| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নিপাতনে সিদ্ধ
সাধারন পরিবারের সাধারন এক মানুষ৷
ইসলামে ধর্মান্তরের সাতকাহন
আজ বাঙালী জাতি সংখ্যায় ২২ কোটি জনতার ৷ আর বাঙালী মূলত মসলমান ধর্মালম্বী ৷ এছাড়া অবশ্য হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান আছেন তবে তারা সংখ্যায় কম ৷ প্রাচীন বা মধ্যযুগে আমাদের পূর্বপুরুষরা হিন্দু বা বৌদ্ধ ছিলেন ৷ কবে ও কেমন করে তারা নিজেদের তৎকালীন বিশ্বাসের শিকড় ছিঁড়ে এলেন ইসলামের জগতে তারই সন্ধান করতে চলেছি ৷ এই গবেষণার প্রেরণা এক এবং একমাত্র আমাদের পূর্বপুরুষদের সম্বন্ধে কৌতুহল ৷ পূর্বপুরুষদের নিয়ে আমার আগের ব্লগে লিখেছি ৷
ধর্ম জিনিসটাতো আর জামা কাপড় নয় যে চাইলেই পাল্টে ফেলা যায় ৷ এই এখন যদি আপনাকে বলে মসজিদের বদলে গীর্জা বা প্যাগোডায় যান, আপনি কি শুনেই সেটা মেনে নেবেন? আপনি তখনি গীর্জা বা প্যাগোডায় যাবেন যখন আপনার নিজের ধর্মবিশ্বাসের ওপর আস্থা উঠে যাবে অথবা কেউ আপনাকে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে গীর্জা বা প্যাগোডায় নিয়ে যাবে ৷ বাংলায় ইসলাম ধর্মের প্রসারের ক্ষেত্রে কোনটা হয়েছিল? এবিষয়ে আপনার মতামত কি?
১. হিন্দু ধর্মের বর্ণাশ্রম প্রথা তথাকথিত নিম্নবর্ণ হিন্দুদের বাধ্য করেছিল ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে ৷ তাহলে বলতে হয় আমাদের পূর্বপুরুষরা সবাই মুচি, মেথর, চাকর বাকর ছিল ৷ কতিপয় বর্ণহিন্দুরা আমাদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে চালিত করত গ্রামে গ্রামে ৷ দেশে খালি শুদ্ররা ছিল আর বাকি বর্ণের মানুষ গুটিকয় ছিল এটা কি সম্ভব? কিছু মানুষের ধর্মান্তর এইপথে হলেও পুরো বাঙালী জাতির ধর্মান্তর এভাবে হতে পারে কি?
২. মুসলমানরা বহিরাগত ৷ কিন্তু ভাই এই থিওরীও কি চলে? একমাত্র আমিরাত ছাড়া এ জিনিস কোনো দেশে হয়েছে বলে শুনিনি ৷ বহিরাগতরা স্থানীয় তুলনায় বহুগুন বেশী হল কি করে?
