছেন? বা প্রমাণ পেয়েছেন? পান নাই। তাহলে আপনি কি করে নিশ্চিত হলেন যে মরার পর কেউ আগুনে জ্বলছে, কেউ বেহেস্তে আরামে দিন কাটাচ্ছে?

Come to the point. যদি সত্য হয় তাহলে ৪টা ধর্ম সত্য হতে পারে না। ১টি হবে। কোন সেই একটি? মেয়ে বিয়ে দিতে .... ব্যবসা করতে কোন বন্ধু (উপরে যা বলা হয়েছে)। কিন্তু ধর্মের ব্যাপারে কেন আমরা যাচাই বাছাই করছি না? কারণ এটা আমার নিজের জীবনের প্রশ্ন। আমি মুসলিম ছিলাম। কিন্তু আসলে সঠিক ধর্ম ছিল হিন্দু। ফলে পূজা না করার অপরাধে নরকে জ্বলছি। আমি হিন্দু ছিলাম। নামাজ না পড়ার অপরাধে জাহান্নামে জ্বলছি।

কোরআনে অনেক ভুল আছে। সকল অমুসলিমের মুখে মুখে শুনা কাহিনী। অনেক তথ্য গবেষণা করে তারা সিউর যে কোরআনে ভুল। কোরআন আল্লাহর নয়। আবার হিন্দু ধর্মও মানুষের তৈরী। এটা কোনো ধর্মই হতে পারে না। আমি নিজ হাতে মাটি দিয়ে একটি পুতুল বানিয়েছি পুতুল বানিয়ে পুতুলকেই বলি আমাকে এটা দে ওটা দে।

যাইহোক, সকলে বলবেন, ঠিক আছে বুঝলাম। তোমার কথা আমরা বুঝলাম। তাহলে এখন আমাদের করণীয় কি? আমরা কি করবো?

ইসলামে ভুল, হিন্দুতে ভুল, খৃষ্টানে ভুল, বৌদ্ধে ভুল। আমরা কোনটা গ্রহণ করবো?

আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দেব। আমার ধর্ম আমি পালন করবো। আমার যে ধর্ম ইচ্ছা সে ধর্ম পালন করবো তাতে কার কি? এটা হতে পারে না। কেননা ধর্ম সঠিকটা গ্রহণ না করলে আগুনে বা নরকে আপনিই জ্বলবেন। তাই সঠিকটা গ্রহণ করা সঠিকটা বেছে বের করার দায়িত্ব আপনারই।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মে, ২০১৫ রাত ৮:৩৩

এন জে শাওন বলেছেন: কুরআনে কি ভুল আছে লেখক সাহেব??

২| ২৩ শে মে, ২০১৫ রাত ৯:০৪

বরফের গরম বলেছেন: এন জে শাওন : কুরআনে ভুল আছে সেটা আমি বলছি না। সেটা বলছে অন্য ধর্মের লোক। হিন্দু ধর্ম ভুল সেটা বলছে অন্য ধর্মের লোক। খৃষ্টান ধর্ম ভুল সেটা বলছে অন্য ধর্মের লোক। কিন্তু যার যার ধর্ম সেটাই সঠিক সেটাই আসল। বাকিগুলা বেঠিক বা ভুল। অর্থাৎ এক অন্যকে ভুল বলছে। আমি সে কথাই বলছি। আমি এখানে কোনো ধর্মকে ভূল বা সঠিক বলতে চাইনি। আমি চাচ্ছি আপনিই যাচাই করুন, কারণ সঠিক ধর্ম গ্রহণ না করলে মরার পর আপনিই জ্বলবেন আগুনে/নরকে।

৩| ২৩ শে মে, ২০১৫ রাত ৯:২৩

সজা১২৩ বলেছেন: ভাই সত্যে একটি হবে কথাটি ১০০% সঠিক। তবে সকল ধর্মের মধ্যে যে কোন একটি ধর্মই যে সঠিক হবে তা নিশ্চিত করে বলেন কি করে। সত্য নিম্নোক্ত দু’টির একটি হবে:
ক) বিশ্বের সকল ধর্মের যে কোন একটি ধর্ম অথবা
খ) স্রষ্টা কোন ধর্মই দেননি, সব মানব রচিত।
নিম্নের লিঙ্কগুলোর বক্তব্য সত্যানুসন্ধানকারীদের উপকারে আসবে আশা করি:
SU থিওরি ও আলোকিত জীবন
আপনি কোন পক্ষে?
দয়া করে একটু ভেবে দেখবেন কি?দয়া করে কি আপনার চক্ষু খুলে দেখবেন কি আপনি
আপনার কি সর্বনাশ করছেন?(১

