নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মৃদুভাষন

কামরুল হাসান সাজ্জাদ

ব্রাম্মণবাড়িয়ায় আমার বাড়ি। দুর্দান্ত শৈশব কেটেছে সেখানে। উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা চলে আসি। ২০০৫ সালে মাস্টার্স কমপ্লিট করে কয়েকটা বছর শুয়ে শুয়ে কাটিয়ে দেই। যখন বুজতে পারলাম কিছু একটা করতে হবে ততক্ষনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কোন উপায় না দেখে বিপনন পেশায় জড়িয়ে যাই। এখনো তাই করছি।

কামরুল হাসান সাজ্জাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঐক্যের নির্বাসন

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২১

গত সপ্তাহে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। আমাদের গ্রামটি আর দশটা গ্রামের মতোই সাধারন। যেকোন সঙ্কট গ্রামবাসী সম্মিলিতভাবেই মোকাবিলা করে। গ্রামে ভোটারের সংখ্যা পুরো ইউনিয়নের ৫০ শতাংশ। যে কারনে বেশীরভাগ সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমাদের গ্রাম থেকেই হয়ে থাকে। নির্বাচনের পুর্বে গ্রামবাসী আলোচনার মাধ্যমে একজন প্রার্থী মনোনীত করে নির্বাচনের জন্য। মনোনয়নের পূর্বে অনেক দল থাকলেও মনোনয়নের পর মতভেদ ভুলে গিয়ে সবাই একই দলভুক্ত হয়। তৃনমুল পর্যায়ে জনতার ঐক্যের যথার্থ উদাহরণ। এমনটাই চলে আসছে যুগ যুগ ধরে। কিন্তু এবার গিয়ে ভিন্নরূপ দেখলাম গ্রামের। সরকারের দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্তে গ্রামে যেন একটা ভুমিকম্প বয়ে গেছে। চিরচেনা সেই ঐক্য ভুলে গিয়ে এখন গ্রামে ছয় থেকে সাতজন প্রার্থী। কিন্তু এদের মধ্যে যারা এতদিন গ্রামবাসীর সুখে দুখে পাশে ছিলেন, যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে গ্রামকে সকল অনাচার থেকে দুরে রেখেছেন তাদের কেউ নেই। প্রার্থীদের কেউ শহরে অবস্থান করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পদ কিনে রেখেছেন। কেউ পদধারীর আপনজন। গ্রামের কোন কর্মকান্ডে তাদের কোনপ্রকার অংশগ্রহণ নেই। অন্যদিকে এতদিন যারা গ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন দলীয় রাজনীতি(অপ) নিয়ে তাদের কোন আগ্রহ ছিলনা। হিংসাত্মক আক্রমণ করে বিরোধীদের ঘায়েল , লেজুরবৃত্তি কিংবা চামচামিতে তারা অপারগ ছিলেন। প্রার্থীদের মধ্যে এমন কাউকে দেখিনি যিনি গ্রামকে নিয়ে ভাবেন কিংবা গ্রাম তাকে নিয়ে ভাবে। আহা এতদিনের ঐক্য , সুখের দিনের বুঝি সমাপ্তি হতে চলল!

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.