| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশের প্রধান তেল সরবরাহকারী দেশ কুয়েতের আমীর শেখ সাবাহ আল আহমদ আল জাবের আল সাবাহ তাঁর আসন্ন বাংলাদেশ সফর বাতিল করেছেন। আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে তাঁর যোগদানের কথা ছিল। পূর্বনির্ধারিত সূচী অনুসারে কুয়েতের আমীরের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে আগামী ২৫ মার্চ তিন দিনের সফরে ঢাকা আসার কথা ছিল। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর ১ বিলিয়ন ডলারের একটি বিনিয়োগ চুক্তি দস্তখতের পরিকল্পনা ছিল। এই ১ বিলিয়ন ডলার কুয়েত সরকার বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে খরচ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
সফর বাতিলের কারণ হিসেবে কুয়েত সরকার জানিয়েছে, আগামী ২৬ ও ২৭ মার্চ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য আরব লীগ শীর্ষ সম্মেলনের কারণে আমীর শেখ সাবাহ ঢাকায় আসতে পারবেন না। অথচ তাঁর ঢাকা সফর পূর্বনির্ধারিত, এমনকি আরব লীগ সম্মেলনের তারিখ ধার্য হবার আগেই এটি নির্ধারিত ছিল। বিশেষত ১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তির কারণে কুয়েতের তরফেও এই সফরটি ছিল গুরুত্ববাহী। হঠাৎ করে এই সফর বাতিলের কারণ যে আরব লীগ সম্মেলন নয় সেটা বুঝতে কারো সমস্যা হবার কথা নয়।
যাহোক, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ এতো বড় একটি বিনিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়ে যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হল এতেই মনটা পুড়ছে। বাংলাদেশ এখন কিছুটা বিনিয়োগ খরায় ভুগছে। অর্থনীতিতে তারল্য সংকট আছে। এমতাবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রায় এতো বড় একটি বিনিয়োগ হাতছাড়া হওয়াটা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। অবশ্য অনেকেই হয়ত এখন বলে বসবেন, 'দেখ ব্যাটা রাজাকার! ভারতের প্রেসিডেন্ট তো হরতাল আর সহিংসতার মধ্যেও এসেছিল। কুয়েত কিসের ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ! ওরা তো ভণ্ড, পশ্চিমাদের তাঁবেদার!' এর পর শুরু হবে মুক্তিযুদ্ধের সময় কুয়েত সরকারের সমর্থন কার দিকে ছিল, কবর খুঁড়ে সেটা বের করা। অবশ্য এদের ব্যাপারে আর ভাবছি না! এদের চোখে দুনিয়ায় ভারত ছাড়া কোন দ্বিতীয় দেশ নেই। কিন্তু এধরণের পাগলের প্রলাপে কোন দেশ চলতে পারে না। ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কখনোই কোন বিশেষ দেশের উপর জোরপূর্বক নির্ভরশীল হতে পারে না। অবশ্য বাংলাদেশের কোন গোষ্ঠী বিশেষ কোন দেশের উপর নির্ভরশীল হতেই পারে, এটা তাদের ব্যাপার! কিন্তু বাংলাদেশকে সবাইকে নিয়েই চলতে হবে।
আর হ্যাঁ! নাক সিটকানো লোকজন একটু কষ্ট করে বিনিয়োগ, ঋণ আর অনুদানের মধ্যে পার্থক্য কি সেটা একটু জেনে নেবেন...! ![]()
এই পোস্ট টি লেখার উদ্দেশ্য ছিল না, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আমাকে এই বিষয়টা ভাবিয়ে তুলল।
সংগৃহীতঃ ফেসবুক থেকে
২|
১৫ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৩১
গোধুলী আলো বলেছেন: বিনিয়োগ, ঋণ আর অনুদানের মধ্যে পার্থক্য আমি যেটা বুঝি--
বিনিয়োগ: ধরেন আপনি একজন দরিদ্র ব্যক্তি। একটা গাছের চারা কেনার টাকাও আপনার নাই। আমি আপনার বাড়িতে একটা গাছ লাগালাম। আমার টাকায়। গাছে ফল ধরলে আমি ফল পাব, আপনিও প্রতক্ষ পরক্ষ ভাবে লাভবান হবেন (নিজের বাড়ির সামনে ফল গাছ, সুতরাং ২/১ ফল খেতে পারবের, ছায়া পাবেন ফ্রী, ইত্যাদি)।
ঋণ: আপনাকে গাছ কেনার জন্য টাকা দিলাম(কিছু শর্ত জুড়ে দিলাম), আপনি নির্দিষ্ট মেয়াদের কিস্তিতে সুদ সমেত আমার টাকা ফেরত দিবেন।
অনুদান: আপনাকে গাছ কেনার জন্য টাকা দিলাম। আমাকে টাকা ফেরত দেয়া লাগবে না।
--আপনার ভিন্ন মত থাকলে জানাবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫
টাইম পাস বলেছেন: বুইড়া আবার স্কুলে যায়