নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বরফের গরম

বরফের গরম › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ম নিয়ে সমস্যা, সমাধান কি?

২৪ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১:৫৩

প্রথম অংশ

আমরা ধরে নিলাম, সকল ধর্মই সঠিক। সকল ধর্ম সঠিক মানে আল্লাহ আছে। আকাশে বাতাসে কোথায়ও না কোথায়ও আছে। ভগবানরা আছে। ইশ্বর গড, মহাদেব বৌদ্ধ সকলেই আছে।

তাহলে পৃথবীর বাইরে মহাকাশে ৪ জন মহাশক্তি কাজ করে যাচ্ছে। এই চার মহাশক্তিই চাচ্ছে পৃথিবীর মানুষ তার তার সিস্টেম মত চলুক।

তাহলে প্রশ্ন দাড়ায় এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছিল কোন দেবতায়? আল্লাহয়? নাকি ভগবানে, নাকি ইশ্বরে ....? এই মানুষ সৃষ্টি করেছিল কে?

তাহলে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে ইন্ডিয়ার হিন্দু সৃষ্টি করেছিল ভগবানেরা। মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশের মুসলমানদের সৃষ্টি করেছিল আল্লাহ। ইউরোপ আমেরিকার খ্রিষ্টানদের ইশ্বর, চিন জাপানের বৌদ্ধদের সৃষ্টি করিছিল বুদ্ধ।

তারপরও প্রশ্ন থেকে যায়, মানুষ না হয় চার জনে মিলে সৃষ্টি করেছিল, কিন্তু এক পিস পৃথিবী, কে সৃষ্টি করেছি? যদি ভগবান সৃষ্টি করে থাকে তাহলে সেখানে আল্লাহ ভাগ বসাতে চায় - এটা কি ভগবানরা মেনে নিবে?

একটু ভাবুন।

একটু চিন্তা করুন যে আকাশে চার চারজন গড মিলে পৃথিবী চালাচ্ছে, যদি তা সত্য হয়, তাহলে চার গড চার স্টাইলের ধর্ম দিলো কেন? তার মানে তাদের মধ্যে বিরোধ আছে। আর গডে গডে বিরোধ মানে যুদ্ধ। যুদ্ধ হলে কোনো এক গড পরাজিত হবেই ...। কল্পনা করুন ব্যাপারটা কি রকম হতে পারে। গডে গডে যুদ্ধ।

মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০১৫ দুপুর ২:২৪

সাইফুল ফরিদপুর বলেছেন: এক আল্লাহই মালিক

২| ২৪ শে মে, ২০১৫ দুপুর ২:৩৯

ওয়্যারউলফ বলেছেন: ধর্ম নিয়ে কোন সমস্যা নেই। আপনি যে ধর্ম বিশ্বাস করেন তাই মানুন বাকীটা ওপরওয়ালার উপর ছেড়ে দিন।

৩| ২৪ শে মে, ২০১৫ দুপুর ২:৫৫

বরফের গরম বলেছেন: ওয়্যারউলফ : কোন উপরওয়ালা? এই উপরওয়ালা বলতে কাকে বুঝাচ্ছেন? ভগবান? গড? ইশ্বর? আল্লাহ? সঠিককে চিনে না নিলে মরার পর যখন উত্তম মধ্যম চলবে তখন কি করবেন? তখনতো মামা থাকবে না যে ফোন করবেন। মন্ত্রী এসে ছাড়িয়ে নিবে।

৪| ২৪ শে মে, ২০১৫ দুপুর ২:৫৭

বাংলার দামাল সন্তান বলেছেন: শত শত বছর পূর্বে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে আজো তা অপরিবর্তনীয় আছে, কিন্তু অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ যার যার সুবিধা মত পরিবর্তন হয়ে থাকে, সুতরাং ইসলাম ছাড়া যত ধর্ম আছে সব মানুষের সৃষ্টি।