৩. মুসলমান সুফিরা ধর্মের প্রসার করেন ৷ এটা যুক্তিযুক্ত কথা ৷ বাঙালীরা এমনিই ধর্মভীরু ৷ বহু ধর্ম প্রচারক এসেছিলেন এই বঙ্গে ৷ তবে সব সুফিই যে অহিংস ছিলেন তা নয় ৷ বহু সুফির মাজারে তাদের তরবারী ও ঢাল দেখা যায় ৷ অর্থাৎ সোজা রাস্তায় কাম না হইলে বাঁকা রাস্তায় কাম সারতে হইব ৷
৪. রাজনৈতিক উপায়ে ৷ এটার সম্ভবনা সর্বাধিক ৷ বাংলার শাসককূল নবাব বাদশারা মুসলমান আর আমাদের পূর্রপুরুষ প্রজারা হিন্দু ৷ ক্ষমতা নবাবদের হাতেই ৷ তাদের কথাই আইন ৷ জবরদস্তি বিয়ে, ধর্মান্তর সবই তাদের কাছে বৈধ ৷
৫. বিরোধীপক্ষ যুদ্ধে বিশ্বাসী নয় বা তাদের ঐক্য নেই ৷ বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে তছনছ করলে কে কি বলবে? বৌদ্ধরা শান্তিপ্রিয় ৷ কোরবানীর ছাগলের মতো তাদের বধ করা সহজ ৷ হিন্দু শাসক কেউ নেই যারা আমাদের পূর্বপুরুষদের পাশে এসে দাড়াবে ৷
এবিষয়ে আপনার বক্তব্যও জানাবেন ৷ যে কোনো বিতর্কই স্বাগত ৷
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: নিশ্চই । আমাদের পূর্বপুরুষদের কেন জবরদস্তি ধর্মান্তর করানো হল তা আমরা ভেবে দেখিনা ৷ উপরন্তু যারা এই অপকর্ম করেছিল তাদের সমর্থন করি ও ব্যাপারটা চেপে যাই ৷
২|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
কুয়াশা বলেছেন: অর্থহীন বিতর্ক। মাইনাস
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: আপনার পূর্বপুরুষরা মনে হয় আমাদের পূর্বপুরুষদের মতন বাঙালী ছিলেন না ৷ তাঁরা এসেছিলেন দামাস্কাস, বাগদাদ, তেহেরান থেকে ৷ তাঁরা যাতায়াত করতেন বাদশাহী হাতি ঘোড়া চেপে ৷ কিন্তু আপনাদের এখন বাজার যেতে হয় সাইকেল ভ্যান আর রিক্সা চেপে ৷ তাই এই লজ্জায় এই ব্যাপারটা আপনি চেপে যেতে চান ৷
৩|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
ফ্রুডো বলেছেন: চিন্তব্য বিষয়।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৯
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: ভাবুন । আরও ভাবুন । আমাদের পূর্বপুরুষদের কারা জবরদস্তি ধর্মান্তর করালো ।
৪|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
সজল শর্মা বলেছেন: মুহাম্মদ ঘোরী, বখতিয়ার খলজিকে অনেকেই বীর বলে থাকেন কিন্তু ইতিহাস তাদের কাপুরুষ বলে কারণ তারা বীরত্বে নয় বরং ছলনার যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল। গণিমতের মালের ফলশ্রুতিতে ভয়-ভীতি, বল প্রয়োগ, এক্সট্রা খাতির লাভ, প্ররোচনা- এসবই ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য দায়ী। বর্ণাশ্রম প্রথাও কিছুটা দায়ী।তবে একটা কথা সব জায়গায় প্রযোজ্য জোর যার মল্লুক তার- ১০০০সাল থেকে ১৫০০সাল পর্যন্ত প্রায় ৮০মিলিয়ন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। রাজনীতির সাথে ধর্মের মানচিত্রও বদলে।
অতীতের কথা ভেবে লাভ নেই। সবাই শান্তিতে থাকুক- এটাই কামনা।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: ভাইজান, ঘোরী আর খলজী ছিল লুঠেরা। কে আবার এইসব অসভ্যদের বীর বলে? মানব সভ্যতাকে খুন জখম ও নারী ধর্ষন ছাড়া ওরা আর কি দিয়েছে?
৫|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: অনেকেই বলে ইসলাম তরবারীর ধর্ম কিন্তু সেই তরবারী কি আক্রমনাত্বক ছিল নাকি প্রতিরোধমূলক????
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: বাঙালীরা আরবদেশে গিয়ে তরবারী ঘোরালে সেটা আক্রমনাত্বক হত । কিন্তু আরবরা আমাদের দেশে এসে আমাদের পূর্বপুরুষদের কচুকাটা করলে সেটা কি প্রতিরোধমূলক বলবেন?
৬|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন: বাঙালী জাতি ২২ কোটি জনতার বলতে আপনি মনেহয় ওপাড় বাংলার কথাও বলেছেন?