[link|http://www.somewhereinblog.net/blog/conscious/30040104|দয়া করে কি আপনার চক্ষু খুলে দেখবেন কি আপনি
আপনার কি সর্বনাশ করছেন?(২) [Main Part)]
বাহ্যিক চক্ষু ও অন্তচক্ষু:কিছু ভাবনা যা আপনাকে ভাবতেই হবে
সত্যানুসন্ধান কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ?
সত্যানুসন্ধান কি সকলেরই দায়িত্ব?ধর্ম, প্রথা,ঐতিহ্য বনাম যুক্তি,বিচার-বিবেচনা ও বিবেক-বুদ্ধি

৪| ২৩ শে মে, ২০১৫ রাত ৯:২৭

সজা১২৩ বলেছেন: লেখকের চিন্তা পদ্ধতিকে স্বাগত জানাই। এগিয়ে যান। সম্পূর্ণ কুরআন পড়ুন। শুধু ওয়াজ ও তাফসীর নির্ভর হবেন না। আর আমার লিঙ্কগুলো একটু ধের্য্য সহকারে মনোযোগ দিয়ে প্রয়োজনে কয়েকবার পড়ুন, যদিও মনে হবে একবার পড়াই যথেষ্ট। শুভ কামনা রইল

৫| ২৪ শে মে, ২০১৫ রাত ১২:০০

বেকার যুবক বলেছেন: লেখককে ধন্যবাদ, সজা১২৩ কেও ধন্যবাদ। আমারও যেটা বিশ্বাস ধর্মগুলো মানুষের সৃষ্টি। যে আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন, তিনি আমাদের পথচলার জন্য সময়ে সময়ে বিভিন্ন পথনির্দেশ পাঠিয়েছেন। মানুষ এই সকল পথনির্দেশ গ্রহণ না করে বিভিন্ন ধর্ম তৈরি করে নিয়েছে। শয়তান এই ধর্ম তৈরির কাজ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। ধর্ম থেকে সৃষ্টি হয়েছে সাম্প্রদায়িকতা। এবং আরো নানা উপায়ে সে মানুষকে আল্লাহর পাঠানো পথনির্দেশ থেকে সরিয়ে রেখেছে। সে অনেক ধর্মীয় নেতা তৈরি করেছে, পন্ডিত, পুরোহিত, ইমাম, পাদ্রি সহ আরো নানা রকম পদবীধারী লোক তৈরি করেছে। মানুষ পথনির্দেশ বাদ দিয়ে, তাদেরকেই অনুসরণ করেছে, নিজের বিবেককে বিসর্জন দিয়েছে, পথনির্দেশের কাছেও যায় নি। বিভিন্ন ধরম কর্মকান্ডকে ধর্ম বানিয়ে নিয়েছে, অথচ যিনি সৃষ্টি করলেন, তিনি কি বলছেন তা জানার প্রচেষ্টা নেই। আমি শতভাগের কাছাকাছি নিশ্চয়তা নিয়ে বলতে পারি, কেউ আল্লাহর পাঠানো শেষ কিতাব পড়ে নামাজ বা সালাত বা দোয়া শিখে না, বরং হুজুর, মৌলবি, ইমাম এদের কাছেই নামাজ শিখে মনে করে আমি তো মুসলমান আছি ইত্যাদি ইত্যাদি, এবং পৃথিবীর বাকি সবাইতো পথভ্রষ্ট। আমি পুরোপুরি জানিনা, যারা নিজেদেরকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান, শিখ বলে তারা কি তাদের কাছে রক্ষিত কিতাব পড়ে দেখে কিনা, তবে মনে হয় পড়ে না।
আমি আমার কথা বলছি, আমি মানুষ (আরবি- ইনসান, ইংরেজি- Human এবং পৃথিবীর অন্যসকল ভাষায় অনুরূপ প্রতিশব্দ) পৃথিবীতে আল্লাহর প্রতিনিধি, এখানে বিপর্যয় বা শৃংখলা নষ্টের কোন কাজ যাতে না হয় (আমি নিজে বিরত থাকব, এবং বিরত রাখার চেষ্টা করতে থাকব), আমি বিশ্বাসী (আরবি- মু'মিন, ইংরেজি- Believer এবং পৃথিবীর অন্যসকল ভাষায় অনুরূপ প্রতিশব্দ) আল্লাহ ছাড়া সকল বিষয়ে একক কর্তৃত্বের অধিকারী কেউ নেই এবং আমি অনুগত (আরবি- মুসলিম, ইংরেজি- Obedient এবং পৃথিবীর অন্যসকল ভাষায় অনুরূপ প্রতিশব্দ) আল্লাহর পাঠানো পথনির্দেশ স্বরূপ কিতাব পুরোপুরি ভাবে জানা এবং অনুসরণ করা এবং এটির মাধ্যমে আল্লাহ যে নির্দেশ দিচ্ছেন তা বিঘ্নিত না করে, যা ইচ্ছা তাই করতে পারি।
যেহেতু, যে পরিবেশে আমার জন্ম হয়েছে, এবং যেটিকে আমি আল্লাহর পাঠানো শেষ কিতাব হিসেবে বিশ্বাস করি, যেটির অনেকগুলো বৈশিষ্ট্যপূর্ণ নামের একটি হচ্ছে কুর'আন (যা বারবার পড়া হয় বা পড়তে হয় - That is to be read many times) এবং যার আরো অনেকগুলো বৈশিষ্ট্যপূর্ণ নাম আছে, কোন পাদ্রি, পুরোহিত, ইমামের কাছে আমাকে শিখতেই হবে, কিংবা সে যা বলছে তাকেই কিতাবের কথা তথা আল্লাহর কথা বলে মানতে হবে, না একথা আমি মানি না। প্রাথমিক জ্ঞান আমি তার কাছে শিখতে পারি, কিন্তু চূড়ান্তভাবে আমাকে সরাসরি কিতাব থেকেই নিতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন বিবেকের একটু ব্যবহার, কিছুটা অক্ষরজ্ঞান এবং সত্য চিনে নেয়ার আকাঙ্ক্ষা। লেখককে আবারও ধন্যবাদ, সজা কেও ধন্যবাদ। আরেকটা বিষয়, যেমন ধর্মীয় নেতারা বলে, ইসলামেই সকল সমস্যার সমাধান আছে, কিন্তু তারা বলেনা, আল্লাহর কিতাবেই সকল সমস্যার সমাধান আছে। কারন আল্লাহর কিতাব বললে তাদের বক্তব্যের কোন অবকাশ থাকেনা, কিন্তু ইসলাম বললে, এর সাথে তাদের নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে, খেয়ালখুশিমতো কথা সংযুক্ত করে দেয়া যায়, এভাবেই চলছে, আমরা আমাদের বিবেককে জাগিয়ে না তুললে, এ ধারা চলতেই থাকবে। কিন্তু অনেক মানুষের মনেই আজ এই বিষয়ে ভাবনা হচ্ছে, এ এক আনন্দের কথা।