৫| ২৪ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৩:১৮

বরফের গরম বলেছেন: বাংলার দামাল সন্তান : জ্ঞান অর্জন করুন। পড়ালেখা করুন। পড়ালেখা করেও যদি ব্রেন বৃদ্ধি না পায় তাহলে পার্শ্ববর্তী কোনো শক্ত দেয়ালে মাথা ঠুকুন। যার যার কাছে তার তার ধর্মই ঠিক এবং বাকি সব ধর্ম অঠিক। আপনি জোর পূর্বক বলে দিলেন ইসলাম ছাড়া ..। একই রকম তো অন্য ধর্মের লোকেরাও বলছে। আমি তো এই বিষয়টাই উপস্থাপন করেছি। এই সমস্যাটা। সকলে বলে তার তার ধর্ম ঠিক। কিন্তু আসলে কোনটা ঠিক? যদি চারটাই ঠিক হয় তাহলে ভগবান ইশ্বর আল্লাহ আকাশে যুদ্ধ ...। যদি ১টা ঠিক হয় তাহলে যুক্তি দিয়ে বুঝতে হবে কোন একটা ঠিক। গায়ের জোরে নয়।

৬| ২৪ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৪:০৪

ওয়্যারউলফ বলেছেন: ভাই বরফের গরম আমি মুসলমানের ঘরে জন্ম নিয়েছি সে হিসাবে আমি মুসলমান। ।আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রেখেই ধর্ম কর্ম পালন করার চেষ্টা করি। মরার পর হিন্দু কই যাবে ,খ্রীষ্টান কই যাবে এটা তাদের ভগবান বা গডের ব্যপার । তাদেরটা সত্য কি মিথ্যা এটা নিয়েও আমি মাথা ঘামাতে রাজী নই।

৭| ২৪ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৪:১১

বাকপ্রবাস বলেছেন: ধর্ম শুধু চারটা নয়, হাজার হাজার হতে পারে, ভারতে হিন্দু ধর্ম বলতে যা বুঝায় তারও প্রকারভেদ আছে দেবদেবীর আর পূজা আর্চনার ধরন এবং সময়কাল। কোথাও দূর্গা প্রধান পূজা হয় কোথাও গণেষ
বিষয়টা আসলে ব্যাক্তিগত ব্যাপার, সৃষ্টি কর্তায় বিশ্বাস করলে আস্তিক আর না করলে নাস্তিক, এটা সম্পূর্ণ নিজের বুঝ ব্যাবস্থার উপর, প্রত্যেকে নিজেকে প্রশ্ন করবে যুক্তি আর বিজ্ঞান দিয়ে, সে যেই উত্তরটা পাবে সেটাই আসল বিবেচ্য,
কারো যু্ক্তিতে ধর্ম অবান্তর হতেই পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে এই অবান্তর বিষয়টা সকলের যুক্তিতে ধরবেনা, জোর করে কাউকে বলা যাবেনা সৃষ্টি কর্তা বলতে কিছু নেই তোমরা শুধু শুধু সময় নষ্ট করছো। এগুলো সময় এর ব্যাপার, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম গিয়ে একটা সত্য নির্ধারিত হবে।
আবার কেউ নাস্তিক হলেই তার বিরোদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে এমনও নয়, খেয়ালটা রাখতে হবে কেউ যাতে কারো উপর চড়াও না হই, এটার চর্চা জ্ঞান আর যুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাটাই ভালো, না হলে যুদ্ধ আর হাংগামা বেড়ে চলবে