আপনার সাথে পরে আলোচনা চালাবো।
আপাতঃত বলি সব পয়েন্টে একমত নই।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: ঐ মিয়া, কি যে কন? ওপার বাংলা আর এপার বাংলা তো আছেই, তার সাথে প্রবাসীরা আর বাদ যায় ক্যান? ইউরোপ, আমেরিকা, আরব সব প্রবাসীদের নেন ৷ এই দুনিয়ায় মোট বাংলাভাষী জনতার কথা বলতাছি ।
একমত না হতে পারেন ৷ সেই জন্যই তো বিতর্ক ৷ আপনার মতামত জানান ৷
৭|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
সিংহ বলেছেন: +
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার মতামতও জানাবেন।
৮|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০
শিট সুজি বলেছেন: মুসলমান রা ৪০০শত বছর ভারতবর্ষ শাসন করেছে । জবরদস্তি করলে ভারতে মুসলমানদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি থাকত । কিন্তু তা হয় নি । বাংলায় ও এরুপ কোন প্রমান নেই ।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: ভারতের কথা নয়, শুধু বাংলার কথা বলুন । আলোচনাটা বিদেশে ছড়িয়ে গেলে আশঙ্কা হয় যে আমরা আবার বাংলায় ফিরতে পারব না |
ভাই জবরদস্তি হয়েছে বলেই সংখ্যা এত বেশি । নাহলে সবাই সমান সমান থাকতাম । প্রচার সব ধর্মেই হয়েছে ।
৯|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কিছু কিছু ব্যাপার কিন্তু স্পষ্ট হলো না। ভারতবর্ষে ইসলাম রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালী হয়ে আসার ও প্রায় দুই শতাব্দী পরে বাংলায় মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। আবার, ইংরেজদের হাতে বাংলা বেদখল হবার পর ও এক শতাব্দী পর্যন্ত দিল্লীতে মোঘল শাসন চলেছে। তারপর ও অন্যান্য এলাকার চাইতে এখানকার মুসলমান জনসংখ্যা বেশী! জোরপূর্বক ধর্মান্তর একটু বেশীই হয়েছিল, বইকী?!
অন্যদিক হতে দেখতে গেলে, সপ্তম শতাব্দীতে ইসলাম প্রচারের সময় হতেই আরবীয় বনিক এবং পরবর্তীতে সুফী সাধকদের মাধ্যমে এ অঞ্চলে ইসলামের ভিত গড়ে ওঠে। খানজাহান আলী কিংবা শাহজালাল (র) এর মত কেউ অস্ত্রধারনে বাধ্য হয়তো হয়েছিলেন; তবে, এই অস্ত্রধারন ছিল অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে মুক্তি সংগ্রাম, যা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমর্থন পেয়েছিল।
সেন আমলে বৌদ্ধদের উপরে যে পরিমানে নির্যাতন ও দেশান্তরীকরণ হয়েছিল, তাতে মুসলিমদের আমলে কী পরিমান বৌদ্ধ অবশিষ্ট ছিল- তাই প্রশ্নসাপেক্ষ।
"১০০০সাল থেকে ১৫০০সাল পর্যন্ত প্রায় ৮০মিলিয়ন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। "- কথাটির রেফারেন্স দিলে ভালো হোত। এর আগে কখনো এরকম শুনিনি।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: সেন আমলে হিন্দু বৌদ্ধ বিবাদ কিছু থাকলেও নির্যাতন হয়েছিল এমন শুনিনি ৷ পারলে এর রেফারেন্স দিন ৷ সুফীরা অস্তধারনে বাধ্য হয়েছিলেন? না সেটা ছিল একটা অজুহাত? আরবরা যুদ্ধবাজ জাতি ৷ সুযোগ পেলেই অত্যাচার করে ৷ কৈ বাঙালী সুফী যেমন লালন ফকির এরা তো বিনা অস্ত্রেই মানুষের মন জয় করেছেন ৷