৬| ২৪ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৫:০২

আলী আকবার লিটন বলেছেন: যদিও আপনার আরেকটা লেখায় এই কমেনটাই করেছি । আমার মনে হচ্ছে আপনার ওষুধ এই একটাই আবার পড়েন ।

কোন ধর্মই বলে না একাধিক সৃষ্টি কর্তার কথা । তবে হাঁ, ধর্ম ভেদে সৃষ্টি কর্তাকে মানুষ নানা নামে ডাকে । কিন্তু কিছু ধর্ম আছে যারা নিজেদের কল্পনা কিচ্ছা কাহিনীর মাঝেই সৃষ্টি কর্তা কে বানিয়ে নিয়েছে ।নিজেরাই বানাচ্ছে নিজেরাই তার সামনে মাথা ঠুকছে। কারো উপকার বা অপকার করার সামান্য ক্ষমতা যাদের নেই ।সম পর্যায়ের মানুষকেই কোন কোন ধর্মের উনুসারিরা উপাস্য রুপে গ্রহন করেছে ।
অন্য সকল ধর্মের সাথে ইসলামের মৌলিক পার্থক্য এখানেই । তা হল , ইসলাম কোন মানুষের বা কোন প্রকার ম্যান ক্রিয়েটেড অবয়বের উপাস্য করে না । ইসলাম একমাত্র সেই অদৃশ্য শক্তির মালিক সেই সুপ্রিম পাওয়ারের কাছে মাথা নত করে ।
সনাতন ধরমের লোককে বলেন ভগবান পৃথিবীতে কয়টা ? বলবে একটাই । উনুরুপ ভাবে বদ্ধ , খ্রেস্ত্রান , আরও যত প্রকার ধর্মের উনুসারি আছে তাদেরকেও যদি বলেন সৃষ্টি কর্তা কয়জন । সম স্বরে তারা বলবে একজনই ।