৮| ২৪ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৪:৩১

আলী আকবার লিটন বলেছেন: @ বরফ । আপনার লেখা দেখেই মনে হচ্ছে আপনার জ্ঞানের গভীরতা কতটুকু । আপনি এত জানেনে অথচ এটা জানেননা , কোন ধর্মই বলে না একাধিক সৃষ্টি কর্তার কথা । তবে হাঁ, ধর্ম ভেদে সৃষ্টি কর্তাকে মানুষ নানা নামে ডাকে । কিন্তু কিছু ধর্ম আছে যারা নিজেদের কল্পনা কিচ্ছা কাহিনীর মাঝেই সৃষ্টি কর্তা কে বানিয়ে নিয়েছে ।নিজেরাই বানাচ্ছে নিজেরাই তার সামনে মাথা ঠুকছে। কারো উপকার বা অপকার করার সামান্য ক্ষমতা যাদের নেই ।সম পর্যায়ের মানুষকেই কোন কোন ধর্মের উনুসারিরা উপাস্য রুপে গ্রহন করেছে ।
অন্য সকল ধর্মের সাথে ইসলামের মৌলিক পার্থক্য এখানেই । তা হল , ইসলাম কোন মানুষের বা কোন প্রকার ম্যান ক্রিয়েটেড অবয়বের উপাস্য করে না । ইসলাম একমাত্র সেই অদৃশ্য শক্তির মালিক সেই সুপ্রিম পাওয়ারের কাছে মাথা নত করে ।
সনাতন ধরমের লোককে বলেন ভগবান পৃথিবীতে কয়টা ? বলবে একটাই । উনুরুপ ভাবে বদ্ধ , খ্রেস্ত্রান , আরও যত প্রকার ধর্মের উনুসারি আছে তাদেরকেও যদি বলেন সৃষ্টি কর্তা কয়জন । সম স্বরে তারা বলবে একজনই ।

আপনার অজ্ঞতার জন্য একটা উদাহরণই যথেষ্ট । আমরা যখন জন্মে ছিলাম তখনও কিন্তু আমারা জানতাম না কে আমার বাবা আর কে আমার মা । কিন্তু বয়স বারার সাথে সাথে আমরা দেখেছি । প্রতিদিন একটা মহিলা আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে । আমার কাপড় পাল্টে দিচ্ছে । আমাকে আদর করছে দিনের পর দিন ।আমার কপালে টিপ একে দিচ্ছে। আমাকে কথা বলা শিখাচ্ছে । মা ডাকতে বলছে । দিনের পর দিন একই মহিলার এই নিঃস্বার্থ সেবা পেতে পেতে আমরা বুঝি যে এই মহিলাটিই আমার মা।
উনুরুপ ভাবে বাবার ক্ষত্রেও তাই । একটা মানুস আমাকে আনন্দ দিচ্ছে । আমাকে কাতু কুতু দিচ্ছে । আমাকে চকলেট কিনে দেয় । প্রতিদিন আমাকে তার কাঁধে নিয়ে সারা মহল্লা ঘুরে বেড়ায় । নিজে প্রচণ্ড রোদের তাপ মাথায় নিয়ে আমাকে ছায়া যোগায় ।এত লোকের ভিড়ে একজন মানুষেই কেবল আমার চারপাশে প্রতিদিন । বুজতে আর বাকি থাকেনা যে ইনি আমার বাবা। নিয়ামতের শুকুর গুজার করেই শিশুটি মা , আর বাবা ডাকে । এত কিছুর পরেও ঐ শিশু কিন্তু পাশের বাসার কোন মানুষকে মা কিংবা বাবা ডাকে না ।
একটা কুকুর কিন্তুও তার মনিব কে ঠিকিই চিনে নেই । যে তাকে প্রতিদিন খাবার খাওয়াই গোছল করে দেয় ।
অথচ আমরা মানুষরাই এত বিবেগ ও জ্ঞান সম্পূর্ণ যে, যার খাই তার পাত্রেই মল ত্যাগ করি ।
আর যে কিছুই সৃষ্টি করেনা বরঞ্চ সে নিজেই সৃষ্ট তাদের কাছে মাথা নত করি ।
সৃষ্টি কর্তা আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত একটাই আছে আর একটাই থাকবে । সৃষ্টি কর্তার একাধিক রুপ দিয়েছে কিছু অবিশ্বাসী নিমকহারাম মানুষের কাণ্ড জ্ঞানহীন মূর্খতা !!!!

৯| ২৪ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৫:০২

কুয়েটিয়ান পাভেল বলেছেন: ধর্ম নিয়ে আমার ত কোন সমস্যা নাই, তবে আপনার এত সমস্যা কেন? আমি আমার ধর্ম পালন করব, আমার বিবেক-বুদ্ধি-ভালোলাগা অনুযায়ী। আইন্সটাইনের মত এত বড় বিজ্ঞানীও সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ত স্বীকার করে গেছেন, আর কোথাকার কোন নামে-বিজ্ঞানী এসে সাইন্স কপচায় !