আসলে মুসলমান ধর্ম প্রচারকরা আমাদের জবরদস্তি ধর্মান্তরিত করেছে এটা আজকাল আমরা মানতে লজ্জা পাই ৷ যারা আমাদের পূর্বপুরুষদের অত্যাচার করেছে তাদের রক্ষা ও সমর্থন করতে নিজেদের রক্তের সম্বন্ধী পূর্বপুরুষদের ঘৃনা করি ৷ কয়েকদিন বাদে হয়ত আমরাই জেহাদী হয়ে বলব বাপ, মা, দাদা দাদী, নানা, নানী কেউ না ৷ ওদের গায়ে কাফেরদের রক্ত বইছে ৷
১০|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: প্লাস। সুন্দর প্রসংগ। আলোচনা চলুক।
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার মতামতও জানাবেন।
১১|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
প্রলাপ বলেছেন: সজল শর্মা বলেছেন: "১০০০সাল থেকে ১৫০০সাল পর্যন্ত প্রায় ৮০মিলিয়ন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে"--
কন কি? বাঙালী কি তাইলে সেই আদিকাল থিকাই অতি ঊর্বর ছিল? এত লোক (আট কোটি) আইলো কই থিকা।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: সজল বোধহয় বাংলা নয় সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের কথা বলেছে |
১২|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯
নরাধম বলেছেন: প্রলাপ বলেছেন: সজল শর্মা বলেছেন: "১০০০সাল থেকে ১৫০০সাল পর্যন্ত প্রায় ৮০মিলিয়ন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে"--
কন কি? বাঙালী কি তাইলে সেই আদিকাল থিকাই অতি ঊর্বর ছিল? এত লোক (আট কোটি) আইলো কই থিকা।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: সজল ভাই উত্তর দিয়েছেন।
১৩|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
সজল শর্মা বলেছেন: @নরাধম: আমি ভারতবর্ষের পরিসংখ্যান বলেছি।
@তায়েফ আহমাদ : রেফারেন্স না দিলে কেউ দেখি বিশ্বাস করেনা। ভাইরে আমি ধর্ম প্রচারে আসিনি। তথ্য দিয়েছি যখন তখন রেফারেন্স তো থাকবেই। অনেক আগে প্রথম আলোর অন্য আলোতে কাটা মাথা দিয়ে বানানো পিরামিডের কথা পড়েছিলাম যার উদাহরণে উপমহাদেশের ইতিহাসও এসেছিল- অনেকের সাথে আকবরের দাদা বাবরও ছিলেন এই ইতিহাসে। যাক- অস্পষ্ট উদাহরণ দিয়ে লাভ নেই।লিংক:
Click This Link
অনেক মুসলিম ঐতিহাসিকের লেখায়ও ভারতবর্ষে মুসলিম আগ্রাসন আর রক্তপাতের ঘটনা উঠে এসেছে।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: অনেক মুসলিম ঐতিহাসিকের লেখায়ও ভারতবর্ষে মুসলিম আগ্রাসন আর রক্তপাতের ঘটনা উঠে এসেছে।
ঠিক কইসেন। দুচারজন হলেও হত তবে এত বড় ধর্মান্তর জরবদস্তি ছাড়া সম্ভব কি? কুনো হিন্দু পীর আইলে তায়েফ ভাই নিজে কি আর হিন্দু হইব?
তবে বাংলার কনটেক্সে কথা হইলে বালা হইত ।
১৪|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
সজল শর্মা বলেছেন: শিট সুজি বলেছেন: মুসলমান রা ৪০০শত বছর ভারতবর্ষ শাসন করেছে । জবরদস্তি করলে ভারতে মুসলমানদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি থাকত । কিন্তু তা হয় নি । বাংলায় ও এরুপ কোন প্রমান নেই ।
- কি বলেন ভাই? আর কত বাড়াবেন। বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মত মুসলিম জনবহুল দুটি দেশ হলো- আজকের এই ইতিহাস তো পেছনের ইতিহাসেরই ফলাফল। তাই নয় কি?
