| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

এই বাচ্চাটির মাত্র জন্ম হয়েছে। এইমাত্র জন্ম হওয়া বাচ্চাকে সাধারণত আমরা নবজাতক বলি। Newborn. জন্ম হয়েছে আমাদের পাশের বাসায়। বাচ্চার বাপ মা আমাকে জানালো যে বাচ্চাটি কাদতেছে। আমি গেলাম। দুধ দেয়া হল, এই দেয়া হল, সেই দেয়া হল। কিন্তু কিছুতেই কান্না থামছে না। আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এল। দুনিয়ার সবাইতো টাকার পাগল। এই ১ দিনের বাচ্চাকে বললাম তোমাকে কয়েক কোটি টাকা দিবো। এমনকি আমি ১০ লাখ টাকার কতগুলো নোট বাচ্চাটির চোখের সামনে মেলে ধরলাম। কোনো কাম হল না। কাদতেই আছে। বুদ্ধি পাল্টালাম। বললাম, তোমাকে রাজকুমারীর মত সুন্দর মেয়ে বিয়ে করাবো। কাম হল না। কাদতেই আছে। শেষ বুদ্ধি। ধমক দিচ্ছি। মারবো। মেরে মাথা ফাটায়ে ফেলবো ....। কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না।
এইবার আপনারাই বলুন। বাচ্চাটাকে টাকা দিলাম, সুন্দরী মেয়ে দিবো বললাম, ধমক দিলাম। কিন্তু বাচ্চাটা কান্না থামাচ্ছে না কেন? একে কি দিয়ে কান্না থামানো যায়? প্লিজ, একটু পরামর্শ দিন। জরুরী।
২|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১১
বরফের গরম বলেছেন: 
৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:২০
নকি৬৯ বলেছেন: দারুন concept
৪|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:২৯
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আপনিতো বুদ্ধাংকের অনেক নিম্ন স্তরের যুক্তি নিয়া আসছেন ।
প্রথমত মূর্তির সাথে আল্লাহর অলিরদের তুলনা করছেন্
২য়ত আপনি কোরআনের আল্লাহর বানীকেই মিথ্যা প্রমাণ করতে চাইছেন।
নবী, শহীদ, অলি, যারা আল্লাহর ণৈকট্য প্রাপ্ত তাদের ব্যাপারে স্পষ্ট বলেছেন- তোমরা তাদের মৃত বলোনা, বরং তারা জীবিত। আল্লাহর তরফ থেকে রিযক প্রাপ্ত।
তো যিনি জীবিত তিনি অবশ্যই শুনেন। এবং ফয়েজ বরকতের জণ্য সুপারিশ করতে পারেন।
অবশ্য আপনার হাল আপনার মতোই- যে শিশুর কান্না থামাতে দশ লাখ! টাকার নোট!!! (কোন দেশে আছে ভাই! বাংলাদেশেতো নাই ) নাচান! সুন্দরীর কথা বলেন- কতটা কূপমন্ডুকতা!!!!
বরং বাবুটার মূখ একটা ফিডার দিলে আপনার বুদ্ধির মিনিমাম স্তর তৈরি হয়েছে বোঝা যেত।
যেহেতু বাবুটাকে মায়ের দুধও না ফিডারও না খেলনাও না.. আপনি সুন্দরী রমনী আর টাকা দেখিয়ে কান্না থামাতে চান! ভাই আগে আপনি নিজে ডাক্তার দেখান। অসুসস্থতা বেড়ে গেলে নাকি অনারোগ্য হয়ে যায় ![]()
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২৯
বরফের গরম বলেছেন: নবী, শহীদ, অলি, যারা আল্লাহর ণৈকট্য প্রাপ্ত তাদের ব্যাপারে স্পষ্ট বলেছেন- তোমরা তাদের মৃত বলোনা, বরং তারা জীবিত। আল্লাহর তরফ থেকে রিযক প্রাপ্
কোরআনে যাদেরকে মৃত নয় বলা হয়েছে, ঐ একই কোরআনে তাদের নিকট কি কিছু চাইতে বলেছে?
আল্লাহর অলী কারা?
ذَٰلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ مَوْلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَأَنَّ الْكَافِرِينَ لَا مَوْلَىٰ لَهُمْ [٤٧:١١]
এটা এজন্যে যে, আল্লাহ মুমিনদের হিতৈষী বন্ধু এবং কাফেরদের কোন হিতৈষী বন্ধু নাই।
(মুমিন মানে ঈমানদার, ঈমানদার মানে আল্লাহর প্রতি যার ঈমান আছে) যারা মুমিন তারাই আল্লাহর বন্ধু। অলি মানেও বন্ধু। উপরোক্ত আয়াতে মাওলা বলা হয়েছে। মাওলানা কথাটা শুনেছেন? মাওলানা বলতে আমরা বুঝি হুজুর। মসজিদের ইমম। মাওলা মানে বন্ধু। মাওলানা মানে আমাদের বন্ধু।
৫|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৮
চ্যাং বলেছেন: আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এল। দুনিয়ার সবাইতো টাকার পাগল। এই ১ দিনের বাচ্চাকে বললাম তোমাকে কয়েক কোটি টাকা দিবো। এমনকি আমি ১০ লাখ টাকার কতগুলো নোট বাচ্চাটির চোখের সামনে মেলে ধরলাম। কোনো কাম হল না। কাদতেই আছে। বুদ্ধি পাল্টালাম। বললাম, তোমাকে রাজকুমারীর মত সুন্দর মেয়ে বিয়ে করাবো। কাম হল না। কাদতেই আছে। শেষ বুদ্ধি। ধমক দিচ্ছি। মারবো। মেরে মাথা ফাটায়ে ফেলবো ....। কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না।
আমনের বাসার ঠিকানা দেন । হেমায়েতপুর পাঠান লাগবো আপনারে । এইডা ফেসবুক পাইচেন এরুম ইতরামি বলদামি কইর্যা ব্লগের পরিবেশ দুষিত করবার অধিকার কে দিছে কন দেহি ??