১০| ২৪ শে মে, ২০১৫ রাত ৮:০৬

বরফের গরম বলেছেন: কুয়েটিয়ান পাভেল @ আপনার চোখের পাওয়ার কমে গেছে, নাকি চশমার পাওয়ার কমে গেছে বুঝতেছিনা। ধর্ম নিয়ে দিনের পর দিন কত ব্লগার গুম হয়ে যাচ্ছে, আইএস জিহাদের নামে কত মানুষ মারছে, হিন্দুরা বলির নামে কত মানুষ মারছে, এগুলো আপনি দেখেন না?

১১| ২৪ শে মে, ২০১৫ রাত ৮:৩৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এইটাতো কুন সমস্যাই না!

আসলেই আমরা জানি কম বলি বেশি! তাই জটিলতা বাড়ে!

আপনার এই লজিক দিয়েই আল্লাহ কোরআনে তার এককত্বের প্রমাণ দিয়েছেন।

তারা বহু বহু প্রভু! তারা কি দেখেনা যে সৃষ্টিজগত একই নিয়মে চলে। বহুজন হলে তারা আধিপত্য নিযে লড়াই করতএবং সৃষ্টজগত ধ্ভংস হয়ে যেত। তবুও কি তারা বোঝে না।

এইবার আসেন- মাল্টি আইডেন্টিটি কিভাবে হল- এটা খুবই সাধারন বিষয়- এক পানিকেই আপনি আমি বলি পানি! ব্রিটিশরা বলে ওয়াটার, হিন্দুরা বলে জল. কেউ বলে মাম! আরবিতে আব, তো জিনিষ কি তাতে বদলে গেল????

স্রষ্টা এক অদ্বিতীয়। বিভিন্ন ভাষাভাষি, বিভিন্ন নামে তাকে ডাকলেও মূল এক ও অদ্বিতীয়। ভাষা এবং বৈচিত্র যে কারণে নামের ভিন্নতাও সেই কারণেই। তাতে স্রষ্টা বহু হয়ে যায় না।

ধর্ম নিয়ে যে মারামারির কথা বলছেন- তা র্ধমের নয়। তা বক ধার্মিকের। ধর্মের স্বার্থান্ধ ব্যবহার। তা ধর্ম ছাড়াতো বহু যুদ্ধ বিম্বযুদ্ধ হয়েছে কই তা নিয়েতো মাথা ব্যাথা দেখান নি! শুধূ ধর্মেই কেন এত চুলকানি!

আর ধার্মিকের বা বক ধার্মিকের ভুলে যদি আপনি ধর্মকেই ভুল ভাবেন- তবে তো আপনার সাথে কথা বলাই বাতুলতা!
কারণ অবোধ শিশু আর পাগলের জন্য শরিয়ত কার্যকর নয় ;) :):):)

১২| ২৫ শে মে, ২০১৫ সকাল ১১:৫৩

হানিফঢাকা বলেছেন: I understand our point. First, we have to accept that there is no four god. If it were the case, you would find chaos in the universe. So its a common sense.

If you believe in god at all, you have to conclude , there is only one God. But there are so many religion. So, your question is which one is true? To understand the religion, you MUST study their most sacred religious book which claim to be the word of god or from god. Don't make any conclusion by looking the practice of religion, because the practice in most of the cases has no relation with the sacred books, thus these are man made.
Now, by studying all the sacred books of different religion: you can do the two things:
1. Apply your common sense: In that case since people are pre convinced and blindly follow their own religion, it is very hard to apply common sense.

2. Apply a test: Find whether any test is given in any religious book to claim it to be true. If any test is given apply to all religion and come to a conclusion. For example, those who are Muslim, in their book called Quran, the God says "had it been other than from God, they would have found lots of discrepancy (4:82). So apply it to all sacred religious book. and find your conclusion.

NB: To find the truth, just blind belief is not enough, you have to understand it. you have to analyze it by facts and logic.