আপনার অজ্ঞতার জন্য একটা উদাহরণই যথেষ্ট । আমরা যখন জন্মে ছিলাম তখনও কিন্তু আমারা জানতাম না কে আমার বাবা আর কে আমার মা । কিন্তু বয়স বারার সাথে সাথে আমরা দেখেছি । প্রতিদিন একটা মহিলা আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে । আমার কাপড় পাল্টে দিচ্ছে । আমাকে আদর করছে দিনের পর দিন ।আমার কপালে টিপ একে দিচ্ছে। আমাকে কথা বলা শিখাচ্ছে । মা ডাকতে বলছে । দিনের পর দিন একই মহিলার এই নিঃস্বার্থ সেবা পেতে পেতে আমরা বুঝি যে এই মহিলাটিই আমার মা।
উনুরুপ ভাবে বাবার ক্ষত্রেও তাই । একটা মানুস আমাকে আনন্দ দিচ্ছে । আমাকে কাতু কুতু দিচ্ছে । আমাকে চকলেট কিনে দেয় । প্রতিদিন আমাকে তার কাঁধে নিয়ে সারা মহল্লা ঘুরে বেড়ায় । নিজে প্রচণ্ড রোদের তাপ মাথায় নিয়ে আমাকে ছায়া যোগায় ।এত লোকের ভিড়ে একজন মানুষেই কেবল আমার চারপাশে প্রতিদিন । বুজতে আর বাকি থাকেনা যে ইনি আমার বাবা। নিয়ামতের শুকুর গুজার করেই শিশুটি মা , আর বাবা ডাকে । এত কিছুর পরেও ঐ শিশু কিন্তু পাশের বাসার কোন মানুষকে মা কিংবা বাবা ডাকে না ।
একটা কুকুর কিন্তুও তার মনিব কে ঠিকিই চিনে নেই । যে তাকে প্রতিদিন খাবার খাওয়াই গোছল করে দেয় ।
অথচ আমরা মানুষরাই এত বিবেগ ও জ্ঞান সম্পূর্ণ যে, যার খাই তার পাত্রেই মল ত্যাগ করি ।
আর যে কিছুই সৃষ্টি করেনা বরঞ্চ সে নিজেই সৃষ্ট তাদের কাছে মাথা নত করি ।
সৃষ্টি কর্তা আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত একটাই আছে আর একটাই থাকবে । সৃষ্টি কর্তার একাধিক রুপ দিয়েছে কিছু অবিশ্বাসী নিমকহারাম মানুষের কাণ্ড জ্ঞানহীন মূর্খতা !!!!

৭| ২৪ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৫:১০

জিয়া উদ্দিন আহমেদ বলেছেন: ধর্ম নিয় কোন সমস্যা নাই, সমস্যা আপনি নিজেরে নিজে নিয়া কারণ বিদায় হজ্ঝের ভাষনে রাসুল (সাঃ) বলে গেছেন আজ ইসলাম পূর্ণ করা হলো এবং ধর্মের ব্যাপারে কোন বাড়াবাড়ি নাই, কেউ যদি তার নিজের ধর্মে থাকতে চায় সে শুধু নাম মাত্র জিজিয়া দিবে। যেরকম মুসলিমরা যাকাত দেয়।

৮| ২৪ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫১

বরফের গরম বলেছেন: @ আলী আকবার লিটন : সেই মহিলা ও লোকটা যারা আমাকে শিশুকাল থেকে আদর করছে, আমরা জ্ঞান হবার পর বুঝি যে উনারাই আমার পিতা-মাতা। আপনার বয়স যখন ৪ বছর তখন আপনি পিতা-মাতা ছাড়া কিছুই বুঝবেন না। যখন আপনার বয়স ১৮-২৮-৩৮, তখন যদি থার্ড পার্সন কোনো মহিলা এসে দাবী করলো আপনি যখন শিশু ছিলেন, ঐ মহিলাই আপনাকে দেখভাল করেছেন। আপনার মাতা আপনার জন্য কিছুই করেনি।

তখন আপনি কোনটা গ্রহণ করবেন? সত্য খুজবেন। কিভাবে সত্যটা খুজে পাবেন?

একই কথা যদি আপনাদের ১০ ভাইর জন্য বলা হয়, তখন ৩ ভাই মা-র পক্ষে যাবে, ৩ ভাই ঐ থার্ড পার্সনের পক্ষে যাবে, ৩ ভাই ...। এভাবে মানুষ বিভিন্ন ধর্ম ও ইশ্বর সৃষ্টি করে নিয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.