৬|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৪
মায়াবী রূপকথা বলেছেন: ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিন
৭|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৩
সুমন কর বলেছেন: অন্ধকার থেকে আলোতে এসেছে--একটু সময় দিন। কোলে নিয়ে ঘুম পারাবার চেষ্টা করেন, ঠিক হয়ে যাবে।
৮|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪১
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: @ লেখক বলেছেন : (মুমিন মানে ঈমানদার, ঈমানদার মানে আল্লাহর প্রতি যার ঈমান আছে) যারা মুমিন তারাই আল্লাহর বন্ধু। অলি মানেও বন্ধু। উপরোক্ত আয়াতে মাওলা বলা হয়েছে। মাওলানা কথাটা শুনেছেন? মাওলানা বলতে আমরা বুঝি হুজুর। মসজিদের ইমম। মাওলা মানে বন্ধু। মাওলানা মানে আমাদের বন্ধু।
আপনারতো সাধারন জ্ঞানেই ঘাটতি আছে!
মুমিন, ইমানদার মুসলমানের ক্রনোলিক্যাল অর্ডারেই গোলমাল আপনার!
ভাল করে কোরআনের পাতা খুলুন। শান্ত মনে উপলদ্ধির সাথে পড়ুন। বেশীর ভাগ আয়াতে কি বলা হয়েছে- হে ইমানদার গণ! মানে হে বিশ্বাসী গণ! .. বিশ্বাসী কারা তা ৫ কলেমায় বুঝে নেন। আল্লাহ, রাসুল, ফেরেশতা, বাক্য (কলেমা) কিযামত পুনরুত্থান ইত্যাদি বিষয়কে বিশ্বাস করেন বলেই আপনি বিশ্বাসী! আপনি কিন্তু মুসলিম নন। খেয়ার কইরা! স্রেফ বিশ্বাসী!
এরপর আপনেরে কইছে- মরার আগে মর এবং মুসলমান না হইয়া মইরনা!
কত গভীর এবং কত ওজনদার বাক্য। বিশ্বাসী থেকে আপনাকে মরার আগে মরতে বলেছে এবং মুসলমান না হয়ে মরতে মানা করেছে। অনুভবের চেষ্টা করেন।!!
এইটা করতে পারলে আপনি বিশ্বাসী থেকে মুসলমান হইলেন মাত্র।
এরপর সালাত, ইবাদত এবং আল্লাহর প্রিয় কাজ করতে করতে সাধনা করতে করতে আপনি যদি সফল হন তখন মুমিনের স্তরে পৌছতে পারবেন।
নাম আবদুল মোমিন হইলে ই যদি ধারনা করেন সে মুমিন তবে বোকার স্বর্গে বাস করছেন।
আমাদের গোড়াতে গলদ বলেই আমরা না হতে পারছি বিশ্বাসী, না হয়েছি মুসলমান দাবী করছি মুমিন বলে!
অনেকটা প্রাইমারির বারান্দা পেরিয়ে গ্রাজুয়েট দাবি করার মতো ![]()
আর মওলা আর ওয়ালীর ব্যাখা কিতাব না পান নেটেই বহু বহু পাতার পর পাতা আছে। দয়াকরে পড়ুন। ধারন করুন বিশ্লেষন করুন তারপর নিজেই বুঝবেন এতদিন কত ভুল জানতেন।
ভাল থাকুন।
আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত যোগ্য হলে হেদায়েত নবীস করুন।
তো আপনার প্রথম পরিচয় আপনি বিশ্বাসী বা ঈমানদার!
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৮
বরফের গরম বলেছেন: হানদাসা - একটি আরবী শব্দ। অর্থ ইঞ্জিনিয়ারীং। হুম। ইঞ্জিনিয়ারিং। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার নয়। তাহলে ইঞ্জিনিয়ারের আরবী কি? মু+ হানদাসা = মুহান্দেস। মু + সালেম = মুসলিম, মু + সেজদা = মসজিদ, মু + সালাহ = মুসল্লি। মু + ঈমান = মুমিন।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৮
শরীফ মাহমুদ ভূঁইয়া বলেছেন: ওরে সুন্দরী একটা মেয়ের সামনে নিয়া যান, ব্যাটা কান্না থামাইবো না ওর বাপ থামাইবো!