যাই হোক- পেছনের ইতিহাস নিয়ে ভেবে লাভ নেই। বর্তমান নিয়েই শান্তিতে থাকা উচিৎ।
১৫|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৮
এম শফিক বলেছেন: ইসলাম সম্পর্কে কতটুকু জানেন......? আগে ভালো করে জানুন......। ইসলাম সম্পর্কে আজেবাজে লিখে ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করার অন্যায়...।।
১৬|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩১
দেশী পোলা বলেছেন: ধর্ম কোন ফ্যাক্টর না, আসল জিনিষ হল অন্চল বা গোত্রভিত্তিক সাম্প্রদায়িকতা।
উপমহাদেশের ঐতিহ্য অনুযায়ী সাম্প্রদায়িক স্বার্থের জন্য মানুষ-মানুষের গলা কেটে দু-ভাগ করে দেবে, যার গলা কাটবে, সে হিন্দু না মুসলমান, বিহারী না বাঙ্গালি, সেটা গলা কাটার সময় মনে থাকে না।
বিদেশে এসে অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়েও যখন বাঙ্গালি জাতি ছাগলনাইয়া বা সীতাকুন্ড সমিতির জন্য মারামারি করে অন্যের মাথা ফাটায়, তখন এই অন্চল-ভিত্তিক বা গোত্রভিত্তিক সাম্প্রদায়িকতার প্রমাণ দেখা যায়।
এগুলো আমাদের আদিম প্রবৃত্তি, অন্য গোত্রের মানুষ মেরে বউ-গরু-ধন-দৌলত কেড়ে নিতে কে হিন্দু বা কে মুসলমান, অত দেখার সময় থাকে নাকি??
১৭|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৪
নাজিম উদদীন বলেছেন: সবগুলো ফ্যাক্টরই দায়ী।
১৮|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
আতিকুল হক বলেছেন: তীব্র সাম্প্রদায়িক গন্ধযুক্ত পোস্ট। তাই মাইনাস দিলাম।
বাংলাদেশে খুব অল্প সংখ্যক বাদে সবাই কনভার্টেড মুসলিম। আমার পূর্বপুরুষ হিন্দু ছিলেন এটা স্বীকারে সমস্যার কিছু দেখিনা আমি। বরং আমি গর্ববোধ করি যে আমার পূর্বপুরুষ এদেশের মাটির সন্তান।
জোর করে ধর্মান্তরের ফর্মুলাটার একটা খুব দূর্বল জায়গা আছে। বাংলায় মুসলমান শাসন এসেছে ভারতবর্ষের মধ্যে সবার পরে। বাংলায় এমন বিশেষ কি ছিল, যে জোর করে ধর্মান্তরের জন্য এ জায়গাটাকেই বেছে নিতে হল। বরং এর উল্টো থিওরীটাই আমার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। ভারতবর্ষের অন্য জায়গাগুলোতে মুসলমানরা প্রথমে এসেছে শাসক হিসেবে, তাই মানুষের মনে তাদের ততটা জায়গা হয়নি। বাংলায় ইসলাম প্রথম এসেছে সুফী সাধকদের হাত ধরে। তাই ইসলামের জায়গা হয়েছে মানুষের মনে। সুফীবাদ এদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের মানসিকতার সাথে খুব বেশি মেলে। আর হিন্দু ধর্মের বর্ণপ্রথা এক্ষেত্রে প্রভাবকের কাজ করেছে বলাই যায়।
@সজল শর্মা: আপনি বললেন আশি মিলিয়ন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। আপনার রেফারেন্সে বলা আছে হিন্দুদের জনসংখ্যা আশি মিলিয়ন কমে যায়। বাংলায় মুসলমানরা কিন্তু প্রায় সবাই কনভার্টেড। কনভার্টেড হলেও কিন্তু জনসংখ্যা কমে। এ ধরনের কৌশলগত ধাপ্পাবাজি করলে বিশ্বাসযোগ্যতা কমে।
১৯|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৩
'লেনিন' বলেছেন: ইউরোপীয় বিভিন্ন অভিযানেও ধর্মান্তরিত করা হয়েছে, যেখানেই গিয়েছে চার্চ করেছে সবাই সবার মতো আগ্রাসন করেছে। তেমনি এখানেও ঘটেছে। অস্বাভাবিক তো কিছু নয়।
২০|
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমার মতে- বাকি ফ্যাক্টরগুলোর ভূমিকাও কিছু কিছু আছে- তবে ১ নম্বরটিই প্রধান।
১. হিন্দু ধর্মের বর্ণাশ্রম প্রথা তথাকথিত নিম্নবর্ণ হিন্দুদের বাধ্য করেছিল ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে ৷
এই ফ্যাক্টরের সাথে যে কটি সম্পূরক প্রশ্ন করেছেন সেগুলোর ব্যাপারে আমার মত:
তাহলে বলতে হয় আমাদের পূর্বপুরুষরা সবাই মুচি, মেথর, চাকর বাকর ছিল ৷ =>> অবশ্যই তাই- আমাদের এখানকার মুসলামানদের অধিকাংশের রুট নিম্নবর্গের হিন্দুরা। অল্প কিছু পাওয়া যাবে বহিরাগত মুসলমান।
কতিপয় বর্ণহিন্দুরা আমাদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে চালিত করত গ্রামে গ্রামে ৷ দেশে খালি শুদ্ররা ছিল আর বাকি বর্ণের মানুষ গুটিকয় ছিল এটা কি সম্ভব?