১৩| ২৫ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১২:০৬

গোধুলী রঙ বলেছেন: ধর্ম নিয়া কোন সমস্যা নাই, সমস্যা বকধার্মিক নিয়া। যারা ধর্মের অপব্যাখ্যা করে তাদের না ধইরা আপনি স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাকে ধরলেন, বলিহরি আপনার জ্ঞ্যানের বাহার। আচ্ছা ধরলাম কোন না কোন ভাবে এই দুনিয়ার বুক থেকে আল্লাহর না মুছে গেলো, হিন্দু মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ব্লা ব্লা সব ধারনা/ধর্ম দুনিয়া থেকে নাই হয়ে গেলো, এখন আপনার জ্ঞ্যানের সমুদ্রে দড়ি দিয়া বালতি চুবাইয়া এক বালতি জ্ঞ্যান তুলে এনে সেটা দিয়া প্রমান করেন দেখি জগতে আর কোন সমস্যা থাকে কিনা!!!

গালি গুলি আমারে দিয়া হয় না, সোজা সাপ্টা কথা বলি। চিন্তার ক্ষমতা থাকলে দয়া করে সেইটা ব্যবহার করেন। আল্লাহ আপনার হেদায়েত দিন। আমীন।

১৪| ২৫ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৫

ইমরান আশফাক বলেছেন: আপনি কি বুঝেছেন সেটা আপনার ব্যাপার আর আমি কি বুঝেছি সেটা আমার ব্যাপার। তবে এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক নয়। আমি ধর্মনিরপেক্ষ নয়, বরং ধর্মকর্মে স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।

১৫| ২৫ শে মে, ২০১৫ রাত ৮:০৬

সাদা যাদুকর বলেছেন: বিজ্ঞানমনস্ক হওয়াটাই সমাধান।

১৬| ২৫ শে মে, ২০১৫ রাত ৯:০৫

মাসূদ রানা বলেছেন: বৎস, তোমার পোস্টটি স্টিকি হলে ভালো হতো, অন্তত এটা বোঝা যেত যে সাধারনত কোন শ্রেনীর মানুষেরা ধর্মবিমুখ হয়ে থাকে

প্রকৃতপক্ষে মুসলমান, খ্রীষ্টান, ইহুদি নামে ভিন্নতা থাকলেও ধর্ম তিনটি মূলত এক ইশ্বরেই বিশ্বাসী, এরাই মূলধারার ও আদিতম ধর্ম যার সূত্রপাত পৃথিবীর প্রথম মানব হযরত আদম (আ) এর সময় থেকে ...... তিনটি ধর্মই বিশ্বাস করে মহান সৃষ্টিকর্তা এমন এক সত্তা যিনি কখনো সৃষ্টি লাভ করেন নি, যাঁর কোন সূচনা নেই ..... চন্দ্র-সূর্য-পৃথিবী তথা সমগ্র মহাবিশ্বের স্রষ্টাও এই এক ইশ্বর ........

অন্যদিকে আরো বেশ কিছু ধর্ম রয়েছে যারা চাঁদ,সূর্য প্রভৃতি বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তিকে স্রষ্টা ভেবে সেগুলোর উপাসনা করে থাকেন .......

আরেক শ্রেনীর বিশ্বাসী রয়েছে যারা মনে করেন বিগ ব্যাং থিউরী সঠিক নয়, স্রষ্টা বলে কেও নেই, পৃথিবী অনাদিকাল ধরে চলে এসেছে , অনাদিকাল পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে ...... মানুষ বানর থেকে বিবর্তিত হয়েছে। (তোমরা এই শ্রেনীভুক্ত)

আর বিজ্ঞান বলে যেহেতু বিজ্ঞান গোটা মহাবিশ্বের ১০০ ভাগের .০০০০০০০০ ভাগও পর্যবেক্ষন করে শেষ করতে পারে নি, তাই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের ব্যপারে সিদ্ধান্ত দেবার মত পরিপক্কতা এখনও বিজ্ঞানের আসে নি ......

মজার ব্যপার হলো, তোমাদের মত কতিপয় স্বদ্বাবীকারি বিজ্ঞানমনা, বিজ্ঞানের নুনতম জ্ঞানও যাদের ভেতরে অনুপস্থিত, সমাজ বিজ্ঞান, বাংলা, ইংরেজীতে পাশ করা পোলাপান আজকে বিজ্ঞানের থিউরী দিয়ে বেড়াচ্ছো ......