=>> হুম এটা সম্ভব এবং এটাই ছিল। শুদ্র তথা নিম্নবর্গের হিন্দুরাই ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ।
কিছু মানুষের ধর্মান্তর এইপথে হলেও পুরো বাঙালী জাতির ধর্মান্তর এভাবে হতে পারে কি?
=>> এটা কিভাবে হলো- তা কিছু তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে বলতে হবে- এবং কিভাবে এই প্রক্রিয়াটা ঘটলো সেটা কিছুটা গবেষণার বিষয়ও বটে। মোটাদাগে বলা যেতে পারে- পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে উচ্চবর্ণের হিন্দুর তুলনায় নিম্নবর্ণের হিন্দুর বাস থাকার সম্ভাবনা বেশী- এটা অন্যতম কারণ।
২১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৬
কানা বাবা বলেছেন:
পুস্টে পিলাচ্... দ্যাকা জাক্ বেবাক্তে কী কৈতে চায়...
গ্যালারিতে থাকি...
২২|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৮
কাঠ মোল্লা বলেছেন: বাঙালী জাতি সংখ্যায় ২২ কোটি জনতার ৷ আর বাঙালী মূলত মসলমান ধর্মালম্বী ৷ এছাড়া অবশ্য হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান আছেন তবে তারা সংখ্যায় কম ৷
মুসলমান কিছু বেশি কারণ তাদের মধ্যে অধিক জন্মহার।
ভারকের কোটি কোটি বাঙালী হিন্দু কৈ গেলো?
২৩|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২০
কাঠ মোল্লা বলেছেন: গবেষণামূলক পোস্টে প্লাস
২৪|
১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৪
এরশাদুর রহমানা বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ, সুন্দর একটা বিষয়ের অবতারনা করার জন্য। আমার পূর্ব পুরুষ ইসলামে দিক্ষীত হয়েছিলেন এটা সত্য। আর তাদেরকে যে, জোর পূর্বক মুসলমান করা হয় নি এটাও সত্য। ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখিতয়ার খিলজী মাত্র ১৭ জন ঘোড় সওয়ার নিয়ে বাঙ্গলা অভিযান চালালে হিন্দু রাজা (নাম মনে নেই) পেছন দরজা দিয়ে পালিয়ে গেলেন। এতে বোঝা যায় তাদের জন সমর্থন ছিলনা।
ইসলাম এ অঞ্চলে প্রথমে সূফী-দরবেশদের মাধ্যমে এসেছে এবং নওমুসলিমদের উপর যখন অত্যাচার চালিয়েছে তখন বর্তমান শ্রীলংকা থেকে এক মুসলিম নারীর পত্র মারফত তৎকালীন মুসলিম খলীফা হাজ্জাজ বিন ইউসুফের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নিজ ভাতিজা মুহাম্মদ বিন কাসিমকে ভারত উপমহাদেশে প্রেরণ করেন। শাহজালাল, শাহ মখদুম (র.) দের জীবনী পড়লে দেখা যায় তারা নিজ ধর্মীয় আচার আচরণ পালন করতে গেলে স্থানীয় হিন্দু রাজারা তাদের বিরুদ্ধে সৈন্য প্রেরণ করলে যুদ্ধ হয়। মুসলমানেরা কখনোই আগে অস্ত্র ধরে নি। কিন্তু অস্ত্র দেখে পিছপা হয়নি।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩
রুখসানা তাজীন বলেছেন: হুমম জানা দরকার।