আল্লাহ পাক এদের অন্তরকে আলোকিত করুন ।


১৭| ২৫ শে মে, ২০১৫ রাত ৯:২০

মায়াবী রূপকথা বলেছেন: মন্তব্যগুলো পড়লাম। পোস্ট লেখক এটা কি জানেন অনেক ধর্মই আছে যেগুলোতে খোদার অস্তিত্বই নেই? ওটাও মিলিয়ে আরো খিচুরী বানাতে পারেন নাকি দেখুন।

১৮| ০১ লা জুন, ২০১৫ রাত ১:২৫

বরফের গরম বলেছেন: আমি একটি জঙ্গলের ভিতর দিয়ে যাবো। জঙ্গলে বাঘ ভাল্লুকের উৎপাত। কেউ যদি আমাকে সতর্ক করে, আমার ইচ্ছা আমি জঙ্গলের ভিতর দিয়ে যাবো, বাঘে আমাকে খেয়ে ফেলুক তাতে কার কি? তোমার কাম তুমি কর। আমি যে ধর্মেই বিশ্বাসী হই না কেন, নরকে যাই নাকি স্বর্গে যাই সেটা আমার ব্যাপার। তোমার মাথা ব্যাথা কেন?

এর কোনো উত্তর নাই। জাষ্ট হাত পা উপরে তুলে সারেন্ডার করা। কোনো কোটিপতি যদি গ্রামবাসীকে দান খয়রাত করে তখন কার আগে কে পাবে এই নিয়ে ঠেলাঠেলি। কিন্তু পৃথিবীর সকল মানুষ যদি স্বর্গে যায় আমার বা আমাদের আরো কোটি মানুষের জায়গার অভাব হবে না স্বর্গে। তাহলে আমার মাথা ব্যাথা কেন? এটা জাষ্ট মানবতা। আপনি ভুল ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে জীবনটা কাটিয়ে দিলেন। কিন্তু কোনো ফল পেলেন না। ইহকাল ও পরকাল উভয়কালই নস্ট। ১ বিন্দু বুদ্ধি থাকলেই বুঝা যাবে যে চার চারটি ধর্ম কোনোদিনই সঠিক হতে পারে না। (গডে গডে মারামারি)। এর মধ্যে অবশ্যই একটি মাত্র ধর্ম সঠিক।

হিন্দু : গঙ্গার পানিতে নাহায়ে ...। গঙ্গার পানিতে কত হাগা মুতা ভাসতেছে। পানি যেখানে নিজেই নোংরা সেখানে মানুষকে কিভাবে পরিস্কার করবে? আমি নিজে মুর্তি বানায়ে তারেই কই আমাদের দেও। মানুষ খুবই নির্বুদ্ধি।
ইসলাম : যমযমের পানি। হাজার হাজার বছর যাবৎ এই কুপে পানি আসতেছে। শুষ্ক মরুভূমিতে হাজার বছর যাবৎ কিভাবে পানি আসতেছেই তো আসতেছেই। আর এই পানি কোনো প্রকার ফিল্টার বা সিদ্ধ করা বা মেডিসিন মেশাতে হয় না। ডাইরেক্ট উঠানো হচ্ছে ও পান করা হচ্ছে।
খৃষ্ট : গডের কি ক্ষমতা নাই? গড কি মানুষকে ভয় পায়? মানুষ গডকেই মেরে ফেলবে। এজন্য গড নিজে না এসে তার পূত্রকে পাঠিয়েছে পৃথিবীতে। ১ ফোটা বুদ্ধি থাকলেও মানুষ বুঝতে পারবে যে গড ও গড পুত্র মানুষের বানানো।

বান্দর থেকে মানুষে এসেছে। ভালো কথা। তাহলে বান্দরটা এসেছিল কোথা থেকে? ডারউন কি এই উত্তর দিয়ে গেছে?

এর পরও কি আপনাদের বুঝতে কষ্ট হবে, যে আপনারা ভুল ধর্ম পালনের মাধ্যমে ইহকাল ও পরকাল উভয় নষ্ট করছেন।

১৯| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:১৮

বিদেশী বাঙালী বলেছেন: ভাবনার বিষয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.